Published on Nov 12, 2025 Updated 0 Hours ago

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নয়, বরং কারচুপির নির্বাচন এবং ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী তদন্তের আগে সামরিক নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রকাশের জন্য মায়ানমারের হুন্তা জরুরি শাসনের অবসান ঘটায়।

আবরণ উন্মোচন: জরুরি শাসনের বাইরে হুন্তার কৌশলী পরিবর্তন

২০২৫ সালের ৩১ জুলাই মায়ানমারের সামরিক হুন্তা ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি হওয়া সামরিক অভ্যুত্থানের ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য প্রণীত আদেশ নং ১/২০২১  বাতিল করে দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা অবসান ঘটায়মিন অং হ্লাইং স্বাক্ষরিত আদেশ নং ১/২০২৫-এর মাধ্যমে এমনটা হয়রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এমআরটিভি অনুসারে, মায়ানমারের জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদ (এনডিএসসি) রাজ্য প্রশাসন পরিষদ (এসএসি) ভেঙে দেয় এবং ইউ নিও সা-র নেতৃত্বে একটি নতুন ইউনিয়ন সরকার গঠন করে, যার সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এই ঘোষণায় মিন অং হ্লাইং-এর তত্ত্বাবধানে ১১ সদস্যের একটি কমিশন গঠনও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা তাঁর নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করে। হুন্তা একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে একজন সামরিক জেনারেলের তত্ত্বাবধানে একটি তথাকথিত শৃঙ্খলাবদ্ধ বহুদলীয় নির্বাচন’-র প্রস্তুতি শুরু করেছে।

জরুরি অবস্থা জারির অবসান সাংবিধানিক মাইলফলক হতে পারে, তবে এটি  সম্ভবত একটি কৌশলগত সাধনীপ্রকৃত রূপান্তরের ইঙ্গিত দেওয়ার চাইতেও উল্লেখযোগ্য এই পদক্ষেপটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক বৈধতা নিশ্চিত করা এবং সাবধানে সংগঠিত নির্বাচনের ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যে বলে মনে হচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী তদন্তের মধ্যে এই পুনর্গঠন একটি গভীর প্রশ্ন উত্থাপন করে: এটি কি রাজনৈতিক উদ্বোধনের সূচনা না কি হুন্তার সমীকরণের অঙ্কের সর্বশেষ রূপক?

একটি কৌশলী ছাড়?

হুন্তার মুখপাত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে দাবি করেছেন যে, জরুরি অবস্থা তার কর্তব্য পালন করেছে' এবং দেশ এখন দীর্ঘ প্রতিশ্রুত নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। আপাতদৃষ্টিতে, এটিকে সাংবিধানিক স্বাভাবিকতায় ফিরে আসা বলে চিত্রিত করার প্রচেষ্টা হিসাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এটি ২০০৮ সালের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ছমাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এর লক্ষ্য দুটি: প্রথমত, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আঞ্চলিক চাপ কমানো এবং দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক স্বাভাবিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের একটি মুখোশ তুলে ধরা, যাতে দেশীয় জনগণকে আশ্বস্ত করা যায় এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করা যায়।

তা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপটি সাংবিধানিকের চাইতেও বেশি কৌশলগত বলে মনে হচ্ছে। এনডিএসসি সাংবিধানিক ভাবে একটি বেসামরিক-সামরিক সংস্থা তবে এটি এখনও সামরিক বাহিনীর আধিপত্যে রয়ে গিয়েছে। কারণ এতে ১১ জনের মধ্যে ছজন সামরিক বাহিনী-নিযুক্ত সদস্য রয়েছেন - যার মধ্যে কম্যান্ডার-ইন-চিফ এবং গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা মন্ত্রীরাও রয়েছেন। তাই সুরক্ষা ব্যবস্থা দৃঢ় ভাবে মিন অং হ্লাইং এবং তাঁর কম্যান্ডারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে, ক্ষমতার কোনও উল্লেখযোগ্য হস্তান্তর ঘটেনি। অতএব, যা পরিবর্তিত হয়েছে তা হল ক্ষমতা নয়, বরং আখ্যান।

জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার মাধ্যমে হুন্তা অভ্যন্তরীণ আন্তর্জাতিক ভাবে নিজেকে পুনর্নির্মাণ করতে চাইছে - কেবল সামরিক আইনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকা একটি শাসনব্যবস্থা হিসেবে নয়, বরং নির্বাচনী গণতন্ত্রের জন্য প্রস্তুত একটি বৈধ শক্তি হিসেবে এর লক্ষ্য দুটি: প্রথমত, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আঞ্চলিক চাপ কমানো এবং দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক স্বাভাবিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের একটি মুখোশ তুলে ধরা, যাতে দেশীয় জনগণকে আশ্বস্ত করা যায় এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করা যায়।

কৌশলগত ক্ষতির মধ্যে কৌশলগত পশ্চাদপসরণ

এই আখ্যান কৌশলটি অবশ্যই কিছু গভীর দুর্বলতাকে আড়াল করে দেয়২০২৩ সালের শেষের দিকে থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স কর্তৃক অপারেশন ১০২৭ চালু হওয়ার পর থেকে হুন্তা বড় ধরনের আঞ্চলিক কৌশলগত ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছে। তারা উত্তর শান, রাখাইন, চিন সাগাইং অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর সীমান্ত বাণিজ্য পোস্টগুলির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আরাকান সেনাবাহিনী (এএ) পশ্চিম মায়ানমারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, যেখানে কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কেআইএ) এবং মিত্র প্রতিরোধ বাহিনী উত্তর ও পূর্বে হুন্তার উপস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে চলেছে।

মিলিশিয়া গোষ্ঠীর অনানুষ্ঠানিক নিয়োগ, অবসরপ্রাপ্তদের পুনরায় তালিকাভুক্তি জোরপূর্বক নিয়োগ এই সবই ইঙ্গিত দেয় যে, শাসনব্যবস্থা চাপের মধ্যে রয়েছে।

সামরিক বাহিনীর উপর চাপ বেড়েছে, মনোবল কমে গিয়েছে এবং বাহিনী ছেড়ে কর্মীদের বেরিয়ে যাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে বলে জানা গিয়েছেমিলিশিয়া গোষ্ঠীর অনানুষ্ঠানিক নিয়োগ, অবসরপ্রাপ্তদের পুনরায় তালিকাভুক্তি জোরপূর্বক নিয়োগ এই সবই ইঙ্গিত দেয় যে, শাসনব্যবস্থা চাপের মধ্যে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়াকে প্রকৃতপক্ষে কোনও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ত্যাগ না করে সামরিক ভাবে পুনর্গঠনের কৌশলগত বিরতি হিসেবেও দেখা যেতে পারে। হুন্তার বৃহত্তর লক্ষ্য হতে পারে যে, তারা যে অঞ্চলগুলি এখনও শাসন করে সেখানে সীমিত, কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন আয়োজন করা এবং অগ্রগতির একটি বিভ্রম তৈরি করে তার অবশিষ্ট কর্তৃত্বকে শক্তিশালী করা।

নির্বাচন একটি হাতিয়ার, লক্ষ্য নয়

জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার পর সম্ভাব্য নির্বাচনের ঘোষণাকে মুখোশ হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। সামরিক শাসনব্যবস্থার ইতিহাস ইঙ্গিত দেয় যে, নির্বাচন প্রায়শই একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার চেয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়। সামরিক কর্তৃপক্ষ-প্রণীত ২০০৮ সালের সংবিধান তাতমাডো-কে (মায়ানমারের সেনাবাহিনী) পার্লামেন্টের আসনের ২৫ শতাংশ এবং সাংবিধানিক সংশোধনীর উপর পর্যাপ্ত ভেটো ক্ষমতা প্রদান করে। এই ধরনের কাঠামোর অধীনে যে কোন নির্বাচনী প্রক্রিয়া - বিশেষ করে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) এবং শান ন্যাশনালিটিজ লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এসএনএলডি) মতো প্রধান রাজনৈতিক দলগুলিকে নিষিদ্ধ করা এবং তাদের নেতাদের জেলে পোরা বা অযোগ্য ঘোষণা করা - একটি সুষ্ঠু বা অন্তর্ভুক্তিমূলক ফলাফল আনার সম্ভাবনা কম।

সর্বোপরি, সীমিত পরিসরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও, তারা সম্ভবত সংঘাত-প্রবণ এলাকাগুলিকে বাদ দেবে যেখানে প্রতিরোধ বাহিনী নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে, গস্ট কাচিন, কারেনি (কায়া), কারেন, রাখাইন, শান চিন স্টেটের বেশিরভাগ অংশে পাশাপাশি সাগাইং, মান্দালয় মাগওয়ে অঞ্চলে তিন মাসের সামরিক আইন জারি করা হয়েছে - যা বিরোধপূর্ণ অঞ্চল এবং অস্থিতিশীলতার মাত্রাকে তুলে ধরে। এই বর্জনীয় পদ্ধতিটি কার্যত দ্বি-রাষ্ট্রীয় বাস্তবতাকে দৃঢ় করার ঝুঁকিপূর্ণ: হুন্তা-নিয়ন্ত্রিত ছিটমহল এবং প্রতিরোধ-শাসিত মুক্ত অঞ্চল। দ্বৈত সার্বভৌমত্ব-সহ দ্বি-ভাগে বিভক্ত মায়ানমার জাতীয় পুনর্মিলনকে আরও অধরা করে তুলবে।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মাত্রা

আঞ্চলিক ব্লক অর্থাৎ অ্যাসোসিয়েশন ফর সাউথ-ইস্ট এশিয়ান নেশনস (আসিয়ান) মূলত পাঁচ দফা ঐকমত্যের মাধ্যমে হুন্তাকে অর্থপূর্ণ সংলাপ বা যুদ্ধবিরতির দিকে ঠেলে দেওয়ার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে, যা তাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়ার মতো সদস্য দেশগুলির একাধিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও হুন্তা মূলত উপেক্ষা করে চলেছে। জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার হুন্তার ইঙ্গিত আংশিক ভাবে আসিয়ান সমালোচকদের শান্ত করা এবং আঞ্চলিক মঞ্চগুলিতে পুনঃপ্রবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হতে পারে যেখান থেকে এটি ২০২১ সাল থেকে বাদ পড়েছিল এবং ২০২৪ সালে কেবল আংশিক ভাবে পুনরায় সংহত হয়েছিল।

হুন্তার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে চিন সীমান্ত অঞ্চলে তার বিনিয়োগ প্রভাব রক্ষা করার জন্য জাতিগত সশস্ত্র সংস্থা (ইএও) এবং জাতীয় ঐক্য সরকারের (এনইউজি) সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাও প্রসারিত করেছে। একই সঙ্গে এটি সংঘাতের দৃশ্যপট স্থিতিশীল করার এবং সম্ভাব্য কারচুপির নির্বাচনে সমর্থন করার লক্ষ্যে ইএও-কে শান্তি আলোচনায় প্রবেশের জন্য চাপ দিয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগ্রহ অর্জন করছে বলে মনে হচ্ছে। উভয় পক্ষের সঙ্গে জড়িত থাকলেও ভারত সতর্ক রয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্তে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতার উদ্বেগের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছে তারা। গণতান্ত্রিক প্রতিবেশী দেশ ভারত বেশ কয়েক বার সামরিক শাসনব্যবস্থাকে অবাধ, সুষ্ঠু অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানালেও হুন্তা বর্তমান নির্বাচনী পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট বিবৃতি জারি করেনি এই সব কিছুই জটিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যে তাদের সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে। জাপান মায়ানমারের পরিকল্পিত নির্বাচন নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছে যে, বিদ্যমান সংঘাত মূল অংশীদারদের বাদ দিলে এগুলিকে বৈধ বলে মনে করা যাবে না এবং জাপানের অনেক মানুষই মায়ানমারে আটক রয়েছেন। পশ্চিমি সরকারগুলির জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে প্রকৃত পদক্ষেপ না নিলে এই পদক্ষেপকে সন্দেহের চোখে দেখা হবে।

মায়ানমারের হুন্তার জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার ঘটনাকে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পূর্বাভাস বা সদিচ্ছার লক্ষণ হিসেবে দেখা যেতে পারে না। ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ চাপ এবং আন্তর্জাতিক তদন্তের মধ্যে সামরিক বাহিনীকে পুনঃস্থাপন করার জন্য এটি একটি কৌশলগত পুনর্বিন্যাস হিসাবে রয়ে গিয়েছে

বেসামরিক প্রতিরোধ এবং সামনের পথ

এনইউজি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলির জন্য জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার ফলে বাস্তবে খুব একটা পরিবর্তন নিয়ে আসে না। প্রতিরোধ বাহিনী দাবি করেছে যে, তারা আসন্ন নির্বাচন বয়কট করবে, যা তাদের আশঙ্কা অর্থাৎ মূলত তাদের অবস্থানে কোনও অর্থবহ পরিবর্তন আনবে না। অনেক ক্ষেত্রে সশস্ত্র সংগ্রাম সমান্তরাল প্রশাসন অব্যাহত থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক শক্তিদের উপর চাপ সৃষ্টি করে একটি সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ প্রক্রিয়ার জন্য হুন্তার সিদ্ধান্ত নতুন কূটনৈতিক কৌশলের জন্য জায়গা খুলে দিতে পারে, যাতে আলোচনায় এনইউজি, জাতিগত নেতারা নাগরিক সমাজ অন্তর্ভুক্ত থাকে।

একই সঙ্গে এই পদক্ষেপ প্রতিরোধ বাহিনীকে শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করতে পারে। যদি শক্তির পরিবর্তে হতাশার লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, তবে এটি বিরোধী শক্তির মধ্যে সমন্বয় ত্বরান্বিত করতে পারে এবং অবশিষ্ট হুন্তা প্রতিষ্ঠানগুলিকে ভেঙে ফেলার প্রচারণা তীব্রতর করতে পারে।

সুতরাং, মায়ানমারের হুন্তার জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার ঘটনাকে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পূর্বাভাস বা সদিচ্ছার লক্ষণ হিসেবে দেখা যেতে পারে না। ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ চাপ এবং আন্তর্জাতিক তদন্তের মধ্যে সামরিক বাহিনীকে পুনঃস্থাপন করার জন্য এটি একটি কৌশলগত পুনর্বিন্যাস হিসাবে রয়ে গিয়েছে হুন্তা যখন দেশের কিছু অংশে কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন বিপদ হল ভাসা ভাসা ইঙ্গিতগুলিকে বাস্তব সংস্কারের জন্য ভুল আলোকে দেখা। মায়ানমারে প্রকৃত শান্তি ও গণতন্ত্রের পথে কেবল নিয়ম পরিবর্তনই নয়, বরং কারা নিয়ম লিখবে তার পরিবর্তনও জরুরি

 


শ্রীপর্ণা ব্যানার্জি অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ  প্রোগ্রামের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

 


নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.