Author : Nilanjan Ghosh

Expert Speak Raisina Debates
Published on Mar 24, 2026 Updated 0 Hours ago

জলবায়ু ঝুঁকি যখন তীব্রতর হচ্ছে, সেই সময় শিশুদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ আর শুধু সামাজিক অগ্রাধিকার নয়এটি যে কোনও গুরুতর অভিযোজন কৌশলের ভিত্তি।

জলবায়ু অভিযোজনের জন্য শিশুদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ

রাষ্ট্রপুঞ্জ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) কর্তৃক প্রকাশিত "দ্য স্টেট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’‌স চিলড্রেন ২০২৫" (এসওডব্লিউসি) প্রতিবেদনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে শিশুরা উন্নয়নের আকস্মিক সুবিধাভোগী নয়; তারা এর মূলে রয়েছে। তারাই ভবিষ্যতের উন্নয়নের চালিকাশক্তি। স্থিতিশীল বৃদ্ধি, সামাজিক ন্যায্যতা এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা থেকে শুরু করে ভারত সরকারের "বিকশিত ভারত@২০৪৭" (অর্থাৎ ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০তম বর্ষের মধ্যে একটি উন্নত জাতি হিসেবে বিকশিত হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা) পর্যন্ত প্রতিটি মানবিক আকাঙ্ক্ষা মূলত শিশুদের কল্যাণ, ক্ষমতা ও সুযোগের উপর নির্ভর করে।

এসওডব্লিউসি যুক্তি দেয় যে শৈশবকালীন দারিদ্র্য অপ্রতুল বৈশ্বিক সম্পদের ফল নয়, বরং ভুল অগ্রাধিকারের ফল। বর্তমানে, ৪১২ মিলিয়ন শিশু চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে (প্রতিদিন ৩.০০ মার্কিন ডলারেরও কম অর্থে জীবনধারণ করে)। দারিদ্র্যের সীমা দৈনিক ৮.৩০ মার্কিন ডলার হিসাবে নির্ধারণ করার পর, যা উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আর্থিক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী শিশুদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে প্রায় ১.৪ বিলিয়নে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এ শুধু বঞ্চনার পরিসংখ্যান নয়; এগুলি দুর্বল মানব পুঁজি গঠন, স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস এবং জীবনযাত্রার ঝুঁকির সূচক।


জলবায়ু পরিবর্তন হল শিশুদের সামনে সবচেয়ে গুরুতর হুমকির গুণক।



২০২৫-‌এর প্রতিবেদনটি একটি স্পষ্ট বাস্তবতার শক্তিশালী উপস্থাপনা — জলবায়ু পরিবর্তন হল শিশুদের জন্য সবচেয়ে গুরুতর হুমকির গুণক। বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচ শিশুর মধ্যে চারজন এখন বছরে কমপক্ষে একটি বড় জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি হয়। শুধুমাত্র ২০২৩ সালে দুর্যোগ ৯০ লক্ষ শিশুকে বাস্তুচ্যুত করেছে। ২০৫০ সালের মধ্যে তাপপ্রবাহ, বন্যা ও দাবানলের পুনরাবৃত্তি ও মাত্রা, যার মুখোমুখি হতে হবে শিশুদের, তা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই ব্যাঘাতগুলি শুধু পরিবেশগত ঘটনা নয় — জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অন্য বিভিন্ন স্থিতিশীল উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) ছেদবিন্দুগুলি এখন সুপ্রতিষ্ঠিত। শিশু দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা সহ মানব পুঁজির প্রেক্ষাপটে, জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর প্রভাব রয়েছে। জলবায়ু শক্তিগুলি পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্কুলিং, নিরাপত্তা, উপার্জন ক্ষমতা এবং মানসিক সুস্থতার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। অতএব, প্রতিটি বাধাগ্রস্ত স্কুল-‌বছর, জলবায়ু দুর্দশার কারণে সৃষ্ট প্রতিটি অভিবাসন, এবং তাপপ্রবাহ বা বন্যার কারণে সৃষ্ট অপুষ্টির প্রতিটি পর্বের আকারে শিশুদের উপর সৃষ্ট প্রতিটি ব্যাঘাত ভবিষ্যতের মানব পুঁজির ভিত্তির উপর সরাসরি আক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত।

অভিযোজনে বিনিয়োগ হিসেবে শিশুদের জন্য বিনিয়োগ

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপুঞ্জের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) অভিযোজন ব্যবধান প্রতিবেদন ২০২৫ এই স্পষ্ট বাস্তবতা তুলে ধরে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বর্তমান প্রবাহের তুলনায় ১২-১৪ গুণ বেশি। এর প্রধান কারণ হল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, অভিযোজন প্রকল্পগুলি বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক স্থাপত্য দ্বারা "ব্যাঙ্কযোগ্য"  নয়, কারণ এর ফলে বিনিয়োগের উপর অদৃশ্য রিটার্ন (আরওআই)-‌সহ জনসাধারণের জন্য পণ্য তৈরি হয়। এটি তহবিলের উত্তর-দক্ষিণ প্রবাহের জন্য একটি সমস্যা তৈরি করে, যদিও গ্লোবাল সাউথের জন্য অভিযোজনের প্রয়োজনীয়তা এই সত্যের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে যে উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত বিশ্বের বৃহৎ অংশ জলবায়ুগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অভিযোজনের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। অন্যদিকে, একটি দক্ষ, শিক্ষিত এবং সুস্থ জনগোষ্ঠীর অভিযোজন ক্ষমতা অনেক বেশি। দক্ষতা অর্জন  অভিযোজনের বিকল্পগুলিকে চালিত করলেও, কম দক্ষ ও অস্বাস্থ্যকর জনগোষ্ঠীর তুলনায় সমৃদ্ধ মানব পুঁজির সমস্ত ক্ষেত্র ও রাজনৈতিক সীমানা জুড়ে পেশাগত গতিশীলতা ও অভিবাসনের সুযোগ বেশি থাকে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রতিবেদনে জলবায়ু অভিযোজনের মূল ক্ষেত্র হিসেবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উপর জোর দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবুও, বিরোধপূর্ণভাবে, বিশ্বব্যাপী অভিযোজন অর্থায়নের খুব সামান্য অংশই এই ক্ষেত্রগুলিতে পৌঁছয় — স্বাস্থ্যের জন্য প্রায় ৬ শতাংশ এবং শিক্ষার জন্য মাত্র ১.৩ শতাংশ। এই সংখ্যাগুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ অসঙ্গতি প্রতিফলিত করে, কারণ স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মৌলিক শিক্ষা দীর্ঘমেয়াদে জনসংখ্যার অভিযোজন ক্ষমতা তৈরি করে। যে শিশু সুস্থ, জ্ঞানীয়ভাবে শক্তিশালী, পুষ্টিগতভাবে সুরক্ষিত, এবং আবেগগতভাবে স্থিতিস্থাপক হয়ে বেড়ে ওঠে, সে জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ধাক্কার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে, উদ্ভাবন করতে এবং সহ্য করতে সক্ষম একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠে। অতএব, জলবায়ু অভিযোজন সেই ব্যবস্থা দিয়ে শুরু করা উচিত যা শিশুদের লালন-পালন করে। অন্য কথায়, শিশুদের সুস্থ ও শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য শিশুদের জন্য বিনিয়োগ বণ্টনমূলক ন্যায়বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকে ন্যায্যতার উদ্দেশ্যে কাজ করে, এবং, এর ফলে যেমন দারিদ্র্যের ফাঁদ এড়ানো যায়, তেমনই ভবিষ্যতের জন্য একটি উৎপাদনশীল মানব মূলধন ভিত্তি তৈরির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং জলবায়ু অভিযোজন ক্ষমতা স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে।


যে শিশু সুস্থ, জ্ঞানীয়ভাবে শক্তিশালী, পুষ্টিগতভাবে সুরক্ষিত, এবং আবেগগতভাবে স্থিতিস্থাপক হয়ে বেড়ে ওঠে, সে জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ধাক্কার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে, উদ্ভাবন করতে এবং সহ্য করতে সক্ষম একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠে।



তবে, উন্নয়নশীল বিশ্বের বেশিরভাগ অংশে তীব্র আর্থিক চাপের মুহূর্তে এই চ্যালেঞ্জটি দেখা দিয়েছে। প্রায় ৪৫টি দেশ এখন স্বাস্থ্যের চেয়ে সুদের উপর বেশি ব্যয় করে, এবং ২২টি দেশ শিক্ষার চেয়ে সুদের উপর বেশি ব্যয় করে। সাহায্য বাজেট সংকুচিত হয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাজেট কড়া হচ্ছে, এবং সামাজিক ক্ষেত্রে বরাদ্দ সামষ্টিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। উপসংহারটি এড়ানো অসম্ভব: ক্রমবর্ধমান জলবায়ু ঝুঁকির বিশ্বে শিশু বিকাশে সহায়তা করার জন্য সরকারি অর্থায়ন অপরিহার্য হলেও এখন আর যথেষ্ট নয়। একটি নতুন অর্থায়ন চুক্তি, যা বেসরকারি মূলধন, জনহিতকর সম্পদ, প্রভাব-সংযুক্ত উপকরণ এবং মিশ্র অর্থায়নকে একত্রিত করে, তা বর্তমান সময়ের দাবি।

শিশুদের বিনিয়োগের অর্থনীতি এই বিষয়টিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, সাধারণত   স্থিতিস্থাপকতায় বিনিয়োগ করা প্রতিটি মার্কিন ডলার এক দশকের মধ্যে ১০ মার্কিন ডলারের মতো লাভ  নিয়ে আসে । প্রতি শিশুর জন্য এককালীন ১৮.৫১ মার্কিন ডলার   বিনিয়োগ জলবায়ু ধাক্কার সময় শেখার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে পারে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের ২০১৮ সালের এক আনুমানিক হিসেব অনুসারে, ৩৪টি উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশে বিশ্বের ৯০ শতাংশ খর্বাকৃতির শিশু রয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় যে ১০ বছর ধরে ধীরে ধীরে পুষ্টিকর হস্তক্ষেপ কর্মসূচি চালু করার ফলে লাভের হার ছিল ১৭ শতাংশ, যার সংশ্লিষ্ট সুবিধা-ব্যয় অনুপাত ১৫:১। একইভাবে, মৌলিক শিক্ষার উন্নতির ফলে আজীবন উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে লাভ হয়, যা বেশিরভাগ ভৌত মূলধন বিনিয়োগের লাভকে ছাড়িয়ে যায়। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উভয় দিক থেকেই এগুলি অসাধারণ হারের রিটার্ন। শিশুরা ভবিষ্যতের মানব পুঁজির বিশ্বের বৃহত্তম ভাণ্ডার গঠন করে, এবং যে দেশগুলি এই ভাণ্ডারে বিনিয়োগ করে না তাদের তুলনায় অন্যরা পদ্ধতিগতভাবে এগিয়ে যায়।

অনুঘটক মূলধন এবং ব্যক্তিগত উৎস

রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বিশ্বস্ত চাহিদার কারণে অর্থায়নের সরকারি উৎস ব্যর্থ হওয়ায়, এই মানব পুঁজি এবং জলবায়ু অভিযোজন সংযোগ পূরণের জন্য এমন একটি নতুন ধরনের ব্যক্তিগত মূলধন গঠন করা প্রয়োজন যা কাঠামোগত, অনুঘটন ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শিশু উন্নয়নে বিনিয়োগ সরকার ও জনহিতকর খেলোয়াড়দের একচেটিয়া ক্ষেত্র থাকতে পারে না, বরং একটি বৃহত্তর আর্থিক বাস্তুতন্ত্রের প্রয়োজন। ইমপ্যাক্ট বন্ড, শিশু-সংবেদনশীল অভিযোজন বন্ড, মিশ্রিত অর্থায়ন প্ল্যাটফর্ম, এবং পরিবেশগত, সামাজিক ও শাসন (ইএসজি)-সংযুক্ত স্থিতিস্থাপকতা পোর্টফোলিওর মতো উদ্ভাবনী উপকরণ বিনিয়োগকে ঝুঁকিমুক্ত করতে পারে এবং শিশুদের ফলাফলের পরিমাপযোগ্য উন্নতির সঙ্গে আর্থিক রিটার্নকে সংযুক্ত করতে পারে। জনহিতকর ক্ষেত্র, দেশীয় ও বৈশ্বিক, এবং ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল জনহিতকর ক্ষেত্র ও বিশাল ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়, শিশু স্থিতিস্থাপকতা অর্থায়নের জন্য একটি অব্যবহৃত ভাণ্ডার। এই বৈচিত্র্যময় মূলধনের ক্ষেত্রগুলিকে একীভূত করা কোনও দাতব্য নয়; এটি জলবায়ু-অস্থির বিশ্বের জন্য কৌশলগত সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা।


এই বৈচিত্র্যময় মূলধনের ক্ষেত্রগুলিকে একীভূত করা কোনও দাতব্য নয়; এটি জলবায়ু-অস্থির বিশ্বের জন্য কৌশলগত সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা।



এই দৃষ্টিভঙ্গি ভারতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের গতিপথের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। বিকশিত ভারত@২০৪৭ সংক্রান্ত আলোচনায় আজ পরিকাঠামো, উৎপাদন, ডিজিটাল ক্ষমতা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতার পাশাপাশি তার শিশুদের মানব মূলধন হিসেবে তুলে ধরা এবং শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সুসজ্জিত মানব মূলধন যেমন ভবিষ্যতের বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনকে চালিত করবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতাকে উৎসাহিত করবে, তেমনই শক্তিশালী অভিযোজিত ক্ষমতাসম্পন্ন শিশু জনসংখ্যা জলবায়ু-স্থিতিশীল ভারতের মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে। বিপরীতে, শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ছাড়া, জনসংখ্যাগত লভ্যাংশ জনসংখ্যাগত বোঝা হয়ে ওঠার ঝুঁকি হিসেবে থেকে যাবে।

উপসংহার

শেষ পর্যন্ত, বার্তাগুলি সহজ কিন্তু গভীর: ক) শিশুদের জন্য বিনিয়োগ করা হল ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করা; খ) শিশুদের উপর বিনিয়োগ করা উচ্চ আরওআই-‌সহ জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা। এটি শুধু একটি নৈতিক আবেদন নয়; এটি একটি অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত অপরিহার্যতা। শিশু দারিদ্র্য হ্রাস স্থিতিস্থাপকতাকে শক্তিশালী করে, বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, সামাজিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করে এবং আমাদের আন্তঃপ্রজন্ম চুক্তি পূরণ করে। ইউনিসেফ এ সবের তথ্য, জরুরি প্রয়োজন ও প্রমাণ সরবরাহ করেছে। এখন যা প্রয়োজন তা হল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি, প্রাতিষ্ঠানিক উদ্ভাবন এবং একটি অর্থায়ন স্থাপত্য যা সরকারি ও বেসরকারি মূলধনকে একত্রে কাজ করার সুযোগ দেয়। বিকশিত ভারতের গল্পটি চূড়ান্তভাবে মোট আভ্যন্তর উৎপাদনের তালিকায় লেখা হবে না; এটি প্রতিটি শিশুর জীবন ও ক্ষমতার মধ্যে লেখা থাকবে যাদের ভবিষ্যৎ আমরা আজ নিশ্চিত করতে চাই।



নীলাঞ্জন ঘোষ অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-‌এর ভাইস প্রেসিডেন্ট।

এই প্রবন্ধটি ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নয়াদিল্লির ইউনিসেফ হাউসে অনুষ্ঠিত ইউনিসেফের প্রকাশনা, "দ্য স্টেট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’‌স চিলড্রেন ২০২৫": এন্ডিং চাইল্ড পভার্টি – আওয়ার শেয়ার্ড ইমপ্যারেটিভ"-এর ভারতে প্রকাশ অনুষ্ঠানে লেখকের বক্তব্য ব্যবহার করে তৈরি।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.