একটি সমন্বিত জরুরি পরিচর্যা কাঠামো ছাড়া ভারত বিলম্ব ও পদ্ধতিগত অদক্ষতার কারণে প্রাণহানির ঝুঁকিতে পড়ে, যা সংশোধন করা যেতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত।
ভারত প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ সময়-সংবেদনশীল চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থার সম্মুখীন হয়, যেখানে প্রতিটি মিনিটই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি অবস্থা সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা শুরু করে, যা একটি 'সোনালী ঘণ্টা' যার মধ্যে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জীবন এবং মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। শুধুমাত্র ২০২২ সালে, ০.৪৩ মিলিয়নেরও বেশি ভারতীয় অনিচ্ছাকৃত আঘাতের কারণে মারা যান, যার প্রায় অর্ধেক সড়ক দুর্ঘটনা এবং অন্যান্য বিভিন্ন জটিলতার কারণে।
বিভিন্ন রাজ্য এবং সরবরাহকারীরা তাদের অ্যাম্বুলেন্স বহর এবং কল সেন্টারগুলিকে সংযুক্ত প্রোটোকল ছাড়াই পরিচালনা করে, বিভিন্ন জরুরি যোগাযোগ নম্বর সহ। একক, একীভূত অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি বিভাগ (ইডি) ব্যবস্থার অভাবের ফলে রোগীরা প্রায়শই বিভিন্ন সরবরাহকারীর কাছে দৌড়ে বেড়ান। রেফারাল বিভ্রান্তি সাধারণ ঘটনা, বিশেষ করে ছোট বেসরকারি পরিচর্যাকেন্দ্র এবং বৃহত্তর সরকারি হাসপাতালের মধ্যে। বেসরকারি নার্সিং হোমগুলি প্রায়শই তাদের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসা করার চেষ্টা করে, যার ফলে উপযুক্ত জায়গায় স্থানান্তরে বিলম্ব হয়। রেফারাল সিস্টেমের এই দুর্বলতার ফলে অ্যাম্বুলেন্সগুলি রোগীদের নিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরতে থাকে একটি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ) বেডের সন্ধানে। যখন একজন গুরুতর অসুস্থ রোগী একটি সুসজ্জিত কেন্দ্রে পৌঁছন, তখন চূড়ান্ত পরিচর্যার জন্য ইতিমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গিয়ে থাকতে পারে। এভাবে খণ্ডিতকরণ স্বাস্থ্যসেবা শিল্প/পরিচর্যাকে বাধাগ্রস্ত করে, এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ও ত্রুটির সৃষ্টি করে। তাই প্রয়োজন একটি সমন্বিত পদ্ধতির।
একক, একীভূত অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি বিভাগ (ইডি) ব্যবস্থার অভাবের ফলে রোগীরা প্রায়শই বিভিন্ন সরবরাহকারীর কাছে দৌড়ে বেড়ান।
চাপের মুখে সিস্টেম
ভারতের হাসপাতাল-পূর্ব জরুরি ব্যবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সের সহজলভ্যতা, প্রতিক্রিয়া সময় এবং প্রশিক্ষিত কর্মীদের ঘাটতি রয়েছে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) অ্যাম্বুলেন্সের বহরে প্রায় ১৫,২৮৩টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস) অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। এর অর্থ হল গড়ে ১০-২৫ মিনিটের প্রতিক্রিয়া সময়। এই সমস্যার বেশিরভাগই সু-প্রশিক্ষিত জরুরি চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ (ইএমটি)-এর অভাব থেকে উদ্ভূত।
ভারতের হাসপাতাল-পূর্ব ব্যবস্থা সামগ্রিকভাবে অনুন্নত: খুব কম যানবাহন, খুব কম কর্মী এবং দুর্বল প্রযুক্তিগত সংযুক্তিকরণ এর বৈশিষ্ট্য। ফলস্বরূপ, নাগরিকেরা অ্যাম্বুলেন্সে কল করেন না এবং গুরুতর রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ইএমএস ছাড়া অন্য উপায় ব্যবহার করেন, যা এই পরিষেবাগুলির প্রতি কম সচেতনতা এবং আস্থা প্রতিফলিত করে।
হাসপাতালের ইডি-দের উপরেও সমানভাবে চাপ পড়ে, কারণ অনেকের কাছেই ডেডিকেটেড ট্রমা অপারেটিং থিয়েটার (ওটি), অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জায়গা খালি করা, বা পয়েন্ট-অফ-কেয়ার (পিওসি) ল্যাব সুবিধার মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাব রয়েছে। অনেক সরকারি হাসপাতালে জরুরি যত্নের জন্য প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধ এবং সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। তাছাড়া, হাসপাতালে জরুরি অবস্থায় ভর্তি হওয়ার ঘটনা ১৮-৪০ শতাংশ হলেও, জরুরি অবস্থার জন্য বেড থাকে ৩-৫ শতাংশ। অনেক চিকিৎসা কেন্দ্রে সময়-সঙ্কটজনক পরিস্থিতির জন্য মানসম্মত ট্রায়েজ সিস্টেম ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল (এসওপি)-এরও অভাব থাকে, যার ফলে অসঙ্গতি দেখা দেয়। বিশেষ করে গ্রামীণ ও আধা-শহুরে অঞ্চলে জরুরি চিকিৎসার চিকিৎসক এবং ট্রমা বিশেষজ্ঞদের সংখ্যার অভাব বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলিকে আরও জটিল করে তোলে।
ব্যস্ত সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি সুবিধাগুলিতে স্থিতিশীল রোগীদের মসৃণভাবে স্থানান্তরের সুবিধা প্রদানের জন্য কোনও স্থানান্তর নীতি নেই, অথবা প্রয়োজনে সরকারি উন্নত ট্রমা দলগুলিকে সতর্ক করার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলির হাতে কোনও ব্যবস্থা নেই।
সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রের পৃথগীকরণের ফলে এই ব্যবধান আরও বেড়ে যায়। সরকারি হাসপাতাল, যেখানে বেশিরভাগ জরুরি রেফারাল গ্রহণ করা হয়, সেখানে চাপ বেশি। অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালগুলি জরুরি রেফারাল ব্যবস্থার সঙ্গে সুসংযুক্ত নয়। ব্যস্ত সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি সুবিধাগুলিতে স্থিতিশীল রোগীদের মসৃণভাবে স্থানান্তরের সুবিধা প্রদানের জন্য কোনও স্থানান্তর নীতি নেই, অথবা প্রয়োজনে সরকারি উন্নত ট্রমা দলগুলিকে সতর্ক করার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলির হাতে কোনও ব্যবস্থা নেই।
যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত জরুরি ব্যবস্থা সম্পন্ন দেশগুলি হাব-এন্ড-স্পোক মডেল ব্যবহার করে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা ‘২০১২ সালে আঞ্চলিক 'মেজর ট্রমা' নেটওয়ার্ক চালু করে, যা নিবেদিত ট্রমা সেন্টার এবং অফিসিয়াল রেফারাল পাথ প্রদান করে। এর ফলে পাঁচ বছরে গুরুতর আহত রোগীদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, এবং অপ্টিমাইজড কেয়ার ও বড় কেন্দ্রগুলিতে সরাসরি পরিবহণের মাধ্যমে জীবন রক্ষা পেয়েছে। এই হাব-এন্ড-স্পোক ব্যবস্থার ফলে হাসপাতালে থাকার হারও কমেছে, এবং পুনরুদ্ধারের হারও উন্নত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির উন্নত ইএমএস সিস্টেমগুলি সর্বজনীন জরুরি নম্বর (৯১১/০০০), প্রোটোকলের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সুপ্রশিক্ষিত প্যারামেডিক, এবং একক ছাতার নীচে সমস্ত হতাহতের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক যোগাযোগ ব্যবহার করে।
সংযুক্তিকরণের জন্য একটি রোডম্যাপ
ভারতের খণ্ডিত জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থাকে কার্যকর করে তোলার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রয়োজন। সম্প্রসারণের জন্য তহবিল, বৃহৎ পরিসরে প্রশিক্ষণ প্রদান, এবং ভারতের ফেডারেল শাসন কাঠামো ও হাইব্রিড স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সমন্বয়ের সমস্যাগুলি সমাধান করা প্রয়োজন। এর জন্য রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি এবং জরুরি পরিচর্যার ক্ষেত্রে একটি বিনিয়োগের ধারণা থাকা প্রয়োজন। প্রধান কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে:
❅ সমন্বিত জরুরি হেল্পলাইন এবং প্রেরণ: সারা দেশে একটি একক এবং সহজেই মনে রাখা যায় এমন জরুরি নম্বর সাবস্ক্রাইব করা যেতে পারে এবং সেটি দেশব্যাপী কল সেন্টারের নেটওয়ার্ক দ্বারা সমর্থিত হতে পারে, যেখানে সমস্ত জরুরি কল পরিষেবা যোগাযোগের জন্য স্পষ্ট করে নির্দেশিত করা যেতে পারে। সংকটের তীব্রতার উপর নির্ভর করে কেস অ্যাসাইনমেন্ট-এর উৎকৃষ্ট ব্যবস্থা করতে টেলি-পরামর্শদাতা চিকিৎসক এবং প্রশিক্ষিত জরুরি প্রেরণকারীদের ব্যবহার করা যেতে পারে কলগুলি পরীক্ষা করতে, প্রাথমিক চিকিৎসার নির্দেশনা দিতে, এবং নিকটতম উপযুক্ত অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে। সিস্টেমটি স্মার্ট ডিসপ্যাচ ও ট্র্যাফিক রাউটিংয়ের জন্য গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস)-সজ্জিত অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়ার সময় উন্নত করতে পারে।
❅ অ্যাম্বুলেন্স ফ্লিট এবং ইএমটি প্রশিক্ষণ: অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে, এবং প্রতিটি গাড়িকে যথাযথভাবে পরিচালিত এবং সজ্জিত করতে হবে। মানবসম্পদ বিনিয়োগের মাধ্যমে ইএমটি প্রশিক্ষণ কোর্সের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে, এবং স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) করা যেতে পারে। বর্তমান ইএমটি-দের জন্য অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করা যেতে পারে, অভিজ্ঞ পেশাদারদের ধরে রাখার জন্য কেরিয়ার উন্নয়নের জন্য প্রণোদনাও তৈরি করা যেতে পারে।
❅ জেলা হাসপাতালের ইডি: প্রতিটি জেলা হাসপাতালের ইডি-তে বিভিন্ন ধরনের গুরুতর কেস পরিচালনা করার জন্য উপযুক্ত সংখ্যক কর্মী এবং যথাযথ ব্যবস্থা থাকা উচিত। এর মধ্যে রয়েছে রোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য বিশেষ ট্রাইএজ এরিয়া, দ্রুত স্থানান্তরের জন্য অ্যাম্বুলেন্স বে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডায়াগনস্টিক সরঞ্জামের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া। ঘন ঘন জরুরি অবস্থা পরিচালনার জন্য অভিন্ন এসওপি কঠোর সময়সীমার সঙ্গে গ্রহণ করা যেতে পারে। জরুরি পরিচর্যার অ্যালগরিদমের উপর জেনারেল ফিজিশিয়ান এবং নার্সিং কোর্সগুলি পরিচর্যার মান উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। তার উপর, পরিকাঠামোগত বিনিয়োগের লক্ষ্য জরুরি বেডের ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং স্টেপ-ডাউন পর্যবেক্ষণ ইউনিট নির্ধারণ করা উচিত।
❅ ট্রমা হাব এবং হাব-এন্ড-স্পোক লিঙ্কেজ: মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলিতে ট্রমা এবং জরুরি পরিচর্যার জন্য বিশেষায়িত কেন্দ্র হিসাবে হাব-এন্ড-স্পোক মডেলের উপর ভিত্তি করে একটি স্তরযুক্ত ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে। এই ধরনের হাবগুলিতে উচ্চস্তরের সুবিধা থাকতে পারে এবং তারা তাদের ক্যাচমেন্ট এলাকায় ছোট হাসপাতালগুলির ক্লাস্টারগুলিকে ব্যাকআপ প্রদান করতে পারে। রেফারাল সম্পর্কগুলিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যেতে পারে, যার মাধ্যমে ছোট হাসপাতালগুলি (স্পোক) নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসারে জটিল কেসগুলিকে হাবগুলিতে রেফার করে, এবং হাবগুলি স্পোকগুলিতে টেলিকনসালটেশন পরিষেবা প্রদান করে। এর জন্য মানসম্মত স্থানান্তর প্রোটোকল তৈরি করারও প্রয়োজন হবে, যেমন রোগীদের নিরাপদ স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা এবং সুবিধাগুলির মধ্যে স্থানান্তরের জন্য নিবেদিত ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবহার।
❅ কমান্ড এবং টেলিকনসালটেশন সেন্টার: এই সিস্টেমটি ২৪X৭ রাজ্য বা আঞ্চলিক কমান্ড সেন্টার দ্বারা সমর্থিত হতে পারে, যেখানে জরুরি চিকিৎসক, যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং কারিগরি কর্মীরা জরুরি প্রতিক্রিয়া কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করে অ্যাম্বুলেন্সের অবস্থান, হাসপাতালের শয্যার প্রাপ্যতা এবং অঞ্চল জুড়ে জরুরি কলগুলি ট্র্যাক করা যেতে পারে। টেলিমেডিসিন সংযোগের মাধ্যমে, কমান্ড সেন্টারগুলি ফিল্ড ইএমটিদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করতে সক্ষম হবে।
❅ শাসন এবং মান পর্যবেক্ষণ: জরুরি পরিচর্যা ব্যবস্থার সফল সংহতকরণ শক্তিশালী শাসন কাঠামোর উপর নির্ভর করে। জরুরি প্রতিক্রিয়ার স্পষ্ট মান নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। মান উন্নত করার জন্য ডেটা ব্যবহার করে কি পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (কেপিআই) পর্যবেক্ষণের জন্য একটি রাজ্য বা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষকে নিযুক্ত করা যেতে পারে। নিয়ন্ত্রক কাঠামোর বিদ্যমান আইনি বিধান অনুসারে, জরুরি কেস গ্রহণ এবং রোগীদের রেফার করার আগে তাদের স্থিতিশীল করার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও বাধ্য করা যেতে পারে।
❅ জনসচেতনতা এবং দর্শকদের সম্পৃক্ততা: একটি সমন্বিত জরুরি পরিচর্যা ব্যবস্থা শুধু তার প্রথম যোগাযোগ বিন্দু (পিওসি) কতটা ভাল তার উপর নির্ভর করে, যা হল জনসাধারণ। জরুরি অবস্থা সনাক্তকরণ এবং যথাযথভাবে সাড়া দেওয়ার বিষয়ে নাগরিকদের অবহিত করার জন্য উচ্চস্তরের দীর্ঘমেয়াদি জনশিক্ষা প্রচারণা ব্যবহার করা যেতে পারে। জরুরি অবস্থার মুখোমুখি জনসাধারণের অংশগ্রহণ বেঁচে যাওয়ার সুযোগগুলিকে বিপ্লবায়িত করতে পারে, উদাহরণস্বরূপ, স্কুল কোর্স, কর্পোরেট স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ এবং হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের জন্য জনসম্প্রদায় শিক্ষার মাধ্যমে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) প্রশিক্ষণ। বর্তমানে, ভারতের বাইস্ট্যান্ডার সিপিআর হার ১.৩ শতাংশ থেকে ৯.৮ শতাংশের মধ্যে, যেখানে বেশিরভাগ উচ্চ-আয়ের দেশগুলিতে তা ৪০-৬০ শতাংশ, এবং ২ শতাংশের কম প্রাপ্তবয়স্করা আনুষ্ঠানিক সিপিআর প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। প্রাথমিক হস্তক্ষেপ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সঙ্গে বেঁচে থাকার হার দ্বিগুণ করে, এ কথা প্রমাণিত। শিক্ষামূলক পাবলিক প্রোগ্রামগুলি জরুরি কল সিস্টেমের ব্যবহার সম্পর্কে নাগরিকদের শিক্ষিত করার উপর আরও জোর দেবে।
জাতীয় কর্মসূচিতে একটি সমন্বিত জরুরি নেটওয়ার্ক থাকা উচিত, যা অ্যাম্বুলেন্স, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বেসরকারি নার্সিং হোম, সরকারি হাসপাতাল, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান — সকল উপাদানকে পরিচর্যার ধারাবাহিকতা হিসাবে সংযুক্ত করবে। যদি এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ভারতের জরুরি পরিচর্যা ব্যবস্থা বার্ষিক হাজার হাজার জীবন বাঁচাতে পারে।
কে. এস. উপলব্ধ গোপাল অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের হেলথ ইনিশিয়েটিভের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
নিমিশা চাড্ডা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের হেলথ ইনিশিয়েটিভের গবেষণা সহকারী।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr. K. S. Uplabdh Gopal is an Associate Fellow with the Health Initiative at the Observer Research Foundation. He writes and researches on how India’s ...
Read More +
Nimisha Chadha was a Research Assistant with ORF’s Centre for New Economic Diplomacy. She was previously an Associate at PATH (2023) and has a MSc ...
Read More +