ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এনপিপি-র বাস্তবমুখী অবস্থানকে দর্শালেও অস্বচ্ছ চুক্তি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যহীনতা পরিচালনায় দলটির অনভিজ্ঞতা নিয়ে সন্দেহ জাগায়।
শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রায়শই অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা ও বৈদেশিক বিবেচনার প্রতিক্রিয়ায় আটকে পড়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক প্রবণতা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আদর্শগত মূল্যবোধ। অনুরা কুমার দিসানায়েকের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার-এর (এনপিপি) অধীনে বৈদেশিক নীতির দিকনির্দেশনা অপ্রত্যাশিত ঘটনাপ্রবাহ দ্বারা চিহ্নিত হয়েছে। যদিও জল্পনা ছিল যে, জনতা বিমুক্তি পেরামুনা-র (জেভিপি) বেজিংয়ের সঙ্গে চিরাচরিত আদর্শিক ঝোঁকের কারণে এনপিপি সরকার চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলবে। তবুও দলটি ভারতের সাথে একটি পরিপক্ব এবং গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এই পুনর্বিন্যাস ইঙ্গিত দেয় যে, দলটি কী ভাবে ভারত সংক্রান্ত তার পূর্ববর্তী আদর্শগত অবস্থান ত্যাগ করেছে এবং আরও কৌশলগত ও বাস্তববাদী বৈদেশিক নীতি গ্রহণ করেছে।
এই সঙ্কট ভারতকে তার চিরাচরিত প্রভাব পুনরুজ্জীবিত করা এবং চিনা শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ প্রদান করেছিল।
২০২২ সালের সঙ্কটের সময় এনপিপি ভারতের সদিচ্ছার প্রতি সচেতন ছিল এবং ভারত মুদ্রা বিনিময়, প্রয়োজনীয় পণ্য, সুবিশাল সহায়তা, বিলম্বিত অর্থপ্রদান বা ক্রেডিট লাইন এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক বিনিয়োগের উৎস এবং সহায়তা প্রদান করেছিল। এই সঙ্কট ভারতকে তার চিরাচরিত প্রভাব পুনরুজ্জীবিত করা এবং চিনা শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ প্রদান করেছিল। নয়াদিল্লি ২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে শীর্ষ ভারতীয় রাজনৈতিক, নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক নেতাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি দলটিকে আরও ভালভাবে বোঝা ও সম্পৃক্ত করার জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নয়াদিল্লি দলটির রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন এবং দেশে এনপিপিকে একটি শক্তিশালী শক্তিতে রূপান্তরিত করার বিষয়টিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎকার এবং অনানুষ্ঠানিক কথোপকথন দর্শায় যে, ভারতের প্রতি চিরাচরিত অবিশ্বাস ও সন্দেহ – যা এর কাঠামোগত আধিপত্য এবং অপ্রতিরোধ্য আঞ্চলিক উপস্থিতি থেকে উদ্ভূত - সাম্প্রতিক বছরগুলিতে হ্রাস পেয়েছে।
এনপিপি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে ঋণ স্থায়িত্ব চুক্তি পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রেও নীতিগত পরিবর্তন এনেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় চুক্তিটি পুনর্বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দিলেও বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সরকারের মধ্যস্থতায় পরিচালিত কর্মসূচিটি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ আলোচনা পুনরায় শুরু করলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ধীর হতে পারে। নীতিগত প্রস্থান দর্শিয়েছে যে, এনপিপি কী ভাবে ব্যবসায়িক ও মধ্যবিত্ত গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে ভিত্তি অর্জনের জন্য উদার অর্থনৈতিক স্থানকে ত্যাগ করেছে এবং বাস্তববাদ ও ধারাবাহিকতা প্রদর্শন করেছে।
কম মতাদর্শ, বেশি বাস্তববাদ
এনপিপি কর্তৃক গৃহীত বাস্তববাদী ও বাস্তব-অভিমুখী বৈদেশিক নীতি পদ্ধতি সাধারণত সীমিত সামরিক শক্তি, ছোট অভ্যন্তরীণ বাজার, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা এবং ক্ষমতার অসামঞ্জস্যতার কারণে কাঠামোগত অসুবিধার সম্মুখীন ছোট রাষ্ট্রগুলিতে ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে তারা একটি নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার দৃঢ় সমর্থক, বহুপাক্ষিকতা, অ-হস্তক্ষেপ এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বকে উৎসাহিত করে এমন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলিকেও গুরুত্ব দেয়। এই নিয়মগুলি বৃহৎ শক্তির আধিপত্য ও রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অসামঞ্জস্যতা হ্রাস করার চেষ্টা করে।
তবুও তাদের বাস্তববাদী প্রবণতার মাধ্যমে বৃহৎ রাষ্ট্রগুলি প্রায়শই তাদের ছোট প্রতিপক্ষদের অর্থনৈতিক চাপ, রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতা বা নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে সাযুজ্যতা বেছে নেওয়ার জন্য চাপ দেয়। বৃহৎ শক্তিগুলি তাদের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলগুলিতে কলম্বোকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হিসাবে মনে করলেও শ্রীলঙ্কা এই জটিলতাগুলি পরিচালনা করার জন্য নিজের কৌশলগত অবস্থান ব্যবহার করেছে।
অন্য দিকে, ছোট রাষ্ট্রগুলি তাদের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগত জোটনিরপেক্ষতা অনুসরণ করা অথবা তাদের সীমিত প্রভাব কমাতে এবং রাজনৈতিক ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা অর্জনের জন্য বৃহৎ শক্তি বা ব্লকগুলির কাছে ‘আশ্রয়’ চাওয়া। ছোট স্থানীয় শিল্প এবং সীমিত উৎপাদন বিশ্ব বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলের উপর বৃহত্তর নির্ভরতা তৈরি করে। একটি বৃহত্তর শক্তি ঋণ, বিনিয়োগ, অনুকূল বাজার লব্ধতা এবং সরাসরি আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রগুলিকে অর্থনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে।
রনিল বিক্রমসিংহের নেতৃত্বে পূর্ববর্তী সরকারও চিনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে পাশ্চাত্য এবং ভারতকে সক্রিয় ভাবে সম্পৃক্ত করে একটি কৌশলগত বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করেছিল।
ভারতের প্রতি এনপিপির ঝোঁক ইঙ্গিত দিতে পারে যে, বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বৈদেশিক নীতি ও অর্থনৈতিক গতিপথ অব্যাহত রেখে এমন ‘আশ্রয়’ খুঁজছে যা আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সঙ্কট পুনরুদ্ধারের সময়কালে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রনিল বিক্রমসিংহের নেতৃত্বে পূর্ববর্তী সরকারও চিনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে পাশ্চাত্য এবং ভারতকে সক্রিয় ভাবে সম্পৃক্ত করে একটি কৌশলগত বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করেছিল। কলম্বো ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগের দিকেও মনোযোগ দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, জাফনা দ্বীপপুঞ্জের মিশ্র পুনর্নবীকরণযোগ্য প্রকল্প - যা পূর্বে গোতাবায়া রাজাপক্ষের আমলে একটি চিনা সংস্থাকে দরপত্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল - নয়াদিল্লির আপত্তির পরে বাতিল করা হয় এবং অবশেষে বিক্রমসিংহের ক্ষমতায় থাকাকালীন অনুদানের আওতায় ভারতকে প্রদান করা হয়।
অর্থনৈতিক সহযোগিতা, জ্বালানি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রতিবেশীদের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি এবং সমঝোতাপত্র (মউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সমঝোতাপত্র, একটি গ্রিড আন্তঃসংযোগ চুক্তি, কলম্বোর ধর্মীয় কেন্দ্রগুলিতে সৌর ছাদ ব্যবস্থা সরবরাহের জন্য একটি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ত্রিনকোমালি বন্দরে একটি শক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (ইউএই) সঙ্গে একটি ত্রিপাক্ষিক সমঝোতাপত্র। এই চুক্তি ও সমঝোতাপত্রগুলির মধ্যে কয়েকটি ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কলম্বো সফরের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পূর্বে উল্লিখিত সাক্ষাৎকারগুলির ইঙ্গিত দিয়ে এই প্রতিবেদনের লেখককে আরও জানানো হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের সমাপ্তি তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।
এমন বিতর্কিত বিষয়, যা উপেক্ষা করা যায় না
তবে ক্রমবর্ধমান ভারত-শ্রীলঙ্কা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ফলে কিছু প্রকল্প ভারতের জন্য বেশি উপকারী বলে মনে করা হচ্ছে, যার ফলে বিদ্যুৎ ভারসাম্যহীনতা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এই প্রকল্পগুলির বিশদ পরিধি এবং প্রকৃতি সম্পর্কে সীমিত তথ্যই উপলব্ধ, বিশেষ করে মোদীর সাম্প্রতিক কলম্বো সফরের সময় স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সমঝোতাপত্রের ক্ষেত্রে। ১৯৪৭ সালে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে পূর্ববর্তী চুক্তির পর থেকে একটি বৈদেশিক শক্তির সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা থেকে স্বচ্ছতার অভাব, সার্বভৌমত্বের ক্ষয় এবং দেশে ভারতের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ্যে এসেছিল।
সমুদ্রের তলদেশে ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে কলম্বোকে ভারতের জাতীয় শক্তি গ্রিডে সমন্বিত করার লক্ষ্যে জ্বালানি-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা, সস্তায় বিদ্যুৎ আমদানি করা এবং উন্নত গ্রিড স্থিতিশীলতার জন্য একটি বাস্তব হস্তক্ষেপ বলে মনে হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে এই উদ্বেগও রয়েছে যে, এগুলি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও শক্তি নির্ভরতা তৈরি করবে। ভারতের বৃহৎ আকারের উৎপাদন ক্ষমতা - যা এর সম্পদের বৈচিত্র্য, মাত্রা এবং সু-উন্নত অবকাঠামোর জন্য দায়বদ্ধ - স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎকে কম প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে।
এই আশঙ্কার কারণ হিসেবে বৃহৎ শক্তিগুলির আধিপত্যের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে ভারতের আধিপত্যবাদী উপস্থিতি এবং হস্তক্ষেপবাদী অতীতের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। নয়াদিল্লি নিজেকে একটি স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করলেও এই দৃঢ় ধারণা রয়েছে যে, ভারত নিজের কৌশলগত লাভের জন্য চাপ দিচ্ছে এবং আঞ্চলিক দেশগুলির সার্বভৌমত্ব ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ণ করছে। শ্রীলঙ্কার সমাজের কিছু অংশের মধ্যে এই উদ্বেগ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের অর্জিত সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।
দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার মাঝে শত শত ভারতীয় জেলেকে আটক, নির্যাতন, গ্রেফতার এবং হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
শ্রীলঙ্কার জলসীমায় দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত সমস্যাও রয়েছে। বিশেষ করে কাচ্চাথিভু দ্বীপের আশপাশে ভারতীয় বটম ট্রলারের অনুপ্রবেশ এবং মাছ ধরার অধিকার সংক্রান্ত, যা মৎস্যজীবী সম্প্রদায় এবং সামুদ্রিক সম্পদের জীবিকা ও কল্যাণের জন্য অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত উদ্বেগ তৈরি করেছে। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার ও আটকের বিষয়ে ভারতীয় জেলেদের অভিযোগ রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার মাঝে শত শত ভারতীয় জেলেকে আটক, নির্যাতন, গ্রেফতার এবং হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এনপিপির ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে— ‘অবৈধ মাছ ধরার কার্যকলাপকে উৎসাহ জোগাবেন না’। তবুও এই সামুদ্রিক সংঘাত নিরসনের জন্য গৃহীত নতুন পদক্ষেপগুলি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গিয়েছে।
শ্রীলঙ্কার সমাজের সেই অংশগুলি যারা ইতিমধ্যেই এনপিপিকে অতি-সমালোচনামূলক ও সন্দেহজনক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে, তাদের দ্বারা এই বিষয়গুলিকে সমালোচনামূলক ভাবে গ্রহণ করার সম্ভাবনা কম। তারা শাসন ও রাজনীতিতে সরকারের অভিজ্ঞতার অভাব এবং সম্ভবত বৃহৎ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করতে অক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে চলেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনে, বিশেষ করে উত্তর-পূর্বে, এনপিপি-র কিছুটা হতাশাজনক ফলাফলের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে, ২০২৪ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর দক্ষিণ ও উত্তর উভয় স্থানেই চিরাচরিত রাজনৈতিক দলগুলি রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাবর্তন করেছে।
স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের ভিন্ন ভিন্ন সমীকরণ রয়েছে। কারণ এগুলি আঞ্চলিক বিষয়, সম্প্রদায় পরিষেবা ও বর্ণগত সম্পর্ক, প্রার্থীদের পটভূমি এবং এমনকি গ্রাম-স্তরের বিষয়গুলির উপর জোর দেয়, যা জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে। নির্বাচনের ফলাফলগুলিও এই ইঙ্গিত দেয় যে, প্রশাসনের সুসময় অতিক্রান্ত। প্রাথমিক উচ্ছ্বাস এবং সমর্থন থেকে আরও সংযত, ভিত্তিগত ও নীতি-কেন্দ্রিক সম্পৃক্ততার অভিমুখে পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়, যা এনপিপি-র ভবিষ্যতের নীতিগুলির জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
রোশনি কাপুর ইউনিভার্সিটি অফ ঘেন্টে গবেষণারত ছাত্রী। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হল শ্রীলঙ্কার জমি ও জাতি সমস্যা।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Roshni Kapur is a Doctoral Student at the University of Ghent, specialising in caste and land issues in Sri Lanka. She is the editor of ...
Read More +