Author : Abhishek Sharma

Published on Dec 13, 2025 Updated 1 Hours ago

বেজিংয়ের সাইবার আক্রমণ ইন্দো-প্যাসিফিকের ত্রুটি রেখাগুলিকে নতুন করে চিত্রিত করছে। রাষ্ট্রগুলি বিভিন্ন কৌশল নিয়ে পাল্টা আক্রমণ করছে, এবং ভারত আর চুপ করে বসে থাকতে পারে না।

চিনা সাইবার আধিপত্যের বিরুদ্ধে ইন্দো-প্যাসিফিক প্রতিক্রিয়া

ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে তীব্রতর ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন সাইবারস্পেসে তার ছায়া ফেলছে। এই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল চিন এবং তার কৌশলগত প্রতিযোগী আঞ্চলিক প্রতিপক্ষদের মধ্যে, যাদের চিনা রাষ্ট্র-অনুমোদিত খেলোয়াড়েরা ক্রমবর্ধমানভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে। চিনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং এর আক্রমণাত্মক সাইবার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক দেশগুলির জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে বৃহত্তর বিপদ তৈরি করছে। এই আঞ্চলিক খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছু এখনও বেজিংয়ের ডিজিটাল শক্তির বিপদ সম্পর্কে অজ্ঞ। আঞ্চলিক সরকারগুলি এই বিপদ মোকাবিলা করার জন্য বহুমুখী পদ্ধতির সন্ধান করছে। এই নিবন্ধটি চিনা সাইবার আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় আঞ্চলিক অ্যাট্রিবিউশন কৌশলগুলি পরীক্ষা করে এবং ভারতের সাইবার-অ্যাট্রিবিউশন প্রক্রিয়া গ্রহণের পক্ষে যুক্তি দেয়।

চিনা সাইবার আধিপত্য: রাজনৈতিক আধিপত্য নাকি ভূ-রাজনৈতিক দাবার ছক?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউএস)-চিন প্রতিযোগিতা তীব্রতর হওয়ার সাথে সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের (পশ্চিমী দেশগুলিসহ) সাইবার দুর্বলতাগুলি বেজিংয়ের জন্য আক্রমণের ন্যায্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক শুল্ক আলোচনায়ও এটি লক্ষ্য করা যায়, যেখানে চিন রাজনৈতিক কারণে রেয়ার আর্থ উপাদানগুলির উপর তার নিয়ন্ত্রণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। সাইবার ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে, যেখানে চিন আর ছায়ায় থাকে না, বরং সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকে। কিছু পণ্ডিত এই জড়িত থাকাকে 'কন্টিনজেন্সি ক্যাম্পেনিং' বলে অভিহিত করেন। অর্থাৎ চিন ভবিষ্যতের কন্টিনজেন্সি-‌ সময় একটি অনুকূল পরিবেশের জন্য শান্তির সময়ে সাইবার সক্রিয়তায় জড়িত থাকে। ভোল্ট টাইফুন এবং সল্ট টাইফুনচিনে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট অ্যাডভান্সড পারসিস্টেন্ট থ্রেট (এপিটি) গোষ্ঠীগুলির সাইবার কার্যকলাপএই ক্রমবিকাশশীল সাইবার গুপ্তচরবৃত্তির কৌশলটি প্রদর্শন করে। টেলি-যোগাযোগকে লক্ষ্য করে সল্ট টাইফুনের সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি এবং ভবিষ্যতের জরুরি প্রয়োজনের জন্য পূর্ব-প্রস্তুতি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোতে ভোল্ট টাইফুনের অনুপ্রবেশ, সাইবারস্পেসে বিপদ কতটা গুরুতর তা তুলে ধরে।

বর্তমান চিনা সাইবার কৌশল, তার বিভিন্ন পথ পদ্ধতিসহ, আরও স্পষ্ট এবং রাজনৈতিক পদ্ধতির উপর আলোকপাত করে, যা এর পূর্ববর্তী সংস্করণের আরও গোপন অরাজনৈতিক পদ্ধতির থেকে আলাদা।


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং সেখানকার সরকারি সংস্থা কূটনীতিকেরা-‌সহ সেখানকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা, এবং বিশেষ করে তাদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি হল কীভাবে চিন তার সাইবার ক্ষমতাকে বৈদেশিক নীতির হাতিয়ার হিসেবে এবং তার ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য ব্যবহার করে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।



বর্তমান চিনা সাইবার কৌশল, তার বিভিন্ন পথ পদ্ধতিসহ, আরও স্পষ্ট এবং রাজনৈতিক পদ্ধতির উপর আলোকপাত করে, যা এর পূর্ববর্তী সংস্করণের আরও গোপন অরাজনৈতিক পদ্ধতির থেকে আলাদা। বাইরে থেকে যাঁরা দেখছেন তাঁদের জন্য, বেজিংয়ের সাইবার আচরণের পরিবর্তনকে একটি কৌশলগত পরিবর্তন হিসাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, যা প্রকাশ্য রাজনৈতিক বিবেচনার দ্বারা বেশি প্রভাবিত। যাই হোক, এটিকে একটি নতুন ঘটনার প্রকাশ হিসাবেও ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, সাইবার-আধিপত্যবাদী হিসাবে চিনের উত্থান। দেশটির ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাসের উদাহরণ হল তার দৃঢ় আচরণ, যা তাকে রাজনৈতিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং আঞ্চলিক আখ্যান গঠনসহ তার মূল স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বাধ্য করে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং সেখানকার সরকারি সংস্থা কূটনীতিকেরা-‌সহ সেখানকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা, এবং বিশেষ করে তাদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি হল কীভাবে চিন তার সাইবার ক্ষমতাকে বৈদেশিক নীতির হাতিয়ার হিসেবে এবং তার ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য ব্যবহার করে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এটি সাইবারস্পেসে বেজিংয়ের ক্রমশ বেশি করে বৈদেশিক নীতির প্রতিফলনের একটি উদাহরণ, যা তার প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে আরও ভয়ঙ্কর অবস্থান গ্রহণ করছে। এই সমস্ত কার্যকলাপ বেজিংয়ের ক্রমবর্ধমান মহাশক্তির মর্যাদার বহিঃপ্রকাশ। ২০২৪ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ এসেছিল যখন মার্কিন চিনা কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠকে মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর নজরদারির কথা চিন স্বীকার করে নেয়

ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলির সাইবার প্রতিক্রিয়া

চিনের ক্রমবর্ধমান সাইবার ক্ষমতার সাথে সাথে, ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে তিনটি ধরনের পন্থা আবির্ভূত হয়েছে। প্রথমত, কিছু দেশ 'নেম অফ শেম অ্যাপ্রোচ' গ্রহণ করতে পছন্দ করেছে, যা 'পলিটিকাল অ্যাট্রিবিউশন' বা রাজনৈতিক দায় সনাক্তকরণ নামেও পরিচিত। এরা চিনকে সাইবার অনুপ্রবেশ বা গুপ্তচরবৃত্তির জন্য অভিযুক্ত করেছে। এই বিন্যাসে মূলত মার্কিন শিবির এবং অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া জাপানসহ তার মিত্ররা অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয় বিন্যাসের দেশগুলি সতর্কতার সঙ্গে বাণিজ্য করতে পছন্দ করে, প্রযুক্তিগত দিকগুলি চিহ্নিত করার উপর মনোযোগ দেয় এবং সরাসরি চিনকে অভিযুক্ত করা (হুমকি গোষ্ঠীর নাম করে, রাষ্ট্র নয়) এড়িয়ে চলে। এই দেশগুলি ক্ষুদ্র বা মধ্যম শক্তি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এবং উভয় শিবির থেকে সমান দূরত্ব বজায় রাখার বৈদেশিক নীতি অনুশীলন করে। সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, সিঙ্গাপুর এমন একটি দেশ যা এর সঙ্গে খাপ খায়, যেখানে ইউএনসি৩৮৮৬-‌কে আক্রমণের জন্য এপিটি-‌কে দায়ী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল রাষ্ট্র ছাড়াও ম্যানডিয়ান্ট, মাইক্রোসফট, ক্রাউডস্টাইক, সিম্যানটেক-‌এর মতো সাইবার বিপদ সংক্রান্ত গোয়েন্দা প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাট্রিবিউশন বা দায়বদ্ধতা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লুইস মেরি হুরেলের মতো সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই পদ্ধতিকে ‘(সম্পূর্ণ) নাম না করে নাম করাবলে অভিহিত করেন। অবশেষে, তৃতীয় দলটি হল সেই দেশগুলি যারা দায়ী করে না, যেমন ভারত, যারা সাইবার আক্রমণ, ম্যালওয়্যার এবং র‍্যানসমওয়্যারের জন্য দায়ী সাইবার গোষ্ঠীগুলির নাম উল্লেখ করতে অস্বীকার করে।

সারণি : চিনের বিরুদ্ধে ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলির সাইবার অ্যাট্রিবিউশন কৌশল
Indo Pacific Responses To Chinese Cyber Hegemony
সূত্র:‌ লেখকের সংকলিত

সাইবার ক্ষেত্রে এই দেশগুলির প্রতিক্রিয়া তাদের বৈদেশিক নীতি কৌশলের অনুকরণ করে, যেমন ব্যান্ডওয়াগনিং, নিরপেক্ষতা, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে ঝুঁকি কমানো, অথবা জোটনিরপেক্ষতা। এই সাইবার অ্যাট্রিবিউশন-‌এর প্রতিক্রিয়ায়, চিন একটি নতুন কৌশল তৈরি করেছে, স্পষ্টভাবে তার প্রতিপক্ষদের নাম করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ চিনা পরিকাঠামোতে সাইবার আক্রমণের জন্য তাদের দায়ী করছে। চিনের  মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) অপারেটর এবং তাইওয়ানের উপর দোষারোপ সাম্প্রতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তবে, এর অ্যাট্রিবিউশন-‌এর কোনও বিবরণ বা সুনির্দিষ্টতা নেই।

ভারতের জন্য সাইবার অ্যাট্রিবিউশনে জড়িত হওয়ার সময়

আক্রমণাত্মক সাইবার অপারেশন থেকে বিপদের মাত্রা শুধু বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে, আর তাই চিনা সাইবার হুমকি উপেক্ষা করছে এমন দেশগুলির জন্য তাদের কৌশল পরিবর্তন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বিশেষ করে ভারতের মতো একটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা চিনা সাইবার আক্রমণের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ২০২৩ সালে, চিন পাকিস্তানকে সরিয়ে ভারতে আক্রমণকারী শীর্ষ দেশ হিসেবে স্থান করে নেয়:‌ ৭৯ শতাংশ সাইবার আক্রমণ চিন থেকে এসেছে, যেখানে . শতাংশ পাকিস্তান থেকে এসেছে। এই আক্রমণগুলির বেশিরভাগই রাষ্ট্র-পুষ্ট এবং প্রতি বছরই বৃদ্ধি পেয়েছে২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২৭৮ শতাংশ বৃদ্ধিএবং ভবিষ্যতের পরিস্থিতি আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠবে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, ভারতের বিরুদ্ধে সাইবার আক্রমণ ২০৩৩ সালের মধ্যে বার্ষিক ট্রিলিয়নে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ১৭ ট্রিলিয়নে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতএব, নয়াদিল্লির জন্য, সাইবার-অন্ধ পদ্ধতি চালিয়ে যাওয়া আর বাস্তবসম্মত হতে পারে না।


২০২৩ সালে, চিন পাকিস্তানকে সরিয়ে ভারতে আক্রমণকারী শীর্ষ দেশ হিসেবে স্থান করে নেয়:‌ ৭৯ শতাংশ সাইবার আক্রমণ চিন থেকে এসেছে, যেখানে . শতাংশ পাকিস্তান থেকে এসেছে।



বিশ্বের সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তু আছে এমন দেশ হিসেবে ভারত প্রথম দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে (রিপোর্ট অনুসারে), যে কারণে সাইবার অ্যাট্রিবিউশনকে (কারিগরি বা রাজনৈতিক) গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার দিকে এগিয়ে যাওয়া অপরিহার্য হয়ে ওঠে। সাইবার পরিকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার এবং ব্যবসার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির সাইবার কৌশলের উপর ভিত্তি করে কাজ করা যথেষ্ট নয়। আজকের যুগে, অন্যদের অভিজ্ঞতা আঁকড়ে ধরে, সাইবার পরিসরে কাজ করার জন্য আচরণগত পরিবর্তন আনতে সাইবার অ্যাট্রিবিউশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশ সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য একটি সাম্প্রতিক ভাষ্যে, প্রাক্তন মার্কিন ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অ্যান নিউবার্গার, সাইবার উদীয়মান প্রযুক্তিতে চিনা আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম প্রতিরোধ করার জন্য শুধুই সাইবার প্রতিরক্ষার উপর নির্ভর করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন, এবং সাইবার বার্তা উন্নত করার পক্ষে পরামর্শ দিয়েছেন। এই বার্তায় সাইবার স্থিতিস্থাপকতা এবং নিশ্চিত পারস্পরিকতার পাশাপাশি প্রকাশ্যে দায় সনাক্তকরণের উপর জোর দেওয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দায় সনাক্তকরণ একটি রাজনৈতিক বিষয়; এটি তার ডিজিটাল পরিকাঠামো সুরক্ষিত করার জন্য নয়াদিল্লির দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করবে। প্রাথমিক অ্যাট্রিবিউশনের পরে, প্রতিশোধের জন্য আইনি, অর্থনৈতিক কূটনৈতিক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে একটি বিস্তৃত প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করা উচিত।


দায় সনাক্তকরণ একটি রাজনৈতিক বিষয়; এটি তার ডিজিটাল পরিকাঠামো সুরক্ষিত করার জন্য নয়াদিল্লির দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করবে।



অতএব, ভারতের উচিত এই পরামর্শ মেনে চলা, এবং সাইবার অ্যাট্রিবিউশনকে তার সাইবার নিরাপত্তা কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ নীতিগত অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করা। প্রথমত, এটি রাষ্ট্র-অনুমোদিত এবং -রাষ্ট্রীয় পক্ষগুলিকে ইঙ্গিত দেবে যে তাদের উপর নজর রাখা হচ্ছে, আক্রমণাত্মক সাইবার অভিযান পরিচালনা করার জন্য তাদের নিরুৎসাহিত করার উপায়গুলি তৈরি করবে, এবং কূটনৈতিক অর্থনৈতিক ব্যয় আরোপ করবে। দ্বিতীয়ত, এটি জনসাধারণের মধ্যে বহিরাগত উৎস, -রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্র-অনুমোদিত পক্ষ থেকে সাইবার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। তা ছাড়া এটি বেসরকারি ক্ষেত্রের সংস্থাগুলিকে তাদের অ্যাট্রিবিউশন প্রক্রিয়ার দ্বারা প্রতিরক্ষামূলক ফ্রন্টে আরও বেশি ব্যয় করতে সক্ষম করবে। তৃতীয়ত, এটি সরকারি বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করবে। উপরন্তু, আক্রমণাত্মক ক্ষমতা তৈরি করা হলে তা প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার প্রচেষ্টাকে আরও পরিপূরণ করবে, ক্রমাগত সম্পৃক্ততা থেকে শিক্ষা নেবে এবং ভবিষ্যতের অভিযানগুলির পথ তৈরি করবে। যদি সমাধান না করা হয়, তাহলে সরকারের প্রতি জনসাধারণের আস্থা অবশ্যই আরও হ্রাস পেতে পারে, যা দেশে ডিজিটাইজেশনকে প্রভাবিত করবে এবং ডিজিটাল জোয়ারকে ঘুরিয়ে দেবে। এটি অ্যাট্রিবিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা অন্য রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলিকে আইনি পদক্ষেপ করতে সক্ষম করবে, এবং এই ধরনের কার্যকলাপ প্রতিরোধ করার জন্য একটি ব্যাপক আইনি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। অতএব, বিভিন্ন সাইবার হুমকিগুলিকে কেবল সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি প্রচারণা হিসেবে উপেক্ষা করা উচিত নয়, বরং সার্বভৌমত্ব এবং হস্তক্ষেপ না করার নীতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আর সাইবার অ্যাট্রিবিউশনের মাধ্যমে সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।



অভিষেক শর্মা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ বিভাগের জুনিয়র ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.