আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মুখে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিকাঠামো, বাণিজ্য এবং ডিজিটাল সংযোগকে জোরদার করতে পারে ইন্দো-প্যাসিফিক কাঠামোর অধীনে ভারত-মার্কিন সহযোগিতা।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল সমসাময়িক ভূ-রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা একই সঙ্গে বিশ্ব বাণিজ্য ও ব্যবসার কেন্দ্র এবং তীব্র প্রতিযোগিতার একটি ময়দান। ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর জুড়ে গণতন্ত্রের মিলনস্থলের কথা ২০০৬ সালে ভারতীয় সংসদে দেওয়া ভাষণে শিনজো আবে উল্লেখ করার পর থেকে, এই দুটি মহাসাগরের তীরবর্তী অনেক দেশ আঞ্চলিকতাবাদ সম্পর্কিত একটি ভূ-রাজনৈতিক আলোচনা হিসেবে ইন্দো-প্যাসিফিক পরিভাষাটি গ্রহণ করেছে। এই অঞ্চলের দুটি প্রধান অংশীদার হল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য শুল্ক আরোপের কারণে তাদের বর্তমান সম্পর্কে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, তবুও গত দুই দশক ধরে এই দুটি দেশ একটি অবাধ, উন্মুক্ত এবং সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক ব্যবস্থার ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে সংজ্ঞায়িত করেছে।
২০০৬ সালে ভারতীয় সংসদে দেওয়া ভাষণে শিনজো আবে ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর জুড়ে গণতন্ত্রের মিলনস্থলের কথা উল্লেখ করার পর থেকে, এই দুটি মহাসাগরের তীরবর্তী অনেক দেশ আঞ্চলিকতাবাদ সম্পর্কিত একটি ভূ-রাজনৈতিক আলোচনা হিসেবে ইন্দো-প্যাসিফিক পরিভাষাটি গ্রহণ করেছে।
ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য মার্কিন কৌশলগত কাঠামোটি তার মিত্র ও কৌশলগত অংশীদারদের বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানে সরকারি পদক্ষেপকে নির্দেশনা দেয়। এই কাঠামোটি দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব এবং ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য আমেরিকার পছন্দের অংশীদার হিসেবে ভারতকে স্বীকৃতি দেয়। ২০১৮ সালে শাংরি-লা সংলাপে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণে ভারতের ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গিটি একটি সুনির্দিষ্ট রূপ পায়, এবং যা অ্যাক্ট ইস্ট, নেবারহুড ফার্স্ট, সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন দ্য রিজিওন (সাগর), এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ওশানস ইনিশিয়েটিভ (আইপিওআই)-এর মতো অসংখ্য নীতি প্রণয়নে প্রতিফলিত হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে ওয়াশিংটনের অনেক মিল রয়েছে, যদিও নয়াদিল্লি তার ইন্দো-প্যাসিফিক উদ্দেশ্য পূরণে যথেষ্ট পরিমাণে স্বাধিকার বজায় রাখে।
সংযোগ এবং উত্তর-পূর্ব ভারত
সংযোগ স্থাপন হল এমনই একটি সাধারণ আগ্রহের ক্ষেত্র এবং এটি ইন্দো-প্যাসিফিক কাঠামোর অধীনে তাদের সহযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মার্কিন কৌশলগত কাঠামো ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ বাড়ানোর জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার গুরুত্বের উপর জোর দেয়। এই শেষোক্ত দিকটি ভারতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিল্লির ইন্দো-প্যাসিফিক সংযোগের ধারণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আটটি স্থলবেষ্টিত রাজ্য তাদের আন্তর্জাতিক সীমান্তের ৯৯ শতাংশ চিন, ভুটান, মায়ানমার, বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ায়, অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃসীমান্ত সংযোগ এই অঞ্চলের প্রতি ভারতের অভ্যন্তরীণ ও বিদেশ নীতির ভিত্তি তৈরি করে। ইন্দো-প্যাসিফিক কাঠামোর অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগ সংক্রান্ত উদ্বেগগুলি সমাধানের সম্ভাবনা রাখে, যার ফলে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা, আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য প্রবাহ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দেশটির ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ভূমিকা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য, যদিও কাঠামোটিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পৃক্ততার একাধিক কৌশলগত উপযোগিতা রয়েছে। এই কাঠামোটি আঞ্চলিক সক্ষমতা জোরদার করে, আঞ্চলিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে বৈচিত্র্যময় করে, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে এই অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত ভারসাম্য তৈরির মাধ্যমে আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মোচন করার লক্ষ্য রাখে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলিতে ভূমিকা পালন করতে পারে, সেগুলি হল:
এই কাঠামোটি আঞ্চলিক সক্ষমতা জোরদার করে, আঞ্চলিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে বৈচিত্র্যময় করে, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে এই অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত ভারসাম্য তৈরির মাধ্যমে আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মোচন করার লক্ষ্য রাখে।
পরিকাঠামো উন্নয়ন
পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাবই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃসীমান্ত সংযোগে পিছিয়ে থাকার অন্যতম প্রধান কারণ। যদিও উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারত-মায়ানমার-তাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় মহাসড়ক, কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট ট্রানজিট প্রকল্প, আগরতলা-আখাউড়া রেল সংযোগ এবং মৈত্রী সেতু প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত সংযোগ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত, তবুও এই প্রকল্পগুলির সুবিধা পেতে হলে এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ সংযোগকে যথেষ্ট উন্নত করতে হবে।
এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কাঠামোর আঞ্চলিক পরিকাঠামো উন্নয়ন উপাদানটি সম্ভাব্য প্রাসঙ্গিক। উদাহরণস্বরূপ, ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, যা বিদেশে উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করে এবং ভারতকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমেরিকার অংশগ্রহণের একটি কেন্দ্রীয় অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে, তারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগ পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য সমুদ্রবন্দর, সড়ক, বিমানবন্দর, রেলপথ, ডেটা সেন্টার এবং আইটি নেটওয়ার্ক নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ডিজিটাল পরিকাঠামো সংক্রান্ত তাদের অগ্রাধিকারগুলিকে কাজে লাগাতে পারে।
সহনশীল সরবরাহ শৃঙ্খল নির্মাণ
এছাড়াও, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য প্রসারের জন্য স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খল প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্দো-প্যাসিফিক ইকনমিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর প্রসপারিটি (আইপিইএফ) -র দ্বিতীয় স্তম্ভের অধীনে সাপ্লাই চেন রেজিলিয়েন্স এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা—যার লক্ষ্য হল গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা চিহ্নিত করা ও উন্নত করা এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার সময় সমন্বয় সাধন করা—তা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য উপকারী হতে পারে। সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষতা বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে, এই বাজারগুলিতে প্রবেশাধিকার উন্নত করে, উৎপাদন ও বিতরণ বৃদ্ধি করে, এবং পণ্য প্রবাহের জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একটি দক্ষ ট্রানজিট কেন্দ্রে পরিণত করার মাধ্যমে এই অঞ্চলটিকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল নেটওয়ার্কে আরও ভালভাবে একীভূত করতে পারে।
সামুদ্রিক পরিবহণ নেটওয়ার্কের উন্নতি সাধন
স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি, অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক পরিবহণ নেটওয়ার্কগুলি সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে। যদিও উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্থলবেষ্টিত, তবুও একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র যা উন্নত করা প্রয়োজন তা হল আন্তঃসীমান্ত এবং বহুমুখী সংযোগের জন্য অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবস্থা। উত্তর-পূর্ব ভারতে ২০টি জাতীয় নৌপথ রয়েছে এবং আরও অনেকগুলি নির্মাণাধীন রয়েছে। তবে, অপ্রতুল পরিকাঠামো, সারা বছর নৌচলাচলের জন্য গভীরতা ও প্রস্থের অভাব, নৌপথে পলি জমা, অগভীরতা, নিয়মিত ড্রেজিংয়ের অভাব এবং রাতে নৌচলাচলের সুবিধার অনুপস্থিতির কারণে এগুলি ব্যাপকভাবে অব্যবহৃত থেকে গিয়েছে (যা মোট পরিবহণের মাত্র ০.৪ শতাংশ)। ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগিতা কাঠামোর অধীনে, নতুন বন্দর উন্নয়নে বিশেষজ্ঞ মার্কিন সংস্থাগুলি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের জন্য বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।
বাণিজ্য যুদ্ধগুলো সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েক দশকের অগ্রগতি নষ্ট করতে পারে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কাঠামোর অধীনে ভারত সংক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা শুরু হওয়ার আগেই তা ব্যাহত করতে পারে।
ডিজিটাল সংযোগ
পর্যাপ্ত আইটি পরিকাঠামোর অভাবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় সব রাজ্যই ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ডিজিটাল পরিষেবা গ্রহণে পিছিয়ে রয়েছে। বিভিন্ন উদ্যোগ—যেমন ডিজিটাল কানেক্টিভিটি অ্যান্ড সাইবারসিকিউরিটি পার্টনারশিপ, সাইবার সিকিউরিটি ফর ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ২.০: ইউএস-ইন্ডিয়া পার্টনারশিপ, ইউএস-ইন্ডিয়া ট্রাস্ট (ট্রান্সফর্মিং দ্য রিলেশনশিপ ইউটিলাইজিং স্ট্র্যাটেজিক টেকনোলজি) উদ্যোগ এবং ইন্ডাস-এক্স —এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর সুরক্ষার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ডিজিটাল বিভাজন দূর করা যেতে পারে।
চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয়
যদিও ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত কাঠামোর মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সবচেয়ে বড় বাধা হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের কারণে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বর্তমান অবনতি। বাণিজ্য যুদ্ধ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েক দশকের অগ্রগতি নষ্ট করতে পারে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কাঠামোর মধ্যে ভারত সংক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা শুরু হওয়ার আগেই তা ব্যাহত করতে পারে। এছাড়াও, দ্বিপাক্ষিক সৌহার্দ্য পুনরুদ্ধার হলেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক বাগাড়ম্বর এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য বাস্তব ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মধ্যে একটি বড় ব্যবধান রয়েছে। এই অঞ্চলটি জাতিগত সংঘাত, বিদ্রোহ, মাদক পাচার, মায়ানমারের অস্থিতিশীলতা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জটিল রাজনৈতিক সম্পর্কসহ অসংখ্য অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে জর্জরিত – যার সবগুলোই বিদেশি বিনিয়োগকে বাধা দেয় এবং প্রকল্পের সমাপ্তিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত কাঠামোটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগের ঘাটতি পূরণে বৃহত্তর অংশগ্রহণের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে, এই ধরনের সম্পৃক্ততা বাস্তবে রূপায়িত হওয়ার জন্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই বর্তমান বাণিজ্য অচলাবস্থা নিরসনে নেতৃত্ব দিতে হবে এবং তার বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত কাঠামোর বাইরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য সুনির্দিষ্ট ফলাফলসহ একটি আরও নির্দিষ্ট কৌশল গ্রহণ করতে হবে।
বিপ্লব দেবনাথ আগরতলার ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Biplab Debnath is an Assistant Professor at the Department of Political Science, Tripura University, Agartala. With a Master's and a PhD from the School of ...
Read More +