Published on Jul 26, 2025 Updated 0 Hours ago

বিশ্ব মঞ্চে রোবোটিক্সে একটি শক্তিশালী বাস্তুতন্ত্রের অংশীদার হওয়ার জন্য ভারতকে তার শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদার সম্ভাবনা এবং ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে ব্যয় দক্ষতার উপর নির্ভর করতে হবে

ভারতের রোবোটিক্স সুযোগ: বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, স্থানীয় শক্তি

১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে, বেজিংয়ের বেশিরভাগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আবাসস্থল ইঝুয়াং- অনুষ্ঠিত হাফ-ম্যারাথনে প্রথমবারের মতো ২১টি মানবিক রোবট মানব দৌড়বীরদের সঙ্গে দৌড়ে অংশ নেয়দ্রুততম রোবটটি তার দ্রুততম মানবিক প্রতিপক্ষের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি সময় নিলেও ম্যারাথনটি রোবোটিক্সে চিনের ক্রমবর্ধমান দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলসরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করার জন্য এবং রোবোটিক্সে উদ্ভাবনের মাধ্যমে ব্যাপক উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য একটি আক্রমণাত্মক নীতিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি আরও শক্তিশালী হয়েছে, বিশেষ করে হিউম্যানয়েডের ক্ষেত্রে, যাকে একটি মন্থর অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য 'অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নতুন ইঞ্জিন' হিসাবে কল্পনা করা হয়েছিল

যদিও চিন বিশ্বব্যাপী রোবোটিক্স ইনস্টলেশনে ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে, এই ধরনের একীকরণ (‌ইন্টিগ্রেশন)‌ মূলত করে থাকেন জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ইউরোপের নির্মাতারাএটি ক্রমবর্ধমান দেশীয় সক্ষমতার এই প্রদর্শনীগুলিকে বিশ্বের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত করে তোলেচিন ক্রমাগতভাবে বড় হয়ে উঠছে, এবং সরবরাহ শৃঙ্খল উপাদান উৎপাদন সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে নিজেকে বৃহত্তম বাজার এবং একটি সম্ভাব্য উৎপাদন কেন্দ্র হিসাবে জাহির করছে


সম্ভাব্য বাজার সুযোগের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টরা, যেমন মেটা, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া বা অ্যামাজন, এই ক্ষেত্রে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে, এবং টেসলার অপটিমাস প্রোটোটাইপ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে



শিল্প, ভোক্তা সামরিক ক্ষেত্রে রোবোটিক্সের বিস্তৃত সম্ভাব্য প্রয়োগ রয়েছেকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-‌ অগ্রগতি, অটোমেশনের চাহিদা, শ্রমিকের ঘাটতি ক্রমবর্ধমান শ্রম ব্যয়, এবং অনুকূল সরকারি নীতিমালার কারণে বিশ্বব্যাপী রোবোটিক্স বাজার ২০২৫ থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে ১৬.৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি  পেয়ে ২০৩৩ সালের মধ্যে ১৭৮. বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছেশিল্প ক্ষেত্রে রোবোটিক্সের উচ্চ প্রয়োগ থাকলেও, হিউম্যানয়েড রোবটগুলি আরও সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার প্রয়োগ বৈচিত্র্যময় হবে২০৩৫ সালের মধ্যে হিউম্যানয়েড রোবটের মোট বাজার ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছেসম্ভাব্য বাজার সুযোগের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টরা, যেমন মেটা, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া বা অ্যামাজন, এই ক্ষেত্রে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে, এবং টেসলার অপটিমাস প্রোটোটাইপ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। যাই হোক, রোবোটিক্সের অগ্রগতিতে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংমিশ্রণ জড়িত, যা রোবটদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত একাধিক কাজের জন্য সংযুক্ত করা অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন, এবং তা আয়তন বৃদ্ধির সুযোগ সীমাবদ্ধ করে।

সফটওয়্যার ডিজাইনে আমেরিকা বিশ্বে নেতৃত্ব দিলেও, এশিয়া এই শিল্পের বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি, যেখানে চিন বৃহত্তম বাজার এবং সামগ্রিক রোবট ইনস্টলেশনে অগ্রণী হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে। জাপান বিশ্বের
বৃহত্তম শিল্প রোবোটিক্স প্রস্তুতকারক, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহের ৪৫ শতাংশ। জাপানি রপ্তানির ৩৬ শতাংশ চিনে যায়, তারপরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যায় ২২ শতাংশ। ভারত এশিয়ার দ্রুততম বর্ধনশীল বাজারগুলির মধ্যে একটি, যেখানে ২০২৩ সালে রোবোটিক্স ইনস্টলেশন ৫৯ শতাংশ  বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পেছনে গাড়ি শিল্পের অবদান রয়েছে, যেখানে গাড়ি নির্মাতা ও সরবরাহকারী উভয়ের অবদানের কারণে চাহিদা ১৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ চাহিদা কীভাবে পূরণ করা যায়, কীভাবে নির্ভরতা কমানো যায়, এবং কীভাবে বিশ্ব মঞ্চে একটি বাস্তুতন্ত্রের অংশীদার হিসাবে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত সারিবদ্ধতা নিশ্চিত করা যায়, তা বোঝার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

সাইবার-ভৌত ব্যবস্থা তৈরি করা

রোবোটিক্সকে সাইবার-ভৌত ব্যবস্থা হিসাবে বিবেচনা করা হলে তা এর পণ্য উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতাগুলিকে তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার পুনরাবৃত্তির জন্য ডেটা প্রয়োজনীয়তা, এবং রোবোটিক সিস্টেমগুলিকে প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে জটিলতা, যা প্রায়শই হার্ডওয়্যার বিকাশের সময়সীমা এবং বাণিজ্যিক আয়তন বৃদ্ধি ও ব্যাপক উৎপাদনের শর্তগুলির বিপরীতে চলে। এটি আজকের রোবোটিক্স সিস্টেমগুলি তৈরি এবং বড় করার ক্ষেত্রে
কিছু বাধা প্রতিফলিত করে। বেশিরভাগ হিউম্যানয়েড রোবটের এক থেকে দুই ঘণ্টা কাজের পর রিচার্জের প্রয়োজন হয়। একইভাবে, কিছু রোবট তৎপরতা ও গতিশীলতা আয়ত্ত করলেও, অন্যরা জ্ঞানীয় বা বৌদ্ধিক কাজ সম্পাদন করতে পারে, এবং এরা মূলত পৃথক থেকে যায়। তাছাড়া, হার্ডওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, যেখানে ডেটা-চালিত ফিডব্যাক লুপ কম থাকে, তা প্রায়শই সফটওয়্যারের তুলনায় পিছিয়ে থাকে। আয়তন ও বাণিজ্যিকীকরণের এই বাধাগুলি বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন দিকগুলিতে সফলভাবে উদ্যোগ নিতে দেশগুলির অক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোবোটিক্সে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল, যেখানে রপ্তানি ছিল আমদানির মূল্যের মাত্র ২৮ শতাংশ।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার উদ্ভাবনী সম্ভাবনাকে প্রয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবহারে রূপান্তর করতে পারেনি। সেগুলির বেশিরভাগই এশিয়ায় রয়ে গেছে,
যার নেতৃত্বে আছে চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। চিনে সর্বাধিক রোবট ইনস্টলেশন রয়েছে, যা এটিকে বৃহত্তম বাজার করে তুলেছে। জাপান উৎপাদনে আধিপত্য বিস্তার করেছে, যেখানে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতি ১০,০০০ কর্মীর জন্য সর্বোচ্চ রোবট ঘনত্ব বা ইনস্টল করা রোবট রয়েছে। ২০২২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোবোটিক্সে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল, যেখানে রপ্তানি ছিল আমদানির মূল্যের মাত্র ২৮ শতাংশ। ২০২৪ সালে চিন রোবোটিক্স পেটেন্টে সারা বিশ্বে অগ্রণী ছিল, যা বিশ্বব্যাপী পেটেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ। তবে, উদ্ভাবন এবং সহায়ক উদ্ভাবন নীতিতে এই অগ্রগতি সত্ত্বেও, স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা পরবর্তীকালের চিনের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে, যদিও দেশটি সেই লক্ষ্যে দ্রুত অগ্রগতি করছে।

বিশ্বস্ত বৈশ্বিক অংশীদার হিসাবে ভারত

উপরে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা শক্তিশালী, যার সম্ভাব্য রূপান্তরমূলক প্রভাব এবং দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে যদি তা বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। চিনের উপর ভারতের ইতিমধ্যেই
উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক নির্ভরতা রয়েছে, এবং রোবোটিক্সের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এই নির্ভরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। কারণ চিনের কম খরচের উৎপাদন  অন্য বিদেশী সরবরাহকারীদের উপরে এর স্থান তৈরি করে দেবে। এই কারণে সীমান্তবর্তী ক্ষেত্রগুলিতে নিজের কৌশলগত সুবিধা বিকাশ এবং বজায় রাখার জন্য ভারতের এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে ওঠার সুযোগ চিহ্নিত করা অপরিহার্য হয়ে ওঠে, যা ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনাকে ক্রমবর্ধমানভাবে রূপ দেয়।

যাই হোক, ভারত এখনও একটি জাতীয় রোবোটিক্স নীতি বাস্তবায়ন করেনি। এআই ও রোবোটিক্সের সংমিশ্রণ একাধিক ক্ষেত্রের সীমানা নির্ধারণ করতে প্রস্তুত, এবং বিশ্ব মঞ্চে ভারতের একটি বিশ্বস্ত বাস্তুতন্ত্রের অংশীদার হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার  একটি অনন্য সুযোগ রয়েছে। ভারত ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের জন্য বিশ্বব্যাপী কেন্দ্র হয়ে উঠতে প্রস্তুত। এটি ইন্টারনেট প্রোটোকল (আইপি) ও সফটওয়্যারে মার্কিন নেতৃত্বের পরিপূরক হিসাবে রোবোটিক্স উৎপাদন ক্ষমতায় ব্যয় দক্ষতা প্রদান করতে পারে। রোবোটিক্স উৎপাদনে জাপান বিশ্বব্যাপী নেতা হওয়া সত্ত্বেও, দেশটি দক্ষ
শ্রম সরবরাহের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়;‌ অন্যদিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে মূল্য প্রতিযোগিতামূলক থাকে। এটি ভারতের জন্য মূল খেলোয়াড়দের কাছে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার হওয়ার উল্লেখযোগ্য সুযোগ তুলে ধরে। এটি একটি বহুমুখী এবং সমন্বিত উদ্ভাবনী কৌশলের মাধ্যমে করা যেতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে সহায়ক ইলেকট্রনিক্স এবং উন্নত উৎপাদন নীতির সমন্বয়, প্রয়োজনীয় গবেষণা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, বেসরকারি বিনিয়োগকে কাজে লাগানো, এবং দেশীয় চাহিদাকে উদ্দীপিত করা।


এআই ও রোবোটিক্সের সংমিশ্রণ একাধিক ক্ষেত্রের সীমানা নির্ধারণ করতে প্রস্তুত, এবং বিশ্ব মঞ্চে ভারতের একটি বিশ্বস্ত বাস্তুতন্ত্রের অংশীদার হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার  একটি অনন্য সুযোগ রয়েছে।



এটি জ্ঞান ও প্রযুক্তি স্থানান্তরকে ত্বরান্বিত করার জন্য, এবং সাশ্রয়ী উৎপাদনের মাধ্যমে মূল্য শৃঙ্খলের মধ্যে নিজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করার জন্য, ভারতের শক্তিশালী পরিপূরকের উপর ভিত্তি করে কৌশলগত প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। এটি বাণিজ্যিকীকরণকে এগিয়ে নিতে, বিশ্বব্যাপী রোবোটিক্স উৎপাদন বৃদ্ধি করতে, এবং ভারতকে উন্নত উৎপাদনের ক্ষেত্রে অগ্রণী স্থানে রাখতে সহায়তা করতে পারে। কৌশলগত অংশীদারিত্বের পাশাপাশি, ধারণা থেকে প্রয়োগের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য ভারত এআই-রোবোটিক্স সংযুক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে তার সফ্টওয়্যার দক্ষতা ব্যবহার করতে পারে, যা দেশীয় উদ্ভাবন এবং দেশীয় ও রপ্তানি চাহিদা মেটানোর পথ প্রশস্ত করবে।

ভারতে উদীয়মান রোবোটিক্স স্টার্ট-আপ রয়েছে, এবং ডিপটেক স্টার্ট-আপগুলিতে আরও বিনিয়োগের জন্য
সরকারি চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, ডিপটেক ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে কম পছন্দের বিষয়গুলির মধ্যে একটি। এর জন্য একটি সংজ্ঞায়িত রোবোটিক কৌশল প্রয়োজন যা অন্যান্য নীতির সঙ্গে কার্যকরভাবে সংহত করা যেতে পারে, বিশেষ করে এআই, ডিপটেক ও ইলেকট্রনিক্সের সঙ্গে। প্রতিরক্ষার মতো ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে চাহিদা সমর্থন, রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্যবসার জন্য অর্থের সহজলভ্যতা, এবং শিল্প ও ক্ষেত্রজুড়ে পণ্য গ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য মূল্য-প্রতিযোগিতামূলকতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে উদ্দীপিত করার অতিরিক্ত প্রয়োজন রয়েছে। একটি বিস্তৃত পদ্ধতি এই ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার পথ ও গতিপথ চিহ্নিত করতে সহায়তা করবে।



অনুলেখা নন্দী অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর সিকিউরিটি, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড টেকনোলজির ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.