-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
ভারতের প্রথম ত্রৈমাসিকের ৭.৮% জিডিপি বৃদ্ধি সংশয়কে প্রতিহত করেছে — ক্ষেত্রভিত্তিক প্রবণতা এবং বাস্তব সূচকগুলি নিছক পরিসংখ্যানগত চিত্রের বাইরেও গতি নির্দেশ করছে।
২০২৫-২৬ সালের এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে ভারত ৭.৮ শতাংশ প্রকৃত মোট আভ্যন্তর উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা সমস্ত বিশেষজ্ঞের পূর্বাভাস ও অনুমানকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই বৃদ্ধির পরিসংখ্যানটি তখন থেকেই বেশ কয়েকটি বিতর্ক এবং পদ্ধতিগত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। সমালোচকেরা দাবি করছেন যে ভারতের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রকৃত বৃদ্ধি একটি নিম্ন জিডিপি ডিফ্লেটরের কারণে সৃষ্ট একটি হিসাবরক্ষণের অসঙ্গতি।[১] তবে, এটি পুরো চিত্রটি তুলে ধরে না। ডিফ্লেটরটি অস্বাভাবিকভাবে কম ছিল, কারণ পাইকারি মূল্য হ্রাস পেয়েছিল এবং প্রধান মূল্যস্ফীতি কমে এসেছিল। যখন উৎপাদন, সক্ষমতার ব্যবহার, কর সংগ্রহ এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি পরীক্ষা করা হয়, তখন দেখা যায় যে মূল্যস্ফীতি কমা সত্ত্বেও চাহিদা দৃঢ় রয়েছে। অন্য কথায়, চাহিদা এবং সরবরাহ উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং সরবরাহ চাহিদাকে ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে কম দামে উচ্চতর বৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
যখন উৎপাদন, সক্ষমতার ব্যবহার, কর সংগ্রহ এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি পরীক্ষা করা হয়, তখন দেখা যায় যে মূল্যস্ফীতি কমা সত্ত্বেও চাহিদা দৃঢ় রয়েছে।
জিডিপি-র অনুমান প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পদ্ধতির সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। এতে সমগ্র অর্থনীতির উৎপাদন পরিমাপ করার জন্য উৎপাদন এবং আয় পদ্ধতিকে বিভিন্ন ধরনের জরিপের সঙ্গে একত্রে ব্যবহার করা হয়। এর ফলে প্রকৃত এবং নামমাত্র বৃদ্ধির মধ্যে পার্থক্য করার সমস্যা দেখা দেয়। তবে শেষোক্তটি উৎপাদনের মূল্যমানের বৃদ্ধি নির্দেশ করে, প্রথমটি পণ্য ও পরিষেবার উৎপাদনে বাস্তব বৃদ্ধিকে বোঝায়। প্রকৃত এবং নামমাত্র জিডিপি যথাক্রমে স্থির এবং বর্তমান মূল্যে ক্ষেত্রভিত্তিক উৎপাদন যোগ করে আলাদাভাবে অনুমান করা হয়। সুতরাং, প্রথম ধাপে আগাম হিসাব, প্রক্ষেপণ এবং জরিপের তথ্য ব্যবহার করে প্রতিটি ক্ষেত্রের প্রকৃত উৎপাদন গণনা করা হয়। পরবর্তী ধাপে, উপযুক্ত মূল্যস্ফীতির পরিমাপ আরোপ করে নামমাত্র ক্ষেত্রভিত্তিক উৎপাদন অনুমান করা হয়।
জিডিপি ডিফ্লেটর হল নামমাত্র জিডিপি এবং প্রকৃত জিডিপি-র অনুপাত, অথবা প্রকৃত ও নামমাত্র বৃদ্ধির মধ্যে শতাংশের পার্থক্য। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি অর্থনীতি বার্ষিকভাবে কোনও পণ্যের ১০০ ইউনিট উৎপাদন করে, কিন্তু তার দাম বেড়ে যায়, তাহলে প্রকৃত জিডিপি অপরিবর্তিত থাকবে কিন্তু নামমাত্র জিডিপি বেড়ে যাবে। ডিফ্লেটরটি নামমাত্র ও প্রকৃত জিডিপি-র অনুপাত প্রকাশ করে এবং তাই এটি সামগ্রিক মূল্যস্তরের প্রতিনিধিত্ব করে। এটি ভোক্তা মূল্যস্ফীতি (সিপিআই) এবং পাইকারি মূল্যস্ফীতির (ডব্লিউপিআই) একটি ভারযুক্ত (ওয়েটেড) গড় নয়।[২] এটি বোঝা দরকার যে ডিফ্লেটরটি প্রকৃত এবং নামমাত্র বৃদ্ধির হারের পার্থক্য থেকে পাওয়া যায়, এর বিপরীতভাবে নয়। এটি অনেকগুলি ক্ষেত্রভিত্তিক ডিফ্লেটর থেকে উদ্ভূত একটি অন্তর্নিহিত সূচক। তবে, যেহেতু পণ্যের উৎপাদন বিশাল এবং অনেক পণ্য ক্ষেত্র ডব্লিউপিআই-ভিত্তিক ডিফ্লেটর ব্যবহার করে, তাই সামগ্রিক ডিফ্লেটরের উপর ডব্লিউপিআই-এর কার্যকর প্রভাব সাধারণত সিপিআই-এর প্রভাবের চেয়ে বেশি হয়। অভিজ্ঞতালব্ধভাবে, ডিফ্লেটরটি সিপিআই-এর চেয়ে ডব্লিউপিআই-এর সঙ্গে বেশি সম্পর্কযুক্ত।
চিত্র ১: ভারতে ডব্লিউপিআই এবং সিপিআই (জানুয়ারি’২৪ – জুলাই’২৫)
সূত্র: পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রক (এমওএসপিআই) ) এবং শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচার বিভাগ (ডিপিআইআইটি )
আরেকটি সমালোচনা হল ডিফ্লেটর পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয়টি। এক্ষেত্রে একক বা দ্বৈত ডিফ্লেটর পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। দ্বৈত ডিফ্লেশন পদ্ধতিতে বিয়োগ করার আগে আউটপুট এবং ইনপুট উভয়কেই তাদের নিজস্ব মূল্য সূচক দিয়ে আলাদাভাবে ডিফ্লেট করা হয়। ভারত তার উৎপাদন ক্ষেত্রের জন্য একক ডিফ্লেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে, যা পণ্যের দাম কমার সময় ডিফ্লেটরকে কমিয়ে দিয়ে প্রকৃত জিডিপিকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করার ঝুঁকি তৈরি করে। তবে, এই যুক্তিটি ত্রৈমাসিক জিডিপি অনুমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ সেগুলি বেঞ্চমার্ক-সূচক পদ্ধতিতে গণনা করা হয়, যেখানে প্রথমে প্রকৃত আউটপুট অনুমান করা হয়। সুতরাং, বিপরীতক্রমে, একটি নিম্ন ডব্লিউপিআই (পাইকারি মূল্য সূচক) নামমাত্র বৃদ্ধির হারকে কমিয়ে দিতে পারে।
এটি বোঝা দরকার যে ডিফ্লেটরটি প্রকৃত এবং নামমাত্র বৃদ্ধির হারের পার্থক্য থেকে পাওয়া যায়, এর বিপরীতভাবে নয়।
ত্রৈমাসিক তথ্য বিশ্লেষণ
এই ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির চালিকাশক্তি কী ছিল তা বোঝার জন্য, ক্ষেত্রভিত্তিক অংশীদারিত্ব এবং তাদের নিজ নিজ বৃদ্ধির হার পরীক্ষা করা অপরিহার্য। প্রাথমিক ক্ষেত্র এখন মোট দেশজ উৎপাদনের ১৫ শতাংশেরও কম অংশ ধারণ করে, এবং এর ২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি মোট বৃদ্ধির মাত্র প্রায় ৫ শতাংশ ব্যাখ্যা করে। দ্বিতীয় ক্ষেত্র, যার মধ্যে উৎপাদন, বিদ্যুৎ এবং নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত, বৃদ্ধিতে প্রায় ২৫ শতাংশ অবদান রাখে। তৃতীয় বা পরিষেবা ক্ষেত্র, যা জিডিপির ৫৬ শতাংশেরও বেশি অংশীদার, এই ত্রৈমাসিকে প্রধানত বৃদ্ধির চালিকাশক্তি ছিল এবং ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধির মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি অবদান রেখেছে।
সারণি ১: এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে ক্ষেত্রভিত্তিক বৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬)
সূত্র: এমওএসপিআই
পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত জরিপের তথ্য ব্যবহার করে এবং এটি বিশ্বব্যাপী বাজারের একটি নির্ভুল পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০২৫ সালের জুন মাসে উৎপাদন ক্ষেত্রের পিএমআই ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা শক্তিশালী চাহিদা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে, অভ্যন্তরীণ ও রপ্তানি ক্ষেত্রের উচ্চ চাহিদা এবং কাঁচামালের কম দামের কারণে জুন মাসে পরিষেবা ক্ষেত্রের পিএমআই ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। ভারতের শিল্প উৎপাদন সূচক (আইআইপি) হল নির্বাচিত কিছু শিল্প পণ্যের উৎপাদনের পরিমাণে স্বল্পমেয়াদি পরিবর্তনের একটি পরিমাপ, অর্থাৎ এটি শিল্প কার্যকলাপের একটি পরিমাপক। যদিও ২০২৫ সালের জুন মাসে সাধারণ সূচকটি বার্ষিক ভিত্তিতে ৪ পয়েন্ট বেশি ছিল, উৎপাদন সূচকটি ১০ শতাংশেরও বেশি ছিল। খনি ক্ষেত্রের সূচকের পতন জিডিপি পরিসংখ্যানে একটি নেতিবাচক বৃদ্ধির হার হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে।
চিত্র ২: শিল্প উৎপাদন সূচক (এপ্রিল ২০২৪ – জুন ২০২৫)
সূত্র: এমওএসপিআই
২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন মাসে অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলো কর্তৃক পরিবাহিত যাত্রীর সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৭.৩৪ শতাংশ বেশি ছিল। মোট ব্যাঙ্ক আমানত এবং ঋণ যথাক্রমে ১০.৩ এবং ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জুন মাসের শেষে মূলধনী ব্যয় পরিকল্পিত বাজেট ব্যয়ের ২৪.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সুতরাং, সরকারি ব্যয় লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং এটি উচ্চতর গতিতে চাহিদাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। যদিও এই বাস্তব সূচকগুলি সমস্ত অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে ধারণ করে না, তবুও এগুলি ইঙ্গিত দেয় যে জিডিপি অনুমানগুলো স্ফীত/অতিরঞ্জিত নয়। মূল্যস্ফীতির পতন ঘটেছে পণ্যের দাম কমার কারণে, যা সরবরাহের প্রসারের দিকে পরিচালিত করছে। ক্রমবর্ধমান সরবরাহের মুখে স্থিতিশীল চাহিদা উচ্চতর উৎপাদন এবং মৃদু মূল্যস্ফীতির জন্ম দেয় – ঠিক এই পরিস্থিতিই এখন ভারতে বিরাজ করছে।
ভারতীয় ফিলিপস রেখাটি উত্তল, অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে একটি কঠোর আপস-মীমাংসা শুধু তখনই বিদ্যমান থাকে যখন উৎপাদন ব্যবধান বেশি থাকে।
শ্রমবাজার নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই
এই অর্থবছরের শুরু থেকে সরকার মোট চাহিদা বাড়ানোর জন্য একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। ব্যক্তিগত কর পুনর্গঠন এবং পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) সংস্কারের লক্ষ্য ছিল উপভোগ চাহিদা শক্তিশালী করা, অন্যদিকে বিনিয়োগ চাহিদাকে পরিপূরণ করার জন্য সরকারি ব্যয়কে ত্বরান্বিত করা হয়েছে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) সুদের হার কমানোর ফলে অভ্যন্তরীণ ঋণ এবং বিনিয়োগ ব্যয় আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে কোনও অতিরিক্ত মূল্যস্ফীতি ঘটেনি, যা একটি মন্থর শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগের জন্ম দিতে পারত। ভারতের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি মোটেই তেমন নয়, কারণ বেকারত্বের হার জুন ২০২৪-এর ৬.৬ শতাংশ থেকে কমে জুন ২০২৫-এ ৫.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। উপরন্তু, প্রচলিত ফিলিপস কার্ভের সম্পর্ক (উচ্চ মূল্যস্ফীতির ফলে কম বেকারত্ব) ভারতের ক্ষেত্রে সবসময় প্রযোজ্য হয় না।
চিত্র ৩: ভারতীয় ফিলিপস কার্ভ (২০১৮-২৪)
সূত্র: লেখক কর্তৃক পিএলএফএস এবং সিপিআই ডেটা থেকে সংকলিত, চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে তৈরি
ভারতীয় ফিলিপস রেখাটি উত্তল, অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট আপস-সম্পর্ক শুধু তখনই বিদ্যমান থাকে যখন উৎপাদন ব্যবধান বেশি থাকে। ২০২৪-২৫ সালের শেষ ত্রৈমাসিকে, ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহার (উৎপাদন ব্যবধানের একটি পরোক্ষ সূচক) সর্বকালের সর্বোচ্চ ৭৭.৭ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি নিম্ন মূল্যস্ফীতির জন্য বেকারত্বের একটি নগণ্য ব্যয় নির্দেশ করে, যা চিত্র ৩-এ একটি প্রায় অনুভূমিক ফিলিপস রেখার মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। এইভাবে, চাহিদা এবং সরবরাহ উভয়ই বৃদ্ধির ফলে ভারতে একটি উচ্চ-উৎপাদন, নিম্ন-মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
পরিষেবা ক্ষেত্র, যা জিডিপির ৫৬ শতাংশেরও বেশি অংশীদার, এই ত্রৈমাসিকে প্রধানত বৃদ্ধির চালিকাশক্তি ছিল এবং ৭.৮ শতাংশ বৃদ্ধির মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি অবদান রেখেছে।
এটি একটি খারাপ পরিস্থিতি নয় এবং নীতিনির্ধারকদের সংস্কার পরিকল্পনা করার জন্য কিছুটা সুযোগ দেয়। যদিও পণ্যের দাম কমার ফলে সরবরাহের পরিধি প্রসারিত হচ্ছে, নীতির মূল মনোযোগ হওয়া উচিত উৎপাদনশীলতা, গবেষণা এবং প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে এই সরবরাহ সম্প্রসারণকে টিকিয়ে রাখার উপর। কর কমানোর মতো চাহিদা উদ্দীপনামূলক পদক্ষেপের উপর মনোযোগ দিলে, তা যদি স্থিতিশীল সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ না হয়, তবে দ্রুত মূল্যস্ফীতির কারণ হতে পারে। সরবরাহ-কেন্দ্রিক পদক্ষেপগুলি নিশ্চিত করবে যে অতিরিক্ত চাহিদা উদ্দীপনা অর্থনীতিকে অতিরিক্ত উত্তপ্ত করবে না, পাশাপাশি ধীরে ধীরে জিডিপিও বৃদ্ধি পাবে। অর্থনীতির চাহিদা ও সরবরাহ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করলে মূল্য পরিবর্তনের অতিরিক্ত অস্থিরতা ছাড়াই বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর দিকে একটি স্থিতিশীল পথ নিশ্চিত করা সম্ভব।
আর্য রায় বর্ধন অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের জুনিয়র ফেলো।
[১] জিডিপি ডিফ্লেটর হল নামমাত্র জিডিপি এবং প্রকৃত জিডিপি-র অনুপাত, অর্থাৎ এটি নামমাত্র বৃদ্ধি এবং প্রকৃত বৃদ্ধির মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করে। যদিও এটি জিডিপি অনুমানের ভিত্তিতে গণনা করা হয়, এটিকে উপভোক্তা এবং পাইকারি মূল্য সূচকের হারের একটি ভারযুক্ত গড় হিসাবে ধারণা করা যেতে পারে।
[i২] ডব্লিউপিআই পাইকারি বা সরবরাহ পক্ষের দামের গড় গতিবিধি ট্র্যাক করে। সিপিআই উপভোক্তাদের দ্বারা প্রদত্ত পণ্য ও পরিষেবার দাম ট্র্যাক করে – যা চাহিদার দিকটি প্রতিফলিত করে।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Arya Roy Bardhan is a Junior Fellow at the Centre for New Economic Diplomacy, Observer Research Foundation. His research interests lie in the fields of ...
Read More +