Author : Diya Shah

Expert Speak Raisina Debates
Published on Feb 25, 2026 Updated 0 Hours ago

ভারতের বিলম্বিত দ্বিবার্ষিক স্বচ্ছতা প্রতিবেদনটি দেশটির জলবায়ু তথ্য ব্যবস্থায় গভীর কাঠামোগত প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতি প্রকাশ করেছে, যা বৈশ্বিক স্বচ্ছতা মান পূরণে এর প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ভারতের জলবায়ু স্বচ্ছতা ব্যবধান: কেন বিলম্ব বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ণ  করে

নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার চেয়ে দ্রুত আর কোনও কিছুই বিশ্বাসযোগ্যতার অভাবকে প্রকাশ করে না। এক্ষেত্রে, বিশ্ব যখন 'জলবায়ু স্বচ্ছতার এক নতুন যুগে' প্রবেশ করছে, ঠিক তখনই ভারতের প্রথম দ্বিবার্ষিক স্বচ্ছতা প্রতিবেদন (বিটিআর) জমা দিতে ব্যর্থ হওয়াটা এই সমস্যার জন্ম দিয়েছে। এই বিলম্ব শুধু একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি নয়; এটি গভীরতর কাঠামোগত চ্যালেঞ্জকে প্রতিফলিত করে এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রত্যাশা পূরণে ভারতের প্রস্তুতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। উন্নত স্বচ্ছতার দিকে এই পদক্ষেপগুলি শুধু আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ভারতের অভ্যন্তরীণ জলবায়ু কৌশলের জন্যও সমানভাবে অপরিহার্য। প্রকৃতপক্ষে, বর্তমান সময়সূচি থেকে বোঝা যায় যেপ্রতিবেদনের প্রয়োজনীয়তাগুলি ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপূর্ণ থেকে যেতে পারে দেশটি যখন কার্বন বাজার এবং কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক প্রণোদনা প্রকল্প প্রসারিত করছে, তখন বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে সঠিক, যাচাইযোগ্য সর্বজনীনভাবে সহজলভ্য তথ্যের উপর। এটি ছাড়া দ্বৈত গণনা, দুর্বল মূল্য নির্ধারণ এবং অফসেট প্রকল্পগুলিতে অনিয়মের ঝুঁকি সক্রিয় নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যগুলিকে বিপদের মধ্যে ফেলে। জলবায়ু অর্থায়নকে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য স্বচ্ছতাও সমানভাবে অপরিহার্য, যা প্রকাশ করে যে কোথায় হস্তক্ষেপ সফল হয়, কোথায় ঘাটতি রয়ে গিয়েছে, এবং কোথায় তহবিল সবচেয়ে কার্যকর হতে  পারে। তবুও, ইউএনএফসিসিসি-তে ভারতের সর্বশেষ জমা দেওয়া প্রতিবেদনগুলি বিপরীত দিকেই ইঙ্গিত করে, যা এমন দুর্বলতাগুলিকেই তুলে ধরে যা ভারতের বাজার উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং জলবায়ু বিশ্বাসযোগ্যতা উভয়কেই ক্ষুণ্ণ  করে।



জলবায়ু অর্থায়নকে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য স্বচ্ছতাও সমানভাবে অপরিহার্য, যা প্রকাশ করে যে কোথায় হস্তক্ষেপ সফল হয়, কোথায় ঘাটতি রয়ে গিয়েছে, এবং কোথায় তহবিল সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।



ভারতে স্বচ্ছতার বর্তমান অবস্থা

ভারতের সর্বশেষ জমা দেওয়া প্রতিবেদন চতুর্থ দ্বিবার্ষিক হালনাগাদ প্রতিবেদন (বিইউআর) বিবেচনা করলে, বেশ কিছু প্রধান ঘাটতি বর্ধিত স্বচ্ছতা কাঠামোর অধীনে প্রয়োজনীয় নতুন মানগুলির সঙ্গে ভারতের অসামঞ্জস্যকে তুলে ধরে। এই ব্যবস্থার অধীনে, পক্ষগুলিকে (এসআইডিএস এবং এলডিসি ব্যতীত) এখন দ্বিবার্ষিক স্বচ্ছতা প্রতিবেদন (বিটিআর) জমা দিতে হবে, যা বিইউআর-এর চেয়ে অনেক বেশি কঠোরতার দাবি রাখে। যে বিধানগুলি একসময় ‘‌উৎসাহিত’‌ করা হত, সেগুলি এখন বাধ্যতামূলক, এবং সময়কাল, পূর্বাভাস, দূষণকারী এবং বিষয়বস্তু জুড়ে এর পরিধি প্রসারিত হয়েছে। গ্রিনহাউস গ্যাস ইনভেন্টরির (যা এখন ২০০৬ সালের আইপিসিসি মান অনুসরণ করতে বাধ্য) বাইরেওবিটিআর-গুলিতে অবশ্যই ন্যাশনাল ইনভেন্টরি ডকুমেন্ট (এনআইডি) এবং কমন রিপোর্টিং টেবিলসহ একটি ন্যাশনাল ইনভেন্টরি রিপোর্ট, জলবায়ু প্রভাবের উপর প্রতিবেদন, এনডিসি- অগ্রগতি, সক্ষমতা, আর্থিক প্রযুক্তিগত চাহিদা, অনিশ্চয়তা সম্পূর্ণতা মূল্যায়ন এবং ডেটা গুণমান নিশ্চিতকরণ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই সংযোজনগুলি বিটিআর-কে পদ্ধতিগত দাখিলপত্র থেকে সারগর্ভ জবাবদিহি করার উপকরণে রূপান্তরিত করে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারতের বার্ষিক হালনাগাদ প্রতিবেদনের (বিইউআর) উপর ক্রমাগত নির্ভরতা সক্ষমতার ঘাটতি এবং সীমিত স্বচ্ছতাকে তুলে ধরে।



স্বচ্ছতার অভাব এবং স্বাধীন যাচাইয়ের সুযোগ না থাকা ভারতের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টিং প্রক্রিয়া এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার উন্নত প্রয়োজনীয়তার মধ্যে একটি পদ্ধতিগত সংযোগহীনতাকে প্রতিফলিত করে।



ডেটার মধ্যেই এই ঘাটতিগুলি স্পষ্ট। শক্তি, বর্জ্য, ভূমি ব্যবহার, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন বনায়ন এবং কৃষির মতো ক্ষেত্রগুলিতে ভারত বাধ্যতামূলক ছয়টি গ্যাসের মধ্যে চারটির জন্য ক্ষেত্রভিত্তিক অনুমান জানায়নি যেখানে তথ্য পাওয়া যায়, সেখানেও ঘাটতি রয়ে গিয়েছে, এবং বেশ কয়েকটি উপ-ক্ষেত্রকে ‘‌ঘটছে না’‌ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা পরিমাপের অভাব বা নির্গমন অনুমান করতে না পারার দিকে ইঙ্গিত করে। বার্ষিক হালনাগাদ প্রতিবেদনটি ৩০টি সরকারি সংস্থা, ২৫টি সংস্থা এবং ২১টি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ইনপুটের উপর নির্ভর করে, তবুও তাদের ফলাফলগুলি বিশ্লেষণ-বান্ধব বিন্যাসে খুব কমই সহজলভ্য, এমনকি ক্ষুদ্রতর পর্যায়েও। তথ্য সংগ্রহ, সংকলন পদ্ধতি সম্পর্কিত বিস্তারিত বিবরণ প্রায়শই অনুপস্থিত থাকে, যা উত্তরদায়িতাকে দুর্বল করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, প্রাতিষ্ঠানিক বিভাজন -মানসম্মত এবং বিচ্ছিন্ন ডেটা সিস্টেমের জন্ম দেয়। এমনকি যেখানে ক্ষুদ্রতর ডেটা বিদ্যমান (যেমনপেট্রোলিয়াম ব্যবহারের ডেটা বা কয়লার পরিসংখ্যান), সেখানেও এটি একটি সমন্বিতসর্বজনীনভাবে প্রাপ্য প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করা হয়নি। স্বচ্ছতার অভাব এবং স্বাধীন যাচাইয়ের সুযোগ না থাকা ভারতের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টিং প্রক্রিয়া এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার উন্নত প্রয়োজনীয়তার মধ্যে একটি পদ্ধতিগত সংযোগহীনতাকে প্রতিফলিত করে। এই সংযোগহীনতা, এর কারণ এবং এর পরিণতিগুলো সকলের চোখের সামনে রয়েছে।


স্বচ্ছতার অভ্যন্তরীণ মান উন্নয়নে ভারতের প্রচেষ্টা

মূলত, সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাগুলি ব্যবস্থার মধ্যে বিদ্যমান ঘাটতি থেকেই উদ্ভূত হয়, বিশেষ করে অর্থায়ন, ডিজিটাল পরিকাঠামো, মানব সম্পদ এবং প্রক্রিয়াগুলির মানসম্মতকরণের ক্ষেত্রে। এই ঘাটতিগুলি প্রাতিষ্ঠানিক বিভাজন এবং পদ্ধতিগত বিলম্বকে ইন্ধন জোগায়, যা সমন্বয়, তুলনীয়তা এবং দক্ষতাকে দুর্বল করে তোলে। মানসম্মত একত্রীকরণ পদ্ধতির অনুপস্থিতিতে সমস্যাটি আরও জটিল হয়। যেখানে একাধিক সংস্থা খণ্ডিত অনিয়ন্ত্রিত ডেটা তৈরি করে, সেখানে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোটি হোঁচট খেতে বাধ্য। যদিও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিহিত রয়েছে অর্থায়ন, দক্ষ কর্মী এবং কেন্দ্রীভূত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মধ্যে, তবে তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হল ডেটা প্রাপ্তি এবং একত্রীকরণ। এর জন্য একটি মৌলিক পুনর্গঠন প্রয়োজন: প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের জন্য শক্তিশালী পথ তৈরি করা, ডেটা সংগ্রহ জমা দেওয়ার জন্য রিপোর্টিং নিয়মগুলোকে মানসম্মত করা, এবং কাঁচা, উৎস প্রক্রিয়াজাত ডেটার সর্বসাধারণের জন্য সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।


পরবর্তী পদক্ষেপগুলি স্পষ্ট। বিশ্বের নতুন স্বচ্ছতা যুগের সঙ্গে ভারতের সীমিত সঙ্গতি অন্তর্নিহিত কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাগুলির নিবিড় পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ঘাটতিগুলি পূরণের জন্য, ভারত বাহ্যিক সহায়তায় বড় ধরনের সক্ষমতা-বৃদ্ধি উদ্যোগ চালু করেছে। গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফেসিলিটি (জিইএফ) এবং ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি) দ্বারা পরিচালিত ‘‌জলবায়ু কার্যক্রম সহায়তা ব্যবস্থার জন্য একটি সমন্বিত উন্নত স্বচ্ছতা কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি’‌ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০২৬ সালে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, একই প্রতিষ্ঠানগুলি ভারতের প্রথম দ্বিবার্ষিক স্বচ্ছতা প্রতিবেদন (বিটিআর) তৈরির কাজেও সহায়তা করছেযা ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্মিলিতভাবে, এই উদ্যোগগুলি . মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং . মিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল সুরক্ষিত করেছে, যার একটি অংশ প্যারিস চুক্তির স্বচ্ছতার জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি উদ্যোগ (সিবিআইটি) থেকে নেওয়া হয়েছে। তারা শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন যাচাইকরণ (এমআরভি) ব্যবস্থা, একটি জাতীয় জলবায়ু রেজিস্ট্রিএবং দুটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মতো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রস্তাব করেছে: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল কোঅর্ডিনেশন সিস্টেম (এনআইসিএস) এবং ন্যাশনাল ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এনআইএমএস), উভয়ই ভারতের চতুর্থ দ্বিবার্ষিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।



বিশ্বের নতুন স্বচ্ছতা যুগের সাথে ভারতের সীমিত সঙ্গতি অন্তর্নিহিত কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাগুলির নিবিড় পর্যালোচনার জন্ম দিয়েছে।


বিশেষ করে, এনআইএমএস-কে একটি কেন্দ্রীভূত ডিজিটাল ইনভেন্টরি হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে, যা উন্নত স্বচ্ছতা কাঠামোর অধীনে প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করবে এবং অভ্রান্ততা ধারাবাহিকতা উন্নত করার জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের উপর ট্র্যাক করার যোগ্য যাচাইযোগ্য ডেটা সরবরাহ করবে। অন্যদিকে, এনআইসিএস উদ্যোগটি সময়োপযোগী, নির্ভুল এবং যাচাইযোগ্য ডেটা সংগ্রহ নিশ্চিত করার জন্য একটি অপরিহার্য ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর নকশা, একীকরণ, রিয়েল-টাইম সক্ষমতা এবং জনসাধারণের জন্য সহজলভ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও সীমিত। এনআইএমএস-কে একটি নিষ্ক্রিয় ভান্ডারের চেয়েও বেশি কিছু হতে হলে, এটিকে নির্গমন, প্রশমন পদ্ধতি এবং সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত, ক্ষেত্রভিত্তিক ডেটা সরবরাহ করতে হবে। ভারতের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি)-এর দিকে অগ্রগতি ট্র্যাক করার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এনআইসিএস বর্তমান বিচ্ছিন্ন পদ্ধতির কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং ডেটা ত্রুটির মতো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ভারতকে তথ্যের একটি জাতীয় সমন্বিত ডিজিটাল ভান্ডার দিয়ে সজ্জিত করার জন্য, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মসৃণ যোগাযোগ সমন্বয় অপরিহার্য, অর্থাৎ, স্বচ্ছতা শুধু ডেটাতেই নয়, উৎসের ক্ষেত্রেও থাকতে হবে।

যদি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে এই ব্যবস্থাগুলি ভারতের স্বচ্ছতা কাঠামোকে একটি পরিপালনমূলক হাতিয়ার থেকে একটি কৌশলগত সম্পদে রূপান্তরিত করতে পারে। একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা শুধু পদ্ধতিগত বিষয় নয়; এটি বৈশ্বিক কার্বন বাজারে ভারতের অংশগ্রহণের জন্য, বৃহৎ পরিসরে জলবায়ু অর্থায়ন আকর্ষণের জন্য, এবং দেশীয় জলবায়ু কার্যক্রম যাতে পরিমাপযোগ্য অর্থবহ হয় তা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। প্রকৃতপক্ষে, স্বচ্ছতা কাঠামো ভারতের বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বৃহত্তর অবস্থানকে প্রভাবিত করে। জলবায়ু আলোচনার মূলত বহুপাক্ষিক প্রেক্ষাপটে, স্বচ্ছ তথ্য প্রতিবেদন বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা এবং বিশ্বাসকে উৎসাহিত করে এটি বিবেচনা করে, গ্লোবাল সাউথের মধ্যে জলবায়ু কার্যক্রমে এক নেতা হিসেবে ভারতের অবস্থানকে তার জলবায়ু যাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে জলবায়ু প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।



দিয়া শাহ
অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর ইকনমি অ্যান্ড গ্রোথের গবেষণা সহকারী।


The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.