পিয়ংইয়ংয়ে ভারতের দূতাবাস পুনরায় চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের আলাপ-আলোচনামূলক কূটনীতি পারমাণবিক ঝুঁকি ও পুনর্বিন্যাস দ্বারা চিহ্নিত অঞ্চলে নিরাপত্তা উদ্বেগ ও কৌশলগত অভিপ্রায়কেই দর্শায়।
সাড়ে তিন বছর পর ২০২৪ সালে ভারত পিয়ংইয়ংয়ে তার দূতাবাস পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২৪ সালে সুইডেন, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড ও নাইজেরিয়া-সহ পশ্চিমী এবং অ-পশ্চিমী দেশগুলির দূতাবাস পুনরায় চালু করার বিষয়ে একাধিক ঘোষণার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনেকে এটিকে একটি আদর্শ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে আরও অনেক কিছু রয়েছে, যা বিশেষ চোখে পড়ে না। রাশিয়া, চিন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক গতিশীলতা ও ইন্দো-প্যাসিফিকের কৌশলগত স্পয়লার হিসেবে উত্তর কোরিয়ার পুনরুত্থান ভারতের কূটনৈতিক সিদ্ধান্তগুলিকে প্রভাবিত করে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার প্রভাব ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে, সম্প্রসারণ সম্পর্কে ভারতের উদ্বেগ এই সিদ্ধান্তকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সংযোগের পুনঃপ্রতিষ্ঠা
পিয়ংইয়ংয়ে নিজের দূতাবাস বন্ধ করার বহু বছর পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারত এটি পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়, যা উত্তর কোরিয়ায় কূটনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্তকেই দর্শায়। দূতাবাস খোলার পর পিয়ংইয়ংয়ে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক উপস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। দূতাবাস পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত একটি ইতিবাচক অগ্রগতি, যা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার ইঙ্গিত দেয়। এটি উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ভারতের ও বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সুদূরপ্রসারী পরিণতিকেই দর্শায়। এই উন্নয়ন উত্তর কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চল সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ঘটনার পরে ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে চিনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ১৯৬১ সালের চুক্তির পুনর্নবীকরণ, পূর্বনির্ধারিত ধর্মঘট ডাকার অধিকার সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা, সমন্বিতকরণের ধারণা প্রত্যাখ্যান করা, রাশিয়ার সঙ্গে সর্বাত্মক চুক্তিতে স্বাক্ষর করা, দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসাবে ঘোষণা করা এবং রাশিয়ার সামনের সারিতে উত্তর কোরিয়ার তরফে নিজের সৈন্য মোতায়েন করা। এক দিকে, এই ঘটনাগুলি উত্তর কোরিয়ার কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার পর্যায়ের সমাপ্তিকে চিহ্নিত করে; আর অন্য দিকে, উত্তর কোরিয়া এই ইঙ্গিত দেওয়ারই চেষ্টা করছে যে, দেশটি উত্তর-পূর্ব এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে যে, ‘আমাদের অঞ্চলে ডেমোক্র্যাটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া (ডিপিআরকে) সম্পর্কিত পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির সম্প্রসারণ মোকাবিলা করা জরুরি। এই সংযোগগুলি ভারত-সহ এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষতি করে।’
কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় শুরু হওয়ার মাধ্যমে ভারত ‘পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির সম্প্রসারণ’ সম্পর্কিত নিজের স্বার্থ রক্ষা করছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে যে, ‘আমাদের অঞ্চলে ডেমোক্র্যাটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া (ডিপিআরকে) সম্পর্কিত পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির সম্প্রসারণ মোকাবিলা করা জরুরি। এই সংযোগগুলি ভারত-সহ এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষতি করে।’ তবে নয়াদিল্লি এ বিষয়টি নিশ্চিত করতেও আগ্রহী যে, উত্তর কোরিয়া যেন কৌশলগত উপদ্রব না হয়ে ওঠে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিবেশকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে। কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতিতে এই উদ্বেগের উপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং তৃতীয় দেশগুলিকে ইউএনএসসি রেজোলিউশন মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘অঞ্চল ও তার বাইরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে, আমরা রাষ্ট্রপুঞ্জের সমস্ত সদস্য রাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ায় স্থানান্তর বা উত্তর কোরিয়া থেকে সমস্ত অস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহের উপর নিষেধাজ্ঞা-সহ সংশ্লিষ্ট ইউএনএসসিআর মেনে চলার আহ্বান জানাই।’
ভারতের আলোচনামূলক কূটনীতি: নিতান্তই কি চিত্তাকর্ষক বিকল্প?
ভারতের ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ রক্ষা করার পাশাপাশি এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও সাহায্য করতে পারে। কারণ এই অঞ্চলে অস্থিরতা তীব্রতর হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস পশ্চিম ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেতু হিসেবে কাজ করবে, বিশেষ করে যখন উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভাল নয়। উত্তর কোরিয়ার দু’টি বিস্তৃত চুক্তি অংশীদারদের মধ্যে অন্যতম রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে উত্তর কোরিয়ার ভারতের এই উপস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শাসনব্যবস্থার সঙ্গে মসৃণ সম্পর্ক নিশ্চিত করার জন্য ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগাচ্ছে। ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ভারতের তরফে ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সিতুতজ সাতভি ডিপিআরকে-তে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মাতসেগোরার সঙ্গে দেখা করেন এবং কোরিয়ান উপদ্বীপের পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত বিনিময় করেন। এই প্রেক্ষিতে, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ক্ষয়িষ্ণু সম্পর্ক এবং রাশিয়া ও চিনের আলোচনার সুবিধার্থে আগ্রহের অভাব বিবেচনা করে নয়াদিল্লি তার আলোচনামূলক কূটনীতির মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সুইডেনের মতো পূর্ববর্তী নিরপেক্ষ শক্তির অনুপস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুইডেন এখন নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) সদস্য।
ভারতীয় দূতাবাস পশ্চিম ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেতু হিসেবে কাজ করবে, বিশেষ করে যখন উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভাল নয়।
যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে বসে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও আলাপ-আলোচনা সংক্রান্ত প্রচার করে নয়াদিল্লি আলোচনামূলক কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত, যুদ্ধ ও বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ঐতিহ্য তৈরি করেছে। ভারতের কৌশলগত সংস্কৃতি, জোটনিরপেক্ষ বিদেশনীতি এবং বহুমেরুত্বের প্রতি শ্রদ্ধার দরুন দেশটি ব্লক রাজনীতির মাধ্যমে কার্যকর ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার বা কৌশল অবলম্বন করার সুযোগ উপভোগ করে এবং ইতিবাচক ভাবেই নিজের অবস্থান বজায় রেখে চলে। এটি কোরিয়ান উপদ্বীপের জন্যও সত্য, যার নেপথ্যে একটি ইতিহাস রয়েছে। কেউ যুক্তি দিতেই পারেন যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দু’টি ব্লকের মধ্যে কোরিয়ান যুদ্ধই ছিল প্রথম বড় সংঘাত। এটি মধ্যস্থতাকারী ও নিরপেক্ষ দেশ হিসাবে ভারতের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে, নয়াদিল্লির আলোচনামূলক কূটনীতির উপর জোর দেওয়ার পথ প্রশস্ত করেছে। আঞ্চলিক সমীকরণ আবার পরিবর্তিত হওয়ায় ভারত সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য উপযুক্ত। বহু-জোটবদ্ধ বিদেশনীতি এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের উপর অব্যাহত জোরের মাধ্যমে ভারত উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে একটি বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। ১৯৯০-এর দশকের পর চিন এই মর্যাদা ভোগ করে। কারণ চিন কোরিয়ান উপদ্বীপকে স্থিতিশীল করার জন্য ও দেশটির সমৃদ্ধি সুনিশ্চিত করার মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিনিয়োগ করেছিল। তবে চিন বা রাশিয়া কেউই আর একই রকম ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী নয় বা করতে চাইবে না। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থান, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার জন্য কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান, নয়াদিল্লিকে পিয়ংইয়ংয়ের দৃষ্টিতে নিজেকে একটি স্বাধীন শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছে। এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মতো - যেমন অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান - ভারত পরমাণু বিস্তার রোধ বা এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন কোয়াডের অংশ হওয়ার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের জন্য উত্তর কোরিয়ার তরফে খুব বেশি সমালোচনার সম্মুখীন হয়নি। অতএব, এই জোটনিরপেক্ষ অবস্থান নয়াদিল্লিকে ভবিষ্যতের যে কোনও সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে সাহায্য করে।
ভারত ইতিমধ্যেই আলাপ-আলোচনার সূচনা ঘটানো এবং সমস্যায় মধ্যস্থতার বিষয়টি সহজতর করার ক্ষেত্রে সুনাম অর্জন করেছে। ঐতিহাসিক কোরিয়ান যুদ্ধের বছরগুলিতে (১৯৫০-৫৩) ফিরে তাকালে দেখা যাবে, ভারত তখনও নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করেছিল এবং রাষ্ট্রপুঞ্জকে কোনও উত্তেজনাকর নীতি গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে ও দু’টি ব্লকের মধ্যে পার্থক্য দূরীকরণে সহায়তা করেছিল। ভারত ২০০,০০০ আহতকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান এবং ২,৩০০ ফিল্ড সার্জারি পরিচালনা করে সমর্থন জুগিয়েছিল। একই সঙ্গে কোনও যুদ্ধদল প্রেরণ করে অংশ নেওয়ার পরিবর্তে ভারত শান্তি ও কোরিয়ার পুনর্মিলনের পথ অব্যাহত রেখেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে তার কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারত সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং সংঘাতের আগে ও সম্প্রসারণের সময় এক দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য দিকে চিনের মধ্যেও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। সর্বোপরি, ভারত আরব-এশীয় জোটকে ঐক্যবদ্ধ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ওয়াশিংটনকে ‘যুদ্ধবন্দি’ প্রশ্নে ভারতীয় প্রস্তাব গ্রহণ করতে বাধ্য করে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ছিল। এটিই কোরিয়ান যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর এবং সংঘাতের অবসানের দিকে পরিচালিত করে। এ ছাড়াও, নয়াদিল্লি নিউট্রাল নেশনস সুপারভাইজরি কমিশন বা নিরপেক্ষ দেশ তত্ত্বাবধান কমিশনের (এনএনএসসি) সভাপতিও ছিল, যা যুদ্ধবন্দিদের প্রত্যাবাসন ও মানবিক চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করার জন্য দায়বদ্ধ।
আলোচনামূলক কূটনীতির ক্রমাগত পুনরাবৃত্তি কূটনৈতিক উপায়ে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য ভারতের সমর্থনকেই দর্শিয়েছে।
ভারত সর্বদা আলোচনামূলক কূটনীতির পক্ষে সওয়াল করে আলাপ-আলোচনা ও মধ্যস্থতাকেই স্বাগত জানিয়েছে। প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ভারত পানমুনজমের বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছিল। ভারত আশা প্রকাশ করে বলেছে যে, ‘এই ধরনের সম্পৃক্ততা উত্তেজনা হ্রাসে সহায়তা করবে এবং কোরিয়ান উপদ্বীপে স্থায়ী শান্তি ও পুনর্মিলনের পথ প্রশস্ত করবে’। একই সঙ্গে ভারত ‘ডিপিআরকে’র পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিস্তার সংযোগ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’ আবার একই ভাবে, মধ্যস্থতার ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই যুদ্ধ সমাধানে ভারতের সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে মধ্যস্থতাকে সহজতর করেছেন। এই প্রস্তাবটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও জার্মানি-সহ আঞ্চলিক অংশীদারদের দ্বারা এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও ভাল নজরে দেখেছেন। জেলেনস্কি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, নয়াদিল্লি যেন দ্বিতীয় শান্তি শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা করে। পুতিনও মধ্যস্থতাকারী হিসাবে ভারতের ভূমিকাকে সমর্থন করেছেন। আলোচনামূলক কূটনীতির ক্রমাগত পুনরাবৃত্তি কূটনৈতিক উপায়ে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য ভারতের সমর্থনকেই দর্শিয়েছে। অতএব ভারতের ঐতিহাসিক ও সাম্প্রতিক হস্তক্ষেপ বিবেচনা করে, নয়াদিল্লি উত্তর কোরিয়া সম্পর্কিত ভবিষ্যতের আলোচনায় একটি নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী, সহায়তাকারী ও মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠতে পারে।
অভিষেক শর্মা অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্ট।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Abhishek Sharma is a Junior Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. His research focuses on the Indo-Pacific regional security and geopolitical developments with a special ...
Read More +