কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য নীতিগত মডেলগুলি প্রাচ্য এবং পশ্চিমী কাঠামোর মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রাচ্যের নীতিমালা স্থাপনার জন্য অনন্যভাবে অবস্থান করছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-তে সহযোগিতা সম্পর্কে আলোচনা সাধারণত বস্তুগত সম্পৃক্ততা, প্রযুক্তি ব্যবহার, উদ্ভাবন সহযোগিতা এবং মেধা পাইপলাইন সংগঠিত করার চারপাশে আবর্তিত হয়।
তবে, একটি সামগ্রিক নৈতিক কাঠামো ছাড়া, এআই-এর অগ্রগতি ধীরগতির হতে বাধ্য, এবং এমনকি বিপজ্জনকও হতে পারে। এআই-তে নৈতিক মডেলিং যাতে বিশ্বের বেশিরভাগ জ্ঞান ব্যবস্থার অ্যাংলো-কেন্দ্রিকতার প্রতিলিপি তৈরি না করে, সেই উদ্বেগের ফলে এআই নীতিশাস্ত্রের চিন্তাভাবনা "পশ্চিমী" এবং "প্রাচ্য" মডেলের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ছে।
এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে, মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে কীভাবে এটি মিশ্রিত করা যায়, সেই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবুও, "মানবিক মূল্যবোধ" একক নয়। এআই-নীতিশাস্ত্রের উপর বিশ্বব্যাপী কথোপকথনে মূলত পশ্চিমী দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পেয়েছে, এবং পূর্বের অধিবিদ্যক ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ কাঠামো উপেক্ষা করা হয়েছে।
এআই-নীতিশাস্ত্রের উপর বিশ্বব্যাপী কথোপকথনে মূলত পশ্চিমী দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পেয়েছে, এবং পূর্বের অধিবিদ্যক ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ কাঠামো উপেক্ষা করা হয়েছে।
"সত্যের প্রকৃতি কী", "ব্যক্তিগত না সামাজিক কল্যাণ, কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ", এবং "সাধারণের কল্যাণের জন্য কী ধরনের তথ্য সীমিত বা সংযত করা উচিত" ইত্যাদি প্রশ্নগুলিতে প্রাচ্য এবং পশ্চিমী মডেলগুলির মনোভাবের মধ্যে গভীর পার্থক্য রয়েছে। যদিও এআই-তে পশ্চিমী নীতিশাস্ত্র মূলত বিশ্লেষণাত্মক যুক্তিবাদ এবং ব্যক্তিগত অধিকার থেকে উদ্ভূত হয়, পূর্বের নীতিশাস্ত্র প্রায়শই সামগ্রিক সম্প্রীতি, আন্তঃসংযোগ এবং সম্প্রদায়ের দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেয়। এর প্রতিটিই এআই শাসন কাঠামোকে স্বতন্ত্র দিকে চালিত করে।
পশ্চিমী বনাম প্রাচ্য প্যারাডাইম
পশ্চিমী দর্শনের নীতিগত আলোচনার মূল ভিত্তি দ্বৈতবাদী মডেল, বস্তুবাদ এবং ব্যক্তিগত অধিকারের সাধনা, আর এর এআই নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মূলে রয়েছে গোপনীয়তা, উপযোগিতা, স্বায়ত্তশাসন এবং স্বচ্ছতার মতো মৌলিক মূল্যবোধ। আলোকিতকরণ এবং বৈজ্ঞানিক অভিজ্ঞতাবাদ দ্বারা প্রভাবিত প্রভাবশালী পশ্চিমী প্যারাডাইম ঝুঁকি-ভিত্তিক নিয়মের লেন্সের মাধ্যমে এআই-কে দেখে থাকে, যা কার্যকরী ক্ষমতা মূল্যায়ন, অধিকার-ভিত্তিক সুরক্ষা এবং উপযোগ সর্বাধিকীকরণের উপর জোর দেয়। "এআই কি ব্যক্তি স্বাধীনতা লঙ্ঘন করে?" বা "আমরা কীভাবে স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্তে ন্যায্যতা নিশ্চিত করি?" গোত্রের প্রশ্নগুলি এই ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে।
বিপরীতে, প্রাচ্যের দার্শনিক ব্যবস্থাগুলি সমষ্টিগত কল্যাণ, সহানুভূতি এবং আন্তঃনির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়। এআই নীতিশাস্ত্রে, এটি সম্প্রীতি, সামাজিক সুবিধা এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের একটি উত্তর-নৃকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো ধারণার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, যা সমস্ত সংবেদনশীল প্রাণীর প্রতি সহানুভূতি তুলে ধরে।
এই বৈচিত্র্য বাস্তবে প্রকাশিত হয়। প্রাচ্য-অনুপ্রাণিত এআই নীতিশাস্ত্র ডিজিটাল মন, এমনকি কাল্পনিক মনকেও সম্মান এবং নৈতিক মনোযোগের যোগ্য হিসাবে বিবেচনা করে, এবং "পবিত্র বিধি[১]" পদ্ধতির মাধ্যমে এআই-এর বিকাশকে আধ্যাত্মিক এবং প্রযুক্তিগত বাধ্যবাধকতা হিসাবে দেখে। পশ্চিম সর্বজনীন নিয়ম এবং অধিকার এবং উপযোগবাদের উপর জোর দেওয়ায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, স্বায়ত্তশাসন এবং ন্যায্যতার মতো নীতিগুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি এআই নীতিশাস্ত্রের দিকে এগিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ইইউ-এর সাধারণ তথ্য সুরক্ষা নিয়ন্ত্রণ হল একজন ব্যক্তির তথ্যের পবিত্রতার উপর নির্মিত একটি যুগান্তকারী নিয়ন্ত্রণ। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি "ভাল" এআই ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে সম্মান করে, ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈষম্য এড়ায়, এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছ হয়। অ্যালগরিদমিক ন্যায্যতা এবং স্বচ্ছতার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষা এবং উপভোক্তাদের ঝুঁকি হ্রাস করার উপর কেন্দ্রীভূত, এবং তা অনুবর্তিতা, ব্যাখ্যাযোগ্যতা এবং জবাবদিহিতার পক্ষে দাঁড়ায়। এই কাঠামোগুলি, বিশ্বব্যাপী মানদণ্ডের পথিকৃৎ হলেও, কখনও কখনও এমন প্রেক্ষাপটের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় যেখানে সমাজের উপযোগিতা ব্যক্তিগত উপযোগিতাকে ছাড়িয়ে যায়।
উদাহরণস্বরূপ, ইইউ-এর সাধারণ তথ্য সুরক্ষা নিয়ন্ত্রণ হল একজন ব্যক্তির তথ্যের পবিত্রতার উপর নির্মিত একটি যুগান্তকারী নিয়ন্ত্রণ।
প্রাচ্য কাঠামোতে এআই যদি সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি করে, যৌথ উন্নয়নে সহায়তা করে এবং সহানুভূতির সঙ্গে কাজ করে তবে তাকে "নৈতিক" বলে মনে করা হয়। যদিও এটিকে অনুপ্রবেশকারী নজরদারি ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, এর মূল আদর্শ হল প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও আন্তঃসংযুক্ত এবং সহায়ক সমাজ গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে "এআই-এর নিয়ম কী?" থেকে সরে গিয়ে "জনসম্প্রদায়ের মধ্যে এআই-এর ভূমিকা এবং দায়িত্ব কী?" সেই দিকে মনোযোগ স্থানান্তরিত হয়।
ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দৃষ্টিভঙ্গি
প্রাচ্য কাঠামোয়, বিশেষ করে ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো দেশগুলিতে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হয়, সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে উদ্ভাবনের ভারসাম্য বজায় রাখা হয়, সেইসঙ্গে মানব-কেন্দ্রিক এআই এবং ন্যায়সঙ্গত প্রযুক্তিগত প্রাপ্যতার মতো বৃহত্তর ধারণাগুলিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এখানে, নৈতিক কাঠামোগুলি শুধু ঝুঁকি হ্রাস করার জন্যই নয়, বরং সর্বাধিক সম্ভাব্য ক্ষেত্রের জন্য সক্রিয়ভাবে সামাজিক কল্যাণ, মর্যাদা এবং মানবিক বিকাশকে উৎসাহিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এর এবং পশ্চিমী-ধাঁচের উপযোগবাদের মধ্যে পার্থক্য দুই ধরনের। 'প্রাচ্য' সংস্করণে ব্যক্তিগত অধিকারের চেয়ে জনসম্প্রদায়ের চাহিদার উপর অনেক বেশি জোর দেওয়া হয়, এবং বাহ্যিক, সামাজিক নিয়মভিত্তিক পদ্ধতির চেয়ে অভ্যন্তরীণ বিকাশ এবং অগ্রগতি অনেক বেশি গুরুত্ব পায়। পূর্বের পদ্ধতিটি আন্তঃসংযোগ, অহং-এর সীমানা বিলীন করা, এবং উচ্চতর নৈতিক ও নৈতিক শক্তির কাছে আত্মসমর্পণের প্রয়োজনীয়তার উপর আলোকপাত করে। বিপরীতে, উপযোগবাদ স্থিতিশীল এজেন্টরা সামষ্টিক উপযোগিতা সর্বাধিক করার জন্য যুক্তিসঙ্গত গণনা করে বলে ধরে নেয়।
ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে এখানে বিবেচনা করা হয়েছে, কারণ এই দুটি দেশ যদিও রাষ্ট্রীয় ও সরকারি কাঠামোর ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং বর্ধিত সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশীদারিত্বের প্রতিনিধিত্ব করে, তবুও তারা তাদের নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল গণপণ্য থেকে আরও বেশি উপযোগিতা প্রদানের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমানভাবে একই পথ অনুসরণ করেছে।
ভারতীয় কাঠামো নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, গোপনীয়তা, জবাবদিহিতা এবং বৈষম্যহীনতার প্রতি একটি চিন্তাশীল দায়বদ্ধতাকে অগ্রাধিকার দেয়, এবং এআই-কে শুধু ব্যক্তিগত অধিকারের পরিবর্তে যৌথ মূল্যবোধে সুরক্ষিত জনকল্যাণের হাতিয়ার হিসেবে স্থান দেয়।
এআই নীতিশাস্ত্রের প্রতি ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্তি, সমতা এবং সামাজিক অগ্রগতির সাংবিধানিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। "সকলের জন্য এআই" একটি পথপ্রদর্শক নীতি — যা মনে করে যে প্রযুক্তি এমনকি সবচেয়ে প্রান্তিক জনসংখ্যার জন্যও সেবা করবে, ডিজিটাল বিভাজন দূর করবে, এবং এআই উন্নয়ন জুড়ে ইতিবাচক মানবিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করবে। ভারতীয় কাঠামো নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, গোপনীয়তা, জবাবদিহিতা এবং বৈষম্যহীনতার প্রতি একটি চিন্তাশীল দায়বদ্ধতাকে অগ্রাধিকার দেয়, এবং এআই-কে শুধু ব্যক্তিগত অধিকারের পরিবর্তে যৌথ মূল্যবোধে সুরক্ষিত জনকল্যাণের হাতিয়ার হিসেবে স্থান দেয়।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি দ্রুত এআই প্রযুক্তিগত গ্রহণের সময় নৈতিক শাসনের মান উন্নয়নের ভারসাম্য বজায় রেখেছে, যা স্পষ্টভাবে পূর্বের সম্প্রীতি এবং আন্তঃসংযুক্তির মূল্যবোধগুলিকে একীভূত করে। দেশের "এআই নীতি ও নৈতিকতা" নির্দেশিকা মূল মূল্যবোধগুলি ব্যাখ্যা করে: ন্যায্যতা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, ব্যাখ্যাযোগ্যতা, স্থিতিস্থাপকতা, সুরক্ষা, মানবিক মর্যাদা এবং স্থায়িত্ব। সংযুক্ত আরব আমিরাত এই নির্দেশিকাগুলিকে একটি "জীবন্ত দলিল" হিসাবে বিবেচনা করে, যার অর্থনৈতিক মানগুলি নতুন চ্যালেঞ্জ এবং নাগরিক চাহিদা মোকাবিলায় ক্রমাগত অগ্রগতি করে, এবং নিশ্চিত করে যাতে সমাজের সকল সদস্য, পটভূমি নির্বিশেষে, উপকৃত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এআই নীতিশাস্ত্রকে স্থায়িত্বের সঙ্গেও সংযুক্ত করে, এবং প্রযুক্তি, পরিবেশগত তত্ত্বাবধান এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক কল্যাণের মধ্যে একটি শক্তিশালী সংযোগ স্থাপন করে।
মহাকাশ, শক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং সরবরাহ-শৃঙ্খল ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং প্রয়োগে সহযোগিতা করার জন্য দুই দেশের ইতিমধ্যেই একটি বিদ্যমান চুক্তি রয়েছে। তবে, এআই-এর জন্য প্রাচ্যের নীতিশাস্ত্র গঠনে তাদের আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে পারে।
নীতিশাস্ত্র শুধু লিখে রাখা নয়, অনুশীলন করা দরকার। পূর্বের এআই নীতিশাস্ত্রের ব্যবহারিকতা প্রচারের জন্য, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করতে পারে।
একটি হল "প্রাচ্য এআই নীতিশাস্ত্র সনদ" খসড়া তৈরি করা, যা আঞ্চলিকভাবে প্রযোজ্য সামগ্রিক নীতি এবং ক্ষেত্র-নির্দিষ্ট নিয়মকানুনকে অন্তর্ভুক্ত করে। উদাহরণস্বরূপ, লক্ষ্যযুক্ত সরকারি সুবিধা বণ্টনের জন্য ব্যবহার করা একটি এআই সিস্টেম শুধু দক্ষতার জন্যই নয় বরং অন্তর্ভুক্তি এবং অ-ক্ষতি নিশ্চিত করার জন্য, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য, এবং পক্ষপাত এড়ানোর জন্যও প্রোগ্রাম করা যেতে পারে। এর অর্থ হল এআই স্পষ্টভাবে ঐতিহাসিক পক্ষপাত (বর্ণ, লিঙ্গ, বা গ্রামীণ/নগর বিভাজন) সনাক্ত এবং সংশোধন করার জন্য প্রশিক্ষিত।
আরেকটি উদাহরণ এমন হতে পারে: এআই পরিবারগুলির একটি গোষ্ঠীকে "অপুষ্টির জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ" হিসাবে চিহ্নিত করে, কারণ এটি স্থানীয় জল পাম্পের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার সঙ্গে কম রেশন সরবরাহের সংযুক্তি ঘটায়। তারপরে এটি গ্রামীণ সরকারের সমাজকর্মীকে সতর্ক করে এমন কোনও শাস্তিমূলক বার্তা দিয়ে নয় যে "এই ব্যক্তি ঝুঁকিতে রয়েছে", বরং এই ধরনের একটি সহায়ক বার্তা দিয়ে: "জনসম্প্রদায় গোষ্ঠী 'এ' পুষ্টির চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে। 'এক্স' এবং 'ওয়াই'-কে সরবরাহ পরিদর্শন এবং পরীক্ষা করার অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিন।"
আন্তর্জাতিক ফোরামে বহুত্ববাদী চিন্তাভাবনা প্রচার করে, এবং রাষ্ট্রপুঞ্জ, ওইসিডি, ব্রিকস এবং জি২০-তে নৈতিক শাসনের উপর আলোচনায় অবদান রেখে উভয় দেশ বিশ্বব্যাপী কাজ করতে পারে।
আরেকটি পদ্ধতি হল স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে কো-পাইলটেড প্রকল্পগুলিতে কাজ করা, যাতে নৈতিক কাঠামোর সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা যায়। অ্যালগরিদমিক ন্যায্যতা, পক্ষপাত প্রশমন এবং নৈতিক যুক্তি সম্পর্কে প্রকৌশলী, ডাক্তার, শিক্ষক এবং নীতিনির্ধারকদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক ফোরামে বহুত্ববাদী চিন্তাভাবনা প্রচার করে, এবং রাষ্ট্রপুঞ্জ, ওইসিডি, ব্রিকস এবং জি২০-তে নৈতিক শাসনের উপর আলোচনায় অবদান রেখে উভয় দেশ বিশ্বব্যাপী কাজ করতে পারে।
দেশদুটি প্রযুক্তির জন্য একটি নতুন নৈতিক শব্দভাণ্ডার তৈরির দিকেও এগিয়ে যেতে পারে। পশ্চিমীরা অধিকার এবং বিপদের নিয়মগুলিকে সংহত করেছে, অন্যদিকে প্রাচ্য সম্পর্ক এবং দায়িত্বের জন্য নীতিগুলির ধারণা তৈরি করতে পারে। ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি একটি নতুন ও সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত নীতিশাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করতে সহযোগিতা করতে পারে। এই ধরনের সহযোগিতা গ্লোবাল সাউথের জন্য প্রয়োজনীয় নৈতিক আন্তঃকার্যক্ষমতার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হবে।
হিন্দোল সেনগুপ্ত ও পি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির জিন্দাল স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (জেএসআইএ)-এ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক, এবং জিন্দাল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক।
হেবাতুল্লা আদম ও পি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির জিন্দাল স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (জেএসআইএ)-এর আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অধ্যাপক, এবং জেএসআইএ-তে ডক্টরেট স্টাডিজের সহযোগী ডিন।
[১] এর অর্থ কোডিং (অথবা ব্যাপকভাবে প্রযুক্তি তৈরি)-এর একটি পদ্ধতি যেখানে কোড বা প্রযুক্তি কতটা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে তার উপরই শুধু জোর না দিয়ে বরং এটি যা করে তার নৈতিক বা নৈতিক দিকগুলির উপরও গুরুত্ব দেয়। সুতরাং, উদাহরণস্বরূপ, এক্স বা ইনস্টাগ্রাম শুধু কতটা মসৃণভাবে কাজ করে তা না দেখে বরং খতিয়ে দেখা হয় এই পণ্যগুলি মানুষের মনোযোগ এবং মস্তিষ্কের উপর কী প্রভাব ফেলে, যা ক্রমবর্ধমানভাবে 'মনোযোগ অর্থনীতি' নামে পরিচিত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Hindol Sengupta is a Professor of International Relations at the Jindal School of International Affairs (JSIA), O. P. Jindal Global University, and director of the ...
Read More +
Hebatallah Adam is a Professor of International Economics at the Jindal School of International Affairs (JSIA), O. P. Jindal Global University, and associate dean of ...
Read More +