-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
ভারত ও আফ্রিকার মধ্যে ডিজিটাল সহযোগিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত স্বাধীনতার প্রতি বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেয়। যৌথ ডিজিটাল উদ্ভাবন কি গ্লোবাল সাউথ জুড়ে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিও চালাতে পারে?
২০২৫ সালের ১ জুলাই ভারত তার প্রধান ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন করে। এক দশক ধরে এই কর্মসূচি ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামো এবং জনসেবা সরবরাহকে উল্লেখযোগ্য ভাবে উন্নত করেছে। ২০১৪ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৫১ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৯৭০ মিলিয়নে পৌঁছেছে, যেখানে ২,১৮,০০০-এরও বেশি গ্রাম উচ্চ-গতির নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতি এখন জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা বার্ষিক প্রায় ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রাখে এবং ২০২২-২৩ সালে তা ছিল জিডিপির ১১.৭৪ শতাংশ।
ডিজিটাল ইন্ডিয়া চালু করার মূল ধারণা ছিল অন্তর্ভুক্তি, সাশ্রয়ী মূল্য এবং জনসেবাগুলিতে লব্ধতার প্রচারের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা, বিশেষ করে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের জন্য। যেহেতু আফ্রিকার বেশির ভাগ দেশ ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য প্রস্তুত, তাই ভারতীয় অভিজ্ঞতা তাদের জন্য একটি সাশ্রয়ী ও প্রাসঙ্গিক মডেল প্রদান করতে পারে। এই প্রতিলিপিযোগ্য মডেল আফ্রিকান সরকারগুলির জন্য তাদের ডিজিটাল বিভাজন দূর করতে এবং প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা উন্নত করতে চাওয়ার জন্য প্রচুর সম্ভাবনা রাখে।
আফ্রিকার ডিজিটাল আকাঙ্ক্ষায় ভারতের ভূমিকা
ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে আফ্রিকার বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলি প্রায় এক দশক আগে ভারত যেমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল, তার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যার মধ্যে রয়েছে কম ইন্টারনেট প্রবেশাধিকার, অপ্রতুল অবকাঠামো এবং খণ্ডিত জনসেবা সরবরাহ। স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য মহাদেশটিকে ডিজিটাল সমাধানগুলিকে কাজে লাগাতে হবে।
অতএব, আফ্রিকার জন্য ভারতের ডিজিটাল যাত্রা থেকে অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করা সহায়ক হবে। এই সব কিছুই দর্শায় যে, কী ভাবে মাত্রাযোগ্য নীতি কাঠামো এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য রূপান্তর আনতে পারে।
ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে আফ্রিকার বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলি প্রায় এক দশক আগে ভারত যেমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল, তার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যার মধ্যে রয়েছে কম ইন্টারনেট প্রবেশাধিকার, অপ্রতুল অবকাঠামো এবং খণ্ডিত জনসেবা সরবরাহ। স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য মহাদেশটিকে ডিজিটাল সমাধানগুলিকে কাজে লাগাতে হবে।
একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল আধার, ভারতের বায়োমেট্রিক ডিজিটাল পরিচয় কর্মসূচি, যা প্রতি পরিচয়ের জন্য প্রায় ১ মার্কিন ডলার খরচ করে এক বিলিয়নেরও বেশি ব্যক্তিকে সফল ভাবে তালিকাভুক্ত করেছে। এই ডিজিটাল পরিচয় পরিকাঠামোটি সরাসরি সুবিধা স্থানান্তর, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা-সহ বিস্তৃত পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দক্ষ শাসনের একটি মডেল হিসাবে ব্যাপক ভাবে স্বীকৃত।
দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত এবং অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা
বারবার ভারত আফ্রিকার ডিজিটাল অগ্রগতিকে সমর্থন করে তার প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ভাগ করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং ভারত-আফ্রিকা ফোরাম শীর্ষ সম্মেলনের (আইএএফএফ) মাধ্যমে ভারত আফ্রিকার ডিজিটাল বাস্তুতন্ত্রকে উন্নত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি এবং হস্তক্ষেপ শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ক্ষেত্রে অবকাঠামো এবং ক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য দ্বিপাক্ষিক আর্থিক সহায়তা, অনুদান এবং ঋণ প্রদান (এলওসি)।
কিছু উদাহরণ উল্লেখ করলে, ভারত কেনিয়া, বতসোয়ানা, উগান্ডা, তানজানিয়া এবং ঘানায় তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করেছে। এটি আফ্রিকার একাধিক দেশে উন্নত কম্পিউটিং সরঞ্জাম দান করেছে এবং মরিশাসের সাইবার টাওয়ার ও ঘানার কোফি আনান সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ইন আইসিটির মতো প্রধান অবকাঠামো প্রকল্পগুলিতে অবদান রেখেছে। মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারত তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তথ্য প্রযুক্তিতে একটি সেন্টার অফ এক্সিলেন্স তৈরিতে সহায়তা করেছে।
২০২৩ সালে তানজানিয়ার জাঞ্জিবারে ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইআইটি) প্রথম বিদেশি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা করার সময় একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করা হয়েছিল। ক্যাম্পাসটি উন্নত ডেটা সায়েন্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রোগ্রাম প্রদান করে, যা আফ্রিকান যুবকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকাডেমিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দেয়।
ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামোর উপযোগিতা
২০০৯ সালে ভারত প্যান আফ্রিকা ই-নেটওয়ার্ক চালু করে, যা একটি মহাদেশব্যাপী উদ্যোগ যা টেলি-শিক্ষা এবং টেলিমেডিসিন পরিষেবাগুলিকে সহজতর করে। এর উপর ভিত্তি করে ২০১৯ সালে ই-বিদ্যাভারতী (টেলি-শিক্ষা) এবং ই-আরোগ্যভারতী (টেলি-মেডিসিন) প্রকল্প (ই-ভিবিএবি) শুরু করা হয়েছিল আফ্রিকান শিক্ষার্থী এবং রোগীদের ভারতীয় শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আরও একীভূত করার জন্য।
ই-ভিবিএবি প্রকল্পের আওতায় গত কয়েক বছরে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আফ্রিকান শিক্ষার্থীদের হাজার হাজার বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি আফ্রিকা জুড়ে নাগরিকদের দূরবর্তী টেলিহেলথ পরামর্শের সুবিধা প্রদান করেছে এবং ভারতীয় ও আফ্রিকান বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাসপাতালগুলির মধ্যে ডিজিটাল সংযোগ সহজতর করেছে। স্বল্প খরচের, উচ্চ-প্রভাবশালী সহযোগিতার এই মডেলটি আফ্রিকার ডিজিটাল যাত্রাকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামোর উপযোগিতা প্রদর্শন করে।
ই-ভিবিএবি প্রকল্পের আওতায় গত কয়েক বছরে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আফ্রিকান শিক্ষার্থীদের হাজার হাজার বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
ভারত-আফ্রিকা ডিজিটাল সম্পৃক্ততার পরিধি সম্প্রসারণে ভারতের বেসরকারি খাতও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতী এয়ারটেলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এক্সটেলিফাই সম্প্রতি নাইজেরিয়া সরকারের সঙ্গে বহু-বছরব্যাপী, বহু-মিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্বে প্রবেশ করেছে। এই চুক্তিতে নাইজেরিয়ার টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নত করার জন্য, ১৪টি আফ্রিকান বাজারে কর্মক্ষম দক্ষতা এবং গ্রাহক পরিষেবা সরবরাহ উন্নত করার জন্য এআই-সক্ষম প্ল্যাটফর্ম স্থাপনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ভারতের ডিজিটাল শাসনের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ
তা ছাড়া, আফ্রিকান সরকারগুলি ক্রমবর্ধমান ভাবে ভারতীয় শাসন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মডেলগুলি প্রতিলিপি করছে। নামিবিয়া ভারতের ইলেকট্রনিক ভোটিং সিস্টেমের ব্যবহার অন্বেষণ করছে এবং অন্য দিকে ঘানা উজ্জ্বলা এলপিজি বিতরণ কাঠামো গ্রহণ করছে। ডিজিটাল পেমেন্ট এবং পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের বাস্তবায়ন বোঝার জন্য বিভিন্ন আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধিরা ভারতে অধ্যয়ন সফরও করেছে। এই সম্পৃক্ততাগুলি ভারতের প্রযুক্তিগত সমাধান এবং ডিজিটাল শাসন ব্যবস্থার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের উপর জোর দেয়।
কার্যকর ডিজিটাল শাসনের জন্য ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থা অপরিহার্য - যা জনসাধারণের পরিষেবাগুলিতে প্রবেশাধিকার সক্ষম করে - নিরাপদ আর্থিক লেনদেন এবং আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্স। ভারতের আধার ব্যবস্থা আফ্রিকান দেশগুলির জন্য একটি মাত্রাযোগ্য মডেল প্রদান করে যারা পরিষেবা প্রদান বৃদ্ধি করতে, অদক্ষতা হ্রাস করতে এবং আর্থিক ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি প্রচার করতে চায়।
আনুমানিক ১৯ বছর গড় বয়সের দরুন আফ্রিকা বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে কম বয়সি জনসংখ্যার অধিকারী। তবে এই জনসংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগানোর জন্য ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নে যথেষ্ট বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। স্কিল ইন্ডিয়া, ডিজিটাল সাক্ষরতা অভিযান এবং ভারতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটিইসি) প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগগুলির সঙ্গে ভারতের অভিজ্ঞতা আফ্রিকার প্রেক্ষাপটে বিশেষায়িত দক্ষতা উন্নয়ন কৌশল বিকাশের জন্য মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।
আফ্রিকার ডিজিটাল অর্থনীতির দ্রুত সম্প্রসারণ
উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তাকে সমর্থন করে এমন স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র তৈরি করা সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের ক্রমবর্ধমান স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্র, বিশেষ করে ফিনটেক, স্বাস্থ্য-প্রযুক্তি এবং কৃষি-প্রযুক্তিতে, উদীয়মান বাজারগুলিতে স্থিতিশীল, প্রযুক্তি-চালিত উদ্যোগগুলিকে উৎসাহিত করার জন্য শিক্ষামূলক মডেল প্রদান করে।
আফ্রিকার ডিজিটাল অর্থনীতি এখনও সদ্যোজাত হলেও এটি দ্রুত সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০০৫ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ২.১ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে প্রায় ৩৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০২৩ সালে মোবাইল শিল্প এই অঞ্চলের জিডিপিতে ১৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৭ শতাংশ অবদান রেখেছিল, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মহাদেশটি মোবাইল আর্থিক পরিষেবার ক্ষেত্রেও নিজেকে শীর্ষস্থানীয় করে তুলেছে এবং বিশ্বের অর্ধেক মোবাইল অর্থ সরবরাহকারী সাব-সাহারান আফ্রিকায় অবস্থিত।
ভারতের ক্রমবর্ধমান স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্র, বিশেষ করে ফিনটেক, স্বাস্থ্য-প্রযুক্তি এবং কৃষি-প্রযুক্তিতে, উদীয়মান বাজারগুলিতে স্থিতিশীল, প্রযুক্তি-চালিত উদ্যোগগুলিকে উৎসাহিত করার জন্য শিক্ষামূলক মডেল প্রদান করে।
আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া (এএফসিএফটিএ) অনুমোদন আফ্রিকাকে মহাদেশ জুড়ে একটি একক বাজার গড়ে তোলার এক অনন্য সুযোগ এনে দিয়েছে। তবে এই দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়িত করার জন্য ডিজিটাল সংযোগ, উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্র এবং ডেটা শাসনের উপর আরও বেশি প্রচেষ্টা চালানো উচিত। ভারতীয় প্রযুক্তি সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিনিয়োগকারীরা এই রূপান্তরমূলক প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার জন্য সু-অবস্থানে রয়েছে।
সামনের পথ
ভারত ও আফ্রিকার মধ্যে ডিজিটাল সহযোগিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত স্বাধীনতার প্রতি বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জটিলতাগুলি অতিক্রম করার সঙ্গে সঙ্গে তাদের অংশীদারিত্ব ডিজিটাল যুগে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার জন্য একটি আকর্ষণীয় কাঠামো প্রদান করে।
নিঃসন্দেহে, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনের জন্য ভারতের ডিজিটাল প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ আফ্রিকান দেশগুলির জন্য একটি প্রতিলিপিযোগ্য মডেল প্রদান করে। দৃঢ় রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি, নমনীয় নীতি কাঠামো এবং কৌশলগত সহযোগিতার মাধ্যমে, ভারত ও আফ্রিকা এমন একটি ভবিষ্যৎ সহ-নির্মাণের জন্য উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে যেখানে ডিজিটাল উদ্ভাবন বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ জুড়ে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি চালাবে।
যে প্রশ্নগুলি রয়েই যাচ্ছে
যেহেতু বেশিরভাগ আফ্রিকান দেশ ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য প্রস্তুত, ভারতের অভিজ্ঞতা কী ভাবে তাদের জন্য একটি সাশ্রয়ী এবং প্রাসঙ্গিক মডেল তৈরি করতে পারে?
আফ্রিকা কী ভাবে ভারতের ডিজিটাল যাত্রা থেকে অন্তর্দৃষ্টি কাজে লাগিয়ে মাত্রাযোগ্য নীতি কাঠামো তৈরি করতে এবং মহাদেশ জুড়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করে এমন সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারে?
ভারত-আফ্রিকা ডিজিটাল অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহ-উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব অর্জন করছে। বিস্তারিত আলোচনা করা দরকার।
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং ভারত-আফ্রিকা ফোরাম শীর্ষ সম্মেলনের (আইএএফএস) মাধ্যমে, ভারত আফ্রিকার ডিজিটাল বাস্তুতন্ত্রকে উন্নত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি এবং হস্তক্ষেপ শুরু করেছে। বিস্তারিত আলোচনা জরুরি।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগের মধ্যে ভারত-আফ্রিকা ডিজিটাল অংশীদারিত্ব কী ভাবে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার জন্য একটি কৌশলগত মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে?
এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Samir Bhattacharya is an Associate Fellow at Observer Research Foundation (ORF), where he works on geopolitics with particular reference to Africa in the changing global ...
Read More +