জিসিসি যেহেতু একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, এটিকে সুসংহত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন, কিন্তু সম্ভবত ট্রাম্প প্রশাসন এই অঞ্চলের ‘নিরাপত্তা সমন্বয়কারী’ হতে তার ডেমোক্র্যাট প্রতিপক্ষের মতো ততটা আগ্রহী নয়।
“জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলির নিরাপত্তা অবিভাজ্য।” সাম্প্রতিক মাসগুলিতে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল, সংক্ষেপে জিসিসি) নেতৃবৃন্দ এবং জিসিসি মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে বেশিবার যৌথ নিরাপত্তার এই ধারণাটির পুনরাবৃত্তি করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাহরাইনে অনুষ্ঠিত জিসিসি সর্বোচ্চ পরিষদের ৪৬তম অধিবেশনে, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর কুয়েতে অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা পরিষদের ২২তম অধিবেশনে, এবং বিশেষ উল্লেখযোগ্যভাবে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮০তম অধিবেশনের পার্শ্বে ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জিসিসি ও যুক্তরাষ্ট্রের (ইউএস) মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের জন্য অনুষ্ঠিত যৌথ বৈঠকে এই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করা হয়।
নিউইয়র্কে এই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ জানা গিয়েছে যে জিসিসি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে তার সদস্য দেশগুলির জন্য একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দিকে নজর দিচ্ছে। ডিসেম্বরে আলবুদাইউই বলেন যে, ‘যৌথ উপসাগরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ঢাল’ নামে পরিচিত এই উদ্যোগটির এখনও “অনেক প্রযুক্তিগত দিক” সমাধান করা প্রয়োজন, এবং এই প্রতিরক্ষা ঢালের কাঠামো ও কার্যপ্রণালী চূড়ান্ত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক চলছে। সুতরাং, এটা অনুমান করা যায় যে এর ফলে ২০২৭ সালের শুরুতে উপসাগরে নির্ধারিত বৃহৎ আকারের যৌথ সামরিক মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণ করতে পারে।
জিসিসি-র গভীরতর প্রতিরক্ষা একীকরণের প্রচেষ্টায় বিদেশী অংশীদারদের সঙ্গে বাহ্যিক চুক্তিগুলি কী ধরনের গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে, তার একটি উদাহরণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলতি সমন্বয়। যদিও এর শুরুটা যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে হতে পারে (কারণগুলি পরে উল্লেখ করা হয়েছে), একটি জোট হিসেবে জিসিসি-র সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্য অংশীদারদের যোগদানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়ার কোনও কারণ নেই। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, জিসিসি আরও যৌথ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম ও একীকরণের দিকে চালিত হচ্ছে, যা এই ক্ষেত্রে একতরফা প্রচেষ্টার গতিকে কিছুটা কমিয়ে আনছে।
জিসিসি প্রতিরক্ষা একীকরণের অগ্রগতি
২০১৩ সালে, জিসিসি নেতারা প্রতিরক্ষা একীকরণের দিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপকে সুসংহত করেন। সে বছর কুয়েতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে “গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত দেশগুলির জন্য একটি যৌথ সামরিক কমান্ড গঠন, সেইসঙ্গে কৌশলগত ও নিরাপত্তা অধ্যয়নের জন্য একটি গালফ অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠা”-কে অনুমোদন করা হয়। ১৯৮২ সালে পেনিনসুলা শিল্ড ফোর্স গঠন এবং এই শতাব্দীর শুরুতে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পর এটিই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং উপসাগরীয় প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে একীভূত সামরিক কমান্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০২৫ সালে কাতারের উপর ইজরায়েলি ও ইরানি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে, এই চুক্তিটি জিসিসি প্রতিরক্ষা একীকরণের সর্বশেষ প্রেরণার ভিত্তি তৈরি করে। সেপ্টেম্বরে ইজরায়েলি হামলার পর, দোহায় জিসিসি যৌথ প্রতিরক্ষা পরিষদের একটি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে “যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং উপসাগরীয় প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে একীভূত সামরিক কমান্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়।” তারা যে সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়, সেগুলি হল: গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি করা; জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলির সমস্ত অপারেশন কেন্দ্র জুড়ে আকাশপথের পরিস্থিতি প্রেরণ করা; ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা; যৌথ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা হালনাগাদ করা; এবং যৌথ মহড়া পরিচালনা করা। তবে, জিসিসি সামরিক বাহিনীগুলির মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতার অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা তাদের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারে “সূক্ষ্ম কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ” পার্থক্যযুক্ত অস্ত্র ব্যবস্থাগুলির ধারাবাহিক ক্রয়ের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়।
এইখানেই জোটের প্রতিরক্ষা একীকরণ উদ্যোগগুলির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয় প্রয়োজন। এটি যেমন জিসিসি-র নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে, যা হল “অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা শক্তিশালী করা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব গভীর করা, এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা ও সমন্বয় ব্যবস্থাকে সমর্থন করা”, তেমনই এটি জিসিসি-র বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভর করার, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্র থেকেই আমদানি করা হয়েছে, তার একটি পরিণতিও বটে। প্রকৃতপক্ষে, যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, জিসিসি-র “আঞ্চলিক একীকরণ বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রয়োজন”, কারণ যুক্তরাষ্ট্র “সংগঠন, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ” সরবরাহ করে।
জিসিসি-র “আঞ্চলিক একীকরণ বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রয়োজন”, কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র “সংগঠন, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ” সরবরাহ করে।
জিসিসি-র সঙ্গে মার্কিন আলোচনা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “নিরাপত্তা নিশ্চয়তাকারী” থেকে “নিরাপত্তা সমন্বয়কারী”-র ভূমিকায় এই দৃ্ষ্টান্তমূলক পরিবর্তন সম্ভবত ২০১৫ সালের ক্যাম্প ডেভিড সম্মেলনের পর থেকে সুদৃঢ় হয়েছে, যা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং জিসিসি নেতাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই শীর্ষ সম্মেলনটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কারণ একটি অঞ্চলব্যাপী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বিকাশের চুক্তিটি ওয়াশিংটনের সমর্থন পেয়েছিল। এই পরিবর্তনটি শুধু উপসাগরীয় নেতৃত্ব পর্যায়ের আলোচনার ফলই ছিল না, বরং ২০১৫ সালে মার্কিন নৌ বিশ্লেষণ কেন্দ্র (ইউএস সেন্টার ফর নেভাল অ্যানালিসিস) একটি ট্র্যাক ১.৫ ফোরামের পর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে উপসাগরীয় অঞ্চলের কর্মকর্তা, পণ্ডিত এবং বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়েছিলেন। প্রতিবেদন অনুসারে, এই সম্মেলনের একটি ফলাফল ছিল যে অংশগ্রহণকারীরা চেয়েছিলেন জিসিসি রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক যেন তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বিকাশে সহায়তা করার দিকে এগিয়ে যায়।
যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জিসিসি-র প্রতিরক্ষা সমন্বয় জ্ঞান হস্তান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে, তাই এর লক্ষ্য হল জিসিসি রাষ্ট্রগুলির নিজস্ব সক্ষমতা বিকাশের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জন করা। ২০১৫ সালের ক্যাম্প ডেভিড আলোচনার চেতনায় ২০২২ সালে বাইডেন প্রশাসনের হাত ধরে শুরু হওয়া এবং ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলা এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিনটি ইউএস-জিসিসি প্রতিরক্ষা ওয়ার্কিং গ্রুপে এই বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও বৈঠক আর অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রকৃতপক্ষে, যদিও ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই উচ্চ আশা ছিল যে তিনি জিসিসি-র আন্তঃকার্যকরী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কাঠামোর জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন, তিনি এই অ্যাজেন্ডা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ডেমোক্র্যাট প্রতিপক্ষদের মতো ততটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন না – অন্তত প্রকাশ্য বিবৃতি বা বৈঠকের মাধ্যমে তো নয়ই।
অন্য আরব আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলির তুলনায়, “সমন্বয়ের ক্ষেত্রে জিসিসি-ই সবচেয়ে সফল পরীক্ষা”, “যদিও এর সাফল্য এখনও অসম্পূর্ণ।”
এর পরিবর্তে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদে উপসাগরীয় দেশগুলি বহুপাক্ষিক চুক্তির বদলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ধারা অব্যাহত রেখেছে। সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ, ট্রাম্প "কাতার রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ" শিরোনামে একটি নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেন। এই আদেশটি নিশ্চিত করে যে, কাতারের উপর যে কোনও আক্রমণকে যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করবে। এটি দুই দেশের মধ্যে যৌথ জরুরি পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি কাঠামোও স্থাপন করে। এছাড়াও, ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত হওয়ার পর ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি বাস্তবায়িত হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুকম ও সালালা বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর নিয়মিত প্রবেশাধিকারের জন্য ওমানের সঙ্গে একটি কৌশলগত কাঠামো চুক্তির প্রচেষ্টাতেও নেতৃত্ব দেন। যদিও এই প্রচেষ্টাগুলি এবং সৌদি আরবের সঙ্গে আরেকটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির জন্য চলমান আলোচনা প্রশংসনীয়, তবুও এগুলি বহুপাক্ষিক প্রচেষ্টার তুলনায় যথেষ্ট নয়, যা ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে আগামী বছরগুলিতে এই ক্ষেত্রে ধীর অগ্রগতির প্রতিফলন ঘটাতে পারে – যা জিসিসি মহাসচিবের ঘোষিত আশার পরিপন্থী।
উপসংহার
উপসংহারে বলা যায়, অন্য আরব আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলির তুলনায়, “সমন্বয়ের ক্ষেত্রে জিসিসি-ই সবচেয়ে সফল পরীক্ষা”, তবে কিনা, “যদিও এর সাফল্য এখনও অসম্পূর্ণ।” কাতারের উপর হামলাগুলি, এবং পরবর্তীতে ইরানের হামলা, জিসিসি-র অভ্যন্তরে প্রতিরক্ষা আন্তঃকার্যক্ষমতার সমস্যা সমাধানে পূর্ববর্তী মার্কিন প্রশাসনের দুর্বলতাগুলিকে তুলে ধরেছে। তবে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থন ছাড়া একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ঢাল তৈরির জন্য জিসিসি-র নবায়িত আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নিরাপত্তা সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে ট্রাম্পের সম্মতি প্রয়োজন।
যদি জিসিসি আন্তঃকার্যক্ষমতার চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠতে জোটের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে এবং একই সঙ্গে বহুপাক্ষিক পদক্ষেপের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা তৈরি করতে পারে, তবেই এটি খণ্ডকালীন সহযোগিতা থেকে একটি টেকসই, সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে পারে। এই যাত্রাপথের সাফল্য জিসিসি-কে ভবিষ্যতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেই নয়, বরং সমমনস্ক মার্কিন অংশীদারদের সঙ্গেও তার সমন্বয়কে আরও গভীর করার সুযোগ দেবে।
এই ভাষ্যটি মূলত ওআরএফ মিডল ইস্ট-এ প্রকাশিত হয়েছিল।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Mahdi Ghuloom is a Junior Fellow at the Observer Research Foundation (ORF) – Middle East. He focuses on the Gulf States, with an eye on ...
Read More +