একসময় বিশ্বব্যাপী অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সন্ত্রাসবাদ দমনকে এখন লজ্জাহীনভাবে পথের পাশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, এবং প্রভাব বিস্তারের খেলা, প্রক্সি যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস দ্বারা তা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে।
নাটকীয় পরিবর্তনের পরিবর্তে ধীর গতিতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াই আরও অগোছালো ও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক মনোযোগের অক্ষ — যা একসময় সন্ত্রাসবাদ দমনের উপর নিবিষ্ট ছিল — এখন বৃহৎ-শক্তি রাজনীতির অন্ধকার ভূখণ্ডের দিকে দ্রুত সরে যাচ্ছে। রূপকগুলি পরিবর্তিত হয়েছে; ভাষা এখন আর নিরাপদ আশ্রয়স্থল, বিদ্রোহ দমন (কয়েন), স্লিপার সেল, স্বতঃপ্রণোদিত বাধা, মৌলবাদের গ্রন্থি বা বিদ্রোহীদের কেন্দ্র দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয় না, বরং প্রভাবের ক্ষেত্র, ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রতিরোধ, প্রক্সি যুদ্ধ ও কৌশলগত জোট দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়।
পূর্ববর্তী ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এই পুনর্গঠন শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে, তাঁর নতুন প্রেসিডেন্সির অধীনে, সেগুলি দ্বিধাহীন স্পষ্টতা ও নিষ্ঠুর রূঢ়তার সঙ্গে কার্যকর করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনটি, যা তার সূক্ষ্মতার জন্য গভীর, তা কোনও স্পষ্টভাষী বক্তৃতা বা নতুন মতবাদের মধ্যে নয়, বরং পুরনো মতবাদের নীরব ক্ষয়ে প্রমাণিত হয়।
ক্ষমতার ভারসাম্যের নাটকের বর্তমান মেজাজে, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকা সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলার চেয়ে চিনের মোকাবিলা করার বিষয়ে বেশি উদ্বিগ্ন বলে মনে হচ্ছে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সাম্প্রতিক সফল সন্ত্রাসবিরোধী হামলা — 'অপারেশন সিন্দুর' — একটি কৌশলগত পরিবর্তনের বিন্দু হিসেবে কাজ করে। একসময় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সংহতির জন্য একটি লিটমাস পরীক্ষা ছিল গতিশীল অভিযান, যার সম্পর্কে এখন পশ্চিমী রাজধানীগুলি থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্যের বাইরে আর কিছু আসে না। নিরুপমা রাওয়ের একটি টি-টোয়েন্টি ব্লক-এর প্রস্তাব — সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিরক্ষা — এখনও জরুরি এবং সংবেদনশীল’; কিন্তু পশ্চিমীদের সন্ত্রাসবাদ দমন থেকে কৌশলগত প্রতিযোগিতার দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণে এর কার্যকারিতা সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে। ক্ষমতার ভারসাম্যের নাটকের বর্তমান মেজাজে, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকা সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলার চেয়ে চিনের মোকাবিলা করার বিষয়ে বেশি উদ্বিগ্ন বলে মনে হচ্ছে।
সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করা বা বিনা প্ররোচনায় চালানো সন্ত্রাসবাদী হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকারের জন্য উত্তাল সমর্থন, উচ্চনাদের প্রস্তাব এবং কূটনৈতিক বিবৃতির দিন চলে গিয়েছে। তার জায়গায় এসেছে ইচ্ছাকৃত নীরবতা, যা ভেঙে মাঝেমধ্যে শুধু 'উভয় পক্ষের সংযম'-এর জন্য অস্পষ্ট আহ্বান শোনা যায়। কেন এই রূপান্তর? এর উত্তর পাকিস্তানের প্রতি নতুন আকর্ষণের মধ্যে বা ভারতের ভূমিকার পুনর্মূল্যায়নের মধ্যে নেই। এটি যতটা ভূগোলের মধ্যে নিহিত, ততটাই কৌশলের মধ্যেও।
যদিও বিশ্ব আজ সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান বিপদের মুখোমুখি — নতুন অতি-দক্ষিণপন্থী খেলোয়াড় থেকে শুরু করে দীর্ঘস্থায়ী জিহাদি নেটওয়ার্ক এবং রাষ্ট্রপুষ্ট অ-রাষ্ট্রীয় খেলোয়াড় — ওয়াশিংটন সম্ভবত তাদেরকে বৃহৎ শক্তির রাজনীতির একটি নতুন পর্যায়ে চলতি পরিবর্তনের আরেকটি উপাদান হিসাবে বিবেচনা করে। তার সমস্ত অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বাহ্যিক অকার্যকরতার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান চিনের সঙ্গে উদীয়মান কৌশলগত প্রতিযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডর হিসাবে রয়ে গিয়েছে, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (ইউএস) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি বিস্তৃত ক্ষেত্রীয় মীমাংসা চান।
পাকিস্তানের সামরিক কেন্দ্রের কাছে নূর খান বিমানঘাঁটির উপর আমেরিকার গোপন নিয়ন্ত্রণের অসমর্থিত প্রতিবেদনগুলি ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখার জন্য তার প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে। এর মধ্যে অবশ্য চিনের উদীয়মান বেল্ট অ্যান্ড রোড হাব-এর অংশ হিসাবে গোয়াদরের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে।
ইসলামাবাদের সঙ্গে পুনরুজ্জীবিত মার্কিন সম্পর্ক নবপ্রজ্জ্বলিত প্রেম নয়, বরং সুবিধাজনক বিবাহের পুনরুজ্জীবন। পাকিস্তানের সামরিক কেন্দ্রের কাছে নুর খান বিমানঘাঁটির উপর আমেরিকার গোপন নিয়ন্ত্রণের অসমর্থিত প্রতিবেদনগুলি ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখার জন্য তার প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে। এর মধ্যে অবশ্য চিনের উদীয়মান বেল্ট অ্যান্ড রোড হাব-এর অংশ হিসাবে গোয়াদরের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। একসঙ্গে, তারা এমন একটি অবস্থার কথা তুলে ধরে যেখানে বৃহৎ শক্তিগুলি ছায়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়াই করে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে একত্রিত হয়ে, পাকিস্তান শিকারী ভূ-কৌশলে একটি অপরিহার্য স্তম্ভ হিসাবে তার অবস্থানকে কাজে লাগায়।
বাস্তব রাজনীতির এই ঠান্ডা গণনায়, সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক অনায়াসে সন্ত্রাসবাদ দমনে 'অসাধারণ অংশীদার' হয়ে উঠতে পারে। এমন এক মুহূর্তে, যখন মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গি একদিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে কঠোর সংঘর্ষ থেকে অন্যদিকে সংযত মিত্রদের উপর জবরদস্তির মধ্যে দোদুল্যমান,, সেই সময় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইকে বৃহৎ শক্তির রাজনীতিতে রূপান্তরিত করা হয়েছে। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, বৈশ্বিক নিরাপত্তার অভিধান এখন 'প্রক্সি যুদ্ধ', 'হাইব্রিড যুদ্ধ', 'অপতথ্য প্রচারণা', 'অর্থনৈতিক সম্পর্কের অস্ত্রায়ন', 'মাল্টি-ডোমেন অপারেশন' এবং 'তথ্য আধিপত্য'-এর কথা বলে।
একসময় ৯/১১-র পরের বিশ্ব যে অক্ষের উপর আবর্তিত হয়েছিল তা হল সন্ত্রাসবাদ, যা এখন প্রক্সি যুদ্ধের বিস্তৃত ভূখণ্ডের মধ্যে একটি কৌশলগত উপ-শৃঙ্খলায় নিমজ্জিত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। হাতিয়ারগুলি প্রায় একই রকম হলেও — ড্রোন, গোয়েন্দা অভিযান, সাইবার আক্রমণ — উদ্দেশ্যগুলি স্থানান্তরিত হয়েছে। পশ্চিমীরা, স্পষ্টতই, আর সন্ত্রাসীদের পরাজিত করার চেষ্টা করছে না; তারা প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা, অঞ্চল অস্বীকার করা এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। এই সব কিছুই তারা করছে স্বদেশকে সুরক্ষিত করার জন্য।
এটিই প্রথমবার নয় যে মূল্যবোধের বাগাড়ম্বর বৃহৎ শক্তির রাজনীতির নির্মম যুক্তির কাছে নতিস্বীকার করেছে। ইতিহাস এমন মুহূর্তগুলিতে পরিপূর্ণ যেখানে রাষ্ট্রগুলি ঘোষণা করেছিল একটি উদ্দেশ্য এবং ছুটছিল অন্য একটির পিছনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যে একবার সন্ত্রাস নির্মূল করার আপসহীন লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল, এখন যখন অসুবিধাজনক কৌশলগত উপযোগিতাপূর্ণ স্থানে সেই একই বিপদ দেখা দেয় তখন তারা হালকাভাবে সতর্কবার্তাগুলি ফিসফিস করে বলে। উদাহরণস্বরূপ, নতুন করে মার্কিন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি বাগরাম বিমান ঘাঁটি হারানোকে একটি গুরুতর কৌশলগত ভুল হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। এটি চিনের সম্ভাব্য দখলদারির বিরুদ্ধে একটি সতর্কবার্তা। এই পুনরুজ্জীবিত আগ্রহ সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বাধ্যবাধকতা দ্বারা নয়, বরং ঘাঁটির প্রাপ্যতা, ওভারফ্লাইট অধিকার এবং নিয়ন্ত্রণের অবস্থান দ্বারা চালিত হয়।
নতুন করে মার্কিন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি বাগরাম বিমান ঘাঁটি হারানোকে একটি গুরুতর কৌশলগত ভুল হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। এটি চিনের সম্ভাব্য দখলদারির বিরুদ্ধে একটি সতর্কবার্তা।
এদিকে, রাষ্ট্রপুঞ্জ (ইউএন) তার পদ্ধতিগত আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তবে, তার স্পষ্ট বিপরীতে, ট্রাম্পের নেতৃত্বে আমেরিকা প্রতিষ্ঠানটিকে সম্পূর্ণরূপে পুনর্নির্মাণ/ভিন্নভাবে গঠনের হুমকি দিচ্ছে, যা হল কি না জাতীয় স্বার্থের একটি সংকীর্ণ সংজ্ঞায়িত দৃষ্টিভঙ্গির অধীনস্থ আন্তর্জাতিক আইন। এই যুগের সঙ্গে মানানসই একটি বিদ্রূপাত্মক মোড় হল পাকিস্তান, যে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত সদস্য রাষ্ট্র, সে এখন রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কমিটিগুলি সভা করবে, প্রস্তাব পেশ করা হবে এবং কূটনীতিকেরা বিষণ্ণ সুরে বিবৃতি দেবেন, যাঁরা স্বীকার করেন যে এর বেশিরভাগই শূন্যগর্ভ ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। যদিও বহুপাক্ষিকতার যন্ত্রটি টিকে থাকে, এটি একটি সমান্তরাল পথে কাজ করে — পরিণতিমূলক হওয়ার পরিবর্তে শূন্যগর্ভতা নিয়ে ব্যস্ততা, যা বুঝিয়ে দেয় লক্ষ্যের সঙ্গে আপস করার কথা। আসল খেলাটি অন্যত্র প্রকাশিত হয়, বন্ধ দরজার আড়ালে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিতে, দূরবর্তী রাজধানীতে পরিকল্পনা করা গোপন অভিযানে, এবং আন্তর্জাতিক আইনের আনুষ্ঠানিক কঠোরতা দ্বারা অক্ষত গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের মধ্যে নীরব সমন্বয়ের মধ্যে।
বিশ্ব ক্রমশ বিভ্রান্তিকর এক পরিস্থিতিতে ফিরে এসেছে—যেখানে শান্তি ও যুদ্ধের মধ্যে রেখা ছিদ্রযুক্ত, রাষ্ট্রযন্ত্রের হাতিয়ারগুলি গতিশীল হওয়ার চেয়ে বেশি গোপন, এবং প্রভাব স্বাক্ষরিত চুক্তির পরিবর্তে এড়ানো বা তৈরি করা সংকটের দ্বারা পরিমাপ করা হয়। নিয়ন্ত্রণের ভূত স্থির থাকে, কিন্তু এটি একটি নতুন ছদ্মবেশে আচ্ছন্ন: এটি সেমিকন্ডাক্টর, বিরল মৃত্তিকা, নৌপথ এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের কথা বলে। আধিপত্য বিস্তারের এই নতুন যুগে, সন্ত্রাসবাদ শত্রু নয়; এটি একটি হাতিয়ার — যাকে বহন করা হয়, অস্বীকার করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, যখন যেমনটি সময় দাবি করে।
ইতিহাস যদি কোনও শিক্ষা দেয়, তা হল দেশগুলি স্থায়ী স্বার্থ অনুসরণ করে — স্থায়ী মিত্রতা নয়। পাকিস্তানের প্রতি বর্তমান পশ্চিমী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী পদক্ষেপের প্রতি নীরস প্রতিক্রিয়া, কোনও নৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়, বরং একটি নিন্দনীয় বাস্তববাদের নিশ্চিতকরণ। সিরিয়া, ইউক্রেন এবং ইয়েমেনের সাম্প্রতিক প্রক্সি যুদ্ধগুলি যা ইঙ্গিত দিয়েছে তা হল, প্রক্সি যুদ্ধ এখন বিশ্বব্যাপী সংঘাতের প্রধান ব্যাকরণ, এবং সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী যুদ্ধ এর মধ্যে একটি উপভাষা।
পাকিস্তানের প্রতি বর্তমান পশ্চিমী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী পদক্ষেপের প্রতি নীরস প্রতিক্রিয়া, কোনও নৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়, বরং একটি নিন্দনীয় বাস্তববাদের নিশ্চিতকরণ।
খণ্ডিত আনুগত্য ও জটিল ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দ্বারা সংজ্ঞায়িত বর্তমান আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ বিশ্বের সান্ত্বনাদায়ক কল্পনা পরিত্যাগ করাই ভারতের জন্য ভাল হবে, কারণ তা এমন একটি ঐক্য যা শুধু বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানের খিলানযুক্ত কক্ষের মধ্যেই বিদ্যমান। উদীয়মান আখ্যানটি অনেক বেশি অগোছালো ও অস্বচ্ছ, নৈতিক ঐকমত্য দ্বারা কম এবং কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রভাব দ্বারা বেশি পরিচালিত। এই পরিবর্তনশীলতার ক্রমানুসারে সন্ত্রাসবাদ শুধু একটি সাবপ্লটে পরিণত হয়েছে।
বিনয় কৌরা (পিএইচ ডি) আন্তর্জাতিক বিষয় ও নিরাপত্তা অধ্যয়নের সহকারী অধ্যাপক এবং রাজস্থানের সর্দার পটেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Vinay Kaura PhD is Assistant Professor in the Department of International Affairs and Security Studies and Deputy Director of Centre for Peace &: Conflict Studies ...
Read More +