Author : Sauradeep Bag

Published on Aug 16, 2025 Updated 0 Hours ago

ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি কেবল ব্যবহারের অধিকারের বিষয়ই নয়, বরং এটি ক্ষমতা, সমতা এবং ভারতের রূপান্তরে সকলকে উন্নীত করার অধিকার সুনিশ্চিত করার কথাও বলে।

ভারতনেট থেকে স্টারলিঙ্ক: ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের পুনর্নির্মাণ

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সমাজ দিবস অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের চালিকাশক্তি হিসেবে ডিজিটাল প্রযুক্তির গুরুত্বের উপর জোর দেয়। রূপান্তরমূলক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এই প্রযুক্তিগুলি বিশ্ব জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশের কাছে এখনও অপ্রাপ্য। ২.৬ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ এখনও সংযোগহীন, যাদের মধ্যে ডিজিটাল ভাবে বাদ পড়া জনসংখ্যার বেশির ভাগই নারী ও মেয়ে। এই বৈষম্য কেবল একটি সংখ্যাগত ব্যবধান নয়, বরং একটি কাঠামোগত বৈষম্যও বটে, যা অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতায়ন এবং ক্ষমতা অর্জনের সুযোগকে সীমিত করে। ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বিশ্ব অর্থনীতিতে, ন্যায়সঙ্গত অধিকারের অনুপস্থিতি সরাসরি নাগরিক, শিক্ষাগত অর্থনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণকে বঞ্চিত করে। তাই এই বৈষম্য দূর করা কেবল অবকাঠামো বা সামর্থ্যের বিষয় নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা এবং ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিদের তাদের ভবিষ্য গঠনে সক্ষম করার পূর্বশর্তও বটে। ভারত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য একটি অনুঘটক হিসেবে ইন্টারনেটের সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং এর রূপান্তরমূলক শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করেছে। ভারতনেট-এর - প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্রডব্যান্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি জাতীয় অবকাঠামো উদ্যোগ - মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ উচ্চাকাঙ্ক্ষা মাত্রা উভয় লক্ষ্যই পূরণ করে, যা গ্রামীণ স্ব-শাসনের ভিত্তিপ্রস্তরে নিহিত। তবে এখন পর্যন্ত এর প্রভাব অসম, যা নতুন করে মনোযোগ  এবং কৌশলগত মনোযোগের প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরে। এর উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং জনসেবা প্রযুক্তি-সক্ষম সমাধান সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য এই বিষয়ে আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি।

আজকের দ্রুত ডিজিটালাইজিং বিশ্ব অর্থনীতিতে ইন্টারনেটের ন্যায্য অধিকার আর বিলাসিতা নয়, এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং আর্থ-সামাজিক অংশগ্রহণের ভিত্তিও বটে

ভারতে উন্নয়ন

ভারত সরকার এই ক্ষেত্রে একটি সহজাত বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ডার্ক ফাইবার লিজিং, পাবলিক ওয়াই-ফাই অ্যাক্সেস পয়েন্ট স্থাপন এবং স্কুল স্বাস্থ্যসেবা সুবিধার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে ফাইবার-টু-দ্য-হোম (এফটিটিএইচ) সংযোগ। এগুলি আনুষঙ্গিক সুবিধা নয়, বরং মৌলিক প্রয়োজনীয়তা। শিক্ষা, অর্থ তথ্যের মতো প্রয়োজনীয় ডিজিটাল গ্রিডগুলিতে নির্ভরযোগ্য প্রবেশাধিকার ছাড়া ব্যক্তি এবং সম্প্রদায়গুলি সমাজে অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ করা থেকে কার্যকর ভাবে বঞ্চিত রয়েছে।

এই প্রচেষ্টার পরিপূরক হিসেবে, মোবাইল সংযোগ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সাক্ষী থেকেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত, ৬২৫,০০০-এরও বেশি গ্রাম মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে, যার মধ্যে ৬১৮,০০০ ৪জি পরিষেবা পাচ্ছে। এই উন্নয়ন কেবল প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকেই দর্শায় না, বরং এটি ডিজিটাল পরিষেবাগুলিতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার এবং অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক অবকাঠামো গঠন করে।

আরও পদ্ধতিগত স্তরে একটি সুসংহত ডিজিটাল বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিজিটাল ভারত নিধি (ডিবিএন) এবং জাতীয় কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (নাবার্ড) মধ্যে অংশীদারিত্ব সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের একটি মডেলের উদাহরণকেই তুলে ধরে – তথ্য ভাগ করে নেওয়ার বিষয়টিকে সহজতর করা, সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা বাড়ানো এবং সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি ডিজিটাল পরিষেবার নাগাল সম্প্রসারণ করা।

ডিজিটাল পরিষেবার মেরুদণ্ড

ভারতে ফিনটেক এবং ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবার উত্থানের মূল ভিত্তি হিসেবে ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ভৌগোলিক বিস্তৃতি, জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব এবং চিরাচরিত ভাবে নিম্ন স্তরের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি দ্বারা সংজ্ঞায়িত একটি দেশে ইন্টারনেট সংযোগ নাগাল দক্ষতা উভয়কেই বাস্তব করে তোলে। এটি ভৌত অর্থনৈতিক বিভাজনকে সেতুবন্ধন করে আর্থিক উদ্ভাবনকে চিরাচরিত ব্রিক-অ্যান্ড-মর্টার ব্যাঙ্কিংয়ের সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে অনেক বেশি কাজ করার সুযোগ করে দেয়।

ডিজিটাল চ্যানেল, প্রাথমিক ভাবে মোবাইল ইন্টারনেট, ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (ইউপিআই), আধার-ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি (অথবা নো ইয়োর কাস্টমার), এবং ডিজিটাল ঋণের মতো পরিষেবাগুলিতে প্রবেশাধিকার - ভারতের টিয়ার ২, টিয়ার শহর এবং গ্রামীণ অঞ্চলে – সহজতর করেছে। এই ডিজিটাল অগ্রগতি খরচ কমায়, গ্রাহকদের অনবোর্ডিং সহজতর করে এবং পূর্বে বাণিজ্যিক ভাবে অযোগ্য বলে বিবেচিত ক্ষেত্রগুলিতে আর্থিক উপস্থিতি প্রসারিত করে।

ভারতের জন্য - যে দেশটি তার জনসংখ্যাগত সুবিধা আঞ্চলিক বৈষম্য উভয়ই অতিক্রম করছে - সর্বজনীন সংযোগ অপরিহার্য। ভারতনেটের মতো সরকার-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলি এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করতে পারে।

পদ্ধতিগত স্তরে ইন্টারনেট ভারতের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) জুড়ে আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডিজিলকার, আধার অ্যাকাউন্ট অ্যাগ্রিগেটর (এএ) কাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চগুলি যাতে ঠিক মতো কাজ করতে পারে, তার জন্য স্থিতিশীল, সুরক্ষিত সংযোগের উপর নির্ভর করেএই সংহতকরণগুলি ফিনটেক সংস্থা, ব্যাঙ্ক এবং সরকারি সংস্থাগুলিকে নির্বিঘ্নে যোগাযোগ করতে এবং একটি সমন্বিত, তথ্য-চালিত আর্থিক বাস্তুতন্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করে।

মূলত, ইন্টারনেট কেবল একটি সক্ষমকারী হিসেবেই কাজ করে না, বরং ভারতের ডিজিটাল আর্থিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে কাজ করেএর ভূমিকা অপরিহার্য; নির্ভরযোগ্য এবং ন্যায়সঙ্গত ইন্টারনেট ব্যবহার ছাড়া নগদের কম ব্যবহার, আর্থিক ভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উদ্ভাবন-চালিত বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলার বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনযোগ্য হওয়ার পরিবর্তে মূলত উচ্চাকাঙ্ক্ষীই থেকে যাবে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের গোড়ার দিকে ইউপিআই লেনদেন ১৬.৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৩.৪৮ লক্ষ কোটি টাকা) ছাড়িয়ে গিয়েছে, যা যে কোন একক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং যা ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট বাস্তুতন্ত্রে ইউপিআই-এর কেন্দ্রীয় ভূমিকার উপর জোর দেয়। বর্তমানে দেশব্যাপী খুচরো লেনদেনের প্রায় ৮০ শতাংশের জন্য দায়বদ্ধ ইউপিআই দেশের আর্থিক অবকাঠামোর একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যাই হোক, এই প্রবৃদ্ধির গতিপথ চিত্তাকর্ষক হলেও একই সঙ্গে সেই অঞ্চলগুলিতে অব্যবহৃত সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরে, যেখানে এখনও পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সংযোগের অভাব রয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণ লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করতে পারে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে গভীর করতে পারে। এই ধরনের প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল পেমেন্টের রূপান্তরমূলক সম্ভাবনা সুবিধার ঊর্ধ্বে উঠেও প্রসারিত। এটি স্থানীয় অর্থনীতিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, আর্থিক পরিষেবার সহজলভ্যতা বৃদ্ধি করা এবং চিরাচরিত ভাবে প্রান্তিক সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রাখে।

আংশিক অগ্রগতি

ভারতের ডিজিটাল উচ্চাকাঙ্ক্ষাগুলি বিভিন্ন ভাবে রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করেছে। তবুও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক বৈষম্য অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যা আরও উপযুক্ত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তাকে দর্শায়। টেলিযোগাযোগ আইন, ২০২৩-এর অধীনে ইউনিভার্সাল সার্ভিস অবলিগেশন ফান্ড বা সর্বজনীন পরিষেবা বাধ্যবাধকতা তহবিলের পরিবর্তে ডিবিএন-এর প্রবর্তন এ হেন একটি পদক্ষেপ। পরিষেবার পরিধি বিস্তৃত করে এবং বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ তহবিলের জন্য স্পষ্ট প্রক্রিয়া রূপরেখা তৈরি করে এটি আরও কাঠামোগত অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতির ইঙ্গিত দেয়। তবুও কেবল নীতি যথেষ্ট নয়। এই কর্মসূচির জন্য তীব্র প্রভাব মূল্যায়ন করাও প্রয়োজন, যেখানে তথ্য-চালিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ গ্রামীণ অর্থনীতি এবং জনসেবা সরবরাহের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

মূলত, ইন্টারনেট কেবল একটি সক্ষমকারী হিসেবেই কাজ করে না, বরং ভারতের ডিজিটাল আর্থিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে

সরকারি প্রচেষ্টা প্রয়োজনীয় হলেও তা পূর্ণ সম্ভাবনা দর্শাতে পারেনি। ক্রমবর্ধমান ভাবে বেসরকারি খাত শূন্যস্থান পূরণে এগিয়ে আসছে। উদাহরণস্বরূপ, রিলায়েন্স জিও তার ৪জি  এবং ৫জি নেটওয়ার্কের পাশাপাশি স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ ভারতে ইন্টারনেট পরিষেবা সম্প্রসারণ করছে। ভারতী এয়ারটেল স্পেসএক্সের সঙ্গে অংশীদারিত্বের কথা ঘোষণা করেছে, যাতে নিয়ন্ত্রক ছাড়পত্র সাপেক্ষে স্টারলিঙ্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ভারতে আনা যায়এই ধরনের ঘটনাপ্রবাহ আশাব্যঞ্জক এই বাস্তবতাকে তুলে ধরে যে, ভারতের ডিজিটাল বিভাজন দূর করার কাজটি কেবল রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করতে পারে না।

আজকের দ্রুত ডিজিটালাইজিং বিশ্ব অর্থনীতিতে ইন্টারনেটের ন্যায্য অধিকার আর বিলাসিতা নয়, এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং আর্থ-সামাজিক অংশগ্রহণের ভিত্তিও বটে। ডিজিটাল অবকাঠামো ব্যবহারের অক্ষমতা কাঠামোগত বিচ্যুতিকেই দর্শায়, যা ব্যক্তিদের ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং, অনলাইন শিক্ষা, ই-গভর্নেন্স এবং টেলিমেডিসিনের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করে। এটি কেবল ব্যক্তিগত অগ্রগতিকেই সীমাবদ্ধ করে না, বরং উৎপাদনশীলতা এবং উদ্ভাবনকেও সীমিত করে। অর্থনীতিগুলি জন পরিষেবা প্রদান, বাণিজ্য পরিচালনা এবং উদ্যোগকে উদ্দীপিত করার জন্য ডিজিটাল মঞ্চের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবহার মানব সম্পদ উন্নয়ন অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা উভয়ের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হয়ে ওঠে।

ভারতের জন্য - যে দেশটি তার জনসংখ্যাগত সুবিধা আঞ্চলিক বৈষম্য উভয়ই অতিক্রম করছে - সর্বজনীন সংযোগ অপরিহার্য। ভারতনেটের মতো সরকার-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলি এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে পারে। তবুও, চ্যালেঞ্জের জটিলতা এবং মাত্রা সহযোগিতামূলক মডেলের দাবি রাখে, যেখানে বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন বিনিয়োগ দ্বারা জননীতিকে শক্তিশালী করা হয়। জিও এবং এয়ারটেলের মতো সংস্থাগুলি স্যাটেলাইট এবং ৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ সংযোগ সম্প্রসারণ করার দরুন ডিজিটাল ভাবে অন্তর্ভুক্ত অর্থনীতির রূপরেখা স্পষ্ট হতে শুরু করেছেআগামিদিনের কাজ হল এই অগ্রগতি যাতে স্থিতিশীল, ন্যায়সঙ্গত এবং প্রভাবশালী হতে পারে, তা নিশ্চিত করা। পরিশেষে, ডিজিটাল বৈষম্য দূর করা শুধু মাত্র আর কেবল এবং প্রসারের বিষয় নয়, বরং ভবিষ্যতের বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের জায়গা সুরক্ষিত করা সংক্রান্তও।

 


সৌরদীপ বাগ অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.