Author : Rumi Aijaz

Published on Sep 02, 2025 Updated 0 Hours ago

দ্রুত নগরায়ণের ফলে ভারতের শহরগুলি যখন চাপের মধ্যে রয়েছে, তখন জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য তথ্য, জবাবদিহিতা এবং সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততার উপর ভিত্তি করে অর্থপূর্ণ শাসন সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভিত্তির মেরামতি: ভারতে নগর শাসন সংস্কার

ভারত তার নগরায়ণের যাত্রায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভূমি ব্যবহারের ধরন ও আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিবর্তন, বসতি স্থাপনের প্রশাসনিক অবস্থার পরিবর্তন ও ক্রমবর্ধমান নগর জনসংখ্যা, এবং শহরগুলিতে উচ্চ রাজস্ব আয়ের মধ্যে এটি স্পষ্ট। ২০২৪ সালে ভারতের নগর জনসংখ্যা ছিল ৫৩০ মিলিয়ন। শুধুমাত্র চিনে এর থেকে বেশি, ৯৪২ মিলিয়ন, নগর জনসংখ্যা রয়েছে।
 
এই নিবন্ধটি ভারতীয় শহরগুলি কীভাবে পরিচালিত হয় এবং সেখানে বিদ্যমান পরিস্থিতি বর্ণনা করে। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য অনেক কাজ করা প্রয়োজন। নিবন্ধটি শহরগুলির উন্নত শাসনের জন্য পরামর্শের একটি তালিকা দিয়ে শেষ হয়েছে।

নগর শাসন

শহর প্রশাসনের দায়িত্ব নগর স্থানীয় সরকার (বা পৌরসভা) ও অসংখ্য রাজ্যস্তরের সংস্থার (যেমন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জল এবং আবাসন বোর্ড) মধ্যে ভাগ করা হয়। এই সংস্থাগুলির অনেকগুলি প্রাসঙ্গিক জাতীয় সরকারের মন্ত্রক, যেমন গৃহায়ণ ও নগর বিষয়ক মন্ত্রক (এমওএইচইউএ), রাজ্য নগর উন্নয়ন বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় ও রাজ্য অর্থ কমিশন দ্বারা সমর্থিত।


শহর প্রশাসনের দায়িত্ব নগর স্থানীয় সরকার (বা পৌরসভা) ও অসংখ্য রাজ্যস্তরের সংস্থার (যেমন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জল এবং আবাসন বোর্ড) মধ্যে ভাগ করা হয়।



১৯৯২ সালে,
সংবিধান (চুয়াত্তরতম সংশোধন) আইন (৭৪তম সিএএ)-‌এর মাধ্যমে পৌরসভাগুলিকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা এবং দায়িত্ব দিয়ে আরও ক্ষমতায়িত করার এবং পৌর ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়াও, পৌরসভার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ভারতীয় রাজ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছিল। ৭৪তম সিএএ-র কিছু বিধান — যার মধ্যে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং ক্ষমতা ও কার্যাবলির বিকেন্দ্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল — সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি, কারণ বেশিরভাগ রাজ্য এগুলি পৌরসভাগুলিতে স্থানান্তর করতে অনিচ্ছুক।

সম্প্রতি, বিভিন্ন ভারতীয় রাজ্যের নাগরিক সংস্থাগুলি শহরগুলিতে সঠিক পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য অভিনব শাসন পদ্ধতি এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। ভদোদরায় বাস্তবায়িত
সমন্বিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা তথ্য ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায়, কার্যকর রোগ নজরদারির জন্য ৩৪টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সমস্ত রোগীর স্বাস্থ্য রেকর্ড ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের বিষয়ে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে এই ব্যবস্থা প্রশাসনকে সহায়তা করে। ম্যাঙ্গালুরুতে সৌর ছাদ ব্যবস্থা সাশ্রয়ী মূল্যে পরিচ্ছন্ন শক্তি সরবরাহের সুবিধা প্রদান করে। কিছুটা হলেও, এই ধরনের পদক্ষেপগুলি নগরবাসীর বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সহায়তা করছে।

অতীতে, নাগরিক সংস্থাগুলি নগর ব্যবস্থাপনার জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে সীমিত ক্ষমতায় নিযুক্ত ছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে তাদের ব্যবস্থাপনাগত ও আর্থিক সক্ষমতা শক্তিশালী করা। সময়ের সাথে সাথে, নগর প্রশাসনে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতির তাৎপর্য উপলব্ধি করা হয়েছিল। এটি স্বীকৃত হয়েছিল যে সরকারি বৃত্তের বাইরে উপলব্ধ জ্ঞান আরও ভাল এবং টেকসই সমাধান বিকাশে সহায়তা করতে পারে। এর ফলে সম্প্রদায়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলির সাথে আরও বেশি সম্পৃক্ততা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া, বেসরকারি সংস্থাগুলি প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি মৌলিক পরিষেবা প্রদানেও জড়িত। উদাহরণস্বরূপ, কিছু বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) শহরে স্যানিটেশন পরিষেবা প্রদান করছে। এই ব্যবস্থাটি স্বল্প তহবিলপ্রাপ্ত নাগরিক সংস্থাগুলির উপর চাপ কমাতে সাহায্য করেছে।


৭৪তম সিএএ-র কিছু বিধান — যার মধ্যে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং ক্ষমতা ও কার্যাবলির বিকেন্দ্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল — সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হয়নি, কারণ বেশিরভাগ রাজ্য এগুলি পৌরসভাগুলিতে স্থানান্তর করতে অনিচ্ছুক।

জীবনযাত্রার মান

বিভিন্ন প্রশাসনিক উদ্যোগের কিছু ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। উদাহরণস্বরূপ, মেট্রো রেল, বৈদ্যুতিক বাস এবং অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবার উন্নয়নে বেসরকারি ‌ক্ষেত্রের অবদানের কারণে শহরগুলিতে গতিশীলতা উন্নত হয়েছে।
স্মার্ট সিটি মিশনের অধীনে বাস্তবায়িত বিস্তৃত অংশগ্রহণমূলক এবং প্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রকল্পগুলি থেকেও নাগরিকেরা উপকৃত হচ্ছেন, যার মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক পরিচয়, দক্ষতা বৃদ্ধি, শক্তি স্থানান্তর, জল, স্যানিটেশন ও নিষ্কাশন, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, মোটরবিহীন পরিবহণ এবং নীল ও সবুজ পরিসর সম্পর্কিত প্রকল্পগুলি। তা ছাড়া, তথ্য প্রযুক্তির পরিকাঠামোর উন্নয়নের সাথে সাথে, অনলাইনে পেমেন্ট পরিষেবার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক সরকারি পরিষেবা এখন অনলাইনে পাওয়া যেতে পারে।

নগর প্রশাসনের অসংখ্য উদ্যোগ সত্ত্বেও, ভারতীয় শহরগুলিতে জীবনযাত্রার মান আজ একটি মিশ্র চিত্র উপস্থাপন করে। কিছু শহরে জমি, পরিকাঠামো এবং পরিষেবার উপর প্রচণ্ড জনসংখ্যার চাপ রয়েছে এবং নাগরিক সংস্থাগুলি এখনও পর্যন্ত নগর জনসংখ্যার বৈচিত্র্যময় ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে পিছিয়ে রয়েছে। ফলস্বরূপ, প্রতিটি শহরের মধ্যে মাত্র কয়েকটি এলাকা কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়। মানুষের জীবনযাত্রার মান একটি শহরের মধ্যেও ভিন্ন ভিন্ন হয়, এবং তা মানুষ কোথায় থাকেন এবং তাঁদের নাগরিক সম্পদ পাওয়ার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।

নগর প্রশাসনের অসংখ্য উদ্যোগ সত্ত্বেও, ভারতীয় শহরগুলিতে জীবনযাত্রার মান আজ একটি মিশ্র চিত্র উপস্থাপন করে।



নগরায়ণের চাপ মোকাবিলায় নাগরিক সংস্থাগুলির অক্ষমতার ফলে অসংখ্য সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। নবজাতক, কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী, সকল বয়সের এবং সকল ক্ষমতার মানুষই এর মুখোমুখি হচ্ছেন। অন্য গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সমস্যাগুলির মধ্যে রয়েছে: নিরাপদ পানীয় জল ও স্যানিটেশন সুবিধা সকলের জন্য উপলব্ধ নয়; বস্তিবাসীরা প্রতিদিন মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য লড়াই করেন; বেশিরভাগ মাস ধরে বায়ুর মান খারাপ থাকে; অপরাধের ঘটনা ঘটে; নিষ্কাশন ব্যবস্থা অপ্রতুল; এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য তৈরি অনেক ভূপৃষ্ঠের জলাশয় ও প্রকৃতি সংরক্ষণের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছে। সুতরাং, নাগরিকরা সাধারণত একটি চাপপূর্ণ জীবনযাপন করেন, আর অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাবঞ্চিতরা এই অঞ্চলের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শিকার হন।

উন্নত শাসনের জন্য প্রয়োজনীয়তা

নগরায়ণের চাপের আরও ভাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভারতীয় শহরগুলিতে পরিলক্ষিত অনেক সমস্যা জরুরিভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। এর জন্য নাগরিক সংস্থাগুলির উন্নত কর্মদক্ষতা এবং উন্নত শাসনের প্রদর্শন প্রয়োজন। এই বিষয়ে কিছু পরামর্শের মধ্যে রয়েছে:

‌গ্রাম থেকে শহরে মানুষের ক্রমাগত অভিবাসন কমাতে হবে, এবং তার জন্য যেখান থেকে মানুষ আসছেন সেই সব জায়গায় কাজের সুযোগ তৈরি করা ও সেখানকার যথাযথ উন্নয়ন প্রয়োজন। বৃহৎ শহর ও নগর অঞ্চলের উপর চাপ কমানোর জন্য এটি প্রয়োজনীয়।

৭৪তম সিএএ-তে বলা হয়েছে যে, যেখানে পৌরসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে সেখানে পরবর্তী পৌরসভা গঠনের জন্য ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন শহরে, বহুদিন ধরে বিলুপ্ত পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং শহরগুলি পৌরসভা ছাড়াই কাজ করছে। সঠিক শাসনের জন্য, প্রতিটি শহরে একটি কার্যকর পৌরসভা থাকতে হবে এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পৌরসভা নির্বাচনের সময়মত পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।

পৌরসভাগুলিকে পর্যটন প্রবাহ, অভিবাসী প্রবাহ, যানবাহন প্রবাহ, শক্তি প্রবাহ, জলবায়ু ‌ধরন, বায়ুর মান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অবস্থা এবং অবৈধ নির্মাণের মতো রিয়েল-টাইম ডেটা ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কার্যকর শাসন প্রদানের জন্য তাদের ডেটা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

পৌরসভার কর্মকর্তাদের অবশ্যই উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যেমন আধা-শহর এলাকায় নির্মিত কাঠামোর এলোমেলো বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়ার ঘটনা (যেমন অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, তাপ) এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপ।

পৌরসভাগুলিকে জনসাধারণের কাছে আরও জবাবদিহি করতে হবে। জনগণের উত্থাপিত সমস্যার (যেমন রাস্তায় উপচে পড়া পয়ঃনিষ্কাশন, নোংরা পানীয় জলের সরবরাহ, ভাঙা রাস্তা এবং ফুটপাতের অনুপস্থিতি) প্রতি তাদের প্রতিক্রিয়া প্রায়শই অসন্তোষজনক। কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনকারী নাগরিক কর্মীদের প্রণোদনা প্রদান জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে।

পৌরসভাগুলিকে অবশ্যই প্লাস্টিক বর্জ্য সহ সকল ধরনের ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহকারীদের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা জোরদার করতে হবে, যা প্রায়শই জনসাধারণের দ্বারা জনসাধারণের এলাকায়, খোলা ড্রেনে, জলাশয়ে এবং  রাস্তার ধারে অনুপযুক্তভাবে ফেলা হয়। বিনিময়ে, ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহকারীদের কোনও না কোনওভাবে পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত, অর্থাৎ হয় জিনিসপত্রের মাধ্যমে (যেমন চালের ব্যাগ) অথবা নগদ অর্থ প্রদান করা উচিত। পৌরসভার স্যানিটেশন বিভাগ এবং তাদের চুক্তিবদ্ধ কর্মীরা এই দায়িত্ব পালনে কম দক্ষতা দেখায়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পৌরসভাগুলিকে নাগরিক বোধ সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এটি বর্জ্যের অনুপযুক্ত নিষ্কাশন, জলের অপচয় এবং যানজটের মতো সমস্যাগুলি সমাধানে সহায়তা করবে।

নাগরিক সংস্থাগুলিকে শহরের ভৌত পরিকাঠামো (যেমন জল, পয়ঃনিষ্কাশন, নিষ্কাশন, সড়ক নেটওয়ার্ক; বর্জ্য জল এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র; শক্তি পরিকাঠামো) উন্নত করতে বিনিয়োগ করতে হবে। বিদ্যমান পরিকাঠামো ভারতের ক্রমবর্ধমান নগর জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে অক্ষম।

শহরগুলিতে বিদ্যমান পরিকাঠামো ও পরিষেবার ঘাটতির পরিপ্রেক্ষিতে, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য নাগরিক সংস্থাগুলির, বিশেষ করে পৌরসভাগুলির আর্থিক অবস্থার উন্নতি করতে হবে। একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরে নগর উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার উপর ভিত্তি করে তাদের আর্থিক প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করতে হবে। অনেক পৌরসভা এখনও কর ও কর-বহির্ভূত উৎস থেকে প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংগ্রহের অবস্থানে নেই। অতএব, রাজ্য ও জাতীয় সরকারি সংস্থাগুলিকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হবে।

নগরায়ণের চাপের আরও ভাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভারতীয় শহরগুলিতে পরিলক্ষিত অনেক সমস্যা জরুরিভাবে সমাধান করা প্রয়োজন।



উপসংহার


ভারতের দ্রুত নগরায়ণের ফলে শহরগুলির জীবনযাত্রার মান নিয়ে অসংখ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এই সমস্যাগুলি নগর শাসনের ঘাটতি এবং নাগরিক যত্নের অভাবের প্রতীক। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত ‌দেশ হয়ে উঠতে (অথবা বিকশিত ভারত) হলে, নগর সরকারগুলিকে প্রশাসনের মান উন্নত করার জন্য জনসম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে।



রুমি আইজাজ অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নগর নীতি গবেষণা উদ্যোগের সিনিয়র ফেলো

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.