ভারত সংক্রান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন কৌশলগত অ্যাজেন্ডা ব্রাসেলসের সেই অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে, যা একটি চিরাচরিত দাতা-গ্রহীতা সম্পর্ককে একটি সমতাপূর্ণ অংশীদারিত্বে রূপান্তরিত করবে এবং এর মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথ জুড়ে বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও স্থিতিশীল উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইউরোপীয় কমিশন এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতির জন্য উচ্চ প্রতিনিধির একটি যৌথ যোগাযোগ গ্রহণ করে ‘নতুন কৌশলগত ইইউ-ভারত অ্যাজেন্ডা’ উন্মোচন করার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাসেলস থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা এসেছে। তারা বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করতে আগ্রহী। পাঁচটি স্তম্ভ নিয়ে গঠিত এই অ্যাজেন্ডা — বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা; স্থিতিস্থাপক ডিজিটাল সমাজ এবং গবেষণা সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন; প্রতিরক্ষা এবং শিল্পগত দিকগুলিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা গভীর করার জন্য নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা; সংযোগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে রূপ দেওয়ার জন্য তৃতীয় দেশগুলিতে সহযোগিতার প্রচারের লক্ষ্যে সংযোগ ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি; এবং বৃহত্তর অংশগ্রহণের জন্য শ্রম ও দক্ষতার গতিশীলতার লক্ষ্যে স্তম্ভজুড়ে সহায়ক উপাদান। এই অ্যাজেন্ডার মাধ্যমে ব্রাসেলস নয়াদিল্লির সঙ্গে অংশীদারিত্বের জন্য নতুন কৌশলগত সুযোগ তৈরি করতে আগ্রহী।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে এই কৌশলটি চালু করার সময় ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন দের লেয়েন ইউক্রেনের সংঘাত-সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে তুলে ধরেন। ২০২০ সালে ১৫তম ইইউ-ভারত শীর্ষ সম্মেলনের সময় চালু হওয়া ‘২০২৫ সালের রোডম্যাপ’ পুনর্নবীকরণের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ইইউ তার ভূ-কৌশলগত প্রচেষ্টাগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করে, বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কর্তৃক বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের উপর আরোপিত উচ্চ শুল্কের প্রেক্ষাপটে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান মুক্ত বাণিজ্য আলোচনার বিষয়ে ভারতের সতর্ক মূল্যায়ন অবশ্যই ইইউ-ভারত অংশীদারিত্বের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত তাৎপর্য বহন করে। যদি ভারত ট্রাম্পের সঙ্গে ৫০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে সফল ভাবে আলোচনা করতে পারে, তবে ইইউ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে। কারণ রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জন্য ভারতকে তিরস্কার করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের উপর চাপ রয়েছে। এ ছাড়াও, বিরল খনিজ পদার্থ সংগ্রহের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের তীব্র যুদ্ধের সুদূরপ্রসারী পরিণতি হবে উৎপাদন খাতের জন্য, বিশেষ করে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, সামরিক সরঞ্জাম, স্মার্টফোন এবং স্বয়ংচালিত শিল্পে।
ইইউ, ভারত এবং স্থিতিশীল সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা
এটি এখন ভারত এবং ইইউ-এর জন্য অপরিহার্য যে, তারা উভয় পক্ষ এবং বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য ‘পারস্পরিক ভাবে উপকারী এবং রূপান্তরমূলক ফলাফল’ নিশ্চিত করতে হাত মেলাবে। বহুত্ববাদী গণতন্ত্র হিসেবে পারস্পরিক স্বার্থ এবং সাধারণ মূল্যবোধ ভাগ করে নেওয়ার কারণে বাণিজ্য উত্তেজনা মোকাবিলার জন্য ইইউ এবং ভারতের মধ্যে প্রচেষ্টার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু ভারতের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি পশ্চিমের জন্য একটি বিবাদের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই ইউক্রেনের যুদ্ধকে ঘিরে সংবেদনশীলতা ইউরোপকে তার অংশীদারিত্বে বৈচিত্র্য আনতে এবং ফলস্বরূপ সমর্থনের জন্য গ্লোবাল সাউথের দিকে তাকাতে বাধ্য করেছে। এর অর্থ হল, ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) উপর আরও জোর দেওয়া, যা বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের জন্য নতুন পথ খুলে দিতে পারে। ফেডারেশন অফ ইউরোপিয়ান বিজনেস ইন ইন্ডিয়া-র (এফইবিআই) বিজনেস সেন্টিমেন্ট সার্ভে ২০২৫ অনুসারে, বর্তমানে ভারতে প্রায় ৬০০০ ইউরোপীয় সংস্থা কাজ করছে, যা প্রায় ৮ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের প্রতি আস্থাকেই তুলে ধরছে। তা সত্ত্বেও, কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম), ইইউ ডিফরেস্টেশন রেগুলেশন (ইইউডিআর) এবং উচ্চ কর, শুল্ক পদ্ধতি ও মান নিয়ন্ত্রণ আদেশের বা কোয়ালিটি কন্ট্রোল অর্ডারের (কিউসিও) মতো নিয়ন্ত্রক বাধার আকারে প্রতিবন্ধকতাগুলি রয়েই গিয়েছে।
বহুত্ববাদী গণতন্ত্র হিসেবে পারস্পরিক স্বার্থ এবং সাধারণ মূল্যবোধ ভাগ করে নেওয়ার কারণে বাণিজ্য উত্তেজনা মোকাবিলার জন্য ইইউ এবং ভারতের মধ্যে প্রচেষ্টার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এটি ইইউ এবং ভারতকে যৌথ ফলাফলের জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বাগাড়ম্বর থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তাকে প্রতিফলিত করে। সবুজ রূপান্তর, বাণিজ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তির হস্তান্তর, অবকাঠামোগত সংযোগ, স্বাস্থ্য এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার মতো খাতগুলিতে উভয় পক্ষের সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
ইইউ-ভারত যৌথ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতি
বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহায়তাকারী হিসেবে ইইউ-এর আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) বৈশ্বিক সহায়তা পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩ সালে ইইউ-এর সম্মিলিত ওডিএ ছিল ৯৫.৯ বিলিয়ন ইউরো, যা মোট বৈশ্বিক ওডিএ অবদানের ৪২ শতাংশ।
ট্রাম্প প্রশাসনের ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট-কে (ইউএসএআইডি) দুর্বল করে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সম্ভবত ইইউ-এর উন্নয়ন সহায়তা নীতি এবং বৃহত্তর বৈশ্বিক সহায়তা কাঠামোকে প্রভাবিত করবে। স্বাভাবিক ভাবেই, ইইউ এই পরিবর্তনগুলিকে সম্পূর্ণ রূপে প্রতিহত করতে পারবে না এবং এর ফলে সৃষ্ট শূন্যস্থান পুরোপুরি পূরণ করতেও সক্ষম না-ও হতে পারে। তবে ব্রাসেলস যা করতে পারে তা হল, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং সক্ষমতা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলিতে কৌশলগত গভীরতা অর্জনের জন্য তার প্রভাবকে কৌশলগত ভাবে প্রসারিত করা।
এই প্রেক্ষাপটে, ইইউ-ভারত বাণিজ্য ও প্রযুক্তি পরিষদ (টিটিসি) সমান সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে, বিশেষ করে ২০২৩ সালে অর্ধপরিবাহীর বিষয়ে একটি সমঝোতাপত্র (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হওয়ার পর। সবুজ ও ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য সরবরাহ শৃঙ্খল প্রসারিত করা, গবেষণা বাস্তুতন্ত্রে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা এর কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। তবে ডিজিটাল গোপনীয়তা এবং তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে শাসন কাঠামোর পার্থক্য, প্রযুক্তিগত সক্ষমতার নিয়ন্ত্রক ও কাঠামোগত দিকগুলিতে বৈষম্য এবং বাণিজ্য নীতির বিধিনিষেধ — যা এফটিএ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে — টিটিসি-র বাস্তবায়নকে প্রভাবিত করে, এমন উল্লেখযোগ্য বাধা হিসেবে রয়ে গিয়েছে।
তা সত্ত্বেও, নতুন কৌশলগত কর্মসূচিটি ইইউ-এর গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের সাথে একটি উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে একত্রিত করে তৃতীয় দেশগুলিতে ‘বিনিয়োগের প্রভাবকে প্রসারিত করা’র গুরুত্বকে তুলে ধরে। গ্লোবাল সাউথ থেকে একটি নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের উল্লেখযোগ্য উত্থান বিশেষ ভাবে লক্ষ্যণীয়। আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অংশে এর উন্নয়নমূলক হস্তক্ষেপগুলি ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স (আইএসএ) এবং কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার-রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার-এর (সিডিআরআই) মতো উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু ধাক্কা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে দুর্যোগ-ঝুঁকি প্রস্তুতিতে সহায়তা করে চলেছে। স্থিতিশীল উন্নয়নের ধারণার প্রতি স্বাভাবিক ভাবেই আগ্রহী ভারত এবং ঋণ সহায়তা, অনুদান ও বিশেষ করে ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (আইটিইসি) কর্মসূচির মাধ্যমে ভারতের হস্তক্ষেপ অসংখ্য উন্নয়নশীল দেশের দক্ষতা হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
তৃতীয় কোনও দেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ভারতের যৌথ উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অংশীদারদের জন্য একটি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারে। বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সংযোগের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সম্পদ, পণ্য, পরিষেবা এবং মানব পুঁজির আদান-প্রদান সক্ষম করার জন্য বাণিজ্য প্রবাহ সহজ করা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে বৈচিত্র্যময় করে তোলা ক্রমশ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর (বিআরআই) মাধ্যমে প্রদত্ত কৌশলগত সংযোগ বিনিয়োগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ বেশ কয়েকটি দেশ ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল নিশ্চিত করতে নিয়ারশোরিং-এর (অর্থাৎ নিকটবর্তী কোনও দেশে ব্যবসার কার্যক্রমকে স্থানান্তর করা) আশ্রয় নিচ্ছে।
গ্লোবাল সাউথের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য তার চিরাচরিত দাতা ভূমিকা থেকে বেরিয়ে এসে জলবায়ু অভিযোজন, জ্বালানি রূপান্তর, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং টেকসই অবকাঠামোর মতো মূল খাতগুলিতে স্থানীয় ভাবে পরিচালিত উন্নয়নে সহায়তা করা অপরিহার্য।
ভারতের জিডিপি-র উল্লম্ফন তার প্রবৃদ্ধির আখ্যানকে চালিত করায় দেশগুলি দৃশ্যত নতুন দিল্লিকে একটি জনপ্রিয় নিয়ারশোরিং গন্তব্য হিসেবে দেখছে। স্পষ্টতই এটি সংযোগ জোরদার করতেও অবদান রাখে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত উভয়েরই একটি যৌথ লক্ষ্য। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৩ সালে ভারতের জি২০ প্রেসিডেন্সির সময় চালু হওয়া ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোর (আইএমইসি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে কৌশলকে শক্তিশালী করে। ইন্দো-প্যাসিফিক জুড়ে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং ডিজিটাল শাসনকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার মাধ্যমে আইএমইসি ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদার দেশগুলির জন্য যৌথ অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।
গ্লোবাল সাউথের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য তার চিরাচরিত দাতা ভূমিকা থেকে বেরিয়ে এসে জলবায়ু অভিযোজন, জ্বালানি রূপান্তর, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং টেকসই অবকাঠামোর মতো মূল খাতগুলিতে স্থানীয় ভাবে পরিচালিত উন্নয়নে সহায়তা করা অপরিহার্য।
অভ্যন্তরীণ বিভাজন মোকাবিলা করা, বিভিন্ন অগ্রাধিকারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এবং সম্মিলিত প্রভাবকে কাজে লাগানো ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য মৌলিক বিষয়। ভারতকে অংশীদার হিসেবে নিয়ে প্রকল্পগুলি যৌথ ভাবে সৃষ্টি করার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডিজিটাল শাসন, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং জ্বালানি রূপান্তরের মতো ক্ষেত্রগুলিতে গ্লোবাল সাউথের জন্য অনুঘটক উন্নয়ন অর্থায়নে সহায়তা করতে পারে।
আনুষ্ঠানিকতার কাজ এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে নতুন কৌশলগত অ্যাজেন্ডাটির জন্য ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে সম্পন্ন হবে। তবুও এই অ্যাজেন্ডাটি ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে ব্রাসেলস এবং নয়াদিল্লির মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
স্বাতী প্রভু অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোমেসির (সিএনইডি) ফেলো।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr Swati Prabhu is a Fellow with the Centre for New Economic Diplomacy at Observer Research Foundation. Her research explores the idea of aid, role of ...
Read More +