২০২৬ সাল এসে গিয়েছে, এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে ভ্যাকসিনের উপর আস্থা হ্রাস, বহুপাক্ষিকতার চাপ, এবং ওষুধ সমাধানের অসম বৃদ্ধির কারণে জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে।
২০২৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশিত প্রত্যাহার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএড)-র ভাঙন, এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক বিশ্ব স্বাস্থ্য চুক্তি পাস হওয়ার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য এক অস্থির যাত্রার মধ্য দিয়ে গিয়েছে। এই পটভূমিতে, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যের জন্য স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে, যা সম্ভবত ২০২৬ সালে প্রাধান্য পাবে। এই ভাষ্যটি ২০২৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্যের জন্য আসন্ন তিনটি চ্যালেঞ্জকে চিত্রিত করবে:
টিকা সম্পর্কিত নীতিগত পরিবর্তনের ফলে ভ্যাকসিন-প্রতিরোধযোগ্য রোগের বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য কার্যক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ও বহুপাক্ষিক প্রচেষ্টার উপর এর প্রভাব, এবং বিশ্বব্যাপী মেদবহুলতা সংকট মোকাবিলায় ওষুধ সংক্রান্ত হস্তক্ষেপের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব।
ভ্যাকসিন দ্বারা প্রতিরোধযোগ্য রোগের বৃদ্ধি
প্রথমত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনায় হামের ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধির খবর পাওয়া গিয়েছে, যা কোভিড-১৯ অতিমারির প্রাথমিক বিবরণের সঙ্গে আকর্ষণীয় সাদৃশ্য বহন করে। দূরবর্তী শিক্ষা, কোয়ারেন্টাইন এবং হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপের ঘটনা থেকে একটি অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব ত্বরান্বিত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। বর্তমানে ১২৬ জন আক্রান্ত, যাদের মধ্যে ১১৯ জনের টিকা নেওয়া ছিল না। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বড় প্রাদুর্ভাব: প্রথমটি এই বছরের শুরুতে টেক্সাসে ঘটেছিল, যা পরে মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ভ্যাকসিন-বিরোধী আন্দোলন এবং ব্যাপক ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রভাব এই ঘটনা প্রতিফলিত করে যে টিকা সম্পর্কে দ্বিধা বাড়ছে। আগামী বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত তার হাম-মুক্ত মর্যাদা হারাবে।
পরবর্তীতে, মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) তাদের ওয়েবসাইট আপডেট করে জানিয়েছে যে, টিকা এবং অটিজমের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই এমন ধারণার কোনও প্রামাণ্য ভিত্তি নেই, এবং দাবি করেছে যে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এই ধরনের যোগসূত্র অনুসন্ধানকারী গবেষণা উপেক্ষা করেছে। যদিও এই ধরনের বক্তব্য টিকা সুরক্ষার উপর সন্দেহ প্রকাশ করেছে, একটি হু বিশেষজ্ঞ কমিটি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে টিকা ও অটিজমের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই।
বিশ্বব্যাপী টিকা-প্রতিরোধযোগ্য রোগের বোঝা বাড়ছে; জাপান, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে হুপিং কাশি এবং হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের কথা জানিয়েছে। কোভিড-১৯-এর কারণে নিয়মিত টিকাদানের সময়সূচিতে ব্যাঘাত ঘটেছে, যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে (এলএমআইসি) স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করেছে। উচ্চ আয়ের দেশগুলিতে টিকা গ্রহণে দ্বিধা উদ্ভূত হয়েছে অবিশ্বাস, রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং প্রমাণ-ভিত্তিক গবেষণার প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে। টিকা গ্রহণকে আরও প্রভাবিত করেছে সম্প্রতি মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের রাজনৈতিক বিবৃতি, যা পরামর্শ দেয় যে টিকা এবং অটিজমের বিকাশ দৃঢ়ভাবে সম্পর্কিত। পরবর্তীতে, মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) তাদের ওয়েবসাইট আপডেট করে জানিয়েছে যে, টিকা এবং অটিজমের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই এমন ধারণার কোনও প্রামাণ্য ভিত্তি নেই, এবং দাবি করেছে যে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এই ধরনের যোগসূত্র অনুসন্ধানকারী গবেষণা উপেক্ষা করেছে। যদিও এই ধরনের বক্তব্য টিকা সুরক্ষার উপর সন্দেহ প্রকাশ করেছে, একটি হু বিশেষজ্ঞ কমিটি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে টিকা ও অটিজমের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই।
মার্কিন সিডিসি-র একটি উপদেষ্টা প্যানেল নিয়মিত শিশু টিকা সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার সুপারিশ করেছে। তাদের সুপারিশ, এমএমআরভি (মাম্পস, হাম, রুবেলা ও ভ্যারিসেলা) সংমিশ্রণ ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা সীমিত করে পরিবর্তে শিশুদের মাম্পস, হাম, রুবেলা ও চিকেনপক্সের বিরুদ্ধে একাধিক টিকা দেওয়া হোক। ৩০০০ টিকাদানের মধ্যে ১টিতে এমএমআরভি সংমিশ্রণ ভ্যাকসিন জ্বরজনিত খিঁচুনির কারণ হতে পারে এমন উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে নতুন সুপারিশটি সম্ভবত সম্মতির মাত্রা হ্রাস করবে। এছাড়াও, কমিটি নবজাতকদের হেপাটাইটিস বি-এর বিরুদ্ধে টিকা দেওয়ার সুপারিশটি বাতিল করেছে, তবে যদি মায়ের পরীক্ষা নেতিবাচক হয়।
সামগ্রিকভাবে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে টিকা সুরক্ষা সম্পর্কে ব্যাপক ভুল তথ্য প্রচারের ফলে টিকা গ্রহণ হ্রাস পাচ্ছে, এবং এই প্রবণতা ২০২৬ সালে অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সম্প্রদায়ের দায়িত্ব হবে জনসাধারণকে টিকার সুবিধা সম্পর্কে — বিশেষ করে শিশুদের জন্য — সুপরিচিত করা, এবং যে কোনও ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা দমন করা, এবং জনসাধারণের আস্থা তৈরির জন্য প্রমাণ-ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সম্প্রদায়ের দায়িত্ব হবে জনসাধারণকে টিকার সুবিধা সম্পর্কে — বিশেষ করে শিশুদের জন্য — সুপরিচিত করা, এবং যে কোনও ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা দমন করা, এবং জনসাধারণের আস্থা তৈরির জন্য প্রমাণ-ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
এটি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সে গ্যাভি-র জন্য তার তহবিল কমিয়ে এনেছে, যদিও এটি তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারী। স্বল্প-মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে টিকাদান কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য এবং ভ্যাকসিন পরিষেবাগুলিতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য গ্যাভি-র প্রচেষ্টা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসুরক্ষার জন্য অপরিহার্য। ২০২৫ সালের জুনে অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি সম্মেলনে, গ্যাভি তার প্রাথমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়, যার ফলে বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিনের মজুত, প্রাদুর্ভাবের প্রতি সাড়া দেওয়া, এবং আঞ্চলিক ভ্যাকসিন উৎপাদন জোরদার করার প্রচেষ্টা প্রভাবিত হতে পারে। ভ্যাকসিনের দ্বিধাগ্রস্ততার সঙ্গে মিলিতভাবে এই ঘটনাগুলি বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রভাব ফেলবে, এবং ভ্যাকসিন দ্বারা প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রতি বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য প্রতিক্রিয়াকে দুর্বল করে দেবে।
জটিল বৈশ্বিক স্বাস্থ্য আলোচনা
এই চ্যালেঞ্জগুলি টিকাদান কর্মসূচি টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে অসুবিধাগুলিকে তুলে ধরলেও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালার সংশোধন এবং মহামারী চুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য দৃষ্টান্তকে পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক — পিএবিএস (প্যাথোজেন-সম্পর্কিত সুবিধা-বণ্টন) প্রক্রিয়া — একটি সংযুক্ত সূচিতে রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে আলোচনার অধীনে রয়েছে। যদিও আলোচনার বেশিরভাগ অংশ মহামারী-সম্ভাব্য রোগজীবাণুগুলির জেনেটিক সিকোয়েন্স তথ্য এবং ডেটাতে ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায্য প্রাপ্যতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে, এবং সেইসঙ্গে চিকিৎসা প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপরও, চুক্তিটির সম্ভবত অন্য বাধাগুলি মোকাবিলা করার প্রয়োজন হবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ কার্যক্রম নিয়ে স্ট্র্যাটেজি প্রকাশ করে, এবং মহামারী চুক্তি গ্রহণ না করলেও তারা পৃথক দেশগুলির সঙ্গে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য আলোচনা শুরু করেছে।
উন্নয়নশীল দেশগুলি পিএবিএস-এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করার উপায় হিসাবে রোগজীবাণু তথ্য গ্রহণকারীদের চুক্তিবদ্ধ বাধ্যবাধকতার জন্য চাপ দিচ্ছে। পিএবিএস-এর উপর আন্তঃসরকারি কর্মী গোষ্ঠী (আইজিডব্লিউজি) ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আলোচনা পুনরায় শুরু করেছে। ইতিমধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি প্রকাশ করে, এবং মহামারী চুক্তি গ্রহণ না করলেও তারা পৃথক দেশগুলির সঙ্গে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। কেনিয়া ও রুয়ান্ডার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, যার মধ্যে রোগজীবাণু ভাগাভাগি চুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, হয়েছে। এই দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থাগুলি পিএবিএস আলোচনার গতিপথকে রূপ দিতে পারে।
ওজন-হ্রাস ওষুধের অতিবৃদ্ধি
অবশেষে, ২০২৬ সাল অসংক্রামক রোগ, বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী মেদবহুলতা সংকট মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে ওষুধ গ্রহণের সাক্ষী থাকবে। সেমাগ্লুটাইড [গ্লুকাগন-সদৃশ পেপটাইড-১ (জিএলপি-১) রিসেপ্টর অ্যাগোনিস্ট] পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি, এবং ওজেম্পিক ও ওয়েগোভি (সেমাগ্লুটাইডের ব্র্যান্ড নাম)-এর চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওজন কমানোর বাজারগুলি, যার মধ্যে ভারতও রয়েছে, দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুত। তবুও, সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত: সম্পূরক ওষুধের অনুমোদনে প্রায়শই দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবংসক্রিয়তার আণবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাব থাকে, এবং সুবিধা বজায় রাখার জন্য টেকসই নির্ভরতার প্রয়োজন হতে পারে। এই থেরাপির উচ্চ আর্থিক বোঝা এবং মেদবহুলতার জটিল প্রকৃতি তাদের ভূমিকা আরও জটিল করে তোলে। বিশ্বব্যাপী মেদবহুলতা সংকট মোকাবিলায় ওষুধগুলি প্রথম সারির সমাধান হওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিভক্ত। এগুলির ব্যাপক গ্রহণ স্বাস্থ্য বৈষম্যকে আরও গভীর করতে পারে, কারণ ধনী ব্যক্তিরা এই অত্যাধুনিক ওষুধগুলি পাওয়ার জন্য ভাল অবস্থানে রয়েছে, যখন নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী প্রাপ্যতার জন্য লড়াই করছে।
পেটেন্ট শেষ হওয়ার ফলে রাজস্ব কমে যাওয়ার সম্ভাবনার পাশাপাশি ২০২৬ সালে সম্ভবত নীতিগত বিতর্ক দেখা দেবে যে মেদবহুলতার ‘কুইক ফিক্স’ ওষুধই কি এগিয়ে যাওয়ার পথ। সেইসঙ্গেই প্রশ্ন হল, মেদবহুলতার সমাধানের প্রচেষ্টাগুলির ব্যবহারকে আরও বেশি যাচাই-বাছাইয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ করা উচিত কি না, যাতে করে নিশ্চিত করা যায় এর অন্তর্নিহিত কারণগুলি মোকাবিলা করার জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল হস্তক্ষেপের বাইরেও প্রয়াসের প্রয়োজন আছে কি না।
এছাড়াও, প্রাপ্যতা সম্পর্কিত নৈতিক উদ্বেগগুলি সমাধান করা প্রয়োজন, সেইসব রোগীদের মধ্যে পার্থক্য করা উচিত যাঁদের ক্লিনিক্যালি ওজন কমানোর ওষুধের প্রয়োজন এবং যাঁরা প্রসাধনী কারণে ওষুধ খুঁজছেন, কারণ এটি ওষুধ সরবরাহকে প্রভাবিত করবে। এটিও ইতিমধ্যেই উদ্বেগের কারণ যে চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে নকল ওষুধ তৈরি করা হচ্ছে। পেটেন্ট শেষ হওয়ার ফলে রাজস্ব কমে যাওয়ার সম্ভাবনার পাশাপাশি ২০২৬ সালে সম্ভবত নীতিগত বিতর্ক দেখা দেবে যে মেদবহুলতার ‘কুইক ফিক্স’ ওষুধই কি এগিয়ে যাওয়ার পথ। সেইসঙ্গেই প্রশ্ন হল, মেদবহুলতার সমাধানের প্রচেষ্টাগুলির ব্যবহারকে আরও বেশি যাচাই-বাছাইয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ করা উচিত কি না, যাতে করে নিশ্চিত করা যায় এর অন্তর্নিহিত কারণগুলি মোকাবিলা করার জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল হস্তক্ষেপের বাইরেও প্রয়াসের প্রয়োজন আছে কি না।
এগিয়ে যাওয়ার পথ
২০২৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্যর ক্ষেত্রে উদীয়মান বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, যা ক্রমবর্ধমান রাজনীতিকরণ এবং বাজার-চালিত পরিবেশ দ্বারা চিহ্নিত। ভ্যাকসিন-প্রতিরোধযোগ্য রোগের পুনরুত্থান বিজ্ঞান এবং চিকিৎসার উপর আস্থার ক্ষয়কে তুলে ধরে, অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে পুনর্নির্মিত মার্কিন সম্পৃক্ততা মোকাবিলায় সম্মিলিত পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে। মেদবহুলতা সংকট মোকাবিলায় দ্রুত ওষুধের ব্যবহার স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে প্রাপ্যতার বৈষম্য ও জীবনধারা-পরিবর্তনকারী পদ্ধতির প্রতি বিতৃষ্ণার ঝুঁকি নির্দেশ করে। সম্মিলিতভাবে, ২০২৬ বিজ্ঞানের উপর আস্থা পুনরুদ্ধার করা এবং ন্যায়সঙ্গত স্বাস্থ্য ফলাফল-সহ উদ্ভাবনের ভারসাম্য বজায় রাখার একটি সুযোগ উপস্থাপন করে।
লক্ষ্মী রামকৃষ্ণন অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসির সহযোগী ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Lakshmy is an Associate Fellow with ORF’s Centre for New Economic Diplomacy. Her work focuses on the intersection of biotechnology, health, and international relations, with a ...
Read More +