দ্বৈত ডিগ্রি ও বিদেশি আইআইটি-র মাধ্যমে ভারতের বিশ্বব্যাপী শিক্ষার প্রচারণা নীতি, কূটনীতি ও প্রভাবকে নরম শক্তি কৌশলে সমন্বিত করছে।
কয়েক দশক ধরে ভারতের মেধাবী পড়ুয়ারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। তবে এই প্রবণতা এখন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং ভারতে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীদারিত্ব, ডুয়াল-ডিগ্রি প্রোগ্রাম এবং বিদেশে ভারতীয় ক্যাম্পাস খোলার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী শিক্ষার ভোক্তার দরুন ভারত শিক্ষার আন্তর্জাতিক রফতানিকারক ও গুরুত্বপূর্ণ ভাবে প্রভাবশালী হয়ে উঠতে চলেছে। ভারতীয় শিক্ষার এই বিবর্তন - ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতির (এনইপি) কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি ও সংস্কারের মধ্যে নিহিত - ভারতের শিক্ষা খাতের আন্তর্জাতিকীকরণ এবং শিক্ষাক্ষেত্রকে নরম শক্তি কূটনীতির কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর সাহসী প্রচেষ্টাকেই দর্শায়।
বিশ্বব্যাপী শিক্ষার ভোক্তার দরুন ভারত শিক্ষার আন্তর্জাতিক রফতানিকারক ও গুরুত্বপূর্ণ ভাবে প্রভাবশালী হয়ে উঠতে চলেছে।
আন্তর্জাতিকীকরণের জন্য নীতিগত প্রচেষ্টা
অনাদিকাল থেকেই ভারত বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার আন্তর্জাতিক ছাত্রদের আতিথ্য দিয়ে আসছে। তবে এই পরিসংখ্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো পশ্চিমি দেশগুলির তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ২০২০-২০২২ সালে অতিমারির কারণে সৃষ্ট স্থবিরতার পরে ভারতে বিদেশি ছাত্রদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে (দ্রষ্টব্য নিচের রেখচিত্র)।
চিত্র ১: ভারতে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের সংখ্যা

সূত্র: কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের পর ভারতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, টাইমস অফ ইন্ডিয়া
ভারত সরকারের স্টাডি ইন ইন্ডিয়া (এসআইআই) পোর্টাল অনুসারে, ২০২৪-২৫ সালে ২০০টি দেশের ৭২,২১৮ জন শিক্ষার্থী ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিলেন। বেশির ভাগ পড়ুয়াই প্রতিবেশী দেশগুলির অন্তর্ভুক্ত অর্থাৎ নেপাল, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং নাইজেরিয়া, সুদান, তানজানিয়া ও ইথিওপিয়ার মতো আফ্রিকান দেশগুলি থেকে এসেছেন। এর তুলনায় ৭,৫৯,০৬৪ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী (ভারতের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১০ গুণেরও বেশি) বিদেশে পড়াশোনা করেন।
এই বহিঃপ্রবাহকে প্রতিহত করার জন্য — এবং সম্ভবত এই জোয়ারের গতি একেবারে উলটে দেওয়ার জন্য — এনইপি তিনটি কৌশলগত দিকের মাধ্যমে ‘ঘরে বসে আন্তর্জাতিকীকরণ’ (ইন্টারন্যাশনালাইজেশন অ্যাট হোম) ধারণাটির প্রবর্তন করে:
১. প্রতিভা দেশের ভেতরেই ধরে রাখার জন্য ভারতের অভ্যন্তরে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ প্রদান করা।
২. আধুনিক শাখার পাশাপাশি ভারততত্ত্ব, আয়ুষ চিকিৎসা ব্যবস্থা, যোগ, শিল্পকলা ও ইতিহাসের মতো ঐতিহ্যবাহী বিষয়গুলির প্রচার করা।
৩. বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্বকে সমর্থন করে এমন অবকাঠামো ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে শক্তিশালী করা।
প্রথম বারের মতো শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে ভারতীয় শিক্ষা স্থানীয় ভাবে প্রাসঙ্গিক অথচ বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক হয়। সেই অনুযায়ী, নীতিটি বেশ কয়েকটি পদ্ধতিকে উৎসাহিত করে: শীর্ষস্থানীয় বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে সহযোগিতা, দ্বৈত ও যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, ভারতে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপন, ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির বিদেশে ক্যাম্পাস স্থাপন, ছাত্র ও অনুষদ বিনিময় প্রোগ্রাম, গবেষণা অংশীদারিত্ব এবং আন্তঃসীমান্ত উদ্ভাবন কেন্দ্র।
প্রথম বারের মতো শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে ভারতীয় শিক্ষা স্থানীয় ভাবে প্রাসঙ্গিক অথচ বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক হয়।
পাঁচ বছর ধরে এনইপি-র পর এই দৃষ্টিভঙ্গি কেবল তাত্ত্বিক নয়, বরং ক্রমশ কার্যকর হয়ে উঠছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সক্রিয় ভাবে ভারতীয় ক্যাম্পাস খোলার চেষ্টা করছে। অন্য দিকে, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি-সহ (আইআইটি) শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলি আবুধাবি, তানজানিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় দরজা খুলে দিচ্ছে।
প্রভাবের রফতানি
ভারত ঐতিহাসিক ভাবে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি এবং মানুষে মানুষে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য শিক্ষাকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এনইপি প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভারত তার ‘প্রতিবেশ প্রথম’ পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছে, তবে এর উচ্চাকাঙ্ক্ষা আরও বিস্তৃত হয়েছে। এনইপি এখন বিশ্বব্যাপী শৃঙ্খল তৈরি ও ভারতীয় মূল্যবোধ-সহ পরবর্তী প্রজন্মের বিশ্ব নেতাদের লালন-পালন করার লক্ষ্যে কাজ করে। এটি পাঁচটি মূল কূটনৈতিক পদ্ধতির মাধ্যমে অনুসরণ করা হয়: প্রথমত, মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি প্রদান এবং ইনলাক্স, কমনওয়েলথ, ফুলব্রাইট-নেহরু, রোডসের মতো বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, যাতে সদিচ্ছা বৃদ্ধি পায় এবং ভবিষ্যতের বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দ্বিতীয়ত, আঞ্চলিক সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা এবং সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে দক্ষিণ-দক্ষিণ শিক্ষা সহযোগিতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা। তৃতীয়ত, দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার জন্য অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলির সঙ্গে সমঝোতাপত্র (মউ), ডুয়াল ডিগ্রি প্রোগ্রাম এবং অফশোর ক্যাম্পাসের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব সম্প্রসারিত করা হয়েছে। চতুর্থত, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার জন্য এসআইআই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশে ভারতীয় উচ্চশিক্ষার সক্রিয় প্রচারণা (দ্রষ্টব্য নিচের রেখচিত্র)।
চিত্র ২: এসআইআই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশে ভারতীয় উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণ

অবশেষে পঞ্চম পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে ভারতের মূল্যবোধ-ভিত্তিক, সাশ্রয়ী মূল্যের শিক্ষা তুলে ধরে এবং যোগ, আয়ুর্বেদ, দর্শন ও সংস্কৃতের মতো ভারতের অনন্য বিষয়গুলি প্রদর্শন করে ভারতীয় উচ্চশিক্ষার জন্য একটি ব্র্যান্ড তৈরি করা।
এই পাঁচটির মধ্যে শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণের দু’টি সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রকাশ হল ডুয়াল-ডিগ্রি প্রোগ্রাম সম্প্রসারণ এবং ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অফশোর ক্যাম্পাস স্থাপন।
ডুয়াল ডিগ্রি এবং অফশোর ক্যাম্পাসের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সেতুবন্ধন
দ্বৈত বা যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের দু’টি স্বতন্ত্র শিক্ষাগত ডিগ্রি অর্জনের অনুমতি দেয় - একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অন্যটি বিদেশি অংশীদার থেকে এবং প্রায়শই উভয় ক্যাম্পাসে শারীরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা দরকার। এগুলি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়াশোনার সম্পূর্ণ খরচ ছাড়াই বিশ্বব্যাপী সুযোগ প্রদান করতে পারে এবং একই সঙ্গে নানাবিধ সুযোগ, পেশাদার শৃঙ্খল ও কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রসারিত করতে পারে। ডুয়াল ডিগ্রির জন্য সহযোগিতাকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে এটি গভীর প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগ ও যৌথ গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করতে পারে।
একই ভাবে, অফশোর ক্যাম্পাসগুলি ভারতীয় শিক্ষার প্রচার ও রফতানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ক্যাম্পাসগুলি ভারতীয় প্রবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সেবা প্রদান করে, বিদেশে ভারতীয় শিক্ষাগত উৎকর্ষ তুলে ধরে এবং গবেষণা সহযোগিতা ও আন্তঃসীমান্ত উদ্ভাবন কেন্দ্রের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করে। সর্বোপরি, এই পদক্ষেপটি কেবল ভোক্তা হিসেবে নয়, বরং বিশ্বমানের শিক্ষার সরবরাহকারী হিসেবে ভারতের খ্যাতি বৃদ্ধি করে।
গত কয়েক বছর ধরে ভারতের আন্তর্জাতিকীকরণের গতি ত্বরান্বিত হয়েছে। আইআইটিগুলি বিদেশে কমপক্ষে তিনটি ক্যাম্পাস চালু করছে। শীর্ষস্থানীয় বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং সরকার জানিয়েছে যে, এই শিক্ষাবর্ষের (২০২৫-২৬) শেষ নাগাদ ১৫টি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে ক্যাম্পাস খুলবে। মহারাষ্ট্রের নভি মুম্বইতে একটি শীর্ষস্থানীয় বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস-সহ ‘এডুসিটি’ ইতিমধ্যেই তৈরি হচ্ছে।
বিদ্যমান প্রক্রিয়াগুলিকে সুবিন্যস্ত ও উন্নত করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্কারগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এনইপি হায়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়ার (এইচইসিআই) মাধ্যমে একক, সমন্বিত উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক তৈরির সুপারিশ করেছিল। এই সমন্বিত নিয়ন্ত্রকের জন্য একটি বিল - যা সমস্ত উচ্চশিক্ষার জন্য একক নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও অনুমোদন, স্বীকৃতি এবং সম্মতির জন্য একটি দ্রুত ও আরও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া প্রদান করবে – দ্রুতই সংসদে পেশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪-২৫-এ শিক্ষাগত অবকাঠামো দ্বিগুণ করা এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে উচ্চশিক্ষায় ৫০ শতাংশ মোট ভর্তির অনুপাত (জিইআর) লক্ষ্য করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব ও বহুমুখী শিক্ষার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
প্রতিবন্ধকতা ও সামনের পথ
ভারতের শিক্ষার অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক হলেও ভারতীয় শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গিয়েছে। নিয়ন্ত্রক জটিলতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং অনুষদ উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার মতো উদ্বেগগুলির দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিশ্বব্যাপী ভারতীয় উচ্চশিক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার জন্য সহযোগিতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে গুণমান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাগত মান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাস বজায় রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডুয়াল ডিগ্রি, আন্তঃ-সীমান্ত ক্যাম্পাস এবং উচ্চশিক্ষা নীতি সংস্কারের মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোগগুলি ‘ব্রেন ড্রেন’-এর জন্য পরিচিত দেশ থেকে ‘ব্রেন গেন’-এর জন্য স্বীকৃত দেশ হিসেবে ভারতের ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে।
প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আন্তঃ-সীমান্ত অংশীদারিত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য একটি বহুমুখী পদ্ধতির দ্রুতগতির প্রয়োজন। উপরন্তু, শিক্ষার্থীদের পরিপূরক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, সম্মিলিত শিক্ষাগত কাজের চাপ পরিচালনা এবং দক্ষতা, শৃঙ্খল ও কেরিয়ারের সুযোগ সম্প্রসারণের জন্য শিক্ষাকে সমন্বিত করার বিষয়ে সঠিক নির্দেশনা প্রদান করাও অপরিহার্য।
ভারতের সফল শিক্ষা কূটনীতি বহুমাত্রিক লাভের জন্য প্রস্তুত, যার মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক সুবিধা, সাংস্কৃতিক বিনিময়, শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড নির্মাণ করা, যা বিশ্বব্যাপী ধারণা গঠন করবে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী নেতা হিসেবে ভারতের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। ডুয়াল ডিগ্রি, আন্তঃ-সীমান্ত ক্যাম্পাস এবং উচ্চশিক্ষা নীতি সংস্কারের মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোগগুলি ‘ব্রেন ড্রেন’-এর জন্য পরিচিত দেশ থেকে ‘ব্রেন গেন’-এর জন্য স্বীকৃত দেশ হিসেবে ভারতের ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে। অবশেষে, ভারতীয় শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ পশ্চিমি আধিপত্যের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখবে এবং ভারতীয় চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধ ও জ্ঞানের ঐতিহ্য দ্বারা সমৃদ্ধ একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, বহু-মেরু শৃঙ্খলার দিকে বিশ্বব্যাপী শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্নির্মাণ করবে।
অর্পণ তুলসিয়ান অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি-র সিনিয়র ফেলো।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Arpan Tulsyan is a Senior Fellow at ORF’s Centre for New Economic Diplomacy (CNED). With 16 years of experience in development research and policy advocacy, Arpan ...
Read More +