Author : Aleksei Zakharov

Published on Jul 09, 2025 Updated 0 Hours ago

তালিবানদের সন্ত্রাসবাদী তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে রাশিয়া আফগানিস্তানে একটি কৌশলগত ও কূটনৈতিক অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছেকিন্তু এটি কি একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ না কি ঝুঁকিপূর্ণ ছাড়?

তালিবানকে তালিকার বাইরে রাখা: মস্কোর নতুন আফগানিস্তান নীতির নেপথ্যে লক্ষ্য আসলে কী?

২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট তালিবানের সন্ত্রাসবাদী আখ্যা  স্থগিত করে রাশিয়ার ভূখণ্ডে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এই গোষ্ঠীটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এর পরে মস্কোতে আফগানিস্তানের কূটনৈতিক মিশনকে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই কথা ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রদূত জামির কাবুলভের কাবুল সফরের সময় ঘোষণা করা হয়েছিল। মস্কোর জন্য এই পদক্ষেপ মূলত প্রতীকী সিদ্ধান্ত। কিন্তু অন্য দিকে তালিবানদের জন্য এটি আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা থেকে বেরিয়ে আসার দিকে আর কটি প্রয়াস অবশ্যই। রাশিয়ার পদক্ষেপগুলি তালিবানদের প্রতি প্রদত্ত একটি রাজনৈতিক ছাড় বলে মনে হচ্ছেতাই এর মূল চালিকাশক্তি কী এবং বিনিময়ে মস্কো কাবুলের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করে, তা এখনও সম্পূর্ণ রূপে স্পষ্ট নয়।

বিভিন্ন অংশীদার তালিবান সরকারে বৃহত্তর অন্তর্ভুক্তির দাবিতে এবং এর মানবাধিকার সংক্রান্ত মনোভাবকে উন্নত করার জন্য তালিবানের ই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বৈধতার অভাব তালিবান শাসনের একটি সুপরিচিত দুর্বলতা। বিভিন্ন অংশীদার তালিবান সরকারে বৃহত্তর অন্তর্ভুক্তির দাবিতে এবং এর মানবাধিকার সংক্রান্ত মনোভাবকে উন্নত করার জন্য তালিবানের ই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে। তবে কাবুলে তালিবানের ক্ষমতার নিয়মিতকরণের ফলে বিভিন্ন পক্ষ আফগানিস্তানের রাজধানীতে তাদের কূটনৈতিক উপস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হয়েছে অথবা ইসলামিক আমিরাত অফ আফগানিস্তানের (আইইএ) সঙ্গে আধা-সরকারি যোগাযোগে সম্পৃক্ত হয়েছে। ফলস্বরূপ, কাজাখস্তান কিরগিজস্তানের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি তাদের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে তালিবানকে বাদ দিয়েছে। মস্কোও ২০২৩ সালের মে থেকে একই অভিপ্রায়ের ইঙ্গিত দিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব করেছে।

২০২৪ সালের মে মাসে রাশিয়ার পররাষ্ট্র ও বিচার মন্ত্রণালয় রাশিয়ার কালো তালিকা থেকে এই গোষ্ঠীটিকে বাদ দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার পর এই প্রক্রিয়াটি গতিশীল হয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আস্তানায় সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে পুতিন যখন তালিবানকে রাশিয়ার সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা মিত্রহিসেবে বর্ণনা করেন, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তালিবানদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া কেবল আমলাতান্ত্রিক আনুষ্ঠানিকতার বিষয়। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর কাবুল সফরের  সময় রাশিয়ান ফেডারেশন সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি সের্গেই শোইগু নিশ্চিত করেন যে, রাশিয়া নিজেদের মনোনীত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের তালিকা থেকে তালিবানদের বাদ দেবে। একই দিনে রাশিয়ান সেনেটরদের একটি দল স্টেট ডুমায় একটি বিল পেশ করে এবং সেখানে যদি এমন কোনও বাস্তব প্রমাণ থাকে যে [তারা] সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ প্রচার, ন্যায্যতা এবং সমর্থন করা বন্ধ করে দিয়েছে’, তা হলে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে কালো তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিলটি রাশিয়ান পার্লামেন্টে পাস হয় এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট পুতিন কর্তৃক আইনে স্বাক্ষরিত হয়, যা  সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পথ প্রশস্ত করে।

তালিবানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মাধ্যমে মস্কো তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করতে চাইছে। শোইগুর নেতৃত্বে একটি বৃহৎ রাশিয়ান প্রতিনিধিদলের কাবুল সফর - যা ২০২১ সালের গস্ট মাসে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা - আইইএ-র সঙ্গে সহযোগিতার পথ অন্বেষণে মস্কোর গুরুত্ব স্পষ্ট ভাবে দর্শায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন অংশের, অর্থাৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্লক থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রপর্যন্ত শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ আসলে তালিবান গোষ্ঠীর সঙ্গে মস্কোর সম্পৃক্ততাকেই দর্শায়।

রাশিয়ার জনমত এই বিষয়ে বেশ দ্বিধাবিভক্ত, কিছু বিশেষজ্ঞ তালিবানের সন্ত্রাসবিরোধী ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ২০২৪ সালের মার্চ মাসে মস্কোর ক্রোকাস সিটি হলে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আইএসকেপি-সম্পৃক্ত থাকার দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তালিবানের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির নেপথ্যে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত, মস্কোর আফগান নীতি মূলত একটি নিরাপত্তা কর্মসূচি দ্বারা চালিত। রাশিয়া তার সরকারি বক্তব্যে ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রভিন্সের (আইএসকেপি) বিরুদ্ধে তালিবানের সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী অভিযানের প্রশংসা করে। রাশিয়ার জনমত এই বিষয়ে বেশ দ্বিধাবিভক্ত, কিছু বিশেষজ্ঞ তালিবানের সন্ত্রাসবিরোধী ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ২০২৪ সালের মার্চ মাসে মস্কোর ক্রোকাস সিটি হলে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আইএসকেপি-সম্পৃক্ত থাকার দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তালিবানের প্রচেষ্টা নিয়ে মস্কোর কূটনৈতিক মূল্যায়ন আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে আরও বেশি সুবিধা অর্জনের জন্য তাদের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্তর্নিহিত প্রচেষ্টাকেই দর্শায়।

দ্বিতীয়ত, কাবুলের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার উপর বেশি গুরুত্ব দেয়। রাশিয়া আইইএ-র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার না হলেও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি দ্রুত হয়েছে এবং এই বাণিজ্যের পরিমাণ ২০২২ সালে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০২৪ সালে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। রাশিয়ার কিছু পণ্য রফতানির জন্য আফগানিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে উঠে এসেছে। ২০২৪ সালে রুশ আটার শীর্ষ ক্রেতা ছিল আফগানিস্তান এবং তারা ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য কিনেছিল, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। আফগানিস্তান ২০২৪-২০২৫ সালে রাশিয়া থেকে ২৭৫,০০০ টনেরও বেশি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করেছিল, যার মূল্য ১৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আফগানিস্তানে এই পণ্যের আরও সরবরাহের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে, যেখানে বার্ষিক চাহিদা প্রতি বছর প্রায় ৭০০,০০০ টন বলে অনুমান করা হয়। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এলপিজির পরিবহণ আরও তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রুশ এলপিজি আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞার পর মস্কো নিজেরফতানি পরিসরকে বৈচিত্র্যময়  করতে চাইছে। রুশ এবং তালিবান প্রতিনিধিরা ২০২৫ সালে কাজান ফোরামে ৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার (প্রায় ২৬.৩ মিলিয়ন টন) এলপিজি স্থানান্তরের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে আফগানিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত পথের ক্ষমতা ও সেই পথের নিরাপত্তা সমস্যাগুলি শেষ পর্যন্ত চুক্তির বাস্তবায়নকে সীমিত করতে পারে।

রুশ এবং তালিবান প্রতিনিধিরা ২০২৫ সালে কাজান ফোরামে ৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার (প্রায় ২৬.৩ মিলিয়ন টন) এলপিজি স্থানান্তরের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়ার জন্য মশলা, কার্বনেটেড এনার্জি ড্রিঙ্ক আমদানির ক্ষেত্রে আইইএ
একটি উৎস হয়ে উঠেছে কোকা কোলা কোম্পানি ২০২২ সালে রুশ বাজার থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর রাশিয়াকে কোকের জন্য আইইএ-র উপর ভরসা করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি ল্যাভেন্ডার, থাইম লিকোরিসের মতো ঔষধি ভেষজের পাশাপাশি ক্রোম আকরিক, খনিজ, রুবি পান্নাও অগ্রাধিকার পেয়েছে। কিছু সূত্রের মতে, উভয় পক্ষ বাণিজ্যের জন্য পণ্যের তালিকা সম্প্রসারণ করতে চাইছে, যার ফলে মোট লেনদেন ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হবে। তবে এমনটা অর্জনের জন্য মস্কো কাবুলকে কার্গো সংক্রান্ত বিমা, লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়, অনুন্নত সীমান্ত কাঠামো এবং পরিবহণ অবকাঠামো সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি সমস্যা সমাধান করতে হবে।

রাশিয়া সম্প্রতি আফগান ভূখণ্ড জুড়ে পরিবহণ করিডোর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করেছে। মস্কো দুটি নতুন পথকে সমর্থন করছে: ট্রান্স-আফগান রেলপথ তোরঘুন্ডি-হেরাত-কান্দাহার-স্পিন বোলদাক, যার প্রচার কাজাখস্তান তুর্কমেনিস্তান করছে এবং রাশিয়া এটিকে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোরের (আইএনএসটিসি) সম্প্রসারণ হিসেবে দেখে। এ ছাড়া রয়েছে বেলারুশ-রাশিয়া-কাজাখস্তান-উজবেকিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান মাল্টিমোডাল করিডোর। দুই প্রকল্পই বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের  করাচি বন্দরের মাধ্যমে মস্কোকে ভারত মহাসাগরে প্রবেশাধিকার প্রদান করবে এবং ইরানের পরিবহণ অবকাঠামোর উপর রাশিয়ার নির্ভরতা হ্রাস করবে।

সন্ত্রাসবাদী তালিকা থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলটিকে বাদ না দিয়েই মস্কো তালিবানের আইইএ-সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করতে পারত। কাজাখস্তান কিরগিজস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, তালিবানদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তর নয়। এ কথা ইঙ্গিত দিতে পারে যে, মস্কো তালিবানকে তুরুপের তাস হাতে তুলে দিচ্ছে নাবরং কিছু রুশ বিশেষজ্ঞের মতে, বহিরাগত শক্তি, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়া এই ইঙ্গিত দিতে চাইছে যে, আফগানিস্তানে তাদের প্রভাবও যথেষ্ট রকমের রয়েছে। এই যুক্তি অনুসারে, রাশিয়া দক্ষিণ এশিয়ার প্রতি মার্কিন কৌশলের আসন্ন পরিবর্তনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমন্বয়ের একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসাবে আফগানিস্তানকে তুলে ধরতে আগ্রহী হতে পারে

একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হল এই যে, বিলটিতে রাশিয়ার কালো তালিকা থেকে অস্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তালিবানের কোনও নীতি মস্কোর জন্য প্রতিকূল বলে প্রমাণিত হলে রুশ কর্তৃপক্ষ চাইলেই নিজেদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে পারবে।

তালিবানদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের নেপথ্যের যুক্তি যা-ই হোক না কেন, রাশিয়া এখনও তার আফগানিস্তান নীতিতে কিছুটা অস্পষ্টতা বজায় রেখেছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হল এই যে, বিলটিতে রাশিয়ার কালো তালিকা থেকে অস্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তালিবানের কোনও নীতি মস্কোর জন্য প্রতিকূল বলে প্রমাণিত হলে রুশ কর্তৃপক্ষ চাইলেই নিজেদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে পারবে। উপরন্তু, তালিবানের নামকরণের পরিবর্তনগুলি মস্কোর নিজস্ব শাসনব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির সমতুল্য নয়।

তালিবানের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের বৈধতা সত্ত্বেও রাশিয়া কাবুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য তার ব্যবস্থার প্রতি তার অস্পষ্টতা প্রদর্শন করে চলবে এবং আফগানিস্তানে মস্কোর অবস্থান সুসংহত করার জন্য বহিরাগত অভ্যন্তরীণ শক্তির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করবে।

 


আলেক্সেই জাখারভ অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.