আফ্রিকায় রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান পদচিহ্ন পশ্চিম আফ্রিকার হুন্তা-নেতৃত্বাধীন দেশগুলিকে ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমী জোট বা চিন থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজেদের বিদেশনীতি পুনর্বিন্যাস করার সুযোগ করে দিচ্ছে। কিন্তু এই অঞ্চলে মস্কোর পুনরুত্থান কীভাবে এই দেশগুলিকে কৌশলগত বিকল্প প্রদান করে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ফলে যখন বিশ্ব বাণিজ্য শৃঙ্খলার পুনর্নির্মাণ করতে হচ্ছে, সেই সময় আফ্রিকা রাশিয়ার কাছাকাছি যাওয়ার জন্য পশ্চিমীদের সঙ্গে তার জোটের পুনর্বিন্যাস করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের উপস্থিতি হ্রাসের কারণে সাহেল অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। এই পরিবর্তনকে পুঁজি করে, রাশিয়া সাহেলের দেশগুলিতে তার প্রভাব বিস্তার করেছে — সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে বিশাল বিস্তৃত এলাকায়।
এই মাসের শুরুতে, পশ্চিম আফ্রিকার তিনটি হুন্তা-নেতৃত্বাধীন দেশ — বুরকিনা ফাসো, মালি ও নাইজার-এর বিদেশমন্ত্রীরা মস্কো সফর করেন, এবং রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে দেখা করেন। এই বৈঠকের লক্ষ্য ছিল সাধারণ স্বার্থের ক্ষেত্রে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করা। বৈঠকের পর রাশিয়া তিনটি দেশের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করার জন্য তার প্রস্তুতির কথা জানায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের উপস্থিতি হ্রাসের কারণে সাহেল অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।
কিন্তু এই বিচ্যুতি কীভাবে শুরু হয়েছিল? সাহেল অঞ্চলে মার্কিন ও ফরাসি প্রভাব দুর্বল হওয়ার কারণ কী? তিনটি আফ্রিকান দেশ কেন রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক চাইছে? আসুন, অনুধাবন করি।
রাশিয়ার কক্ষপথে সাহেলের প্রবাহ
সাহেল রাশিয়ার কক্ষপথে ঢুকে পড়ছে, আংশিকভাবে পছন্দের ভিত্তিতে। তবে, সাহেলের জন্য বহিরাগত অংশীদার হিসাবে রাশিয়াকে কেন পছন্দ হল, তা বোঝা কঠিন নয়। পশ্চিম আফ্রিকার তিনটি দেশ, যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অভ্যুত্থানের ফলে হুন্তারা ক্ষমতায় এসেছিল, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যালায়েন্স অফ সাহেল স্টেটস বা লালিয়ঁস দেতাত দু সাহেল (এইএস) নামে একটি সংস্থা গঠন করে।
উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউনূস-বেক ইয়েভকুরভের নেতৃত্বে একটি রুশ প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে জোটের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। রাশিয়াই প্রথম দেশ যারা নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এইএস-কে স্বীকৃতি দিয়েছে। শুরু থেকেই, জোটটি অবশ্য একটি নিরাপত্তা বা সামরিক চুক্তির চেয়েও বেশি কিছু হতে প্রস্তুত ছিল। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে এইএস দেশগুলি তাদের নিরাপত্তা জোটকে একটি কনফেডারেশনে উন্নীত করে।
এইএস দেশগুলি সাহেল জি৫ এবং লেক চাদ বেসিনে বহুজাতিক যৌথ টাস্ক ফোর্সের মতো নিরাপত্তা জোটও ত্যাগ করে, যা দুটি আফ্রিকান ইউনিয়ন, রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং সালাফি-জিহাদি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পশ্চিম-সমর্থিত সামরিক মিশন।
তারপর থেকে, কনফেডারেশন তার আন্তর্জাতিক জোটকে পুনর্নির্ধারণ করার জন্য বেশ কয়েকটি সাহসী পদক্ষেপ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি নিরপেক্ষ বা পশ্চিমের সঙ্গে জোটবদ্ধ আঞ্চলিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যাহার। ২০২৫ সালের গোড়ার দিকে, এইএস আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিম আফ্রিকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্লক ইকোওয়াস (পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলির অর্থনৈতিক সম্প্রদায়) থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
এইএস দেশগুলি সাহেল জি৫ এবং লেক চাদ বেসিনে বহুজাতিক যৌথ টাস্ক ফোর্সের মতো নিরাপত্তা জোটও ত্যাগ করে, যা দুটি আফ্রিকান ইউনিয়ন, রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং সালাফি-জিহাদি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পশ্চিম-সমর্থিত সামরিক মিশন। এই বিচ্ছিন্নতা পশ্চিম-নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা কাঠামোর প্রতি এইএস দেশগুলির মোহভঙ্গের ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে ফ্রান্স দ্বারা স্থাপিত নিরাপত্তা কাঠামোও রয়েছে।
আফ্রিকায় ফ্রান্সের সামরিক উপস্থিতি
১৯৬০ সাল থেকে ফ্রান্স এই অঞ্চলের ফরাসি-ভাষী দেশগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে, এবং নিজেকে প্রধান নিরাপত্তা প্রদানকারী হিসাবে তুলে ধরেছে। এই ঐতিহাসিক বন্ধন অঞ্চলটিকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সামরিক হস্তক্ষেপের একটি সিরিজে রূপান্তরিত হয়েছে।
২০১৩ সালে ফ্রান্স মালিতে ইসলামপন্থী জঙ্গিবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে অপারেশন সার্ভাল নামে একটি সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে। এই অভিযানটি ২০১৪ সালে আরও বিস্তৃত এবং দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ অপারেশন বারখানের মাধ্যমে সাফল্য পায়, যা বৃহত্তর সাহেল অঞ্চলে ফরাসি সামরিক সম্পৃক্ততার পরিধি প্রসারিত করে।
তীব্র জনবিরোধের মুখে পড়ে ফ্রান্স এইএস দেশগুলি থেকে তার সৈন্য প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়, এবং তারপরে প্রতিবেশী চাদ, সেনেগাল ও কোট ডি'আইভরি থেকেও।
যাই হোক, ফ্রান্স সম্প্রতি তিনটি এইএস দেশ এবং এই অঞ্চলের অন্য ফ্রাঙ্কোফোন দেশগুলিতে সহিংস বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছে। তীব্র জনবিরোধের মুখে পড়ে ফ্রান্স এইএস দেশগুলি থেকে তার সৈন্য প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়, এবং তারপরে প্রতিবেশী চাদ, সেনেগাল ও কোট ডি'আইভরি থেকেও। আজ, আফ্রিকায় ফ্রান্সের মাত্র দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে: গ্যাবন ও জিবুটি।
রাশিয়ার দিকে সাহেলের পদক্ষেপ কীভাবে গতি পেয়েছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের ক্রমহ্রাসমান উপস্থিতির কারণে সাহেলের এই দ্রুত অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ কয়েকটি নতুন খেলোয়াড়ের জন্য জায়গা করে দিয়েছে, বিশেষ করে রাশিয়ার জন্য। সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের মুক্তি সংগ্রামকে কীভাবে সমর্থন করেছিল তা স্মরণে রেখে এই অঞ্চলের অনেক দেশ রাশিয়ার প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করে চলেছে।
তিনটি শাসনব্যবস্থা ইতিমধ্যেই পশ্চিম-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের কূটনৈতিক কার্যকলাপকে ব্যাপকভাবে সমন্বয় করেছে। তারা "এক সুরে" কথা বলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছে। গত বছর এইএস রাষ্ট্রগুলি একত্রিত হওয়ার জন্য অন্য প্রধান প্রচেষ্টাগুলিকে সমন্বিত করেছে, যেমন একটি ঐক্যবদ্ধ পাসপোর্ট, যৌথ শুল্ক এবং তিনটি দেশে ছড়িয়ে পড়া সালাফি-জিহাদি বিদ্রোহ মোকাবিলায় একটি যৌথ বাহিনী।
যাই হোক, সাম্প্রতিক যৌথ সফরটি ব্লকের একটি সত্যিকারের বহুক্ষেত্রীয় কনফেডারেশন গঠনের প্রচেষ্টার আরেকটি এমন পদক্ষেপ যা কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক নীতিগুলির সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে। এটি ছিল একটি বহিরাগত অংশীদার, এই ক্ষেত্রে, রাশিয়ার সঙ্গে ব্লকের সর্বোচ্চ স্তরের যৌথ কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা।
আফ্রিকান ন্যাটো তৈরি হচ্ছে?
সম্মিলিত প্রতিরক্ষা এবং পারস্পরিক সহায়তার কাঠামোর উপর তার মনোযোগের সঙ্গে, এইএস ক্রমবর্ধমানভাবে একটি "আফ্রিকান ন্যাটো"র বৈশিষ্ট্যগুলির সঙ্গে নিজেকে সারিবদ্ধ করছে। ভবিষ্যতে, রাশিয়ার সহায়তায়, এইএস দেশগুলিকে পর্যবেক্ষক হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো, এবং একটি অ-পশ্চিমী আঞ্চলিক নিরাপত্তা অংশীদারি গড়ে তুলতে পারে এমন ঐক্যকে উন্নত করার জন্য যৌথ সামরিক ও সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অনুশীলন পরিচালনা করার কথা বিবেচিত হতে পারে।
অধিকন্তু, এইএস সম্ভাব্যভাবে এই অঞ্চলের আরও অনেক দেশকে রাশিয়ার প্রভাব বলয়ে টেনে আনতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চাদ ও টোগো আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্থলবেষ্টিত সাহেল দেশগুলিতে সামুদ্রিক প্রবেশাধিকার প্রদানের জন্য এইএস-এ যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
২০২৪ সালের মে মাসে, চাদ ও টোগো এইএস-এর সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করে। নভেম্বর মাসে চাদ ফ্রান্সের সঙ্গে তার প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করে, তারপরে রাশিয়া দেশটিকে একটি বিকল্প নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। ইতিমধ্যে ফরাসি সৈন্যরা ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষের দিকে চাদ থেকে তাদের প্রত্যাহার সম্পূর্ণ করে।
চাদ ফ্রান্সের সঙ্গে তার প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করে, তারপরে রাশিয়া দেশটিকে একটি বিকল্প নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়।
একইভাবে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, সুদান এবং রাশিয়া ২০১৭ সালের একটি স্থগিত চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের এপ্রিলে সুদানের সশস্ত্র বাহিনী (এসএএফ)-কে "সীমাবদ্ধ সামরিক সহায়তা" প্রদানে রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি অনুসরণ করে রাশিয়াকে সুদানের লোহিত সাগর উপকূলে একটি নৌ-ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দেবে।
এর আগে, ২০২৪ সালের জুনে, সুদানের সশস্ত্র বাহিনীর নেতারা মালি এবং নাইজার সফর করেছিলেন। এই দেশগুলি এইএস-এর সঙ্গে ক্রমবর্ধমানভাবে একত্রিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গে তাদের সম্পর্কও গভীর হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ক্রমবর্ধমান সংযুক্তি চিনের জন্যও একটি চ্যালেঞ্জ।
ভূ-রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস: এইএস-এর লক্ষ্য চিন
এইএস হুন্তারা আন্তর্জাতিক খনির স্বার্থের বিরুদ্ধে তাদের সার্বভৌমত্ব-পন্থী প্রচারণায় বিশেষভাবে চিনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই প্রচারণার পরিধি শুধু পশ্চিমী সংস্থাগুলিকেই নয়, চিনা সংস্থাগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে।
১৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে, নাইজারের সামরিক হুন্তা স্থানীয় নাইজেরিয়ান কর্মীদের প্রতি বেতন বৈষম্য এবং চিনা তেল প্রকল্পগুলির কাজে বিলম্বের কারণে তিনজন চিনা তেল নির্বাহীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করে। উপরন্তু, নাইজেরিয়ার পর্যটন মন্ত্রক বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে নিয়ামেতে একটি চিনা মালিকানাধীন হোটেলের পরিচালনা লাইসেন্স বাতিল করে।
২০০৮ সালে একটি যৌথ পেট্রোলিয়াম উৎপাদন চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে চিন নাইজারের তেল ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, যার নাইজারের বৃহত্তম তেল ক্ষেত্র, এর একমাত্র শোধনাগার এবং ২০২৩ সালে সম্পন্ন নাইজার-বেনিন তেল পাইপলাইনে যথেষ্ট অংশীদারিত্ব রয়েছে। সম্পদ জাতীয়তাবাদের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা ইঙ্গিত দেয় যে এই দেশগুলি খনি নিয়ে চুক্তিতে আরও অনুকূল শর্ত খুঁজছে।
১৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে, নাইজারের সামরিক হুন্তা স্থানীয় নাইজেরিয়ান কর্মীদের প্রতি বেতন বৈষম্য এবং চিনা তেল প্রকল্পগুলির কাজে বিলম্বের কারণে তিনজন চিনা তেল নির্বাহীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করে।
আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্রতর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় শক্তিই মহাদেশের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান গভীর সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে। এদিকে রাশিয়ার পুনরুত্থান এই হুন্তা সরকারগুলিকে তাদের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে এবং তাদের বৈদেশিক নীতির গতিপথ পুনর্গঠন করছে।
অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে রাশিয়ার শক্তিশালী সম্পর্ক ক্রেমলিনকে তার প্রভাব সুসংহত করতে এবং তার স্বার্থ সুরক্ষিত করতে সক্ষম করবে। সাহেলিয়ান সামরিক সরকার এবং রাশিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বে এই আন্তঃনির্ভরতার প্রকৃতি স্পষ্ট।
এই ভাষ্যটি মূলত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস - এ প্রকাশিত হয়েছিল।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr. Samir Bhattacharya is an Associate Fellow at Observer Research Foundation (ORF), where he works on geopolitics with particular reference to Africa in the changing ...
Read More +