ফিরে আসার পর থেকে ভারত মহাসাগরে আঞ্চলিক সংহতির ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যেই সিএসসি সামুদ্রিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ভারত কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ-এর (সিএসসি) ৭ম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা-স্তরের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বৃদ্ধি ও অংশীদারিত্ব জোরদার করার জন্য সিএসসি গঠিত হয়েছিল, যার ফলে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। ২০১১ সালে ভারত, মলদ্বীপ এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে একটি ত্রিপাক্ষিক গোষ্ঠী হিসেবে এটি শুরু হয়েছিল। এর নেতৃত্বে ছিলেন তিন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাবৃন্দ। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এর কাজ যথেষ্ট গতি পেয়েছে। যদিও নয়াদিল্লি এবং কলম্বো ও মালে সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে এই গোষ্ঠীটি তার গতি হারিয়ে ফেলেছিল, তবুও ২০২০ সালে এটি সিএসসি হিসাবে পুনর্গঠিত হয়। ফিরে আসার পর থেকে ভারত মহাসাগরে আঞ্চলিক সংহতির ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যেই সামুদ্রিক ক্ষেত্রে সমন্বয় ও সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার জন্য সিএসসি একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি গোষ্ঠীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান গতির পাশাপাশি অবিচল সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়।
একটি ভঙ্গুর ভারত মহাসাগর
ভারত মহাসাগরে আঞ্চলিক সংহতির অবস্থা এবং ব্যাপ্তি এখনও ন্যূনতম, যার ফলে আবাসিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এর জন্য বিভিন্ন কারণ দায়ী করা যেতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে সক্ষমতার বৈষম্য, আঞ্চলিক হুমকি সম্পর্কে ভিন্ন ধারণা এবং আঞ্চলিক সচেতনতার অভাব। ফলস্বরূপ, সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শূন্যতা রয়ে গিয়েছে, এমনকি যখন ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় অঞ্চল সামুদ্রিক ক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত সাধারণ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে এবং তার ব্যাপক জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অভিন্ন সাধারণ সুযোগ খুঁজছে।
আইওআরএ এবং আইওএনএস-এর নিম্ন মানের জন্য আংশিক ভাবে ভারত মহাসাগরের ভৌগোলিক বিশালতা এবং একক আঞ্চলিক অ্যাজেন্ডার অভাবকে দায়ী করা যেতে পারে।
ভারত মহাসাগরের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে, ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) এবং ভারত মহাসাগর নৌ সিম্পোজিয়াম (আইওএনএস) উল্লেখযোগ্য। কারণ হিসেবে বলা যায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনের মূল বিষয়গুলিতে সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য তাদের বিদ্যমান প্রচেষ্টার কথা। তবে এই অঞ্চলে আঞ্চলিক শাসন উদ্যোগের ভঙ্গুর প্রকৃতি বিবেচনা করে, এই মঞ্চগুলির সাফল্যের পরিমাণ বিতর্কিত। আইওআরএ এবং আইওএনএস-এর নিম্ন মানের জন্য আংশিক ভাবে ভারত মহাসাগরের ভৌগোলিক বিশালতা এবং একক আঞ্চলিক অ্যাজেন্ডার অভাবকে দায়ী করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ ভাবে, এর ভূগোলের বিশাল রূপরেখার কারণে বৃহত্তর ভারত মহাসাগর মঞ্চের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তাগুলি বৈচিত্র্যময়।
সম্প্রসারণ এবং নতুন সমন্বয়
এই লক্ষ্যে কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভের উত্থান এবং সশক্তকরণ আইওআর-এ সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির একটি নতুন প্রক্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে বলে মনে হচ্ছে। খুব কম দেশের সদস্যপদে সীমাবদ্ধ থাকা, ভৌগোলিক সান্নিধ্যে, সাধারণ চ্যালেঞ্জ এবং অভিন্ন সাধারণ সুযোগের উপর ভিত্তি করে শাসনের একটি ব্যাপক অ্যাজেন্ডা নির্ধারণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। অতএব, মঞ্চের সীমিত ভৌগোলিক পরিধি তার সদস্য দেশগুলির মধ্যে স্থিতিশীল গতি ও সমন্বয় নিশ্চিত করার জন্য একটি কার্যকর কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে।
গোষ্ঠীর অব্যাহত গতিশীলতা এর অবিচ্ছিন্ন সম্প্রসারণের দ্বারা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যদিও গোষ্ঠীটি ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং মলদ্বীপের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক ভাবে শুরু হয়েছিল। ২০২২ সালে মরিশাস পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগদান করে এবং বাংলাদেশ ২০২৪ সালে যোগদান করে। এই বছর সেশেলস পূর্ণ সদস্য হিসেবে সিএসসিতে যোগদান করে এবং মালয়েশিয়া অতিথি রাষ্ট্র হিসেবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু গোষ্ঠীটি পাঁচটি মূল স্তম্ভের মাধ্যমে তার কৌশল তৈরি করে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে: সমুদ্র নিরাপত্তা; সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ দমন; পাচার ও আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ দমন; সাইবার নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সুরক্ষা; এবং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ত্রাণ।
খুব কম দেশের সদস্যপদে সীমাবদ্ধ থাকা, ভৌগোলিক সান্নিধ্যে, সাধারণ চ্যালেঞ্জ এবং অভিন্ন সাধারণ সুযোগের উপর ভিত্তি করে শাসনের একটি ব্যাপক অ্যাজেন্ডা নির্ধারণ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
একই স্তম্ভের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে এই গোষ্ঠীর সম্প্রসারণ পারস্পরিক ভাবে অভিন্ন সাধারণ নিরাপত্তা উদ্বেগ, বিশেষ করে অপ্রচলিত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কাজ করার প্রচেষ্টাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। এই সমস্যাভিত্তিক গোষ্ঠীবদ্ধকরণ জোর দেয় যে, সহযোগিতার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, বিশেষ করে পাচার, জলদস্যুতা, সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি, সামুদ্রিক বিপর্যয় এবং দুর্ঘটনার উদ্বেগ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে। সামুদ্রিক নিরাপত্তার অপ্রচলিত চ্যালেঞ্জগুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এই বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে যে, ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলি উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকারের সঙ্গে সমন্বিত এবং জরুরি ভাবে এর প্রশমন প্রয়োজন।
পারস্পরিক দায়িত্ব পালন
অনেক দিক থেকে দেখলে, সিএসসি সদস্যদের জন্য একটি মঞ্চ, যেখানে নিরাপত্তাকে পারস্পরিক দায়িত্ব হিসেবে গড়ে তোলা হয়। ভারতের নেতৃত্বে এই সংস্থাটি সদস্যদের ধীরে ধীরে স্থলভাগ থেকে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে তাদের মনোযোগ স্থানান্তর করতে সাহায্য করেছে। এটি একটি বৃহত্তর প্রতিবেশ ও সমমনস্ক উপকূলীয় দেশগুলির সঙ্গে সামুদ্রিক হুমকি এবং স্বার্থের উপর সমন্বয় এবং সহযোগিতা করার সুযোগ প্রদান করে। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার চেয়ে ক্ষুদ্র-পার্শ্বীয় সহযোগিতার অগ্রাধিকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য ভারতের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার উদ্বেগকেও প্রশমিত করে। মলদ্বীপ, মরিশাস এবং সেশেলসের মতো ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলির (এসআইডিএস) জন্য এই গোষ্ঠী ও এর স্তম্ভগুলি তাদের প্রাথমিক নিরাপত্তা উদ্বেগগুলির মোকাবিলা করে। শ্রীলঙ্কার জন্য এই মঞ্চটি আরও গুরুত্বপূর্ণ বহিরাগত হুমকির উপর মনোনিবেশ করতে এবং গৃহযুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ মনোনিবেশকে অতিক্রম করতে সহায়তা করে। এমনকি বাংলাদেশের জন্যও, সিএসসি তার সামুদ্রিক কল্পনাকে সহায়তা করে, একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারত মহাসাগরীয় রাষ্ট্র হিসাবে তার ভূমিকাকে শক্তিশালী করে।
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার চেয়ে ক্ষুদ্র-পার্শ্বীয় সহযোগিতার অগ্রাধিকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য ভারতের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতার উদ্বেগকেও প্রশমিত করে।
অন্য দিকে, ভারতের জন্য, সন্ত্রাসবাদ এবং চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের মতো প্রচলিত হুমকিগুলির বেশির ভাগই স্থল থেকে উদ্ভূত হলেও সিএসসি সামুদ্রিক অঞ্চল থেকে ক্রমবর্ধমান হুমকিগুলি শনাক্ত করতে সহায়তা করে। ইন্দো-প্যাসিফিকে বহিরাগত খেলোয়াড়দের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি, আইওআর-এ চিনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য হুমকি, জলদস্যুতা, পাচার, অবৈধ মাছ ধরা, সামুদ্রিক সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদির মতো উদীয়মান হুমকিগুলি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে চলেছে। সর্বোপরি, তার ক্রমবর্ধমান উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সক্ষমতার দরুন ভারত প্রধান নিরাপত্তা প্রদানকারীর ভূমিকা পালন করছে এবং এর সামুদ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বব্যাপী দক্ষিণে প্রসারিত হয়েছে, যেমনটা দেশটির মহাসাগর দৃষ্টিভঙ্গিতে স্পষ্ট। এই ক্ষেত্রে, ভারত সিএসসিকে তার সামুদ্রিক সুরক্ষা কাঠামো তৈরির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে মনে করে।
গোষ্ঠীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চিনের সম্পৃক্ততার পরিপ্রেক্ষিতে, ভারত মহাসাগরের স্থিতিশীলতার জন্য ভারত বেজিংয়ের আসন্ন হুমকির প্রশ্নে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। বিশেষ করে যেহেতু দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি চিনকে আকৃষ্ট করে চলেছে এবং বেজিং তাদের সাথে নিজস্ব নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে, তাই এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত চিন-ভারত মহাসাগর ফোরামের তৃতীয় পুনরাবৃত্তি এই অঞ্চলে তার উপস্থিতিকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য চিনের অব্যাহত প্রতিশ্রুতিকেই দর্শায়। বাংলাদেশ, মলদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানও চিনের বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্যোগে যোগ দিয়েছে। আইওআর-এ চিনা উপস্থিতি এবং সুরক্ষা কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের উদ্দেশ্যে এমনটা ঘটেছে। আইওআর-এ চিনা যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং গবেষণা জাহাজের নোঙর করার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৪ সালে সনদ স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের নতুন সরকার অনুপস্থিত ছিল, তবে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকা সত্ত্বেও তারা এই বছর উপস্থিত ছিল।
এই অঞ্চলের নিরাপত্তাকে পারস্পরিক দায়িত্বের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করার জন্য ভারতের পক্ষ থেকেও চাপ দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যেহেতু সিএসসি এখনও অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ঝুঁকিতে রয়েছে। অভিন্ন ভৌগোলিক পরিসর, অপ্রচলিত নিরাপত্তার বিষয়গুলিতে মনোযোগ এবং ভারতের কূটনৈতিক কৌশল সংস্থাটিকে কার্যকরী করে তুলেছে। এই বিষয়গুলি অন্তত আপাত দৃষ্টিতে হলেও সদস্য রাষ্ট্রগুলির রাজনীতিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা থেকে আলাদা করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩ সালে মলদ্বীপের নতুন সরকার সিএসসির এনএসএ-স্তরের বৈঠক এড়িয়ে যায়। তবে সরকারটি গোষ্ঠীর পরবর্তী আলোচনায় অংশ নিয়েছিল। একই ভাবে, ২০২৪ সালে সনদ স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের নতুন সরকার অনুপস্থিত ছিল, তবে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকা সত্ত্বেও তারা এই বছর উপস্থিত ছিল।
সিএসসি ভারত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য ভারত এবং তার প্রতিবেশীদের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক মঞ্চ প্রদান করে। ভারতের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সদস্যদের ভারতীয় উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীল করে সামুদ্রিক প্রতিবেশে তার স্বার্থ সুরক্ষিত করবে এবং আইওআর-এ সক্রিয় ভাবে চিনের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। অন্য সদস্যদের জন্য, পারস্পরিক অ-প্রথাগত নিরাপত্তা হুমকি এবং ভৌগোলিক নৈকট্যের উপর মনোযোগ তাদের চ্যালেঞ্জগুলি হ্রাস করতে অব্যাহত রেখেছে। সর্বোপরি, রাজনৈতিক সংহতি অনিশ্চয়তার বিষয় থাকা অবস্থায় পারস্পরিক দায়িত্ব পালন সংগঠনের জন্য নতুন সমন্বয় সাধন করেছে।
আদিত্য গৌদারা শিবমূর্তি অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
সায়ন্তন হালদার অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Aditya Gowdara Shivamurthy is an Associate Fellow with the Strategic Studies Programme’s Neighbourhood Studies Initiative. He focuses on strategic and security-related developments in the South Asian ...
Read More +
Sayantan Haldar is an Associate Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. At ORF, Sayantan’s work is focused on Maritime Studies. He is interested in questions on ...
Read More +