এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় এনডিটিভি-তে।
দু’টি পৃথক ঘটনা এমন গুরুতর চ্যালেঞ্জকেই তুলে ধরে, যা মুক্ত গণতন্ত্রগুলি আজ প্রভাব বিস্তারের কৌশলের ক্ষেত্রে চিনের আগ্রাসী কার্যকলাপ মোকাবিলা করতে গিয়ে সম্মুখীন হচ্ছে।
সম্প্রতি মার্কিন-ভারত সম্পর্ক বিষয়ক বিশিষ্ট ভাষ্যকার এবং ওয়াশিংটন ডিসি-র কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের কৌশলগত বিশ্লেষক অ্যাশলে টেলিসকে গোপন তথ্য বেআইনি ভাবে নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। টেলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মার্কিন বিমানবাহিনী এবং বিমানশক্তির কৌশল সম্পর্কিত ১,০০০ পৃষ্ঠারও বেশি উচ্চ-স্তরের গোয়েন্দা তথ্য নিজের কাছে রেখেছিলেন। এ নিয়ে তদন্ত চললেও টেলিসের আইনজীবীরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তাঁরা ‘টেলিসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলির জোরালো বিরোধিতা করবেন, বিশেষ করে কোনও বিদেশি শত্রুর পক্ষে কাজ করার যে কোনও ইঙ্গিতের বিরুদ্ধে’। আটলান্টিকের অন্য প্রান্তে চিনের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া একজন ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি গবেষকের বিরুদ্ধে মামলাটি সম্প্রতি ভেস্তে গেছে, যা রাজনৈতিক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এরই মধ্যে ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৫-এর প্রধান কেন ম্যাককালাম ঘোষণা করেছেন যে, তাঁর সংস্থা আরেকটি চিনা গুপ্তচরবৃত্তির হুমকি নস্যাৎ করেছে।
এই ঘটনাগুলি কেবল এটাই তুলে ধরে না যে, কী ভাবে মার্কিন-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৈশ্বিক গোয়েন্দা পরিস্থিতিকে রূপ দিচ্ছে, বরং এটি সেই সব গুরুতর চ্যালেঞ্জের অন্যতম, যা আজকের মুক্ত গণতন্ত্রগুলো প্রভাব বিস্তার কার্যক্রমের ক্ষেত্রে চিনের আগ্রাসী কৌশল মোকাবিলা করতে গিয়ে সম্মুখীন হচ্ছে। এই কার্যক্রমগুলির লক্ষ্য হল আন্তর্জাতিক জনমতকে প্রভাবিত করা, আমাদের গণতান্ত্রিক/পার্লামেন্টারি ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলির মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বিভেদকে কাজে লাগানো এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগত পরিবেশকে কলুষিত করার চেষ্টা করা।
ভারতের জন্য এর অর্থ কী
চিনের প্রভাব বিস্তার কার্যক্রমের একটি বৈশ্বিক পরিধি রয়েছে, যা ১৯৪৯ সালে পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না বা গণপ্রজাতন্ত্রী চিন (পিআরসি) প্রতিষ্ঠার আগে চিনা গৃহযুদ্ধের সময় থেকে প্রায় এক শতাব্দী ধরে ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের তত্ত্বাবধানে পরিমার্জিত ও চর্চিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এটি আরও বেশি পরিশীলিত হয়ে উঠেছে। আগের চেয়ে নতুন সম্পদ এবং আরও বেশি আন্তর্জাতিক কর্তৃত্ব হাতে থাকায় চিন সক্রিয় ভাবে বিদেশিদের নিয়োগ করার চেষ্টা করছে। শিক্ষাবিদ ও জনমত সৃষ্টিকারী থেকে শুরু করে নেভিল রয় সিংহামের মতো মিডিয়া টাইকুন এবং এমনকি সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবশালীদেরও তাঁদের নিজস্ব ভাষ্য প্রচার করতে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য ছড়াতে এবং এমনকি তাঁদের প্রতিপক্ষের সমাজ ও রাজনীতির ভেতরের বিভেদকে কাজে লাগাতে চেষ্টা করছে।
তবে চিনের প্রভাব বিস্তার কার্যক্রমের ব্যবহার স্বাভাবিক সীমার বাইরেও বিস্তৃত। এআই-এর মতো নতুন প্রযুক্তিকে তথ্যযুদ্ধের বৃহত্তর প্রচারণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গোলাক্সি-র মতো সামনের সারির সংস্থাগুলি হংকং, তাইওয়ান এবং এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও গোপন কার্যকলাপ চালাচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা বিগ ডেটা সংগ্রহ করছে এবং এআই ব্যবহার করে ব্যক্তিদের বাস্তবসম্মত সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল তৈরি করছে, যাতে ভুল তথ্য ছড়ানো, জনমতকে প্রভাবিত করা এবং তথ্যযুদ্ধের ময়দানে প্রতিপক্ষের ওপর সুবিধা লাভের জন্য কারসাজির শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের মনস্তাত্ত্বিক ভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। গোলাক্সি ‘স্মার্ট প্রোপাগান্ডা সিস্টেম’ বা ‘গোপ্রো’ নামে একটি ব্যবস্থাও তৈরি করেছে, যার সুস্পষ্ট লক্ষ্য হল এআই শক্তি হিসেবে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে কাজে লাগানো। এর জন্য তারা এমন প্রযুক্তিগত মঞ্চ তৈরি করছে, যা ‘সত্যিই চিনের আখ্যান বলতে পারে, চিনের কণ্ঠস্বরকে জোরালো করতে পারে এবং চিনের প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং এই সব কিছুর পাশাপাশি ‘পূর্বের বাতাস পশ্চিমের বাতাসকে পরাভূত করবে’… এই বিষয়টিকে দ্রুত বাস্তবে রূপ দিতে ব্যাপক প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করতে পারে’।
‘গোপ্রো’ থেকে ‘স্নিয়ার রিভিউ’
গোপ্রো একমাত্র উদাহরণ নয়। ‘স্নিয়ার রিভিউ' কর্মসূচির অধীনে চিনা গোয়েন্দা সংস্থাগুলি পশ্চিমি এআই যেমন চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে ইংরেজি, চিনা ও উর্দু ভাষায় মন্তব্য তৈরি করেছে এবং একটি বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রভাব প্রচারণার অংশ হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সেগুলি ছড়িয়ে দিয়েছে।
ভারতও এই ধরনের কৌশলের সঙ্গে অপরিচিত নয় - ২০২৩ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি তদন্তে মিঃ সিংহামকে ভারতের একটি নিউজ পোর্টালের একজন প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, যা ভারতের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল যে, এটি ভারতের বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর চিনা প্রভাব প্রচারণার অংশ ছিল। চিনের লক্ষ্য ছিল দর্শকদের মেরুকরণ করা এবং সংঘাত উস্কে দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করা। প্রকৃতপক্ষে, চিন সামাজিক মাধ্যমের প্রোফাইল ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে - যা সম্ভবত এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। মণিপুরের মতো সীমান্ত রাজ্যগুলিতে সাম্প্রদায়িক সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করার জন্য চিন এমনটা করেছে, যাতে এই অঞ্চলে, বিশেষ করে মায়ানমারের মতো প্রেক্ষাপটে তার কৌশলগত প্রভাব বাড়ানো যায়।
চিনা কৌশল
এমনকি যখন নয়াদিল্লি এবং বেজিং একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের পর্যায়ে প্রবেশ করছে, তখনও চিন তথ্যযুদ্ধের ময়দানে তার সুবিধা বজায় রাখতে এবং বাড়াতে পদক্ষেপ নেবে। সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং একটি সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে চিনকে ঘিরে জনমনে সন্দেহ কমে গেলে ভারতের সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাত এবং কৌশলগত সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাতে ও নিয়োগ করার সুযোগগুলি চিনা দূতাবাস কাজে লাগাবে, যেমনটি তারা সাম্প্রতিক অতীতে করেছে। এর পাশাপাশি, সম্ভবত আগ্রাসী সামাজিক মাধ্যম তথ্যযুদ্ধও চালানো হবে, যেখানে এআই চ্যাটবট এবং সামাজিক মাধ্যম প্রভাবক উভয়কেই ব্যবহার করা হবে এবং এটি এক ধরনের নিম্ন-স্তরের যুদ্ধ হিসেবে কাজ করবে, যাতে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের ফাটলের সম্ভাবনাকেই সীমিত করা যায়, যেমনটা ২০২০ সালের গলওয়ান উপত্যকা সঙ্কটের পরে ঘটেছিল।
এমনকি যখন নয়াদিল্লি এবং বেজিং একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের পর্যায়ে প্রবেশ করছে, তখনও চিন তথ্যযুদ্ধের ময়দানে তার সুবিধা বজায় রাখতে এবং বাড়াতে পদক্ষেপ নেবে। সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং একটি সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে চিনকে ঘিরে জনমনে সন্দেহ কমে গেলে ভারতের সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাত এবং কৌশলগত সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানাতে ও নিয়োগ করার সুযোগগুলি চিনা দূতাবাস কাজে লাগাবে, যেমনটি তারা সাম্প্রতিক অতীতে করেছে।
তা সত্ত্বেও, এই ধরনের একটি কৌশল সম্ভবত চিনকে একটি শিথিলতার সুযোগ ব্যবহার করে ভারতের অভ্যন্তরে মূল দেশীয় গোষ্ঠীগুলিকে নিজেদের পক্ষে সংগঠিত করার সুযোগ দেবে এবং একই সঙ্গে তার প্রতিবেশের অস্থিতিশীল রাষ্ট্রগুলিতে ভারতের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ মেরুকরণ ও অসন্তোষ উস্কে দেবে, যাতে চিন তার কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, ২০১০-এর দশকের শেষভাগ এবং ২০২০-এর দশকের শুরুতে মলদ্বীপের সামাজিক মাধ্যম সম্প্রদায়গুলিতে চিনের তথ্য যুদ্ধ এবং ‘ইন্ডিয়া আউট’ অভিযানে সমর্থন ভবিষ্যতের জন্য একটি নজির স্থাপন করে, যেখানে নেপাল ও বাংলাদেশের উগ্রপন্থী, ডিজিটাল ভাবে সংযুক্ত এবং ক্রমবর্ধমান ভারত-বিরোধী যুব সমাজের অংশগুলি বিশেষ করে গোলাক্সির মতো চিনা ডিজিটাল ও নজরদারি মঞ্চ ও সংস্থা দ্বারা পরিচালিত সূক্ষ্ম, এআই-উৎপাদিত কারসাজিমূলক প্রচারণার প্রতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ভবিষ্যতের জন্য পথনির্দেশিকা
তথ্য জগতে চিনের দ্বারা সৃষ্ট হুমকি অসংখ্য এবং ভারতীয় কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্সকে অবশ্যই দক্ষতার সঙ্গে সেগুলি মোকাবিলা করতে হবে এবং অহেতুক সন্দেহের কারণে সৃষ্ট কার্যকারিতা ক্ষতির বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে। সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক স্তরে দেখলে ভারত দেশীয় ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা বিকাশের পথ বেছে নিতে পারে, যা বিদেশি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকবে এবং এআই-নির্মিত চিত্র শনাক্ত করতে সক্ষম হবে। এমন এক সময়ে যখন ব্রিটেনের এমআই৫-এর মতো বৈশ্বিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ডিজিটাল ফরেনসিকের দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এআই-এর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য কৌশল তৈরি করতে শুরু করেছে, তখন ভারতকে অবশ্যই গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে, যাতে চিন-সহ বিভিন্ন সম্ভাব্য পরাশক্তির প্রতিযোগীদের দ্বারা ব্যবহৃত এআই চ্যাটবট এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রোফাইলিং সক্রিয় ভাবে শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা যায়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নতুন আইনি কাঠামো প্রবর্তন, এই ধরনের অত্যাধুনিক ক্ষেত্রে কর্মরত বেসরকারি খাতের প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব ও তাদের বিরুদ্ধে কাউন্টার-এস্পিওনাজ ব্যবহার এবং আনুষ্ঠানিক রিয়েল-টাইম কৌশলগত যোগাযোগ মতবাদ প্রণয়ন প্রভাব বিস্তারকারী অভিযানগুলির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
এফবিআই-এর ‘গ্রুপ ৭৮’ থেকে শিক্ষা নেওয়া
তবে এই কৌশলগুলি কেবল প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে এআই-এর বিগ ডেটা এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে ফলাফল তৈরি করার জন্য বিভিন্ন বাণিজ্যিক মঞ্চ এবং প্রযুক্তি বিদ্যমান। নাইটশেড এমন একটি ডিজিটাল সাধনী, যা প্রধানত ভিজ্যুয়াল শিল্পীরা কপিরাইট লঙ্ঘন মোকাবিলায় ব্যবহার করেন। তা চিনের মতো পরাশক্তির প্রতিদ্বন্দ্বীদের দ্বারা পরিচালিত এআই-চালিত প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার কার্যকারিতা কমাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। একই ভাবে প্রভাব বিস্তারকারী মানব এজেন্টদের বিরুদ্ধেও আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে। এফবিআই-এর ‘গ্রুপ ৭৮’ - যা একটি কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং ডিজিটাল পরিসরের বাইরে সাইবার অপরাধীদের লক্ষ্যবস্তু করতে বিভিন্ন ধরনের কার্যকর কৌশল ব্যবহার করে - ভারতের জন্য অনুকরণের একটি সম্ভাব্য মডেল হতে পারে, বিশেষ করে সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি গোষ্ঠী এবং চিনা ‘দেশপ্রেমিক হ্যাকারদের’ বিরুদ্ধে, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিরুদ্ধে বেজিংয়ের প্রভাব বিস্তারের অভিযানগুলির জন্য বিশ্বাসযোগ্য অস্বীকৃতির সুযোগ দিয়ে আসছে। প্রকৃতপক্ষে, সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে চিনের প্রভাব বিস্তারের অভিযানগুলিকে সহজতর করে দিতে সক্ষম এ হেন আরও বিভিন্ন ধরনের গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও অনুরূপ কৌশল ব্যবহারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, একটি অস্থিতিশীল প্রতিবেশী অঞ্চল এবং ক্রমবর্ধমান পরাশক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা… এই সবকিছুই সেই পরিবেশকে সংজ্ঞায়িত করে, যেখানে ভারত বিশ্ব মঞ্চে তার কর্তৃত্ব ক্রমশ প্রয়োগ করতে শুরু করেছে। ভারতের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গেই যে কলুষিত তথ্যক্ষেত্রে এটি কাজ করে, সে সম্পর্কেও তার সচেতনতা বাড়াতে হবে। ভারত যখন একটি বিপজ্জনক নতুন যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন বিচক্ষণতা, অভিন্ন মূল্যবোধের স্বীকৃতি এবং কৌশলগত প্রজ্ঞার সমন্বয়ই তার সঙ্গী হওয়া উচিত।
এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় এনডিটিভি-তে।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Professor Harsh V. Pant is Vice President at Observer Research Foundation, New Delhi. He is a Professor of International Relations with King's India Institute at ...
Read More +
Archishman Ray Goswami is a Non-Resident Junior Fellow with the Observer Research Foundation. His work focusses on the intersections between intelligence, multipolarity, and wider international politics, ...
Read More +