২০২৭ সালের জনগণনা শুধু জনসংখ্যা গণনা নয়; এটি আগামী দশকের জন্য ভারতের উন্নয়ন, শাসনব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের এক যুগান্তকারী পুনর্গঠন।
২০২৭ সালের জনগণনা নিছক একটি পরিসংখ্যানগত অনুশীলন নয় — এটি দেশের উন্নয়নমূলক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কাঠামোর একটি পুনর্গঠন। প্রায় ১৫ বছর আগে শেষ জনগণনা হওয়ার পর থেকে ভারতের অর্থনীতি, জনসংখ্যা এবং স্থানিক বাস্তবতায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এই ধরনের একটি পুরনো ডেটা সেট বা তা থেকে প্রাপ্ত অনুমানের উপর ভিত্তি করে গৃহীত যে কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত, তা জনকল্যাণমূলক হোক বা অন্য কোনও ধরনের, বিভ্রান্তিকর এবং বিপথগামী হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এতে কোনও সন্দেহ নেই যে প্রতি দশ বছর অন্তর জনগণনার প্রয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং বাস্তব জগৎ যে গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে তাতে দুটি পর্বের মধ্যে ব্যবধান আরও কমানোর দাবি উঠছে। তবে, জনগণনার মধ্যে ব্যবধান কমানোর নিজস্ব খরচ ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যদিও ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এই প্রতিবন্ধকতাগুলি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে।
প্রকৃতপক্ষে, এই পর্বে প্রযুক্তি তার উপস্থিতি জানান দেবে তা কী পরিমাপ করছে তা দিয়ে নয়, বরং কীভাবে পরিমাপ করছে তা দিয়ে — একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল কাঠামোর মাধ্যমে, যা গতি ও ব্যাপকতা উভয়েরই প্রতিশ্রুতি দেয়। তবুও, “ভারত কি বাস্তবিকভাবেই ২০২৭ সালের মধ্যে প্রাথমিক ফলাফল আশা করতে পারে?” — এই প্রশ্নের উত্তরটি সতর্কতামূলকভাবে আশাবাদী। যেহেতু এটি হবে ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল আদমশুমারি, যেখানে মোবাইল-ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ, স্ব-গণনা পোর্টাল এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং ড্যাশবোর্ডের ব্যবস্থা থাকবে, তাই ডিজিটালাইজেশন অবশ্যই তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় কমিয়ে দেবে। প্রথম পর্যায় — যার মধ্যে বাড়ির তালিকা তৈরি এবং সম্পত্তির মানচিত্রায়ন অন্তর্ভুক্ত — ২০২৬ সালে পরিচালিত হবে, এবং এর পরে ২০২৭ সালের শুরুতে জনসংখ্যা গণনা করা হবে।
জনগণনার মধ্যে ব্যবধান কমানোর নিজস্ব খরচ ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যদিও ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এই প্রতিবন্ধকতাগুলি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে।
মাথায় রাখার মতো বিষয়টি হল — গতিকে তাৎক্ষণিকতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, কিংবা এটি তথ্যের ভুল বা ব্যাপকতা যাচাইয়ের অভাবের অজুহাতও হওয়া উচিত নয়। জনগণনার তথ্য সংগ্রহই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়; সংগৃহীত তথ্যকে যাচাই, পরিচ্ছন্ন, সমন্বিত এবং ব্যাখ্যা করতে হয়। জাতি, অভিবাসন ও পেশাগত শ্রেণিবিভাগের মতো সামাজিকভাবে জটিল বিষয় জড়িত আছে এমন জটিল ভেরিয়েবলগুলির ভুল প্রতিবেদন বা ভুল শ্রেণিবিন্যাসের অবকাশ নেই। সুতরাং, জনসংখ্যার প্রধান পরিসংখ্যান তুলনামূলকভাবে দ্রুত প্রকাশিত হলেও, আরও সূক্ষ্ম এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ডেটাসেট ঠিকভাবে তৈরি হতে বেশি সময় লাগার কথা। এতে কোনও সন্দেহ নেই যে ডিজিটালাইজেশন এই প্রক্রিয়া সংক্ষিপ্ত করবে, কিন্তু তা কঠোর পরিসংখ্যানগত যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা দূর করে না।
নমুনা সমীক্ষা থেকে জনসংখ্যার সত্য
২০২৭ সালের জনগণনার তাৎক্ষণিক অথচ গভীর তাৎপর্য নিহিত থাকবে একটি সম্পূর্ণ গণনাকৃত জনসংখ্যার ভিত্তিতে জনকল্যাণমূলক নীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার মধ্যে, যা নীতির ভিত্তি বিভিন্ন নমুনা সমীক্ষা থেকে সরিয়ে আনবে। এই নমুনা সমীক্ষাগুলির ফলাফল প্রায়শই একে অপরের সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ হয়েছে। গত এক দশকে, ভারতের কল্যাণমূলক কাঠামো মূলত নমুনা সমীক্ষা এবং প্রশাসনিক ডেটাসেটের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। এগুলি উপকারী হলেও স্বভাবতই অসম্পূর্ণ। এর বিপরীতে, একটি জনগণনা একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থ-সামাজিক মানচিত্র প্রদান করে।
কল্যাণমূলক পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভর্তুকির সঠিক বণ্টন, বঞ্চনা চিহ্নিতকরণ এবং প্রান্তিক পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা — এই সবই নির্ভর করে মানুষ কোথায় বাস করে, তাদের কী কী সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে, এবং পরিবারগুলির গঠন কেমন সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের উপর। প্রথম পর্যায়ের নকশাটিই — যেখানে আবাসন ব্যবস্থা, স্যানিটেশন, জলের সহজলভ্যতা, বিদ্যুৎ এবং ডিজিটাল সংযোগের মতো বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত — একটি সুস্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশনার ইঙ্গিত দেয়।
গত এক দশকে, ভারতের কল্যাণমূলক কাঠামো মূলত নমুনা সমীক্ষা এবং প্রশাসনিক ডেটাসেটের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। এগুলি উপকারী হলেও স্বভাবতই অসম্পূর্ণ। এর বিপরীতে, একটি জনগণনা একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থ-সামাজিক মানচিত্র প্রদান করে।
এই প্রক্রিয়ায়, নতুন আদমশুমারি পুরনো অনুমানের পরিবর্তে প্রকৃত জনসংখ্যার ভূগোলের সঙ্গে সরকারি পরিকাঠামোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সরকারি বিনিয়োগকে পুনর্বিন্যাস করতে সাহায্য করবে। এটি প্রকাশ করে যে কোথায় অভিবাসন বসতির ধরন বদলে দিয়েছে, কোথায় শহরতলি অঞ্চলের বৃদ্ধি সুশাসনকে ছাড়িয়ে গিয়েছে, এবং কোথায় পরিষেবার ঘাটতি সবচেয়ে গভীর। এর তাৎপর্য স্পষ্ট: আরও উন্নত স্থানিক বিকাশের অর্থনীতি।
সীমানা নির্ধারণের রাজনৈতিক অর্থনীতি
২০২৭ সালের জনগণনা ভারতের ক্রমবিকাশমান রাজনৈতিক ভারসাম্যকেও চিহ্নিত করবে। সাংবিধানিকভাবে, সীমানা নির্ধারণ — অর্থাৎ নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির সীমানার পুনর্নির্ধারণ — ২০২৬ সালের পরের প্রথম জনগণনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি জনগণনাকে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সম্ভাব্য পুনর্গঠনের একটি পূর্বসূরি করে তোলে।
এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। যে রাজ্যগুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি, তারা হয়তো অধিকতর প্রতিনিধিত্ব লাভ করতে পারে; অন্যদিকে যে রাজ্যগুলি জনতাত্ত্বিক রূপান্তর অর্জন করেছে, তারা আপেক্ষিক প্রভাব হ্রাস অনুভব করতে পারে। এটি একটি চিরায়ত যুক্তরাষ্ট্রীয় টানাপড়েন তৈরি করে — জনসংখ্যাতাত্ত্বিক আনুপাতিকতা এবং অনুভূত ন্যায্যতার মধ্যে। এটি একটি উত্তর-দক্ষিণ বিভাজনও তৈরি করতে পারে। হিন্দি বলয় এবং উত্তর-পূর্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যে অঞ্চলগুলি একটি উল্লেখযোগ্য তরুণ জনগোষ্ঠীর জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশ থেকেও লাভবান হয়। এর বিপরীতে, দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে বয়স্ক ও প্রবীণ জনসংখ্যা আরও দ্রুতগতিতে বাড়ছে।
সংসদ জনসংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্যকে প্রতিনিধিত্বে কীভাবে রূপান্তরিত করবে, তা নির্ধারণ করবে যে এই প্রক্রিয়াটি গণতান্ত্রিক বৈধতাকে শক্তিশালী করবে, না আঞ্চলিক উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলবে।
জনগণনা যদিও গাণিতিক হিসাব দেবে, রাজনীতি থাকবে এর সূত্রের মধ্যেই। সংসদ কীভাবে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্যকে প্রতিনিধিত্বে রূপান্তরিত করবে, তা নির্ধারণ করবে এই প্রক্রিয়াটি গণতান্ত্রিক বৈধতা শক্তিশালী করবে না আঞ্চলিক উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলবে। উত্তর-দক্ষিণ আলোচনায় ইতিমধ্যেই এই উদীয়মান উত্তেজনা প্রতিফলিত হচ্ছে।
এছাড়াও, জনগণনা আইনসভায় নারী সংরক্ষণের বাস্তবায়ন পথের সঙ্গেও যুক্ত হবে, যা এর রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। সুতরাং, ২০২৭ সালের জনগণনা নিঃসন্দেহে ভারতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামোর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হবে।
শহুরে ভারতের পুনর্কল্পনা
ভারতের নগর রূপান্তর তার পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। শহরগুলি প্রসারিত হয়েছে, শহরতলির এলাকাগুলি বহুগুণে বেড়েছে এবং অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলি বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনা কাঠামোতে সেই অনুযায়ী কোনও উন্নতি হয়নি। জনগণনা বিস্তারিত বাড়ি-তালিকা তৈরি, সম্পদের মানচিত্রায়ন এবং ডিজিটাল ভূ-স্থানিক সরঞ্জামের মাধ্যমে এই শূন্যতা পূরণ করে। এটি পরিকল্পনাবিদদের স্থানিক জনসংখ্যার ঘনত্ব, অভিবাসীর ঘনত্ব, এবং মৌলিক জনসেবার অভাবী এলাকাগুলির পরিবর্তন শনাক্ত করতে সক্ষম করবে। সেইসঙ্গেই এটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছাড়াই কার্যকরীভাবে শহুরে হয়ে উঠছে এমন বসতিগুলিকে চিহ্নিত করতেও সহায়তা করবে। একটি নির্ভরযোগ্য জনগণনা পরিবহণ পরিকল্পনা, আবাসন নীতি, জল ও স্যানিটেশন পরিষেবা প্রদান, এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর পরিকল্পনার জন্য গবেষণালব্ধ ভিত্তি প্রদান করে।
জাতি গণনার জটিলতা
এই পুরো আলোচনার সবচেয়ে সংবেদনশীল দিকটি হল জাতি গণনা, কারণ এই ক্ষেত্রে অভ্রান্ততা অর্জন করা স্বভাবতই জটিল। এটি আরও বেশি জটিল, কারণ ভারতে জাতি কোনও অভিন্ন শ্রেণি নয়। এটি গভীরভাবে স্থানীয়, ভাষাগতভাবে বৈচিত্র্যময়, সাংস্কৃতিকভাবে ভিন্নধর্মী এবং সামাজিকভাবে নির্মিত, যা প্রায়শই উপ-জাতিগত পরিচয়, গোষ্ঠীগত সম্পর্ক এবং সামাজিক গতিশীলতার দাবি দ্বারা গঠিত হয়। অতএব, একটি জনসংখ্যা জরিপের মাধ্যমে গণনা নিছক উপরিভাগের বিষয়। আসল চ্যালেঞ্জটি হল, কীভাবে বিভিন্ন আত্মপরিচয়কে বিশ্লেষণমূলকভাবে অর্থপূর্ণ শ্রেণিতে সংকেতায়িত করা যায়।
একটি জনসংখ্যা জরিপের মাধ্যমে গণনা নিছক উপরিভাগের বিষয়। আসল চ্যালেঞ্জটি হল, কীভাবে বিভিন্ন আত্মপরিচয়কে বিশ্লেষণমূলকভাবে অর্থপূর্ণ শ্রেণিতে সংকেতায়িত করা যায়।
এর ফলে একটি অসুবিধাজনক প্যারাডক্স তৈরি হতে পারে: একটি অসাধারণ সমৃদ্ধ ডেটাসেট, যার ব্যাখ্যার জন্য সতর্ক পদ্ধতিগত পছন্দের প্রয়োজন হবে। কোডিং নিয়মাবলি, একত্রীকরণ কাঠামো এবং সামঞ্জস্য বিধান প্রণালীই নির্ধারণ করবে যে ডেটা শেষ পর্যন্ত কতটা ব্যবহারযোগ্য হবে। সেই অর্থে, আদমশুমারি তাৎক্ষণিক স্বচ্ছতার চেয়ে বেশি তথ্য তৈরি করতে পারে। এটি নতুন বিশ্লেষণাত্মক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে, কিন্তু সেই সঙ্গে নতুন বিতর্ক তৈরি করবে এবং এক সম্ভাব্য প্যান্ডোরার বাক্সও খুলে দেবে।
আস্থার প্রশ্ন
ডিজিটাল জনগণনায় রূপান্তর অনিবার্যভাবে ডেটা সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে ২০২৭ সালের জনগণনা ১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইনের অধীনেই পরিচালিত হচ্ছে, যা কঠোর গোপনীয়তা নিশ্চিত করে। তথ্য অধিকার আইনের অধীনে ব্যক্তি-স্তরের ডেটা চাওয়া যাবে না এবং আইনি প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। শুধুমাত্র সমষ্টিগত ডেটা প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও, সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এনক্রিপশন, সুরক্ষিত ওয়েব-ভিত্তিক সিস্টেম এবং মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের ব্যবহারের উপর আলোকপাত করা হয়েছে। এগুলি হল প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা।
তবে, আইনি গোপনীয়তা এবং সাইবার নিরাপত্তা স্থিতিস্থাপকতার মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি একটি বিধিবদ্ধ সুরক্ষা প্রদান করে; দ্বিতীয়টি প্রযুক্তিগত দৃঢ়তার উপর নির্ভর করে — ডেটা আর্কিটেকচার, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল, অডিট ট্রেল এবং ইনসিডেন্ট রেসপন্স মেকানিজম।
প্রথমটি একটি বিধিবদ্ধ সুরক্ষা প্রদান করে; দ্বিতীয়টি প্রযুক্তিগত দৃঢ়তার উপর নির্ভর করে — ডেটা আর্কিটেকচার, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল, অডিট ট্রেল এবং ইনসিডেন্ট রেসপন্স মেকানিজম।
ভারতের মতো বিশাল পরিসরে, এমনকি সামান্য দুর্বলতারও বড় প্রভাব থাকতে পারে। অতএব, জনগণের আস্থা শেষ পর্যন্ত বিধিবদ্ধ আশ্বাসের চেয়ে প্রদর্শিত স্থিতিস্থাপকতার উপর বেশি নির্ভর করবে।
উন্নয়নের এক সন্ধিক্ষণ
বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর পথে ভারতের যাত্রার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে ২০২৭ সালের জনগণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই, নানা দিক থেকেই এটি হবে ভারতের জন্য এক প্রতিবিম্ব দেখার মুহূর্ত — ১৫ বছর আগে দেশটি যেমন ছিল তার পরিবর্তে এখন দেশটি কেমন হয়েছে তা দেখার একটি সুযোগ। এটি ভারতের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথও নির্ধারণ করে দেবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রবীণদের জন্য একটি সম্মানজনক জীবনধারণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারতের এখন তার সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে। প্রবীণ জনসংখ্যার আকার অনুমান করতে এবং ভারতীয় স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে অর্জিত ‘সিলভার ডিভিডেন্ড’ বা ‘রূপালী লভ্যাংশ’-কে কাজে লাগাতে ২০২৭ সালের জনগণনা একটি নির্ধারক ভূমিকা পালন করবে।
নীলাঞ্জন ঘোষ অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট - ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr Nilanjan Ghosh heads Development Studies at the Observer Research Foundation (ORF) and serves as the operational and executive head of ORF’s Kolkata Centre. He ...
Read More +