Author : Basu Chandola

Published on Aug 15, 2025 Updated 0 Hours ago

ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট বিপ্লবকে সত্যিকার অর্থে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হলে ইউপিআই গ্রহণে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ অপরিহার্য

ইউপিআই গ্রহণে লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ

বছরের পর বছর ধরে, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম হিসাবে তার স্থান সুদৃঢ় করেছেডিজিটাল পেমেন্ট ক্রমবর্ধমানভাবে নগদ অর্থ প্রদানের প্রাথমিক পদ্ধতিকে প্রতিস্থাপন করছে, এবং রাস্তার বিক্রেতা থেকে শুরু করে বড় শপিং মল পর্যন্ত সকল স্তরে এর ব্যবহার হচ্ছে২০২৩ সালে, বিশ্বব্যাপী রিয়েল-টাইম পেমেন্টের ৪৮. শতাংশ ছিল ভারতডিজিটাল পেমেন্টের এই বৃদ্ধির জন্য ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (ইউপিআই)-‌এর বৃদ্ধিকে কৃতিত্ব দেওয়া যেতে পারে, যার ২০২৪ সালে ভারতে ডিজিটাল বাজারের অংশ ছিল ৮৩ শতাংশইউপিআই হল ভারতের নিজস্ব পেমেন্ট সিস্টেম যা ব্যবহারকারীদের একটি  মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন থেকে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে দেয় এবং মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা দেয়ইউপিআই-এর লেনদেনের মূল্য ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ২৬০.৫৬ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২১. লক্ষ কোটি টাকা ছিল

এর অসাধারণ বৃদ্ধির সঙ্গে ইউপিআই ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবাগুলিতে মহিলাদের প্রাপ্যতা উন্নত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসাবে কাজ করতে পারেতবে, পুরুষ মহিলাদের মধ্যে পরিষেবা  ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে২০২৫ সালের বিশ্ব টেলিযোগাযোগ তথ্য সমাজ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ের — "ডিজিটাল রূপান্তরে লিঙ্গ সমতা" — আলোকে এই লেখাটি মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহারের ধরগুলি পরীক্ষা করে, এবং এই প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য কীভাবে দূর করা যেতে পারে তার পরামর্শ দেয়


ইউপিআই ব্যবহার সম্পর্কিত লিঙ্গ-নির্দিষ্ট তথ্য জনসাধারণের কাছে উপলব্ধ নয়, যার ফলে ইউপিআই লেনদেনে মহিলাদের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে


মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই গ্রহণ

ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এনপিসিআই)‌-‌র ওয়েবসাইটে
ইউপিআই পরিসংখ্যান তালিকাভুক্ত একটি নির্দিষ্ট ট্যাব থাকলেও, ইউপিআই ব্যবহার সম্পর্কিত লিঙ্গ-নির্দিষ্ট তথ্য জনসাধারণের কাছে উপলব্ধ নয়, যার ফলে ইউপিআই লেনদেনে মহিলাদের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ২০২৩ সালে, গুগল পে (জিপে)-‌র ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টর আরতি দেও উল্লেখ করেছিলেন যে, "ভারতের ইউপিআই ব্যবহারকারীদের ৩০% এরও কম মহিলা ছিলেন"। সম্প্রতি, ২০২৪ সালে, এনপিসিআই-‌এর কর্পোরেট বিজনেস এবং কী ইনিশিয়েটিভসের প্রধান নলিন বনসাল উল্লেখ করেছেন যে, "পেমেন্ট ব্যবহারকারীদের মাত্র ২৫%" মহিলা ছিলেন এবং মহিলা ব্যবহারকারীরা "আধা-শহুরে এবং গ্রামীণ এলাকায় আরও কম" ছিলেন। সামগ্রিকভাবে, অনুমান করা হয় যে দেশে ইউপিআই ব্যবহারকারীদের ৩০ শতাংশেরও কম মহিলা।


নারীদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহার মানচিত্রায়নের জন্য প্রচুর জরিপ ও গবেষণা পরিচালিত হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি সংক্ষেপে দেওয়া হল:

সারণী ১: ভারতে মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহার মানচিত্রায়নের জন্য গবেষণা

 

Study

Summary of Findings

 

 

ফিকি ও সিআইআই-এর ভারতে প্রযুক্তি ও সাক্ষরতার মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি: স্থিতিশীল বৃদ্ধির কৌশল

সমীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ জনসংখ্যার এলাকাগুলির ১,০৩৩ জন উত্তরদাতাকে নিয়ে একটি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে যে, ৬৯ শতাংশ নারী ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ব্যবহার করেন, তবে মাত্র ৪৪ শতাংশ নিয়মিত লেনদেন করেন। ইউপিআই ছিল সবচেয়ে পছন্দের লেনদেন পদ্ধতি।

ডিবিএস ও ক্রিসিল-‌এর উইমেন অ্যান্ড ফিনান্স

এই সমীক্ষায় ১০টি শহরের ৮০০ জন মহিলা উত্তরদাতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এই মহিলাদের মধ্যে ২৯ শতাংশ পেমেন্ট পদ্ধতি হিসাবে ইউপিআই পছন্দ করেছেন। গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ২৫-৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ অনলাইন কেনাকাটার জন্য ইউপিআই ব্যবহারের প্রতি তীব্র আগ্রহ দেখিয়েছেন।

ভারতীয়রা কীভাবে ইউপিআই ব্যবহার করেন?  পরিচালনা:‌ অর্থ গ্লোবাল

এই দ্রুত সমীক্ষায় ২,০৯৮ জন উত্তরদাতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা (৭০ শতাংশ) কিছুটা বেশি ইউপিআই ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন। তবে, এ কথাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নমুনায় লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে বিস্তারিত লিঙ্গ-ভিত্তিক তুলনা করার ক্ষমতা সীমিত হয়েছে।

পেনিয়ারবাই-‌এর
পেনিয়ারবাইউইমেন ফিনান্সিয়াল ইনডেক্স (পিডাবলুএফআই)

এই গবেষণাটি কোম্পানি কর্তৃক ৩,০০০+ খুচরা দোকানে পরিচালিত একটি প্যান-ইন্ডিয়া সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যাতে দোকানগুলিতে যেমন দেখা গিয়েছে সেই মতো মহিলা গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেন রেকর্ড করা যায়। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে নগদ এখনও অর্থপ্রদানের পছন্দের মাধ্যম হিসাবে রয়ে গিছে। ৪৮ শতাংশ মহিলা এটিকে সমর্থন করেছেন, যদিও আধার-চালিত লেনদেন এবং ইউপিআই কিউআর কোডগুলি দ্বিগুণ সংখ্যায় গতি অর্জন করছে।

গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবহারের ধারণা অনুধাবন: প্রযুক্তি গ্রহণ মডেল থেকে অন্তর্দৃষ্টি

কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে ৩০০ জন উত্তরদাতার সঙ্গে একটি মুখোমুখি সমীক্ষা করা হয়েছিল। ৩০০ জনের মধ্যে ৭২ জন (২৪ শতাংশ উত্তরদাতা) জানিয়েছেন যে তারা ইউপিআই ব্যবহার করেন না।

কেরালার কান্নুর জেলায় গ্রামীণ ও শহুরে অঞ্চলে ইউপিআই পেমেন্টের ব্যবহারের ধর সম্পর্কে একটি তুলনামূলক গবেষণা

কেরালার কান্নুর জেলার গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে সুবিধাজনক নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচালিত ২০০ জন উত্তরদাতার নমুনার উপর ভিত্তি করে এই গবেষণাটি করা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে গ্রামীণ উত্তরদাতাদের মাত্র ১২.৫ শতাংশ এবং শহুরে মহিলা উত্তরদাতাদের ২৫ শতাংশ ইউপিআই ব্যবহার পছন্দ করেন।

সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের নির্বাচিত শহরগুলির মহিলাদের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্টের পদ্ধতি গ্রহণ

সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের নির্বাচিত শহরগুলির ৫০০ জন মহিলার নমুনা আকারের উপর ভিত্তি করে এই গবেষণাটি করা হয়েছে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৪০ শতাংশ শহুরে মহিলা এবং ৫১ শতাংশ গ্রামীণ মহিলা ইউপিআই ব্যবহার করছেন।

ভারতে পেমেন্টের মাধ্যম হিসাবে ইউপিআই-‌এর ব্যবহার: চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ

এই গবেষণাটি ৪০৫ জন উত্তরদাতার নমুনা আকারের একটি সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যার পরে বিস্তারিত সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ৭২ শতাংশ শহুরে পুরুষ ইউপিআই ব্যবহার করেন, তবে মাত্র ৫৫ শতাংশ শহুরে মহিলা তা করেন। একইভাবে, আধা-শহুরে এবং গ্রামীণ এলাকার ৬৮ শতাংশ এবং ৫১ শতাংশ পুরুষ ইউপিআই ব্যবহার করেন, আর আধা-শহুরে এবং গ্রামীণ এলাকার মাত্র ৪৮ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ মহিলা ইউপিআই ব্যবহার করেন।

সূত্র: লেখক কর্তৃক সংকলিত


উপরে উল্লিখিত সমীক্ষা এবং গবেষণার মূল্যায়ন থেকে দেখা যায় যে পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহার করার
ক্ষেত্রে একটি ব্যবধান রয়েছে। ব্যবহারকারীর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ব্যবধান আরও বাড়তে পারে, যেখানে গ্রামীণ মহিলাদের ইউপিআই ব্যবহারের সম্ভাবনা কম। "হাউ আরবান ইন্ডিয়া পে’‌জ" প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে বৃহত্তর শহরগুলিতে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য ন্যূনতম হলেও, ছোট শহর এবং শহরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য রয়ে গিয়েছে। যদিও উল্লেখিত বেশিরভাগ গবেষণায় সীমিত নমুনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে ফলাফলগুলি সাধারণীকরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, তবুও তারা এই লিঙ্গ বৈষম্যের প্রাথমিক সূচক হিসেবে কাজ করে। এই ডিজিটাল বিভাজনের জন্য বেশ কয়েকটি কারণ অবদান রাখে, যার মধ্যে রয়েছে সংযোগের অভাব, স্মার্টফোনের অনুপস্থিতি, ডিজিটাল দক্ষতা, আর্থিক সাক্ষরতার অভাব এবং আর্থিক স্বাধীনতার অনুপস্থিতি, যার ফলে মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহারের হার কম।


'ইউপিআই ফর হার' উদ্যোগ

মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য, এনপিসিআই এবং উইমেন’‌স ওয়র্ল্ড ব্যাঙ্কিং (ডাবলুডাবলুবি) "ইউপিআই ফর হার" উদ্যোগে সহযোগিতা করেছে, যার লক্ষ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা। ২০২৪ সালের আগস্টে চালু হওয়া তাদের প্রথম প্রতিবেদনে এই উদ্যোগটি উল্লেখ করেছে যে "ভারতে মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই-এর জন্য ব্যবহারযোগ্য বাজার ২০ কোটিরও বেশি।" প্রতিবেদনটি তুলে ধরেছে যে ইউপিআই-এর আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহার বাড়ানোর জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে "ফিজিটাল" ("ফিজিকাল" ও "ডিজিটাল") চ্যানেলের মাধ্যমে মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করা, মহিলাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরির জন্য লক্ষ্যযুক্ত বিপণন, লিঙ্গ-ইচ্ছাকৃত অন্তর্ভুক্তিমূলক নকশা, লিঙ্গ-ভিত্তিক অধিগ্রহণ কৌশল, এবং ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য মহিলাদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করা।


এই ডিজিটাল বিভাজনের জন্য বেশ কয়েকটি কারণ অবদান রাখে, যার মধ্যে রয়েছে সংযোগের অভাব, স্মার্টফোনের অনুপস্থিতি, ডিজিটাল দক্ষতা, আর্থিক সাক্ষরতার অভাব এবং আর্থিক স্বাধীনতার অনুপস্থিতি, যার ফলে মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই ব্যবহারের হার কম।



ইউপিআই বৈষম্য দূর করা

ইউপিআই গ্রহণের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার প্রথম পদক্ষেপ হল দেশে ইউপিআই ব্যবহারের লিঙ্গ-ভিত্তিক ডেটা সংগ্রহ করা। প্রাসঙ্গিক তথ্য ছাড়া, ইউপিআই ব্যবহারে নারী এবং নারী উদ্যোক্তারা যে চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হচ্ছেন তা নির্ধারণ করা কঠিন, এবং তার ফলে উপযুক্ত নীতিমালা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে। ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির দিকে কার্যকর নীতিগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য মহিলাদের মধ্যে ইউপিআই গ্রহণের সূক্ষ্মতাগুলিকে পর্যাপ্তভাবে উপস্থাপন করে এমন ডেটাসেটগুলি অপরিহার্য। মহিলাদের দ্বারা ইউপিআই ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত নীতিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে, ডিজিটাল ডিভাইসগুলিতে লিঙ্গ-সমতা নিশ্চিত করে ডিজিটাল বৈষম্য দূর করা গুরুত্বপূর্ণ। জিএসএমএ মোবাইল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট ২০২৪ উল্লেখ করে যে, ৮৫ শতাংশ পুরুষের কাছে মোবাইল থাকলেও মাত্র ৭৫ শতাংশ নারীর কাছে মোবাইল রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৫৭ শতাংশ নারী মোবাইল ইন্টারনেট সম্পর্কে সচেতন এবং মাত্র ৩৭ শতাংশ নারী এটি ব্যবহার করেছেন। ইউপিআই পরিষেবা ব্যবহারের জন্য, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, মহিলাদের মধ্যে মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট প্রাপ্যতার ব্যবস্থা করা অপরিহার্য, কারণ এগুলি মৌলিক পূর্বশর্ত। পরিশেষে, আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর আর্থিক স্বাধীনতার সঙ্গে নারীদের ক্ষমতায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিনটেক পরিষেবাগুলি কার্যকরভাবে ব্যবহার করার জন্য সেগুলিকে জ্ঞান এবং দক্ষতা দিয়ে সজ্জিত করা একটি মূল নীতিগত অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

ডিজিটাল অর্থনীতিতে নারীদের অর্থপূর্ণভাবে অংশগ্রহণে সক্ষম করার জন্য ইউপিআই ব্যবহারে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা অপরিহার্য। সর্বোপরি, যদি দুই-তৃতীয়াংশ নারী পিছিয়ে থাকেন, তবে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম গড়ে তোলার অর্থ কী? বৃহত্তর লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সক্ষম করে এমন নীতিসমূহ বাস্তবায়ন করা একটি পূর্বশর্ত।



বাসু চন্দোলা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অ্যাসোসিয়েট ফেলো

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.