ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কল্যাণমূলক কর্মসূচির ফলে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নারী ভোটাররা একটি ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী নির্বাচনী গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন। কিন্তু এই প্রভাব এখনও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে সমানুপাতিক হয়ে ওঠেনি।
ছবিসূত্র: গেটি ইমেজেস
চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলমান বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ভারতে নারী ভোটারদের উপর আবারও সকলের নজর পড়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ বারের নির্বাচনে নারীদের পাল্লা ভারী। তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতে নারী নির্বাচকের সংখ্যা পুরুষদের ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং অসমে তা সমানে সমানে পৌঁছেছে। একমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই পুরুষ নির্বাচকের হার সামান্য বেশি, অর্থাৎ ৫১.২ শতাংশ। স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর-এর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) অধীনে ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে পুরুষদের পক্ষে এই ব্যবধান আরও বেড়েছে।
এই বিধানসভা নির্বাচন জাতীয় ভাবে পরিলক্ষিত প্রবণতাকেই দর্শায়। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে নারী নির্বাচকের হার বেড়ে ৪৮.৬২ শতাংশে পৌঁছেছিল, যা সাম্প্রতিক কালের সর্বোচ্চ। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, নারী নির্বাচকের মোট সংখ্যা পুরুষদের তুলনায় সামান্য কম হলেও নারীরা টানা দ্বিতীয় বারের মতো পুরুষদের চেয়ে বেশি সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন, যা ২০১৯ সালেও পরিলক্ষিত হয়েছিল। নারী ভোটারের এই ভোটদানের হার বৃদ্ধির নেপথ্যে একাধিক কারণকে দায়ী করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নারীদের উচ্চতর সাক্ষরতা ও স্বায়ত্তশাসন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তুলনামূলক ভাবে বেশি পরিচিতি, তৃণমূল স্তরের আন্দোলন এবং নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি মানসিকতার এক ব্যাপক পরিবর্তনকে প্রতিফলিত করে, যেখানে নারীরা ভোটদানকে ক্রমবর্ধমান ভাবে আত্ম-ক্ষমতায়ন ও স্বকীয়তার একটি স্বেচ্ছামূলক কাজ বলে মনে করেন।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ বারের নির্বাচনে নারীদের পাল্লা ভারী। তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতে নারী নির্বাচকের সংখ্যা পুরুষদের ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং অসমে তা সমানে সমানে পৌঁছেছে।
নারী ভোটারের উত্থান ব্যাপক ভাবে স্বীকৃত হলেও ভারতের রাজনীতি ও শাসনের উপর এর প্রভাবের কারণে এই পরিবর্তনটি আরও নিবিড় বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা নারীদের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। ১৯৫১-৫২ সালে ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে প্রায় ২৮ লক্ষ নারীকে নির্বাচন কমিশন অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। কারণ তাঁরা নিজেদের নামে পরিচয় না দিয়ে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের পরিচয়ে — যেমন ‘ক-এর মা’ বা ‘খ-এর স্ত্রী’ হিসেবে — নিজেদের পরিচয় দিয়েছিলেন। সেই মুহূর্ত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই পরিবর্তন একটি গভীর রূপান্তরকে চিহ্নিত করে। লোকনীতি– সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ডেভেলপিং সোসাইটিজ-এর (সিএসডিএস) তথ্য থেকে দেখা যায় যে, নারীদের ভোটের সিদ্ধান্ত সরাসরি দলীয় কৌশল এবং রাজনৈতিক ফলাফলকে প্রভাবিত করে।
নির্বাচনী রাজনীতিতে নারীদের বর্ধিত অংশগ্রহণ এবং নারী-কেন্দ্রিক কর্মসূচির সম্প্রসারণ সত্ত্বেও এটি সংসদ বা রাজ্যের বিধানসভাগুলিতে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্বে রূপান্তরিত হয়নি। ২০২১ সালের তথ্য থেকে দেখা যায় যে, এই নির্বাচনমুখী রাজ্যগুলিতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব কমই রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সর্বোচ্চ (১৩.৭ শতাংশ)। এর পরে কেরল (৭.৮৬ শতাংশ), তামিলনাড়ু (৫.১৩ শতাংশ), অসমের (৪.৭৬ শতাংশ) নিচে পুদুচেরি সর্বনিম্ন (৩.৩৩ শতাংশ) অবস্থানে রয়েছে।
১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা নারীদের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। ১৯৫১-৫২ সালে ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে প্রায় ২৮ লক্ষ নারীকে নির্বাচন কমিশন অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। কারণ তাঁরা নিজেদের নামে পরিচয় না দিয়ে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের পরিচয়ে — যেমন ‘ক-এর মা’ বা ‘খ-এর স্ত্রী’ হিসেবে — নিজেদের পরিচয় দিয়েছিলেন।
নারী-কেন্দ্রিক কল্যাণমূলক কর্মসূচির সম্প্রসারণ
নির্বাচন হতে চলা এমন পাঁচটি বিধানসভায় একটি নির্ণায়ক নির্বাচনী শক্তি হিসেবে নারীদের উপস্থিতি সাম্প্রতিক নারী-কেন্দ্রিক কর্মসূচির সম্প্রসারণের সঙ্গে নিবিড় ভাবে যুক্ত। এই কর্মসূচিগুলি ভারতের রাজনৈতিক অর্থনীতিতে একটি বৃহত্তর পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়। রাজ্য সরকারগুলি নারীদের জন্য সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান, যাতায়াত ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং জীবিকা সহায়তার মতো উদ্যোগ গ্রহণ করছে, যা সামাজিক সুরক্ষাকে রাজনৈতিক সংহতি এবং ভোটদানের আচরণের সঙ্গে যুক্ত করছে।
তামিলনাড়ু: ২০২১ সালের শেষ নির্বাচনের পর থেকে তামিলনাড়ু এই ধরনের উদ্যোগগুলির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য রকমের বৃদ্ধি করেছে। রাজ্যটি ‘কালাইগনার মাগালির উরিমাই থিত্তম’ নামে একটি শর্তহীন নগদ অর্থ প্রদান (আনকন্ডিশনাল ক্যাশ ট্রান্সফার বা ইউসিটি) কর্মসূচি চালু করেছে, যা পরিবারের নারী প্রধানদের প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা প্রদান করে। এর পাশাপাশি বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের (মাগালির ভিদিয়াল পায়ানাম) সুবিধাও রয়েছে, যা নারী ক্ষমতায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রাজ্যটি মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতেও (পুধুমাই পেন থিত্তম) প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা প্রদান করে। এটিই একমাত্র রাজ্য যেখানে মহিলাদের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতি রয়েছে। এটি হল ২০২৪ সালে চালু হওয়া ‘তামিলনাড়ু স্টেট পলিসি ফর উইমেন’। এর লক্ষ্য হল মহিলাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানে উন্নততর সুযোগ প্রদান করা।
অসম: ২০২০ সালে মহিলাদের জন্য শর্তহীন নগদ অর্থ প্রদান চালু করা প্রথম রাজ্যগুলির মধ্যে অসম ছিল অন্যতম (এই কর্মসূচির নাম অরুণোদয়)। এই কর্মসূচির আওতায় পরিবারের নারী প্রধানদের প্রতি মাসে ১,২৫০ টাকা দেওয়া হয়। এ ছাড়াও ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা করার জন্য মাসিক ১,২৫০ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয় (মুখ্যমন্ত্রীর নিজুত মোইনা)। তৃণমূল স্তরের নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার জন্য রাজ্য সরকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ১০,০০০ টাকার ক্ষুদ্র অনুদান প্রদান করে (মুখ্যমন্ত্রী মহিলা উদ্যমিতা অভিযান)। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ‘সখী এক্সপ্রেস’ উদ্যোগের অধীনে স্কুটার পেয়েছেন এবং এর পাশাপাশি আদিবাসী নারী তাঁতিদের জন্য নির্দিষ্ট সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে (‘স্বনির্ভর নারী’ প্রকল্প)।
নির্বাচন হতে চলা এমন পাঁচটি বিধানসভায় একটি নির্ণায়ক নির্বাচনী শক্তি হিসেবে নারীদের উপস্থিতি সাম্প্রতিক নারী-কেন্দ্রিক কর্মসূচির সম্প্রসারণের সঙ্গে নিবিড় ভাবে যুক্ত। এই কর্মসূচিগুলি ভারতের রাজনৈতিক অর্থনীতিতে একটি বৃহত্তর পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়।
কেরল: চারটি রাজ্যের মধ্যে কেরলই একমাত্র রাজ্য, যেখানে মহিলাদের জন্য বড় আকারের কোনও সম্মিলিত নগদ অর্থ সহায়তা (ইউসিটি) কর্মসূচি নেই। নির্বাচনের ঠিক আগে রাজ্যটি বেকার মহিলাদের জন্য মাসিক ১,০০০ টাকার পেনশন (স্ত্রী সুরক্ষা) ঘোষণা করে। রাজ্যটি কুডুম্বশ্রী প্রকল্পের — যা কিনা রাজ্যের গ্রামীণ জীবিকা কর্মসূচির মাধ্যমে— অধীনে তার বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার দিকেও মনোযোগ দিয়েছে, যা নারী কৃষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান-সহ দারিদ্র্য নির্মূলে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। কেরলের এই দৃষ্টিভঙ্গি অন্যান্য রাজ্যের চেয়ে আলাদা। নগদ অর্থ হস্তান্তরের উপর নির্ভর না করে, রাজ্যটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং সম্মিলিত অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিনিয়োগ করেছে।
পশ্চিমবঙ্গ: রাজ্যটি ২০২১ সালের নির্বাচনের ঠিক আগে একটি ইউসিটি কর্মসূচি (লক্ষ্মীর ভাণ্ডার) চালু করে। এই কর্মসূচিটি রাজনৈতিক সমর্থন জোগাড় করার পাশাপাশি নারী সুবিধাভোগীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা উন্নত করার কৃতিত্ব বহন করে। পশ্চিমবঙ্গে নারী শিক্ষার জন্য আগে থেকে বিদ্যমান কর্মসূচি (কন্যাশ্রী প্রকল্প) গ্রহণ করেছে, যা মেয়েদের শিক্ষায় সহায়তার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করে। এর পাশাপাশি গতিশীলতা (সবুজ সাথী), যা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে সাইকেল সরবরাহ করে; এবং বিবাহ সহায়তা অনুদানের (রূপশ্রী প্রকল্প) মতো পরিপূরক কিছু প্রকল্পও রয়েছে।
পুদুচেরি: ২০২৩ সাল থেকে সরকার ‘দারিদ্র্যসীমার নিচে’ বসবাসকারী (বিলো পভার্টি লাইন বা বিপিএল) পরিবারের প্রধান নারীদের জন্য ‘মাসিক আর্থিক সহায়তা অনুদান’-এর অধীনে নারী সুবিধাভোগীদের ১,০০০ টাকা প্রদান করে আসছে, যা এই নির্বাচনের প্রাক্কালে বাড়িয়ে ২,৫০০ টাকা করা হয়েছিল। পুদুচেরিতে লিঙ্গ অনুপাত ইতিবাচক। এখানকার সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় পুরুষের চেয়ে নারী নির্বাচকের সংখ্যা বেশি।
প্রতিনিধিত্বের আপাতবিরোধিতা
তিন দশকেরও বেশি সময় আগে স্থানীয় সরকারে নারী সংরক্ষণ প্রবর্তনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান ধারণা ছিল একটি ধারাবাহিক প্রভাব তৈরি করা, যার মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে ধারাবাহিক অংশগ্রহণের ফলে নারী নেত্রীদের একটি গোষ্ঠী তৈরি হবে এবং তা বিধানসভা ও সংসদে উচ্চতর প্রতিনিধিত্বে রূপান্তরিত হবে। তবুও রাজ্য জুড়ে বিধানসভাগুলিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কমই রয়েছে। আজও ছত্তিশগড়ে এই হার সর্বোচ্চ, যেখানে প্রায় ২১ শতাংশ নারী বিধায়ক রয়েছেন, বাকি রাজ্যগুলি পিছিয়ে আছে। জাতীয় স্তরে লোকসভায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব প্রায় ১৩.৬ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের তুলনায় কম —এবং জাতীয় সংসদগুলিতে এই হার প্রায় ২৭ শতাংশের বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে অনেক কম।
কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলি - যেখানে পঞ্চায়েতগুলিতে নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ভাবে ভাল ফল দেখা গিয়েছে - সেখানকার তথ্যপ্রমাণ থেকে বোঝা যায় যে, এই ধারাবাহিক প্রভাব দুর্বল, যা স্থানীয় থেকে রাজ্য-স্তরের রাজনীতিতে উত্তরণের পথে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার দিকে ইঙ্গিত করে।
কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলি - যেখানে পঞ্চায়েতগুলিতে নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে তুলনামূলক ভাবে ভাল ফল দেখা গিয়েছে - সেখানকার তথ্যপ্রমাণ থেকে বোঝা যায় যে, এই ধারাবাহিক প্রভাব দুর্বল, যা স্থানীয় থেকে রাজ্য-স্তরের রাজনীতিতে উত্তরণের পথে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার দিকে ইঙ্গিত করে। এই সীমিত অগ্রগতি কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার দ্বারা প্রভাবিত, যার মধ্যে রয়েছে সমর্থনের অভাব, রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সীমিত সংযোগ, উচ্চ নির্বাচনী ব্যয় এবং ক্রমাগত সামাজিক ও লিঙ্গ পক্ষপাতিত্ব।
সর্বোপরি, যদিও রাজনৈতিক দলগুলির নারী-কেন্দ্রিক কৌশলগুলি একটি স্বতন্ত্র নারী জনগোষ্ঠীর প্রাধান্যের ইঙ্গিত দেয়, তথ্যপ্রমাণ দর্শায় যে, নারীদের রাজনৈতিক পছন্দগুলি কেবল লিঙ্গ দ্বারা নয়, বরং জাতি, শ্রেণি, অঞ্চল, কল্যাণমূলক সুবিধা এবং বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার দ্বারাও প্রবল ভাবে প্রভাবিত হয়। ভারতীয় গণতন্ত্র তখনই আরও সারগর্ভ হয়ে উঠবে, যখন এই বিভিন্ন পরিচয়ের নারীরা সংসদ ও বিধানসভাগুলিতে প্রবেশ করবেন।
সুনয়না কুমার অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোমেসির ডিরেক্টর এবং সিনিয়র ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Sunaina Kumar is Director - CNED and Senior Fellow at the Observer Research Foundation. She previously served as Executive Director at Think20 India Secretariat under ...
Read More +