ভারতের সঙ্গে অ্যাঙ্গোলার ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব আসলে চিন থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে দূরে সরে যাওয়াকেই দর্শায়, যা সুষম কূটনীতি, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং কৌশলগত বৈচিত্র্যের একটি নতুন যুগের কথাই বলে।
কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০তম বার্ষিকীতে অ্যাঙ্গোলার প্রেসিডেন্ট হোয়াও লরেঙ্কোর গত ১ থেকে ৪ মে হওয়া প্রথম ভারত সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত। প্রায় চার দশকের মধ্যে এটিই ছিল কোনও অ্যাঙ্গোলার রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম ভারত সফর, যা অ্যাঙ্গোলার জন্য ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত তাৎপর্যকে তুলে ধরে, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন দেশটি সক্রিয় ভাবে তার বহিরাগত অংশীদারিত্বকে বৈচিত্র্যময় করছে এবং চিনের উপর তার অতিরিক্ত নির্ভরতার পুনর্মূল্যায়ন করছে।
ভারত ও অ্যাঙ্গোলা চিরাচরিত ভাবে ঔপনিবেশিকতা বিরোধী সংহতির একটি সাধারণ উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভাগ করে নিয়েছে। ১৯৭৫ সালে দেশটি স্বাধীনতা অর্জনের আগে পর্যন্ত ভারত পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে অ্যাঙ্গোলার সংগ্রামকে ধারাবাহিক ভাবে সমর্থন করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা স্থিতিশীল ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ৪.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে তেল ও গ্যাস এই বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ, যা বৈচিত্র্যকরণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়।
বছরের পর বছর ধরে অ্যাঙ্গোলা ভারত-আফ্রিকা কূটনৈতিক উদ্যোগে সক্রিয় ভাবে জড়িত, যার মধ্যে ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ভারত-আফ্রিকা ফোরাম শীর্ষ সম্মেলনও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রেসিডেন্ট হোয়াও লরেঙ্কো ২০১৮ সালে জোহানেসবার্গে দশম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট লরেঙ্কোর ২০২৫ সালে ভারত সফর কেবল আনুষ্ঠানিকতার চেয়েও বেশি কিছু। এটি অ্যাঙ্গোলার বিদেশ নীতির অগ্রাধিকারের অন্যতম বলে বিবেচিত এবং কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের প্রতিনিধিত্ব করে।
আফ্রিকান ইউনিয়নে অ্যাঙ্গোলার বর্তমান সভাপতিত্ব প্রেসিডেন্ট লরেঙ্কোর ভারত সফরের ভূ-রাজনৈতিক তাৎপর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। সফরকালে উভয় দেশই চিরাচরিত চিকিৎসা, কৃষি ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে একাধিক সমঝোতাপত্র (মউ) স্বাক্ষর করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অগ্রগতি বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যা অ্যাঙ্গোলা কর্তৃক প্রতিরক্ষা ক্রয়ের জন্য ভারতের ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ লাইন (এলওসি) সম্প্রসারণের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
উপরন্তু, অ্যাঙ্গোলা আনুষ্ঠানিক ভাবে আন্তর্জাতিক সৌর জোটের (আইএসএ) ১২৩তম সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে। এটি ভারত-নেতৃত্বাধীন একটি উদ্যোগ, যা কর্কট এবং মকর রাশির ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত দেশগুলির মধ্যে সৌরশক্তি গ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য পরিকল্পিত হয়েছে। এই উন্নয়নগুলি অ্যাঙ্গোলার বৃহত্তর কূটনৈতিক ও উন্নয়নমূলক প্রচারণায় একটি বিশ্বাসযোগ্য ও ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে ভারতের উত্থানকেই দর্শায়।
নয়াদিল্লির সঙ্গে লুয়ান্ডার ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অ্যাঙ্গোলার কৌশলগত উদ্দেশ্য এবং চিনের উপর তার অত্যধিক নির্ভরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
নয়াদিল্লির সঙ্গে লুয়ান্ডার ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অ্যাঙ্গোলার কৌশলগত উদ্দেশ্য এবং চিনের উপর তার অত্যধিক নির্ভরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। ২০০২ সালে অ্যাঙ্গোলার ধ্বংসাত্মক গৃহযুদ্ধের সমাপ্তির পর থেকে চিন রিসোর্স ফর ইনফ্রাস্ট্রাকচার (আরএফআই) মডেলের মাধ্যমে দেশের অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে একটি প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছে। প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে তেল সমৃদ্ধ, অ্যাঙ্গোলা চিনের অন্যতম প্রধান তেল সরবরাহকারী। এর বিনিময়ে চিন অ্যাঙ্গোলাকে ২৫৮টি ঋণ প্রদান করে, যার পরিমাণ প্রায় ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আফ্রিকায় প্রদত্ত মোট চিনা ঋণের এক চতুর্থাংশ। এই মডেল - যা বর্তমানে ব্যাপক ভাবে ‘অ্যাঙ্গোলান মডেল’ নামে পরিচিত - সমগ্র আফ্রিকা জুড়ে অনুসৃত হয়েছিল। বেজিং এটিকে পারস্পরিক ভাবে উপকারী কৌশল হিসেবে প্রচার করলেও, এই পদ্ধতিটি উল্লেখযোগ্য রকমের আন্তর্জাতিক তদন্ত ও সমালোচনা আকর্ষণ করেছে, বিশেষ করে নব্য উপনিবেশবাদী অর্থনৈতিক অনুশীলনকে উৎসাহিত করার জন্য।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প অবকাঠামো সমাধান প্রদান করে এবং চিন তেল ও ঋণ কূটনীতির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখে। অন্য দিকে ভারত একটি স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে, যা উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে অগ্রাধিকার দেয়।
চিনা অংশীদারিত্বের অধীনে দ্রুত, অবকাঠামো-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। চিনা অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলি মূলত চিনা সংস্থাগুলি দ্বারা বাস্তবায়িত হয়েছিল, যারা স্থানীয় কর্মসংস্থান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগগুলিকে উপেক্ষা করে চিনা শ্রমিক নিয়োগ করেছিল। সর্বোপরি, নির্মাণের গুণমান প্রায়শই নিম্ন মানের বলে মনে করা হয়েছিল। এর একটি প্রধান উদাহরণ হল লুয়ান্ডায় ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতাল, যা কাঠামোগত অখণ্ডতা নিয়ে উদ্বেগের কারণে সম্পন্ন হওয়ার পরপরই পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। এই ধরনের ঘটনাপ্রবাহ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তার প্রতি চিনের দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে জনসাধারণের অসন্তোষ ও নব্য উপনিবেশবাদের অভিযোগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
এ ছাড়াও, এই অঞ্চলে চিনের সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বেজিং অ্যাঙ্গোলার আটলান্টিক উপকূলে একটি নৌ ঘাঁটি স্থাপনের সম্ভাবনা অন্বেষণ করছে, যা জিবুতির পরে আফ্রিকায় তার দ্বিতীয় সামরিক কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই ধরনের পদক্ষেপ চিনের কৌশলগত গভীরতা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার সম্পদ করিডোর জুড়ে বেজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
২০১৭ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রেসিডেন্ট লরেঙ্কো অ্যাঙ্গোলার শাসনব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কাঠামোর সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর প্রশাসন একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি অনুসরণ করেছে, পূর্ববর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে এবং স্বচ্ছতা উন্নত করতে ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ করেছে। এই সংস্কারের একটি মূল উপাদান হল অ্যাঙ্গোলার বৈদেশিক নীতির বৈচিত্র্য, যা চিনের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে সরে এসে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, বহুমুখী পদ্ধতিকেই দর্শায়। এই প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট লরেঙ্কো পূর্ববর্তী প্রশাসনের চিনের সঙ্গে আলোচিত বিনিয়োগ চুক্তিগুলির প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন, পরবর্তী সময়ে এমন ধরনের কিছু চুক্তি বাতিলও করেছেন।
এই কৌশলগত পুনর্বিন্যাস অ্যাঙ্গোলার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততায় স্পষ্ট। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে লরেঙ্কো ওয়াশিংটন সফর করেন এবং তার পরে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অ্যাঙ্গোলা সফর ছিল প্রায় এক দশকের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকায় কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর। দুই দেশ এখন লোবিতো করিডোরের উন্নয়নে সহযোগিতা করছে, যা অ্যাঙ্গোলার লোবিতো বন্দরকে জাম্বিয়া ও ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোর মতো খনিজ সমৃদ্ধ দেশগুলির সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এই উদ্যোগটি বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য অপরিসীম মূল্যবান। কারণ এটি ইলেকট্রনিক্স ও দূষণহীন সবুজ প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অর্থাৎ কোবাল্ট ও তামার লভ্যতাকে সহজতর করে।
ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা এবং মানব-কেন্দ্রিক উন্নয়নের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি দেশটিকে অ্যাঙ্গোলার জন্য একটি কার্যকর ও আকর্ষণীয় কৌশলগত অংশীদার করে তুলেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প অবকাঠামো সমাধান প্রদান করে এবং চিন তেল ও ঋণ কূটনীতির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখে। অন্য দিকে ভারত একটি স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে, যা উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে অগ্রাধিকার দেয়। ভারতের সঙ্গে অ্যাঙ্গোলার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক কেবল চিরাচরিত সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে না। ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা এবং মানব-কেন্দ্রিক উন্নয়নের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি দেশটিকে অ্যাঙ্গোলার জন্য একটি কার্যকর ও আকর্ষণীয় কৌশলগত অংশীদার করে তুলেছে।
২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিরক্ষা লাইন অফ ক্রেডিট সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভারত আফ্রিকায় নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনে তার অভিপ্রায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যে অঞ্চলগুলি দীর্ঘদিন যাবৎ পশ্চিমি এবং চিনা প্রভাবের আওতায় রয়েছে।
পরিবর্তে ভারত অ্যাঙ্গোলার গুরুত্বকে কেবল সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ হিসেবেই নয়, বরং ক্রমবর্ধমান মহাদেশীয় প্রভাবের সঙ্গে সংযুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আফ্রিকান শক্তি হিসেবেও স্বীকৃতি দেয়। ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিরক্ষা লাইন অফ ক্রেডিট সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভারত আফ্রিকায় নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনে তার অভিপ্রায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যে অঞ্চলগুলি দীর্ঘদিন যাবৎ পশ্চিমি এবং চিনা প্রভাবের আওতায় রয়েছে। এই পদক্ষেপটি ভারত মহাসাগর অঞ্চল (আইওআর) এবং তার বাইরেও তার সম্পৃক্ততা গভীর করার জন্য ভারতের বৃহত্তর কৌশলগত প্রচেষ্টার পরিপূরক এবং অ্যাঙ্গোলার আটলান্টিক উপকূলকে ভূ-রাজনৈতিক ভাবে প্রাসঙ্গিক হিসাবে তুলে ধরে।
ভবিষ্যতে অ্যাঙ্গোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হবে তার সংস্কার কর্মসূচির গতি বজায় রাখা এবং বহিরাগত অংশীদারিত্বগুলি তার দেশের আর্থ-সামাজিক সুস্থতায় যাতে বাস্তব উন্নতি আনতে পারে, তা নিশ্চিত করা। বছরের পর বছর ধরে যথেষ্ট বিদেশি সহায়তা পাওয়া সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত সুবিধাগুলি প্রায়শই বৃহত্তর নাগরিকদের কাছে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এমনটা মূলত হয়েছে শাসনব্যবস্থার ত্রুটি ও সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার মধ্যে স্বচ্ছতার অভাবের কারণে।
তা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট লরেঙ্কোর ভারত সফর অ্যাঙ্গোলার বৈদেশিক নীতির অভিমুখে একটি ইচ্ছাকৃত ও কৌশলগত পরিবর্তনকেই দর্শায়। ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদারের মর্যাদায় উন্নীত করে — বাণিজ্য এবং চিরাচরিত সংহতির ঐতিহ্যবাহী কাঠামো অতিক্রম করে —অ্যাঙ্গোলা একটি স্পষ্ট কূটনৈতিক বার্তা পাঠাচ্ছে: এটি বৃহৎ শক্তির প্রতিযোগিতার দ্বিধাবিভক্তির বাইরে যেতে চায়। পরিবর্তে অ্যাঙ্গোলা তার আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততায় আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও স্বায়ত্তশাসিত পথ তৈরি করছে, যেখানে ভারত সেই প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
সমীর ভট্টাচার্য অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Samir Bhattacharya is an Associate Fellow at Observer Research Foundation (ORF), where he works on geopolitics with particular reference to Africa in the changing global ...
Read More +