আফগানিস্তান-পাকিস্তান উত্তেজনা নিরসন এবং কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য চিনের প্রচেষ্টা ক্রমাগত নিরাপত্তা হুমকির কারণে ক্রমশ সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে।
এটি ‘চায়না ক্রনিকলস’ সিরিজের ১৮৬তম প্রতিবেদন।
সম্প্রতি যখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তান গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন চিনের মিনিস্ট্রি অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্সের মুখপাত্র উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের পার্থক্য সমাধানের আহ্বান জানান। ‘বৃহত্তর চিত্রে’র দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি দুই দেশকে পার্থক্য দূর করার জন্য চিনের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রস্তাবও দেন। বেজিংয়ের জন্য, বৃহত্তর চিত্রটিতে এই অঞ্চলে তার নিজস্ব কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের নিরাপত্তা এবং কাবুল ও ইসলামাবাদ উভয়ের সঙ্গেই নিজের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে।
প্রাথমিক প্রভাব থেকে ক্ষয়িষ্ণু প্রভাব
২০২১ সালের অগস্ট মাসে আফগানিস্তানে ইসলামিক আমিরাতের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এই অঞ্চলের গতিশীলতার একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করে। তালিবানের প্রত্যাবর্তনের পরপরই দেশগুলি তাদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য একটি সুসংগত কৌশল গ্রহণের জন্য তৎপর হয় এবং তালিবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং গোষ্ঠীটিকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখার মধ্যে চাপানউতোরে পড়ে। এই আলস্যের মাঝেই চিন তালিবান-নেতৃত্বাধীন শাসনের প্রতি একটি সমর্থনসূচক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণকারী প্রথম দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছিল। মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর প্রত্যাহার চিনকে কৌশলগত পদক্ষেপ করার সুযোগ করে দিয়েছে, যদিও এই উন্নয়ন তার নিরাপত্তা উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বেজিং পশ্চিমি দেশগুলিকে তাদের তৈরি করা বিশৃঙ্খলার মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছে এবং দেশে আরও অর্থনৈতিক বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে, যা আফগানিস্তানের পুনরায় বিশ্বে একীভূত হওয়ার জন্য একটি যুক্তি প্রদান করেছে। বেজিং তাদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কারণে তালিবানরাও চিনকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে বিবেচনা করেছিল। পরবর্তী কালে, চিন আফগানিস্তানে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগকারী এবং তালিবান-নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণকারী প্রথম দেশ হয়ে ওঠে।
পশ্চিমিদের প্রত্যাহারের সুযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে চিন যে সুযোগ পেয়েছিল তা অনেকাংশে কমে গিয়েছে এবং বাস্তবে রূপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ তাদের নিরাপত্তা স্বার্থ সম্পর্কিত উদ্বেগগুলি মূলত অপরিবর্তিত রয়েছে।
চার বছর পর পশ্চিমিদের প্রত্যাহারের সুযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে চিন যে সুযোগ পেয়েছিল তা অনেকাংশে কমে গিয়েছে এবং বাস্তবে রূপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ তাদের নিরাপত্তা স্বার্থ সম্পর্কিত উদ্বেগগুলি মূলত অপরিবর্তিত রয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আফগানিস্তানে পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টের (ইটিআইএম) সদস্যদের উপস্থিতি সম্পর্কে চিনের আশঙ্কা রয়েছে। কারণ এটি চিনের পশ্চিম জিনজিয়াং অঞ্চলের উইঘুরদের নিয়ে গঠিত একটি দল এবং এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার সম্ভাবনা রয়েছে। ইটিআইএম-এর সদস্যদের লক্ষ্য করে যে ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ (আইএসকেপি) নিয়োগ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, সে সম্পর্কে খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান উভয় স্থানেই চিনা নাগরিকরা প্রায়শই আক্রমণের শিকার হয়েছেন। আইএসকেপি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে একজন চিনা কর্মীর উপর হামলা করার দাবি করে। ২০২২ সালে চিনা ব্যবসায়ীরা যে হোটেলে ঘনঘন যাতায়াত করতেন, সেই হোটেলে হামলার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও, চিনা কর্মী, প্রকল্প ও স্বার্থ তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং পাকিস্তানের বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) তরফে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, বিশেষ করে দাসু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে। ২৬ ও ৩০ নভেম্বর তাজিকিস্তানে দু’টি পৃথক হামলায় পাঁচ চিনা নাগরিকের হত্যাকাণ্ড – যে বিষয়টি নিয়ে তাজিকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে, ঘটনাটি আফগানিস্তানে সংঘটিত হয়েছিল - তার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বেজিংয়ের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় চিন তার নাগরিকদের তাজিকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এই নিরাপত্তা দুর্বলতাগুলি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের অগ্রগতিকেও ব্যাহত করেছে। ২০২৫ সালের অগস্ট মাসে ইসলামিক আমিরাতের খনি ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় আমু দরিয়া তেলক্ষেত্রে নিশ্চিত বিনিয়োগ প্রদান এবং আফগান নাগরিকদের নিয়োগ করতে ব্যর্থতার জন্য আফচিন নামে একটি চিনা সংস্থার চুক্তি বাতিল করে। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোরকে (সিপিইসি) আফগানিস্তানে সম্প্রসারণ এবং খনি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে চিনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির আলোচনা দেশটিতে ক্রমবর্ধমান চিনা অর্থনৈতিক স্বার্থের সূচক হিসেবে দেখা হলেও আফগানিস্তানে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির দ্বারা সৃষ্ট নিরাপত্তা হুমকির কারণে এই অগ্রগতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে এবং প্রকল্পগুলি সফল ভাবে এগিয়ে যেতে ব্যর্থ হচ্ছে।
মধ্যমপন্থায় হস্তক্ষেপ
কাবুল ও ইসলামাবাদের শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের একটি প্রধান বিষয় হল আফগানিস্তানে টিটিপি সদস্যদের উপস্থিতি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে তালিবানদের অনিচ্ছা ও অক্ষমতা। গত বছর চিনা কর্মীদের উপর হামলার পর পাকিস্তান দাবি করেছিল যে, আফগানিস্তানের জঙ্গিরা এই হামলার জন্য দায়ী। তালিবান স্পষ্টতই এই দাবিগুলি প্রত্যাখ্যান করে এবং ইসলামাবাদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাসের বীজ বপন করার জন্য দায়ী করে। চিনও এই দাবিগুলিকে প্রকাশ্যে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকে এবং উভয় পক্ষকেই অপরাধীদের খুঁজে বের করার দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানায়।
অনেক গবেষকই চিনের এই ‘উদ্যোগ’ গঠনের প্রচেষ্টাকে দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক গতিশীলতার জন্য কেবল অস্থায়ী প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে, তার স্বার্থ রক্ষা এবং অঞ্চলে তার প্রাধান্যকে শক্তিশালী করার জন্য একটি বৃহত্তর কৌশল তৈরির অংশ হিসেবে মনে করেন।
গত বছর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিন উভয় দেশের মধ্যে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার পথ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৫ সালের ২১ মে চিনের ফরেন মিনিস্টার ওয়াং ই তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন। এর পর অগস্ট মাসে ষষ্ঠ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০২২ সালে পুনরুজ্জীবিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের মাধ্যমে তিনটি দেশ ধারাবাহিক ভাবে আফগানিস্তানে সিপিইসি সম্প্রসারণ এবং আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এ বছর সম্পর্ক যখন একেবারে তলানিতে পৌঁছেছে, তখন চিন দুই দেশকে নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বহিরাগত হস্তক্ষেপ মোকাবিলা এবং তাদের ভূখণ্ডকে অন্যদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার জন্য ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছে। চিনের মধ্যস্থতার পর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানও তাদের সম্পর্ককে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে উন্নীত করেছে। মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানে তাঁর সমপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে ওয়াং ই নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়ে আফগানিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন। জুন মাসে পাঁচটি মধ্য এশীয় প্রজাতন্ত্রের নেতারা শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ আফগানিস্তানের জন্য চিনের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করেছিলেন এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছিলেন।
অনেক গবেষকই চিনের এই ‘উদ্যোগ’ গঠনের প্রচেষ্টাকে দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক গতিশীলতার জন্য কেবল অস্থায়ী প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে, তার স্বার্থ রক্ষা এবং অঞ্চলে তার প্রাধান্যকে শক্তিশালী করার জন্য একটি বৃহত্তর কৌশল তৈরির অংশ হিসেবে মনে করেন। জুন মাসে কুনমিংয়ে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মধ্যে বৈঠকেও এটি প্রতিফলিত হয়েছিল। চিন এই অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় দ্বিপাক্ষিক ও ত্রিপাক্ষিক উভয় ভাবেই প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে চিন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলেও ইসলামাবাদ টিটিপি হুমকিকে একটি সাধারণ শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে। কিন্তু বর্তমানে বেজিংয়ের যে প্রভাব রয়েছে, তা বেশ সীমিত। গত বছরের নভেম্বর মাসে একটি চিনা প্রতিনিধি দল কান্দাহারে তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা পোষণ করে, যাতে পাকিস্তানের উপর টিটিপি-র অবিরাম আক্রমণ বন্ধ করার জন্য একটি যুক্তি তৈরি করা যায়। কান্দাহারে আমিরের সঙ্গে বৈঠকটি বাস্তবায়িত হয়নি এবং প্রতিনিধিদলটি কেবল গভর্নর ও তালিবানের মুখপাত্রের সঙ্গেই দেখা করতে পেরেছিল। এটি আমিরের কাছে তাদের অভিযোগ দায়ের করার উপর চিনের সীমিত প্রভাবকেও দর্শায়।
আর কি প্রধান খেলোয়াড় নয়?
তালিবানের দ্বিতীয় আমিরাতকে কেন্দ্র করে আলোচনায় চিনের আধিপত্য আগে অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাবুলের সম্পর্ককে সক্ষম করার ভূমিকার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। বেজিং এখনও আফগানিস্তানের স্বাভাবিকীকরণকে সমর্থন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও তালিবানরা এই অঞ্চলের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে তাদের নিজস্ব সুবিধার জন্য কাজে লাগাতে সফল হয়েছে। কাবুল ধারাবাহিক ভাবে অন্যান্য দেশের সাথে যোগাযোগ করে আসছে এবং তালিবানের অর্থনীতি-কেন্দ্রিক, লেনদেনমূলক বৈদেশিক নীতি পদ্ধতির ধারণার উপর ভিত্তি করে তার অংশীদারিত্বকে বৈচিত্র্যময় করে তুলছে।
বেজিং এখনও আফগানিস্তানের স্বাভাবিকীকরণকে সমর্থন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও তালিবানরা এই অঞ্চলের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে তাদের নিজস্ব সুবিধার জন্য কাজে লাগাতে সফল হয়েছে। কাবুল ধারাবাহিক ভাবে অন্যান্য দেশের সাথে যোগাযোগ করে আসছে এবং তালিবানের অর্থনীতি-কেন্দ্রিক, লেনদেনমূলক বৈদেশিক নীতি পদ্ধতির ধারণার উপর ভিত্তি করে তার অংশীদারিত্বকে বৈচিত্র্যময় করে তুলছে।
২০২৫ সালের শুরুতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব দুবাইতে তালিবানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সঙ্গে দেখা করেন, যা উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। পহেলগামে হামলা এবং মে মাসে সংঘটিত শত্রুতার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির পর ভারত-আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও গতিশীল হয়েছে। মুত্তাকি ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে টেলিফোনে কথোপকথন এবং অক্টোবর মাসে মুত্তাকির ভারত সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের একটি বড় পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয়। তালিবানের বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্প্রতি সমাপ্ত সফরের সময় করা প্রতিশ্রুতি এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ঐকমত্যও এই পুনর্গঠনে অবদান রেখেছে। তালিবান মধ্য এশিয়ার প্রজাতন্ত্রগুলির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাও বৃদ্ধি করেছে, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য ধরনের সহযোগিতা আরও বাড়িয়েছে।
চিন এবং পাকিস্তান উভয়ের জন্যই আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা তালিবানের সঙ্গে কাজ করার বাস্তবতাকে আরও তীব্র করে তুলেছে। তালিবান ভারত-সহ দেশগুলির প্রতি তার নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি পূরণ করলে চিন লাভবান হবে, তবে ক্রমবর্ধমান ভারতীয় প্রভাব বেজিংয়ের জন্য কৌশলগত স্থানের ক্ষতি হিসাবে বিবেচিত হবে। আফগানিস্তান-পাকিস্তান সম্পর্কের বিপর্যয়ের সুদূরপ্রসারী পরিণতি হতে পারে। অদূর ভবিষ্যতে কাবুল ও ইসলামাবাদ উত্তেজনাকর কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য বেজিংয়ের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা কঠিন বলেই মনে হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির অভাবে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান উভয় ক্ষেত্রেই চিনের স্বার্থ অচলাবস্থায় থাকবে।
শিবম শেখাওয়াত অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জুনিয়র ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Shivam Shekhawat is a Junior Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. Her research focuses primarily on India’s neighbourhood- particularly tracking the security, political and economic ...
Read More +