Author : Parul Bakshi

Expert Speak Raisina Debates
Published on Mar 27, 2026 Updated 0 Hours ago

এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ওআরএফ মিডল ইস্ট-এ।

৬ ডলারের এলএনজি পরিসর: ভারতের স্বল্পমেয়াদি গ্যাস চাহিদার সম্ভাবনার মানচিত্রায়ন

বৈশ্বিক গ্যাস বাজার কাঠামোগত ভাবে কোমল পর্যায়ে প্রবেশ করছে। ২০২০-এর দশকের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থাৎ ২০২৬-২০২৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকাতার এবং আফ্রিকা থেকে তরলীকরণ সংযোজনের একটি প্রবাহইউরোপে প্রত্যাশার চেয়ে ধীর চাহিদা বৃদ্ধি এবং চিনের থিতু হওয়া ব্যবহার আসলে নিকট মেয়াদে মূল্যের দৃশ্যপটকে নতুন আকার দিয়েছে। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের (ওআইইএসপ্রতিবেদন অনুসারে২০২০-এর দশকের শেষের দিকে বাজার এখন মার্কিন ডলার/মিলিয়ন পার ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি- আরও স্থিতিশীল সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের ক্ষেত্রে – যে দেশটি চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গিয়েছে এবং যার মধ্যে রয়েছে ২০২১-২২ সালে ৩০ মার্কিন ডলারএমএমবিটিইউ- উপরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজিএবং উল্লেখযোগ্য শিল্প চাহিদার ধ্বংস - এই পরিবর্তন কেবল একটি সামষ্টিক প্রবণতার চেয়েও বেশি। বছরের পর বছর ধরে স্থবির প্রবৃদ্ধির পর জ্বালানি ব্যবস্থায় গ্যাসের পরিসরকে শক্তিশালী করার জন্য এটি একটি বিরল সুযোগ।

২০২৪ সালে ভারতের প্রাথমিক জ্বালানি মিশ্রণের মাত্র . শতাংশ ছিল গ্যাস এখন প্রশ্ন হল মার্কিন ডলারের বিশ্বে ভারত বাস্তবসম্মত ভাবে স্বল্পমেয়াদি চাহিদা কতটা যোগ করতে পারেএই নিবন্ধটিতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত সেই স্বল্পমেয়াদি মূল্যায়নের উপর আলোকপাত করা হয়েছে।

ভারতের সূচনা বিন্দু: একটি সীমাবদ্ধ কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীল বাজার

ভারতের গ্যাস খাত দীর্ঘ দিন ধরে অসামঞ্জস্যতা দ্বারা চিহ্নিত:

• স্থবির অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (~৩৭-৩৮ বিলিয়ন ঘনমিটার), যা ভারতকে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে কাঠামোগত ভাবে এলএনজি আমদানির উপর নির্ভরশীল করে রেখেছে এবং দাম বৃদ্ধির সময় খুব কম বাফার প্রদান করেছে

• অপ্রতুল রিগ্যাসিফিকেশন টার্মিনাল (২০২৪ সালে ৫৬ শতাংশ), যা আমদানি ক্ষমতার অভাব নয়বরং পাইপলাইনের ব্যবধানঅসম বাজার উন্নয়ন এবং সীমিত নিম্ন প্রবাহের সরবরাহকেই প্রতিফলিত করে

• সার এবং শহরে গ্যাস বিতরণের জন্য প্রশাসনিক মূল্য ব্যবস্থা (অ্যাডমিনিস্টারড প্রাইস মেকানিজম বা এপিএম) গ্যাসের নীতি-চালিত অগ্রাধিকারযা অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলিকে রক্ষা করে কিন্তু শিল্পবিদ্যুৎ এবং পেট্রোকেমিক্যালগুলিকে উচ্চ-মূল্যের এলএনজির উপর নির্ভরশীল করে তোলে

২০২৪ সালেমোট সরবরাহ প্রায় ৭০ বিলিয়ন ঘনমিটারে পৌঁছেছেযা দেশীয় উৎপাদন  এলএনজি- মধ্যে সমানভাবে বিভক্ত। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানি মিশ্রণের ১৫ শতাংশে গ্যাসের অংশ বাড়ানোর উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা সত্ত্বেওবেশির ভাগ চাহিদার অংশ হয় কাঠামোগত ভাবে সীমাবদ্ধ অথবা অত্যন্ত মূল্য-সংবেদনশীলযা মার্কিন ডলারের মানদণ্ড কেন গুরুত্বপূর্ণসেই বিষয়টিকেই তুলে ধরে।

ভারত যে ক্ষেত্রটিতে দ্রুত সাড়া দিতে পারে

স্বল্পমেয়াদি গ্যাসের চাহিদা নির্ভর করে পরিবর্তনযোগ্যতার উপরদাম কমার পরে বিকল্প জ্বালানি (তেলপেটকোককয়লাতরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি) থেকে গ্যাসে ফিরে যাওয়ার ক্ষমতার উপর। নিচের সারণিতে ঐতিহাসিক সংবেদনশীলতার রূপরেখা দেওয়া হয়েছেতবে মূল অন্তর্দৃষ্টি  ক্ষেত্রে স্পষ্ট: ভারতে অত্যন্ত সংবেদনশীল চাহিদা রয়েছেযদিও সেগুলি অসম ভাবে বণ্টন করা হয়েছে।

ক্ষেত্র

স্বল্পমেয়াদি পরিবর্তনযোগ্য সম্ভাবনা এবং সীমাবদ্ধতা

ঐতিহাসিক সংবেদনশীলতার চিত্র

সার

মূলত ইউরিয়ার জন্য এপিএম-ভিত্তিক ফিডস্টকভর্তুকি বা বণ্টন নীতি পরিবর্তন না হলে স্বল্পমেয়াদে পরিবর্তনের সুযোগ খুব কম।

ঐতিহাসিক ভাবে অস্থিতিস্থাপক - ভর্তুকি উৎপাদনকারীদের সুরক্ষা দেয়এলএনজি- দাম কমলেও চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার তেমন 
কোনও প্রমাণ নেই।

বিদ্যুৎ উৎপাদন

স্পট এলএনজি- দাম কয়লার কাছাকাছি পৌঁছলে কয়লা থেকে গ্যাসে রূপান্তর সম্ভবতবে দুর্বল পিএলএফ এবং কয়লা উৎপাদনকারী রাজ্যগুলিতে 
পাইপলাইনের অভাব এর অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২৪ সালের মে মাসে যখন স্পট এলএনজি এবং কয়লার জ্বালানি খরচের ব্যবধান কমেছিলতখন গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সাময়িক ভাবে দ্বিগুণ হয়েছিল।

শিল্প

শিল্পাঞ্চলগুলি (যেমন মোরবি সেরামিকগ্লাস) তেল/পেটকোক থেকে পরিবর্তন করতে পারেকিন্তু অভ্যন্তরীণ গ্যাস বণ্টন এবং এলএনজি পরিবহণের খরচ দ্বারা এটি সীমাবদ্ধ।

২০১৯-২০ অর্থবর্ষে স্পট এলএনজি- দাম কমলে এই শিল্পাঞ্চলগুলিতে 
চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছিলকিন্তু দাম $১০/এমএমবিটিইউ- উপরে গেলে চাহিদা দ্রুত কমে যায়।

সিজিডি

সরবরাহকৃত মূল্যের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল ডলার 
মূল্যের এলএনজি সিএনজি/পিএনজি ব্যবহারকারীদের সুবিধা দেয়যা স্বল্পমেয়াদি ব্যবহার বাড়ায়।

২০২০-২১ সালে সস্তা ফিডস্টকের কারণে সিএনজি- পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিলযা ২০২২ সালে দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার হ্রাস পায়।

পেট্রোকেমিক্যাল এবং রিফাইনারি

বেস-লোড ব্যবহারকারীযাদের ঊর্ধ্বমুখী স্থিতিস্থাপকতা কমএলএনজি- দাম বাড়লে তারা তেল/ন্যাপথার দিকে ঝুঁকে পড়ে কিন্তু দাম কমলে খুব একটা ব্যবহার বৃদ্ধি পায় না।

২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দাম বৃদ্ধির সময় এই ক্ষেত্রটি তাদের ব্যবহার ২৫ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছিল।

পরিবহণ (সিএনজিএলএনজি ট্র্যাকিং)

ডিজেলের বদলে কিছু বিকল্প ব্যবহার সম্ভবতবে বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভিবৃদ্ধি এবং এলএনজি ট্র্যাকিংয়ের কম প্রসার এর প্রভাবকে কমিয়ে দেয়।

২০১৯-২০ সালে কম দামের সময় সিএনজি- ব্যবহারে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল২০২৩ সালে দাম কম থাকা সত্ত্বেও এটি খুব একটা বাড়েনি।

অন্যান্য ব্যবহার (এলপিজিবিবিধ)

ক্ষুদ্র শিল্প/ পরিবারগুলি এলপিজি এবং গ্যাসের মধ্যে অদলবদল করেতবে এটি মূলত নীতি-চালিতমূল্য-চালিত নয়।

বিভিন্ন মূল্য চক্র জুড়ে এটি অপরিবর্তিত থাকেযা মূলত ভর্তুকি এবং এলপিজি পুনরুদ্ধারমূলক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত।

উৎস: লেখকের তৈরি

শক্তিশালীদ্রুত উত্থান মূলত শিল্পাঞ্চলগুলিতে দেখা যায়সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (সিজিডিবাণিজ্যিক এবং পরিবহণ বিভাগগুলিতেএবং নির্বাচিত শোধনাগার এবং পেট্রোকেমিক্যাল অপারেশনগুলিতেও তা স্পষ্টযেখানে জ্বালানি এবং ফিডস্টকে রূপান্তর সম্ভব। স্থিতিশীল চলমানতার পরিবর্তে আবহাওয়া বা গ্রিড-চালিত বিস্ফোরণের দরুন কেবল স্বল্প সময়ের মধ্যে হলেও সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনও সম্ভব তবে সার কাঠামোগত ভাবে অন্তরক, এপিএম-ভিত্তিক  ভর্তুকি-সুরক্ষিত থাকেযা স্বল্পমেয়াদি স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে না।

কোথা থেকে লাভ আসে

ক্ষেত্র

অতিরিক্ত চাহিদার সম্ভাবনা

সার

কাঠামোগতভাবে সুরক্ষিত; ~ বিসিএম

বিদ্যুৎ

+ বিসিএম (স্বল্প সময়ের জন্যআবহাওয়া/গ্রিড চালিতপিক আওয়ার বা তীব্র চাহিদা ছাড়া অন্য সময় কমে যায়)

সিজিডি (সিজিডি- সিএনজি+ পিএনজি-কমার্শিয়াল)

+ বিসিএম (যদি পাস-থ্রু প্রক্রিয়া বজায় থাকে)

পেট্রোকেমিক্যালস এবং রিফাইনারি

+.. বিসিএম (ফিডস্টক/প্রক্রিয়া প্রতিস্থাপন)

শিল্প এবং অন্যান্য

+.. বিসিএম (সেরামিককাচটেক্সটাইলইস্পাত শিল্প কয়লা-নির্ভর থাকছে)

মোট

+.১১. বিসিএম (জিটিজি বেসলাইনের তুলনায় মোটামুটি -১০% বেশি)

উৎস: লেখকের তৈরি

১. শিল্প: দ্রুততম প্রতিক্রিয়া প্রদানকারী অঞ্চল

যদি ২০৩০-এর দশকের গোড়ার দিকে স্পট এলএনজির দাম মার্কিন ডলারের কাছাকাছি স্থিতিশীল হয়তা হলে শিল্পটি সম্ভবত দ্রুততম এবং বিস্তৃত স্বল্পমেয়াদি পুনরুদ্ধার দেখাবেবিশেষ করে বিদ্যমান পাইপলাইন এবং রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজিসরবরাহ অঞ্চলের মধ্যে। কম দাম গুজরাতমহারাষ্ট্র  পশ্চিম উত্তর প্রদেশের কিছু অংশে সেরামিককাচটেক্সটাইল এবং ছোট উৎপাদন ক্লাস্টারের জন্য পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস (পিএনজিএবং আরএলএনজি- অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাবেযা প্রোপেনএলপিজি এবং জ্বালানি তেলের দিকে সাম্প্রতিক পরিবর্তনের কিছু অংশকে হ্রাস করবে

যাই হোকএই প্রতিক্রিয়া কম দামের কার্যকর পাস-থ্রু (রাজ্য কর এবং শুল্ক-সহ), শহরের ক্ষেত্রে আরএলএনজি- প্রাপ্যতা এবং সময় মতো লাস্ট-মাইলের কার্যকারিতার উপর নির্ভর করে। উচ্চতর এলএনজির দামের দিকে ফিরে যাওয়ার যে কোনও পদক্ষেপ দ্রুত লাভকে সীমাবদ্ধ করবে।

অতএব মার্কিন ডলারের পরিসর একটি অস্থায়ী ব্যবস্থাতাপ-নিবিড় ক্লাস্টারগুলিকে তুলে নিলেও কাঠামোগত ভাবে কয়লা-কেন্দ্রিক ইস্পাতকে মূলত অপরিবর্তিতই রাখে। ফলাফলটি একটি বিস্তৃত-ভিত্তিক শিল্প পরিবর্তনের পরিবর্তে একটি সুযোগসন্ধানীঅসম পুনরুদ্ধারকে দর্শায়।

২. সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (সিজিডি): পাস-থ্রু সংক্রান্ত কাজ করার সময় উচ্চ স্থিতিস্থাপকতা

শহরের গ্যাস সংস্থাগুলি যখন কম ফিডস্টক খরচের মধ্য দিয়ে যেতে পারে তখন কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (সিএনজিএবং বাণিজ্যিক পিএনজি দ্রুত সাড়া দেয়। মূল প্রতিবন্ধকতা হল অগ্রাধিকার বিভাগগুলির তরফে এপিএম গ্যাস গ্রহণ অব্যাহত রাখাযখন অগ্রাধিকারহীন গ্রাহকরা মূলত এলএনজি- উপর নির্ভরশীল। সুতরাং, সিজিডি- পরিবর্তনযোগ্যতা সঠিক শুল্ক পাস-থ্রুসিটি গ্যাস সংস্থাগুলির জন্য স্থিতিশীল মুনাফা এবং ব্যবহারকারীদের কাছে এলএনজি- দাম হ্রাস নিশ্চিত করার উপর নির্ভর করে।

মার্কিন ডলারের এলএনজিতে তাৎক্ষণিক লাভগুলি বিদ্যমান পিএনজি শৃঙ্খলগুলির উচ্চতর ব্যবহার - বিশেষ করে ছোট বাণিজ্যিক এবং হালকা-শিল্প ব্যবহারকারীদের মধ্যে - এবং সিএনজির শক্তিশালী গ্রহণের দরুন আসেযেখানে কম দামের আরএলএনজি যে কোনও এপিএম বরাদ্দ সংক্রান্ত পরিবর্তনকে পূরণ করতে পারে। এই লাভের বেশির ভাগই সিএনজি যানবাহন  বাণিজ্যিক পিএনজিতে এবং অন্য দিকে সংযোগ স্থাপনের সময়সীমার কারণে গৃহস্থালি পিএনজি আরও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

৩. পেট্রোকেমিক্যালস এবং রিফাইনারি: নির্দিষ্ট প্রতিস্থাপন

পেট্রোকেমিক্যালস এবং রিফাইনারিগুলি নিম্নমুখী স্থিতিস্থাপকতা দর্শায়এলএনজি ব্যয়বহুল হলে গ্যাস থেকে দূরে সরে যায় এবং দাম কমলেই কেবল সামান্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। ২০২১-২৩ সালে বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে দেয় বা বিকল্প জ্বালানির দিকে প্রতিস্থাপন করেযখন রিফাইনারিগুলি প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন ইউনিটগুলিতে গ্যাস ব্যবহারকে কেন্দ্র করেই এগোতে থাকে।

যদি এলএনজি মার্কিন ডলারের কাছাকাছি স্থায়ী হয়তা হলে হাইড্রোজেন উৎপাদন এবং হিটারের জন্য পরিবর্তনশীল খরচ উন্নত হয়যা আংশিক ভাবে ব্যবহারকারীদের আবার গ্যাসের দিকে ফিরে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করে। লাভগুলির পরিমাণ কমবেশি থাকেভারতের ন্যাফথাভিত্তিক ক্র্যাকার স্লেটপ্রতিযোগিতামূলক গ্যাসের ধরনঅবকাঠামোগত সীমা এবং উদীয়মান সবুজ-হাইড্রোজেন বাধ্যবাধকতার কারণে তা সীমাবদ্ধ।

সামগ্রিক ভাবে মার্কিন ডলারের পরিস্থিতি একটি অর্থবহ অথচ রূপান্তরমূলক উন্নয়ন প্রদান করে নাযা কাঠামোগত এবং নীতিগত সীমাবদ্ধতা দ্বারা আবদ্ধ।

৪. বিদ্যুৎ: পর্যায়ভিত্তিক, কাঠামোগত নয়

ভারতের গ্যাস-চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি খুব কম পরিচালিত হয়অনেক ইউনিট আটকে থাকে বা খুব কমই চলমান থাকে। স্বল্পমেয়াদি লাভ কেবল আবহাওয়া-চালিত ক্ষেত্রেপুনর্নবীকরণযোগ্য হ্রাস বা কয়লা সরবরাহের চাপের সময় দেখা যায়।

আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএঅনুমান করে যেপরিবর্তনশীল খরচে প্রতিযোগিতামূলক হওয়ার জন্য গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি খরচ -.৭৫ মার্কিন ডলার/এমএমবিটিইউ-তে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। মৌসুমী ঘাটতি বা গ্রিড-ভারসাম্যের সময় কিছু আটকে থাকা ক্ষমতা পুনরায় প্রেরণে প্রবেশ করতে পারে। তবে ব্যবহার বাজারের মৌলিক বিষয়গুলির উপর নয়অস্থায়ী ব্যবস্থাপনার চাপের উপর নির্ভরশীল। আটকে থাকা সম্পদের ঝুঁকির কারণে কমপক্ষে ২০৩২ সাল পর্যন্ত কোনও নতুন বৃহৎ আকারের গ্যাস-চালিত ক্ষমতার পরিকল্পনা করা হয়নি এবং নীতিগত গতি নবায়নযোগ্য জ্বালানিসঞ্চয় এবং আরও নমনীয় কয়লা পরিচালনার নেপথ্যে রয়ে গিয়েছে।

মার্কিন ডলারের এলএনজি পরিবেশের অধীনেবিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস স্থিতিশীল বৃদ্ধির পরিবর্তে এপিসোডিক স্পাইক বা পর্যায়ভিত্তিক বৃদ্ধি তৈরি করে। এমনকি শীর্ষে থাকাকালীন মোট ব্যবহার একটি সঙ্কীর্ণ পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেযা ওআইইএস অনুমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কার্যত মার্কিন ডলারের এলএনজি খাতটিকে আরও প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে কিন্তু কাঠামোগত ভাবে আলাদা নয়।

স্বল্পমেয়াদি গ্রহণকে সীমিত করে এমন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা

ভারতের নিকট-মেয়াদি পরিবর্তনযোগ্য সম্ভাবনা অর্থপূর্ণতবে এটি এমন মৌলিক বিষয়গুলির দ্বারাও সীমাবদ্ধযা শুধুমাত্র  মার্কিন ডলারের গ্যাস সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে পারে না:

• এপিএম অগ্রাধিকার সার এবং পিএনজি-দেশীয় ক্ষেত্রে খুব কম এলএনজি- জন্য পরিসর রাখে।

• পাইপলাইনের ব্যবধান কয়লা-নির্ভর রাজ্যগুলিতে পৌঁছনোর জন্য এলএনজি- ক্ষমতা হ্রাস করে।

• অব্যবহৃত রিগ্যাস ক্ষমতা আমদানির প্রাপ্যতা নয়, লাস্ট-মাইল সীমাবদ্ধতাকেই প্রতিফলিত করে।

• ইভি অনুপ্রবেশ পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি সিএনজি বৃদ্ধিকে সীমাবদ্ধ করে।

• দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি চুক্তি (২০২৬ সালের মধ্যে ২২ থেকে ২৭ এমটিপিএবৃদ্ধি সস্তা স্পট কার্গোর ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি নমনীয়তা হ্রাস করে কারণ ভারতের আমদানি সংক্রান্ত ভাবমূর্তির একটি বৃহত্তর অংশ স্থির বা সূত্র-সংযুক্ত মেয়াদি চুক্তির অধীনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।

সংক্ষেপে বললেভারত  মার্কিন ডলারের বিশ্বে সাড়া দিতে পারেতবে কেবল অবকাঠামোনিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষেত্র-নির্দিষ্ট কঠোরতার সীমার মধ্যেই তা করা সম্ভব।

উপসংহার: একটি স্বল্পমেয়াদি সূচনা মাত্র, কাঠামোগত পরিবর্তন নয়

পেট্রোলিয়াম প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রক বোর্ড (পিএনজিআরবি), আইইএ এবং ওআইইএস-সহ প্রধান পূর্বাভাস প্রদানকারী সংস্থাগুলি ২০৩০ সালের জন্য একটি বিস্তৃত ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ চিত্রের ক্ষেত্রে সহমত পোষণ করেছেযেখানে জাতীয় গ্যাসের চাহিদা তুলনামূলক ভাবে সঙ্কীর্ণ করিডোরের মধ্যে পড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে (দ্রষ্টব্য চিত্র ) বিভিন্ন পদ্ধতি এবং দীর্ঘমেয়াদি অনুমান সত্ত্বেওএই অনুমানগুলি পরবর্তী দশকের জন্য একই ধরনের ভিত্তিগত সঞ্চারপথকেই দর্শায়

ক্ষেত্রগত সংবেদনশীলতা বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়যদি স্পট এলএনজির দাম প্রতি এমএমবিটিইউতে প্রায়  মার্কিন ডলারে হ্রাস পায়তা হলে ভারত প্রাথমিক ভাবে শিল্পসিজিডি এবং নির্বাচিত শোধনাগার প্রক্রিয়াগুলির দ্বারা পরিচালিত ভিত্তিগত বাস্তবায়িত হওয়ার চেয়ে স্বল্পমেয়াদি উত্থানকে নিবন্ধন করতে পারে।

চিত্র ১: ভারতের প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদার অনুমান

A 6 Lng Window Mapping India S Short Term Gas Demand Potential

উৎস: লেখকের তৈরি

তবে এই ধরনের স্থিতিস্থাপকতা প্রবাহের অবস্থার উপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। লাস্ট-মাইল পাইপলাইন সংযোগ এবং সিজিডি শৃঙ্খলগুলির সস্তা আরএলএনজি শোষণ এবং বণ্টন করার ক্ষমতা সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি এমএমবিটিইউ - ডলারে দিকে ফিরে যাওয়া স্বল্পমেয়াদি পরিবর্তনের অনেকটাই নষ্ট করে দেবেবিশেষ করে শিল্প এবং সিজিডি-তেযেখানে চাহিদা সবচেয়ে বেশি মূল্য-সংবেদনশীল।

প্রকৃতপক্ষে, ডলারের স্পট এলএনজি পরিবেশকে একটি সহায়ক পরিস্থিতি হিসেবেই দেখা উচিতযা পিএনজিআরবি- গুড-টু-গো (জিটিজিবেসলাইনের (যা বর্তমান প্রবণতাবিদ্যমান প্রতিশ্রুতি এবং প্রত্যাশিত উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে মাঝারি প্রবৃদ্ধি ধরে নেয়) তুলনায় ২০৩০ সালের গ্যাস ব্যবহারকে প্রায় -১০ শতাংশ বাড়িয়ে তুলতে পারে তবে এমন নয়যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি গতিপথকে পরিবর্তন করে। লাভটি অর্থবহতবুও রূপান্তরকারীর পরিবর্তে ক্রমবর্ধমান নিঃসন্দেহে।

যে কোনও বৃহত্তর কাঠামোগত পরিবর্তন আনা পাইপলাইন সম্প্রসারণশুল্ক  বরাদ্দ সংস্কারআরও ভাল রিগ্যাসিফিকেশনের ব্যবহার এবং মেয়াদ  স্পট এলএনজি ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সমন্বিত ক্রয় কৌশলের উপর নির্ভর করবে।

 


এই বিশ্লেষণটি লেখকের ওআইইএস-এর প্রতিবেদন, ‘দ্য গ্লোবাল আউটলুক ফর গ্যাস ডিমান্ড ইন সিক্স ডলার ওয়ার্ল্ড’-এর অবদানের উপর ভিত্তি করে তৈরি। সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে


এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ওআরএফ মিডল ইস্ট-

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.