Author : Sushant Sareen

Published on Nov 27, 2025 Updated 0 Hours ago

২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে পাকিস্তান প্রকাশ্য সামরিক আধিপত্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে. কারণ পার্লামেন্ট এবং প্রদেশগুলি তাদের কর্তৃত্ব সঙ্কুচিত হতে দেখছে

২৭তম সংশোধনী: পাকিস্তানের মস্তিষ্কহীন অনুসরণকারীদের পার্লামেন্ট

২৭তম সংবিধান সংশোধনী আইনের কালি শুকানোর আগেই সরকারের মন্ত্রীরা ২৮তম এবং সম্ভবত ২৯তম সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনা শুরু করে, যা ২০২৬ সালের জুন মাসে আর্থিক বছর শেষ হওয়ার অনেক আগেই পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিক ভাবে পাস হওয়ার কথা। ২৬তম এবং ২৭তম সংশোধনী মূলত বিচার বিভাগকে শক্তিহীন করা এবং সেনাপ্রধানকে (সিওএএস) আরও ক্ষমতা প্রদানের লক্ষ্যে করা হলেও আসন্ন সংশোধনীগুলি প্রদেশগুলিকে শক্তিহীন করার উদ্দেশ্যে তাদের প্রদত্ত সম্পদ ক্ষমতা হ্রাস করে এবং নতুন প্রদেশ তৈরি করে সেগুলির আকার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছেএই সমস্ত সাংবিধানিক সংশোধনী আসলে রাজনৈতিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে এবং প্রশাসনিক সমস্যা তৈরি করে এমন কাঠামোগত অসঙ্গতিগুলিকে মোকাবিলা করার জন্য পরিকল্পিত হয়নি। এগুলির লক্ষ্য রাওয়ালপিন্ডিতে সদর দফতরযুক্ত সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি ইসলামাবাদে অবস্থিত ক্রমবর্ধমান নামমাত্র  বেসামরিক সরকারের হাতে সমস্ত ক্ষমতা একত্রিত কেন্দ্রীভূত করা। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যা মূলত সামরিক বাহিনীর কাছে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য ঋণী রাজনীতিবিদদের দ্বারা উৎসাহিত হচ্ছে।

সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যা মূলত সামরিক বাহিনীর কাছে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য ঋণী রাজনীতিবিদদের দ্বারা উৎসাহিত হচ্ছে।

পাকিস্তানে রাজনৈতিক ক্ষমতার খেলা দেশটির মতোই পুরনো। সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপ, বিচার বিভাগের অবক্ষয় এবং সামরিক বাহিনীর সেবায় পার্লামেন্টকে রাবার স্ট্যাম্পে পরিণত করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের আক্ষেপ তাই একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। এটি সেই চিরাচরিত পাকিস্তান, যেখানে খেলার নিয়মকানুন সংবিধান দ্বারা নয়, বরং ক্ষমতার মালিকদের দ্বারা নির্ধারিত হয়। ক্ষমতার সমীকরণ এর ভারসাম্যের উপর নির্ভর করে যে কোন শক্তিশালী/ক্ষমতালোভী ব্যক্তি - তা সে রাজনীতিবিদ, জেনারেল, বিচারক, ধর্মগুরু, মিডিয়া হাউস বা ব্যবসায়ী হোক না কেন - ব্যক্তিস্বার্থের জন্য এর অপব্যবহার করে। যখন সময় বদলায়, তখন নিয়মেরও পরিবর্তন হয়। ২৭তম সংশোধনী মূলত সামরিক স্বৈরশাসক পারভেজ মোশাররফকে উৎখাতের পর পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং বিচার বিভাগ যে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল, তা খারিজ করে দিয়েছে। তার পর থেকে, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে এবং সাম্প্রতিক ২৭তম সংশোধনী তার অংশ মাত্র।

২৬তম সংশোধনী বিচার বিভাগের পতনের ইঙ্গিত দিলেও ২৭তম সংশোধনী কফিনের শেষ পেরেক পোঁতার কাজ করেছে। তবে বিচার বিভাগ ইতিমধ্যেই সঙ্কটগ্রস্ত, দ্বিধাবিভক্ত ছিল এবং নিরপেক্ষ বিচারক হিসেবে সমস্ত বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছিল। ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশন যখন পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আদালতের রায় অনুসরণ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন এ প্রতিপত্তির সম্পূর্ণ বিনাশ হয়। বিচারকদের রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট বলে দেখা যাওয়ার বিষয়টিও বিচার বিভাগের বৈধতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এক অর্থে দেখলে, বিচারকরা নিজেরাই বিচার বিভাগকে সেই সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন যখন এটি সর্বদা ক্ষমতায় থাকা যে কারও পক্ষেই রায় দিত এবং কেবল সামরিক অভ্যুত্থানকেই সমর্থন করত না, বরং স্বৈরশাসকদের আইন ও সংবিধান পরিবর্তন করার ক্ষমতাও দিত।

২৬তম এবং ২৭তম সংশোধনী সরকারের নির্বাহী শাখাকে বিচার বিভাগের উপর চাপ প্রয়োগ করার এবং বিচারকদের শাসনের পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার ক্ষমতা দিয়ে এই বাস্তবতাকে কেবল আনুষ্ঠানিক ভাবে রূপ দিয়েছে। তবুও এই সংশোধনীগুলি পাকিস্তানের বিচার বিভাগীয় কাঠামোকে অসংগঠিত জগাখিচুড়ি পরিস্থিতিতে রূপান্তরিত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট (এসসি) এখন নবগঠিত ফেডারেল সাংবিধানিক আদালতের (এফসিসি) অধীনস্থ, যার কাছে সুপ্রিম কোর্টের রায় বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে সুপ্রিম কোর্ট এখন বড়জোর উচ্চ আদালতের আপিল শুনবে, যার ফলে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে আর কটি স্তর যুক্ত হবে। এফসিসি প্রতিষ্ঠা পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থাকে উপেক্ষা করে, যেখানে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত প্রতিটি আপিলের ক্ষেত্রে আইনি এবং সাংবিধানিক প্রশ্ন দেখা দেয়। ২৬তম সংশোধনীর অধীনে গঠিত অচিন্তিত সাংবিধানিক বেঞ্চগুলির ক্ষেত্রে ঠিক এটিই ঘটেছে। বিচার ব্যবস্থার সমস্যার মোকাবিলা করা তো দূরের কথা, এফসিসি এটিকে আটকে রাখার ঝুঁকিতে রয়েছে।

২৭তম সংশোধনীর অধীনে পাকিস্তান সেনাপ্রধান এখন একটি সাংবিধানিক পদ এবং একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) হিসেবেও থাকবেন এবং যে কোন রনের মামলা থেকে আজীবন দায়মুক্তি ভোগ করবেন।

বিচার বিভাগের উপর চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি নামে মাত্র ২৭তম সংশোধনী শাসনব্যবস্থার সঙ্কর বা মিশ্র ধরনের বেসামরিক-সামরিক মডেল’কে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে, যা সেই ২০১৮ সাল থেকে কার্যকর ছিল, যখন সেনাবাহিনী নির্বাচনে ইমরান খানের জয়কে কাজে লাগিয়েছিল। তার পর থেকে এই সঙ্কর মডেলটি ক্রমশ সামরিক-প্রধান এবং কে ক্ষমতায় আসবে সে ক্ষেত্রে কম বেসামরিক হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালে সেনা আইনের সংশোধনীতে সমস্ত সেনাবাহিনীর প্রধানদের পাঁচ বছরের মেয়াদ এবং অনির্দিষ্ট কালের জন্য বর্ধিতকরণের সম্ভাবনা ছিল তবে এগুলি বিধিবদ্ধ পদ হিসেবেই রয়ে গিয়েছে২৭তম সংশোধনীর অধীনে পাকিস্তান সেনাপ্রধান এখন একটি সাংবিধানিক পদ এবং একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) হিসেবেও থাকবেন এবং যে কোন রনের মামলা থেকে আজীবন দায়মুক্তি ভোগ করবেন। যদিও সিওএএস/সিডিএফ এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে পাকিস্তানের প্রধান ক্ষমতাধর হিসেবে অভিষিক্ত হয়নি এবং পার্লামেন্ট কেবল নিজেকে এবং বিচার বিভাগকে সেনাপ্রধানের অধীনস্থ করেনি, বরং পাকিস্তান বিমান বাহিনী এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীকেও করেছে সর্বোপরি, সিডিএফকে কৌশলগত (পড়ুন পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র) বাহিনীর কম্যান্ডের উপর প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বেসামরিক নিয়ন্ত্রিত ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি - যা অন্তত কাগজে কলমে পারমাণবিক বিষয়ে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করত - এখন সর্বোপরি সিডিএফ-এর কার্যকরী নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

যদি সিডিএফ পদটি সামরিক অভিযানে যৌথতা বৃদ্ধির জন্য তৈরি করা হত, তা হলে চেয়ারম্যান জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ কমিটি (সিজেসিএসসি) সংস্কারের মাধ্যমেও এটি অর্জন করা যেত, যে পদটি এখন বিলুপ্ত। সিজেসিএসসি ঠিক এই উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল। তত্ত্বগত ভাবে যে কোন পরিষেবা সিজেসিএসসি-র প্রধান হতে পারে। তবে ১৯৯৯ সাল থেকে এই পদটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে এবং এটি একটি আনুষ্ঠানিক পদে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) এবং পাকিস্তান নৌবাহিনী (পিএন) পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক এই পদটি নিয়ে কখনও বড় ভূমিকা পালন করেনি। তবে সিডিএফ অবশ্যই কেবল অন্য দুটি পরিষেবাতেই নয়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীতেও অশান্তি সৃষ্টি করবে। সিডিএফ যদিও পিএএফ এবং পিএন-কে অধীনস্থ করে, তাদের পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহায়ক বাহিনী করে তোলে, তবুও এটি তিনটি পরিষেবাতেই অফিসারদের বৈধ পদোন্নতির সুযোগকে রুদ্ধ করতে পারে। আন্তঃ-সেবা এবং সেই সংক্রান্ত সমীকরণ ঠিক কোন দিকে গড়ায়, তা এখনও দেখার বিষয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক ভাবে কোনও পরিণতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। পিএএফ বেশিরভাগ যুদ্ধে অংশ নেওয়ায় পিএএফ প্রধানের অসন্তুষ্টির গুজব উঠলেও আসিম মুনিরই সেই ব্যক্তি, যিনি অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান যে বিজয়’-এর দাবি করেছিল, তার সমস্ত কৃতিত্ব নিয়েছিলেন।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম আসিফ আলি জারদারিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজীবনের জন্য যে দায়মুক্তি প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করেছিল, তার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বৃহত্তর প্রশ্নগুলি থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এমনকি শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় নেতারাও আজীবনের জন্য দায়মুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন এবং এটিকে ইসলামের চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছিলেন। সিডিএফ/সিওএএস-কে একই রকম দায়মুক্তি প্রদান করা হয়েছিল এবং তা পাকিস্তানের স্বাধীন মিডিয়া সুবিধাজনক ভাবে আড়াল করে রেখেছেদায়মুক্তির সন্ধান কোনও নতুন বিষয় নয়। পাকিস্তানের প্রতিটি সামরিক স্বৈরশাসক একটি বৈধ সরকারের বিরুদ্ধে তার অভ্যুত্থানের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন। যা-ই হোক না কেন, পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর আধিপত্যের কারণে শীর্ষ জেনারেলরা সর্বদাই দায়মুক্তি ভোগ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, যখন নওয়াজ শরিফ সরকার পারভেজ মোশাররফের বিরুদ্ধে মামলা করার চেষ্টা করেছিল, তখন সেনাবাহিনী সরকারকে অস্থিতিশীল করে এবং অবশেষে নওয়াজ শরিফকে অপসারণের জন্য বিচার বিভাগকে ব্যবহার করেছিল। অবশ্যই পাকিস্তানে আইনি দায়মুক্তির কোনও অর্থ নেই কারণ যখন ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, তখন আইনি সুরক্ষা অকেজো হয়ে যায়। যদি এবং যখন আসিম মুনিরের ভাগ্যের চাকা বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করে এবং তাঁ জায়গায় তাঁরই কোনও প্রতিপক্ষ এসে বসেন, তা হলে এই দায়মুক্তির মূল্য আর থাকে না পাকিস্তানে যখন জেনারেল এবং একনায়কদের অপসারণ করা যায় না, তখন তাঁরা প্রায়শই ১৯৮৮ সালে জিয়াউল হকের মতো অগ্নিসংযোগে ঘটনা অথবা নির্বাসনের সম্মুখীন হন, যেমনটা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে মোশাররফ করেছিলেন। আসিম মুনির প্রাক্তন ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) প্রধান ফয়েজ হামিদ-সহ শীর্ষ জেনারেলদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন এবং তাঁদের কারাগারে পাঠিয়ে নজির স্থাপন করেছেন। তাঁর উত্তরসূরি যে- আসুন না কেন, তিনি কিন্তু আসিম মুনিরের প্রতি সদয় না-ও হতে পারেন।

যদি আসিম মুনির জয়ী হন, তা হলে এটিই প্রত্যাশিত পথ এবং পরবর্তী বাজেটের আগে আন্দোলন যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে সে কথা সহজেই অনুমান করা যায়।

২৭তম সংশোধনী কার্যকর হওয়ার পর নতুন সংশোধনী আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু সংশোধনী - যেমন প্রদেশগুলির জন্য জাতীয় অর্থ কমিশন (এনএফসি) দ্বারা বরাদ্দ অর্থবণ্টন পরিবর্তন করা, স্থানীয় প্রশাসনে ক্ষমতা ও তহবিল হস্তান্তর করা, প্রদেশগুলি থেকে শিক্ষা ও জনসংখ্যার মতো কিছু কাজ কেড়ে নেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভবত নতুন প্রদেশ তৈরি করে পাকিস্তানের রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তন করা - ২৭তম সংশোধনী বিল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল কারণ এই বিষয়গুলিতে কোনও রাজনৈতিক ঐকমত্য ছিল না। জেলাগুলিকে উপেক্ষা করে এবং প্রদেশের রাজধানী শহরগুলিতে মনোনিবেশ করে প্রদেশগুলি কী ভাবে এনএফসি নির্দিষ্ট বণ্টননীতির অধীনে প্রদত্ত সম্পদের অপব্যবহার করছে, তার বিরুদ্ধেও সরকার একটি মিথ্যা প্রচারণা শুরু করেছে। জেলাগুলিতে সরাসরি সম্পদ হস্তান্তরের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক দলগুলির আত্মসমর্পণের পর সামরিক বাহিনী আত্মবিশ্বাসী বলে মনে হচ্ছে যে, তারা পিপিপি এবং অন্যান্য দলকে এনএফসি বরাদ্দে পরিবর্তন গ্রহণে এবং সম্ভবত আরও প্রদেশ তৈরিতে সম্মত হতে বাধ্য করতে পারে। যা-ই হোক না কেন, একটি প্ল্যান্ট এফসিসি চালু হলে, এনএফসি বরাদ্দে প্রদেশগুলিকে প্রদত্ত সাংবিধানিক সুরক্ষা বিচার বিভাগ দ্বারা বাতিল করা যেতে পারে র ফলে মিশ্র বা সঙ্কর শাসন পরবর্তী এনএফসি-তে উল্লম্ব নুভূমিক উভয় ধরনের ণ্টন সূত্র পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে। এটি পাকিস্তানের সমস্ত সামরিক সরকারের চিরাচরিত সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা, স্থানীয় সংস্থাগুলিতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা এবং প্রাদেশিক সরকারগুলিকে ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা। যদি আসিম মুনির জয়ী হন, তা হলে এটিই প্রত্যাশিত পথ এবং পরবর্তী বাজেটের আগে আন্দোলন যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে সে কথা সহজেই অনুমান করা যায়।

 


সুশান্ত সারিন অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো।

 


নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Author

Sushant Sareen

Sushant Sareen

Sushant Sareen is Senior Fellow at Observer Research Foundation. His published works include: Balochistan: Forgotten War, Forsaken People (Monograph, 2017) Corridor Calculus: China-Pakistan Economic Corridor & China’s comprador   ...

Read More +